Print Sermon

এই ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য হল ধর্ম্মোপদেশের পান্ডুলিপি এবং ধর্ম্মোপদেশের ভিডিওগুলি বিশ্বব্যাপী পালক ও মিশনারিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে, যেখানে ধর্ম্মতত্ত্বমূলক সেমিনারী বা বাইবেল স্কুল থাকলেও খুব কম রয়েছে|

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে 221টিরও বেশি দেশের প্রায় 1,500,000 কম্প্যুটারে যায়| শত শত লোক ইউটিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসেন| ইউটিউব আমাদের ওয়েবসাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 40টি ভাষায় প্রায় 120,000 কম্প্যুটারে প্রচারিত হয়| প্রচারের পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখনই আপনি ডঃ হেইমার্‍সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্‌সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




হারানো কলেজ ছাত্র লক্ষাধিক
কিন্তু ব্যাপটিস্টরা কোথায়?

MILLIONS OF LOST COLLEGE STUDENTS –
BUT WHERE ARE THE BAPTISTS?
(Bengali)

লেখকঃ ডাঃ আর.এল.হাইমার্স,জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৩ সালের ৩০-শে জুন, লস এঞ্জেলেসের ব্যাপটিস্ট ট্যাবারনেকেলে সদাপ্রভুর সন্ধ্যায়,
এক উপদেশ প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Evening, June 30, 2013


অনুগ্রহ করে আমার সঙ্গে বাইবেলের ম্যাথুজ সুসমাচারের ৯:৩৭,৩৮ খুলুন, আর খ্রীষ্টের বাক্য পড়ার জন্য উঠে দাঁড়ান।

“তখন তিনি আপন শিষ্যদিগকে কহিলেন, শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্য্যকারী অল্প; অতএব শস্য ক্ষেত্রে স্বামীর নিকটে প্রার্থনা কর,যেন তিনি নিজ শস্যক্ষেত্রে কার্যকারী লোক পাঠাইয়া দেন।” (ম্যাথুজ ৯:৩৭,৩৮)

আপনারা বসতে পারেন।

কিছু লোক আমাকে বলেছিলেন যে ইহা মনে হচ্ছে যেন একটু অদ্ভুত যেন আমার মত সংস্কার সাধঙ্কারী পালক প্রায় সময়ে ডাঃ জন আর. রাইসের (১৮৯৫-১৯৮০) উক্তি উদ্ধৃতি করেন। কিন্তু আমি এই বিষয়ে কোন অদ্ভুত বিষয় লক্ষ করি না। গত সপ্তাহে আমি একজন পালককে বলেছিলাম যে আমি রিচার্ড ব্যাক্সটারের (১৬১৫-১৬৯১) বিষয় পড়তে পছন্দ করি, যিনি ছিলেন এক পিউরিটান,এক রুপান্তরসাধনকারী ব্যাক্তি। কিন্তু আমি আবার দেখলাম যে আমাকে এই সুসমাচারের উপরে ডাঃ রাইসের মন্তব্যও পড়ার প্রয়োজন। কেন? কেননা ডাঃ রাইস আমাদের বলেন, আমরাও যেন হারিয়ে যাওয়াদের পিছনে যাই—আর রিচার্ড ব্যাক্সটার আমাদের বলেন তাদের যখন পাই তখন তাদের সঙ্গে আমাদের কি করার প্রয়োজন! আপনি যদি আমাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন তবে আমি বলবো সেটাই তো এক ভালো সমতা!

ডাঃ রাইসের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তিনি এমন কিছু বলেছেন যা আমাদের সকলের কাছেই এক চিত্তাকর্ষক বিষয়। ডাঃ রাইস বলেছেন,

