Print Sermon

এই ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য হল ধর্ম্মোপদেশের পান্ডুলিপি এবং ধর্ম্মোপদেশের ভিডিওগুলি বিশ্বব্যাপী পালক ও মিশনারিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে, যেখানে ধর্ম্মতত্ত্বমূলক সেমিনারী বা বাইবেল স্কুল থাকলেও খুব কম রয়েছে|

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে 221টিরও বেশি দেশের প্রায় 1,500,000 কম্প্যুটারে যায়| শত শত লোক ইউটিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসেন| ইউটিউব আমাদের ওয়েবসাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 40টি ভাষায় প্রায় 120,000 কম্প্যুটারে প্রচারিত হয়| প্রচারের পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখনই আপনি ডঃ হেইমার্‍সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্‌সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




পরিত্রাতার বিজয়!

ঈশা ৫৩-অধ্যায়ের দ্বাদশতম (১২) উপদেশ
THE SAVIOUR’S TRIUMPH!
(SERMON NUMBER 12 ON ISAIAH 53)
(Bengali)

ডাঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৩ সালের ১৪-ই এপ্রিল লস এঞ্জেলেসের ব্যাপটিস্ট ট্যাবারনেকেলে
সদাপ্রভুর দিনে এক সকালবেলা এই সংবাদ প্রচারিত হয়
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Morning, April 14, 2013

“তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ূ হইবেন এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে” (ঈশা ৫৩:১০)


ঈশা ৫৩-র প্রথমভাগ খ্রীষ্টের তুষ্টিসাধনকারী মৃত্যু সম্বন্ধে বলে। এই বিষয়ে আমি গত রাত্রে প্রচার করেছিলাম। এই পদের প্রথম অর্দ্ধাংশ দেখায় যে তাঁর পুত্রের দুঃখভোগ করবার পেছনে পিতা ঈশ্বরই প্রতিনিধি, তিনিই হলেন একজন যিনি ইহাকে চূর্ণ করলেন। ডাঃ মেরিল এফ. উঙ্গার বলেছেন, “তঁকে প্রবল্মনোবেদনার মধ্য দিয়ে সদাপ্রভু চুর্ণ করলেন” (Merrill F. Unger, Ph.D., Unger’s Commentary on the Old Testament, Moody Press, 1981, volume II, p. 1299). ঈশা ৫৩-অধ্যায়ের প্রথম অর্দ্ধাংশ অর্থাৎ ১০-পদ বলে,

“তথাপি তাঁহাকে চূর্ণ করিতে সদাপ্রভুরই মনোরথ ছিল; তিনি তাঁহাকে যাতনাগ্রস্ত করিলেন, তাঁহার প্রাণ যখন দোষার্থক বলি উৎসর্গ করিবে....”(ঈশা ৫৩:১০)

কিল এবং ডেলিটজ এর Commentary on the Old Testament বলে,

এই প্রকার গভীর যাতনার মধ্যে চূর্ণ করে ও গভীর দুঃখের দ্বারা মানুষ [খ্রীষ্টকে] যন্ত্রণা প্রদান করেছিলেন; কিন্তু এর মুখ্য যে [কারণ] তার পিছনে ছিলেন ঈশ্বর নিজে, যিনি মানুষের পাপকে তাঁর আনন্দের, তাঁর ইচ্ছার এবং পূর্ব নির্ধারিত পরামর্শের জন্যই [সেবা] করেছিল (Eerdmans, 1973 reprint, vol. VII, part II, p. 330).

কিন্তু এখন আমরা ঈশা ৫৩:১০ পদের দ্বিতীয় অংশে দেখি যে খ্রীষ্টের দুঃখভোগ থেকে কি বেরিয়ে আসছে ও তাঁর দুঃখভোগ কি উৎপন্ন করছে। তাঁর যন্ত্রণাভোগ এবং মৃত্যু তাঁর বিজতী পুণরুত্থানের এক ভিত্তিস্থল এবং এই পৃথিবীতে তাঁর লোকেদের এক বিজয় স্থাপন করে দিয়েছে! অনুগ্রহ করে পুণরায় উঠে দাঁড়িয়ে পদের অর্দ্ধেক অংশটিকে পড়ুন ও সেই শব্দ থেকে আরম্ভ করুন “তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন।”

“......তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ূ হইবেন এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে” (ঈশা ৫৩:১০বি)

আপনারা সকলে বসতে পারেন। খ্রীষ্টের যন্ত্রণা ভোগের মধ্য দিয়ে কি আশ্চর্য্য ফল সেই অংশ থেকে আসছে তা লক্ষ্য করুন!

১. প্রথম, তিনি আপন বংশ দেখিবেন!