     ইহা একেবারেই অসাধারণ কেননা নুতন নিয়মের মধ্যে তিনবার, বিভিন্ন অবস্থায়, যীশু প্রায় সেই একই কথার উল্লেখ করেছেন।
     সেই বারোজনের প্রতি, যে সময়ে তিনি মহা জনসমাবেশে প্রচুর লোক দেখে করুণাবিষ্ট হয়ে নিজের বিষয়ে বললেন এই মেষেদের কোন মেষপালক নেই, তখন তিনি বললেন, “শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্যকারী লোক অল্প; অতএব শস্য ক্ষেত্রের স্বামীর নিকটে প্রার্থনা কর,যেন তিনি নিজ শস্যক্ষেত্রে কার্যকারী লোক পাঠাইয়া দেন” (ম্যাথুজ ৯:৩৭,৩৮)। তখন শস্যক্ষেত্র প্রচুর হইল।
     পরবর্তী সময়ে, যেহেতু সেই বারোজন সেই সমস্ত উন্মুক্ত দরজাগুলোতে প্রবেশ করতে পারেন না, তারা সেই সমস্ত জায়গা গুলোতে পৌঁছাতে পারলেন না যেখানে সুসমাচারের প্রয়োজন, তাই যীশু আরো সত্তরজনকে পাঠালেন। তারা তো কেউই ছিলেন না। আমরা তাদের একজনের নামও জানি না। সম্ভবত তারা ছিল নুতন কনভার্ট, ততোটা পরিপক্ক মেষ নয়, কিন্তু কেবলই “মেষ,” যাদের যীশু সেই “নেকড়েদের মধ্যে” পাঠিয়ে ছিলেন। আর তিনি তাদের বললেন, “শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্যকারী লোক অল্প; অতএব শস্যক্ষেত্রের স্বামীর নিকটে প্রার্থনা কর, যেন তিনি নিজ শস্যক্ষেত্রে কার্যকারী লোক পাঠাইয়া দেন”(লিউক ১০:২)। আহা, তাঁর কাছেও পরিপক্ক, উত্তম শিক্ষাপ্রাপ্ত খ্রীষ্টিয়ান ছিল না, আর তাই তিনি নুতন কনভার্টদের পাঠিয়েছিলেন কেননা শস্যক্ষেত্র প্রচুর ছিল।
     পুণরায়,যীশু যখন সাইকার নামক সামারিয়ার নগরে তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে কথা বলেন, যে সময় তিনি সামারিয়ার স্ত্রী লোকটির হৃদয় জয় করার পরে সেই মহিলা যখন তার নগরে গিয়ে অন্যদের বলতে থাকে, “এস, একজন মানুষকে দেখ, যিনি আমাকে সমস্ত কিছুই বলে দিলেন যা আমি এ যাবৎ পর্যন্ত করেছিঃএই তিনি কি খ্রীষ্ট নয়?”—আর যে সময়ে নগরের লোকেরা পরিত্রাতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য আসছিল, তখন যীশু তাঁর শিষ্যদের বলেনঃ “তোমরা কি বল না আর চারি মাস পরে,শস্য কাটিবার সময় হইবে? দেখ, আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, চক্ষু তুলিয়া ক্ষেত্রের প্রতি দৃষ্টিপাত কর; শস্য এখনই কাটিবার জন্য শ্বেতবর্ণ হইয়াছে”(যোহান ৪:৩৫)।
     আমাদের কাছে এমন কোন নির্দেশ নেই যেখানে যীশু এই ভাবে ইঙ্গিত প্রদান করেছেন যে সেই শস্য ক্ষেত্রের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে... সেখানে এমন কোন প্রকার লোক নেই যেখানে কাউকে জয় করা যাবে না। মন্ডলীর ইতিহাসে এমন কোন যুগ নেই যেখানে সুসমাচার ইহার পরাক্রমী শক্তিকে হারিয়েছে বা যেখানে পাপীদের পরিত্রাতার কাছে নিয়ে আসা হয়নি.... আর এর পরেই সেই মহান কর্মভারকে ম্যাথুজ ২৮:১৯,২০ পদে উল্লেখ করা হয়। এখানে যীশু এক সরল উদ্ধৃতির মধ্য দিয়ে ইহাকে সমাপ্ত করেন,“দেখ আমিই যুগান্ত পর্যন্ত প্রতিদিন তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে আছি।” এর যে প্রকৃত অর্থ তা নিশ্চিত ভাবেই আমাদের বুঝতে হবে যে খ্রীষ্টের সেই উপস্থিতি আমাদের সেই পরিমাণ শক্তি এবং কৃতকার্যতা প্রদান করবে... ইহা হল শাস্ত্রের অবিসংবাদিত শিক্ষা তা হল সেখানে সবসময়েই এমন লোক থাকবে যাদের খ্রীষ্টের জন্য জয় করা যাবে, আর তাই শস্যক্ষেত্র সব সময়েই শ্বেতবর্ণ হয়ে রয়েছে (John R. Rice, D.D., The Golden Path to Successful Personal Soul Winning, Sword of the Lord Publishers, 1961, pp. 215-217) ।

বেশ কিছু বৎসর আগে টমাস লো বলে এক চাইনিজ পালককে জানতাম। প্রসঙ্গত, যে জায়গাতে আমি তেইশ বৎসর কাল সদস্য ছিলাম সেই জায়গাতেই ভাই লো ছিলেন চাইনিজ ব্যাপটিস্ট মন্ডলীর প্রথম পালক। প্যাস্টর লো ম্যাথুজ ২৮ অধ্যায়ের মহান কর্মভারের বেশ কিছু অংশ উদ্ধৃতি করতেন যেখানে তিনি নিরুৎসাহ হয়ে পড়তেন। প্যাস্টর লো যখন দেখলেন যে আত্মা জয় করা কঠিন ব্যাপার, তখন তিনি বললেন, “মহান কর্মভারে সেখানে একটা প্রতিজ্ঞা রয়েছে যা কেবলমাত্র আমারই জন্য। ইহা বলে ‘লো, আমি সর্বসময়ে তোমার সঙ্গে রয়েছি” (ম্যাথুজ ২৮:২০)। প্যাস্টর লো এটাকে এক কৌতুকের মতো করেই বলতেন, কিন্তু সত্য সত্যই এই প্রতিজ্ঞা আমাদের সকলের জন্যই।

“স্বর্গে ও পৃথিবীতে সমস্ত ক্ষমতা আমাকে দেওয়া হয়েছে। অতএব তোমরা যাও, এবং সমুদয় জাতিকে শিক্ষা দাও.... আর, লো, আমি সব সময়ে তোমার সঙ্গে আছি, এমনকি এই পৃথিবীর শেষ দিনটি পর্যন্ত। আমেন” (ম্যাথুজ ২৮:১৮,১৯,২০)

আমরা জানি যে আমরা এক অন্ধকারময় এবং বিপজ্জনক সময়ে বসবাস করছি। আমি এটাও জানি বয়স্ক লোকেদের শোনানো এবং সুসমাচারের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাবার ব্যাবহারিক ভাবে ইহা কতোই না অসম্ভবের ন্যায়। কিন্তু আমি আবার সেটাও জানি সেখানে আবার বহু হাজার সংখ্যক যুবকেরা রয়েছে। প্রতিটি সেমিস্টারে তারা নিজেদের জন্য প্রাণপন করেন। তাদের এই অনীহাপূর্ণ দুর্দশা দেখে ক্রমাগত ভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছি কেননা ব্যাপটিস্ট মন্ডলীর অধিকাংশই এই প্রকার যুবকদের মতো আচরণ করছে। ব্যাপটিস্টরা কোথায়? আমরা যেন কোন মতেই তাদের তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাবে প্রভাবিত হয়ে না পড়ি। সেখানে সব সময়ই নুতন নুতন যুবক যুবতী রয়েছে যাদের কাছে পৌঁছাতে পারি,আর তাই যীশু বলেছেন,

“তোমরা রাজপথে ও জঙ্গলে বেরিয়ে পড়, আর লোকদিগকে আসিবার জন্য পীড়াপীড়ি কর যেন আমার গৃহ পরিপূর্ণ হয়” (লিউক ১৪:২৩)

“আজকে আমরা কাটবো” – আমরা গান করি!

আজই আমরা কাটবো, নইলে সূবর্ণ ফসল হারিয়ে ফেলবো!
হারানো আত্মাদের জয় করার প্রতি এই দিন আমাদেরই।
আহা এইভাবেই প্রিয়জনের কাউকে অগ্নি থেকে উদ্ধার করবো।
আজই আমরা গিয়ে কিছু পাপীকে ভিতরে আনবো।
(“So Little Time” by Dr. John R. Rice, 1895-1980).

আমার দীর্ঘ সময়ের পালক, ডাঃ টিমোথি লীন, ছিলেন বাইবেলের এক বিখ্যাত পণ্ডিত, অধ্যাপক এবং সেমিনারির প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তিনি আবার এক প্রজ্ঞাশীল পালকও ছিলেন, সম্ভব তাকে আমি প্রজ্ঞাশীল বলেই বিবেচনা করি। তিনি বারবার আমাদের বলতেন যেন কলেজে যে যুবক বয়সের ছেলেরা রয়েছে তাদের কাছে যাই। তিনি বলেছিলেন বয়স্ক লোকেরা অত্যন্ত ভাবেই পক্ষপাত বিশিষ্ট লোক আর তাই তাদের জয় করা অত্যন্ত ভাবেই কঠিন। কিন্তু তিনি বলেছিলেন যে বহু যুবক ব্যাক্তি রয়েছে যে যারা শুণবে, মণ্ডলীতে আসবে, আর পরিত্রাণ লাভ করবে।

আমাদের সেই ছোট্ট চাইনিজ মণ্ডলী থেকে আমরা তেমন ভাবে বাইরে যেতাম না। আমি যখন সেই মন্ডলীতে ১৯-বৎসর বয়সে যোগদান করি তখন সেখানে কেবল অল্প সংখ্যক লোক ছিল আর আমি সেই সময় থেকেই চাইছিলাম যেন মিশনারী হই। এই বর্ত্তমান সময়ে যুবক ব্যাক্তিদের জয় করার জন্য যে সমস্ত আধুনিকতা থাকা দরকার বলে লোকেরা মনে করে সেই মতো কিছু উৎসর্গ করার মতো আমাদের তেমন কিছু ছিল না। কিন্তু আমাদের কাছে যীশুর প্রতিজ্ঞা ছিল,“দেখ, আমি সর্ব্বদা তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে আছি, এই পৃথিবীর শেষ মুহুর্তটি পর্যন্ত” (ম্যাথুজ ২৮:২০)। সঙ্গে সঙ্গে একটা ক্ষুদ্র মণ্ডলীতে আমরা সম্পূর্ণ ভাবেই উপস্থিত ছিলাম। আমার বলার অর্থ হল, আমরা সমর্পিত ছিলাম! হারিয়ে যাওয়া যুবক যবতীদের ভিতরে নিয়ে আসার জন্য আমরা সাহসের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা রাখতাম!

ব্যাপটিস্ট সংঙ্গীতের এক আসল দস্তাবেজ,আমার কাছে নিজের পড়বার কক্ষে রয়েছে, সেই ১৯৬৪ সালের থেকে। কেবল মাত্র সেই সঙ্গীত গুলোই আমাদের রয়েছে—শুধু সেই সঙ্গীতগুলোই। কিন্তু ডাঃ লীনের জেরক্স করা কিছু ধুয়া বা কোরাসও সেই গানের বই-এর ভিতরে সামনের দিকে আঠা লাগিয়ে রাখে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিনের রাত্রে আমি সেই ‘ধুয়া’ গুলি দেখছিলাম-আর ইহা যেন আমার দুচোখ জলে ভরিয়ে তুললো। এখানে সেই সমস্ত ধুয়ার কিছু গান যা ডাঃ লীন প্রায় প্রতি কার্য্যে গাইতেন।

আমার আত্মা রক্ষা করার জন্য, প্রভু, তোমায় ধন্যবাদ,
আমাকে পূর্ণ করার জন্য প্রভু, তোমায় ধন্যবাদ,
আমাকে ক্ষমা করার জন্য প্রভু, তোমায় ধন্যবাদ,
তোমার সেই মহান পরিত্রাণ অত্যন্ত মূল্যবান এবং অঢেল।

একজনকে প্রভুর জন্য জয় করুন,
একজনকে প্রভুর জন্য জয় করুন,
সেই কাজ করার জন্য, প্রভু, তুমি আমায় সাহায্য কর,
একজনকে প্রভুর জন্য জয় করুন।

অনুসরণ কর, অনুসরণ কর, আমি যীশুর অনুসরণ করবো!
যে কোন জায়গায়, প্রতিটি জায়গায়, আমি অনুসরণ করবো!
অনুসরণ কর, অনুসরণ কর, আমি যীশুর অনুসরণ করবো!
তিনি আমাকে সর্বত্র পরিচালিত করেন,আমি তাঁকে অনুসরণ করবো!

মন্ডলীতে ওন লিন বলে এক বালক ছিল। কখনও কখনও আমরা তাকে এই ভাবে বিরক্ত করতাম কোরাস বা ধুয়ার সেই অংশটি গেয়ে, “যে কোন জায়গাতে তিনি আমাদের চালান, আমি ওন-কে অনুসরণ করবো।” বেশ কিছু মাস আগে ওন-কে আমি ডাঃ মারফি লুমের অবসর গ্রহণ উপলক্ষে আয়োজিত ভোজ সভাতে দেখলাম। ওন, এখন একজন চিকিৎসক আর পরিবারের দিক দিয়েও বৃদ্ধি লাভ করেছে। সে ছিল সেই সমস্ত বালকদের মধ্যে একজন যাকে পঞ্চাশ বৎসর আগে মন্ডলীতে নিয়ে আসা হয়েছিল। আর তারপরে আমরা বার বার আরো একটি গান কোরাস/ ধুয়া গাই সঙ্গীতের আগে,

আমি তোমাকে মৎসধারী মনুষ্য করবো,
মৎসধারী মনুষ্য, মৎসধারী মনুষ্য।
আমি তোমাকে মৎসধারী মনুষ্য করবো
যদি তুমি আমাকে অনুসরণ কর।
যদি তুমি আমাকে অনুসরণ কর, যদি তুমি আমাকে অনুসরণ কর,
আমি তোমাকে মৎসধারী মনুষ্য করবো
যদি তুমি আমাকে অনুসরণ কর।

আর কেবলমাত্র সেইটুকুই আমাদের ছিল—কেবলমাত্র সেই সামান্য ধুয়া/ কোরাস্টুকু এবং সেই সঙ্গে উত্তম পুরাতন গানটি। ডাঃ বি.বি.ম্যাককিনের একটা গান আমরা গেয়ে থাকি তা হল এই প্রকার,

প্রভু, আমার হৃদয়ে কিছু আত্মাকে দাও,
আর আমার দ্বারা সেই আত্মাগুলিকে প্রেম কর;
আর সাহসের সঙ্গে আমার অংশ করতে দাও
যেন সেই আত্মাকে তোমার জন্য জয় করি।
তোমার জন্য কিছু আত্মা, তোমার জন্য কিছু আত্মা,
এটাই আমার আন্তরিক বিনতী;
জীবনের এই পথে [আজকে] আমায় তুমি সাহায্য কর,
যেন কিছু আত্মাকে তোমার জন্য জয় করি।
(“Lord, Lay Some Soul Upon My Heart” by Dr. B. B. McKinney, 1886-1952;
      altered by the Pastor).

গানটি আমার সঙ্গে গান!

তোমার জন্য কিছু আত্মা, তোমার জন্য কিছু আত্মা,
এটাই আমার আন্তরিক বিনতি;
জীবনের এই পথে [আজকে] আমায় তুমি সাহায্য কর,
যেন কিছু আত্মাকে তোমার জন্য জয় করি।

এখন কেবলমাত্র মহিলারা ধুয়া / কোরাসের অংশটি গাইবে (এই ভাবে তারা গায়)। এখন সকলে মিলে ইহা গান। (তারা গাইতে থাকে)। আমেন এবং আমেন!

আগে আমি যেভাবে বলেছি, আমাদের জন্য যথেষ্ঠ কিছু হচ্ছিল না। আজকে রাত্রে আমাদের মন্ডলীতে যতজন রয়েছি তাদের মধ্যে কেবলমাত্র তৃতীয়াংশ বেরিয়ে পড়লাম। আমরা যীশু খ্রীষ্টকে প্রচার করার জন্য বেরিয়ে পড়লাম। যুবকদের জয় করার প্রতি আমাদের মধ্যে ভরপুর উদ্দীপনা এলো! আমি জানি এটা শুণতে ফালতু মনে হচ্ছে যেন। কিন্তু এর থেকে আর ভালো পন্থা তো আর চিন্তাই করতে পারছিলাম না আর ইহাকে সেই ভাবে বলার প্রতি আর তথাপি ইহা যে কঠিন ছিল সেই পরিচয়ই বহন করে। দিনে পনেরো ঘন্টা (বাড়িয়ে বলছি না) ভেকেশান বাইবেল খুলে কাজ করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি আসার পথে গাড়ির জানালাগুলো খুলে দিলাম যাতে চালিয়ে আসার পথে ঘুমিয়ে না পড়ি! কিন্তু, আপনি কি জানেন, সেগুলো, ছিল অত্যাশ্চর্য্য আনন্দের দিন! আমার জ্ঞানে সেগুলিই ছিল সব থেকে সুখদায়ক দিন। আমরা আত্ম-পরিতৃপ্ত প্রদানকারী কাজ করছিলাম! আমরা অর্থপূর্ণ কাজ করছিলাম, সেই কাজ যা আমাদের জন্য অনন্তকালের জন্য পুরষ্কার উৎপন্ন করবে!... আর তার পরেই এক বিরাট উদ্দীপনা আসে! রাতের পর রাত, বহু শতাধিক ব্যাক্তি নিজেদের সমর্পণ করতে থাকে! আর তা অতি শীঘ্র ক্যালিফোর্ণিয়াতে চাইনিজ ব্যাপটিস্ট মন্ডলীকে বৃদ্ধি দিতে শুরু করে! কিন্তু তা ঘটে ক্রমাগত ভাবে দশ বৎসর যাবত প্রার্থনার দ্বারা আর এমন ভাবে কাজ করছিলাম যা অন্য কোন মন্ডলী এই বিষয়ে জানতো না। ঈশ্বর কি সেই কাজ এখানেও করবেন? হতে পারে করবেন। হ্যাঁ, হতে পারে, অবশ্যই তা করবেন! মিঃ কিউ ডং লি’র মতো প্রার্থনাশীল যোদ্ধার দ্বারা ঈশ্বর একদিন আমাদের মন্ডলীতেও উদ্দীপনার অগ্নিকে প্রেরণ করবেন। কিন্তু আমাদের সময়ের মধ্যে তিনি আছেন কি’না তার জন্য সব সময় মনে রাখবেন সেই শস্যক্ষেত্র “ইতিমধ্যেই শ্বেতবর্ণ হয়েছে চয়ন করিবার জন্য” (যোহান ৪:৩৫)। আসুন ক্রমাগত ভাবে যীশুর মধ্যে থাকি এবং,

একজনকে প্রভুর জন্য জয় করতে,
একজনকে প্রভুর জন্য জয় করতে,
প্রভু, তা করতে তুমি আমাকে সাহায্য কর,
একজনকে প্রভুর জন্য জয় করতে।

আমি তোমাকে মৎসধারী মনুষ্য করবো,
মৎসধারী মনুষ্য, মৎসধারী মনুষ্য।
আমি তোমাকে মৎসধারী মনুষ্য করবো
যদি আমার অনুসারী হও।
যদি আমার অনুসারী হও, আমার অনুসারী হও
আমি তোমাকে মৎসধারী মনুষ্য করবো
যদি আমার অনুসারী হও। আমেন!

নিশ্চয়ই, আমাদের উদ্দেশ্যে এমন নয় কোন একজনকে কেবলমাত্র “পাপীর প্রার্থনা” বলানো। সেটা তাদের মন্ডলীর মধ্যে নিয়ে আনে না। আমি দেখেছি কেবলমাত্র খুব অল্প সংখ্যক লোকই সেই ভাবে আসে—খুবই অল্প সংখ্যক! প্রায় কেউ নয় বললেই হয়! আমার মনে পড়ে ২৫ বৎসর আগেকার কথা যখন আমি একজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম! ইহা সেইভাবে ফলদায়ী কিছু ছিল না। হারিয়ে যাওয়া লোকেদের আমাদের যথেষ্ঠভাবেই ভালোবাসতে হবে যাতে তাদের প্রতি যত্নশীল হতে পারি। আমাদের প্রয়োজন রয়েছে তাদের মন্ডলীর মধ্যে নিয়ে আনার, আমরা যেন এমন আশা না করি যে তারা নিজে থেকে আসবে, আমাদের তাদের নিয়ে আসতে হবে। যারা আমাদের মন্ডলী পরিদর্শন করতে আসে, আমাদের তাদের কাছে পৌঁছানোর প্রয়োজন রয়েছে। আর কেবলমাত্র তারা নিজে থেকে আসুক এই প্রত্যাশা যেন আমরা না রাখি। ঈশ্বর তাদের আমাদের হাতে দিয়েছেন তাদের সকলের প্রতি পৌঁছানোর জন্য যত্নশীল হয়ে ওঠার প্রয়োজন আছে। এই ভাবেই আপনিও ভিতরে এসেছিলেন। আপনার করণিয় পরিচর্যা কাজ হল এটাই। আজকে সকালে ডাঃ লী’র পঞ্চাশতম জন্ম দিন ভিডিও-তে দেখে অত্যন্ত ভাবেই সন্তুষ্ট হয়েছি। উপরে, হলে, আমরা যখন সহভাগীতার সময়ে সন্ধ্যার খাবার খাচ্ছিলাম, তখন কিছু সময়ের মধ্যে সেই ভিডিওটি আবার প্রদর্শন করা হবে। মিঃ লী-র ভিডিও-তে আমরা দেখেছি তিনি দীর্ঘসময় ধরে একজন নতুন যুবককে সময় দিচ্ছিলেন। তিনি এই একই কাজ প্রায় প্রতি শণিবার করে থাকেন। মিঃ লী কোন একদিন তাদের কাউকে সেইভাবে দেখবেন ঠিক যে ভাবে আমি ডাঃ ওন লিন’কে সেই ভোজে দেখতে সক্ষম হয়েছিলাম। যাদের প্রতি আপনি যত্নশীল তাদের কাউকে আপনি দেখতে সক্ষম হবেন আমি চলে যাওয়ার পরেও; আর তখন আপনি সাদা চুলের এক বৃদ্ধ ব্যাক্তি হয়ে উঠবেন। আর তখন এই পৃথিবীতে এমনই পরিতৃপ্তি লাভ করবেন যেন অন্য কোন কিছুই এর সমান নয়!

মিঃ জ্যাক নাগান, যখন একদল নতুন যুবকদের নিয়ে যাচ্ছিলেন তা দেখে আমি খুবই আনন্দিত হলাম, তাদের মধ্যে ২৫ জন ছিল যাদের বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছিলাম যে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তাদের সুন্দর সময় ছিল। খুবই ভালো, জ্যাক! ভালোর থেকেও যেন একটু অধিক! তার স্ত্রী-র গর্ভে সন্তান রয়েছে সে যে কোন সময়ে জন্মগ্রহণ করবে। বাড়ির চারপাশে বসে তারা কি করছে? জ্যাক ও শীলা প্রতি সন্ধ্যায় কেবল যে মন্ডলীতে আসে তাই নয়—তারা এর থেকেও বেশি কিছু করছে—যারা নতুন আসে তাদের প্রতি যত্ন নিচ্ছে আর এই মন্ডলীতে এখানেই তাদের বাড়ির মতো করেই অনুভব করাতে চাইছে। আমার সবচেয়ে পুরাতন চাইনিজ পালক ডাঃ লীন বলতেন, “সেখানে তার মধ্যে থাকবে প্রজ্ঞা, এতটাই প্রজ্ঞা যা আমি আর অন্য কোন আমেরিকার পালকের কাছ থেকে শুনিনি! “মন্ডলীকে আপনার দ্বিতীয় বাড়ি করে তুলতে হবে।”

মিঃ লী এবং জ্যাক ও শীলা নাগনের উদাহরণ অনুসরণ করুন! ইহাকে করুন! ইহাকে করতে থাকুন! নতুন পরিদর্শকদের ফোন নাম্বার সংগ্রহ করুন। তাদের ডাকুন। তাদের খবর দিতে থাকুন। মন্ডলীর মধ্যে তাদের সংগে কথা বলুন। তাদের সঙ্গে বসুন। একজন যে ভাবে আপনাকে সাহায্য করেছেন, সেই ভাবে তাদেরও সাহায্য করুন! “আজই আমরা চয়ন করবো!” ডাঃ রাইসের গানটা আবার গান। কেবল মাত্র ধুয়া অংশটি।

আজই আমরা কাটবো, নইলে সূবর্ণ ফসল হারিয়ে ফেলবো!
হারানো আত্মাদের জয় করার প্রতি এই দিন আমাদেরই।
আহা এইভাবেই প্রিয়জনের কাউকে অগ্নি থেকে উদ্ধার করবো।
আজই আমরা গিয়ে কিছু পাপীকে ভিতরে আনবো।

এই গল্পটা আমি আগেও বলেছি কিন্তু ইহাকে পুণরায় উল্লেখ করাটা মূল্যবান। উনবিংশতিতম শতাব্দীর আগে, শিকাগোতে এক কিশোর বালক থাকতো যে লা-সালেঁ স্ট্রীটে মুডির মন্ডলীতে প্রতি রবিবার বেশ কিছু মাইল হেঁটেই সেখানে আসতো। প্রতিদিন রবিবারের সকালে একটা বড় মন্ডলীর একজন প্রাচীন সেই বালককে বাইবেল হাতে নিয়ে যেতে দেখলেন। একদিন সকালে সেই প্রাচীন, বালককে জিজ্ঞাসা করলেন যে, সে কোথায় যাচ্ছে। সেই বালক কিশোর বললো আমি ডাঃ মুডির মন্ডলীতে যাচ্ছি। সেই প্রাচীন বললেন, “আরে সে তো অনেকটা দূরে, হেঁটে যেতে হয়। তুমি এখানে এই মন্ডলীতে আসছো না কেন?” সেই বালক বললো, “না ধন্যবাদ। আমি মিঃ মুডির মন্ডলীতে যাচ্ছি। তারা জানে কি ভাবে লোককে ভালোবাসতে হয়।”

আপনাদের মন্ডলীতে হারিয়ে যাওয়া লোকেরা যখন আসে তখন তাদের সেটাই অনুভব করা দরকার মন্ডলীতে এসে। তাদের চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে, “তারা জানে কি ভাবে লোককে ভালোবাসতে হয়।” তাই আমাদের এই মন্ডলীতে যুবক ব্যাক্তিদের সেই ভালোবাসা অনুভব করাবার জন্য আসুন আমরা কঠিন পরিশ্রম করার চেষ্টা করি! সেই ধুয়াটা আবার গাই!

আজই আমরা কাটবো, নইলে সূবর্ণ ফসল হারিয়ে ফেলবো!
হারানো আত্মাদের জয় করার প্রতি এই দিন আমাদেরই।
আহা এইভাবেই প্রিয়জনের কাউকে অগ্নি থেকে উদ্ধার করবো।
আজই আমরা গিয়ে কিছু পাপীকে ভিতরে আনবো।

আমেন। আপনারা যারা হারিয়ে গিয়েছেন আপনাদের জন্য সেখানে আরো কিছু রয়েছে। হ্যাঁ, এই প্রকার উত্তেজনাপূর্ণ মন্ডলীতে আসাটা বিরাট বিষয়। কিন্তু যীশু খ্রীষ্টকে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভাবে জানাটা হলো আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার পাপের জন্য সম্পূর্ণ মূল্য মিটিয়ে দেওয়ার প্রতি ক্রুশের উপরে, আপনার জায়গাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। আপনাকে সমস্ত পাপ থেকে পরিষ্কার করার জন্য তিনি তাঁর মূল্যবান রক্তকে প্রদান করেছেন। এখন তিনি স্বর্গে জীবিত হয়ে আপনার জন্য প্রার্থনায় মধ্যস্থতা করছেন! আমি আপনাকে বলছি আপনার পাপ থেকে ফিরে আসুন আর নিজেকে খ্রীষ্টের অনুগ্রহের সামনে নিজেকে তুলে দিন। তাঁর উপরে নির্ভর করুন, আর তিনি আপনাকে উদ্ধার করবেন। আপনার পাপের ক্ষমাদান করবেন, তাঁর নিজের রক্তে আপনাকে পাপ থেকে পরিষ্কার করবেন এবং আপনাকে অনন্ত জীবন দান করবেন। আপনি যদি আমাদের সংগে কথা বলতে চান খ্রীষ্টকে জানার জন্য, তবে আমি চাইবো আপনার বসার জায়গা পরিত্যাগ করে এই অডিটরিয়ামের পিছনের কক্ষে চলে যান। ডাঃ কাগান আপনাকে একটি নীরব স্থানে নিয়ে যাবেন যেখানে আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন এবং আপনার জন্য প্রার্থনা করবেন। আমরা যখন সঙ্গীত নং-৭ সংখ্যার গানটি গাই তখনই আপনি অডিটরিয়ামের পিছনে চলে যান।

কতোটা সহজ ভাবে তাঁর নির্যাতনকারী ক্ষত যীশুর প্রেমে দেখালেন।
সেই ক্ষত যেখান থেকে প্রায়শ্চিত্তের গাঢ় রক্তের প্রবাহ ঝরছে, রক্তের প্রায়শ্চিত্ত স্বরুপ প্রবাহ।

কিভাবে কণ্টকময় রক্তরঞ্জিত মুকুট খ্রীষ্টের সুন্দর মস্তককে বিধ্বস্ত করলো!
কিভাবে সেই পেরেক বিদ্ধ হাত ও পা ভয়ঙ্কর যাতনায় তীব্র হল!
ভয়ঙ্কর যাতনায় তীব্র হল!

তিনি নিজের মাথা নত করে নিজের প্রেমিক আত্মাকে শূন্য করলেন
আর আমাদের জন্য যখন সিংহাসনে উত্থিত হলে তাঁর প্রার্থনা নিবেদন করলেন,
তাঁর প্রার্থনা তিনি নিবেদন করলেন।

আহা,আইস,সকলে আইস,যাদের মধ্যে মৃত্যুজনক পাপের ময়লা পাওয়া গিয়েছে;
আইস, তাঁর সমস্ত রক্ষাকারী রক্তে ধৌত হও, আর তবেই তুমি পবিত্র হবে;
আর তবেই তুমি পবিত্র হবে।
(“Jesus Wounded” by Edward Caswell, 1849; to the tune of
      “Majestic Sweetness Sits Enthroned”).

ডাঃ চ্যান, যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাদের জন্য এখানে এসে প্রার্থনা করুন। আমেন।

সংবাদের পরিসমাপ্তি
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

অথবা আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net
অথবা আপনি তাকে পত্র লিখতে পারেনঃ পোস্ট বক্স ১৫৩০৮, লস এঞ্জেলেস, সিএ ৯০০০১৫,
এই ঠিকানায় অথবা আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (৮১৮)৩৫২-০৪৫২

সংবাদের আগে শাস্ত্রের যে অংশ পাঠ করা হয়েছে, তা করেছেন মিঃ আবেল প্রধম্মে লিউক ১০:১-৩
সংবাদের আগে একক সংগীত গেয়েছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিন গেইড গ্রীফিথঃ
“So Little Time” (by Dr. John R. Rice, 1895-1980).