“তিনি আপন বংশ দেখিবেন” (ঈশা ৫৩:১০)

সেটাই হল যীশুর যন্ত্রণা ভোগের প্রথম পরিণাম। “তিনি আপন বংশ দেখিবেন” ইহা নির্দেশ করে খ্রীষ্টের আত্মিক বংশ, তাঁর বংশ। লক্ষ লক্ষ লোক খ্রীষ্টকে জানতে পেরেছে আর তাঁর “বংশে” পরিণত হয়েছে। যীশু যখন এই কথা বলেন তখন তিনি এই ভাবে ভবিষ্যৎবাণী করেন,

“আর পূর্ব ও পশ্চিম হইতে এবং উত্তর ও দক্ষিণ হইতে লোকেরা আসিয়া ঈশ্বরের রাজ্যে বসিবে” (লিউক ১৩:২৯)

সেই পঞ্চাশত্তমির দিন থেকে, বিশ্বের সমুদয় দেশ থেকে অগণিত লোক খ্রীষ্টের কাছে এসেছেন। আর পরিশেষে খ্রীষ্ট যখন স্বর্গ থেকে পুণরায় এই জগতে ফিরে আসবেন তখন,

“তাঁর বংশ দেশের অধিকারী হবে” (গীতসংহিতা ২৫:১৩)

কিন্তু তাঁর বংশকে দেখার জন্য তাঁর আগমন পর্যন্ত খ্রীষ্টকে অপেক্ষা করার দরকার নেই। ঠিক মৃত্যু থেকে তাঁর পুণরুত্থানের পরেই তারা তাঁকে দেখেছে ও তিনিও তাদের দেখেছেন! প্রেরিত পৌল বলেছেন,

“আর তিনি সেফাসকে [পিটার], পরে সেই বারো জনকে দেখা দিলেন; তাহার পরে একেবারে পাঁচশতের অধিক ভ্রাতাকে দেখা দিলেন, তাহাদের অধিকাংশ লোক অদ্যাপি বর্তমান রহিয়াছে, কিন্তু কেহ কেহ নিদ্রাগত হইয়াছে। তাঁহার পরে তিনি জ্যাকবকে, পরে সকল প্রেরিতকে দেখা দিলেন” (১-ম করিনথিয়ানস ১৫:৫-৮)।

তাঁর বংশ তাঁকে দেখিবে। প্রেরিত যোহান ইহাকে যেমন ভাবে উল্লেখ করেছেন,

“যাহা আদি হইতে ছিল। যাহা আমরা শুণিয়াছি, যাহা স্বচক্ষে দেখিয়াছি, যাহা নিরীক্ষণ করিয়াছি এবং স্বহস্তে স্পর্শ করিয়াছি, জীবনের সেই বাক্যের বিষয় লিখিয়াছি” (১-ম যোহান ১:১)।

তিনি যখন মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে উঠলেন, তখন তিনি আপন বংশকে দেখিলেন,

“আর সেই দিন.... যীশু আসিয়া মধ্যস্থলে দাঁড়াইলেন এবং তাঁহাদিগকে কহিলেন, তোমাদের শান্তি হউক। ইহা বলিয়া তিনি তাহাদিগকে আপন দুই হস্ত ও কুক্ষিদেশ দেখাইলেন। অতএব প্রভুকে দেখিয়া শিষ্যেরা আনন্দিত হইলেন” (যোহান ২০:১৯-২০)।

“তিনি আপন বংশ দেখিবেন।”

তারা তাঁকে দেখেছিল এবং তিনি তাদের দেখেছিলেন আর তারা ছিল তাঁর বংশ, তাঁর আত্মিক সন্তান সন্ততি! তিনি যখন মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে উঠলেন তখন তিনি তাঁর বংশকে দেখিলেন!

স্বর্গে ফিরে যাওয়ার পরে বা স্বর্গে উন্নীত হওয়ার পরে পবিত্র আত্মার পরাক্রমী শক্তি পরাক্রমের সংগে পরিচালিত হলে বহু হাজার সংখ্যক পরিবর্তিত বা রুপান্তরিত হন। পুণরায় ঈশা বইয়েতে যে ভাববাণী করা হয়েছিল তা পরিপূর্ন হয়। স্বর্গ থেকে অবলোকন করে, যীশু তাঁর বংশকে দেখলেন। আর এইরুপ আমরা প্রেরিত বইয়ের সর্বত্র তা দেখতে পাই। গৌরবের মধ্যে পুণরুত্থিত খ্রীষ্ট অবলোকন করলেন এবং দেখলেন বিপুল সংখ্যক তাঁতে নির্ভর করলেন এবং তাঁর বংশে পরিণত হলেন।

আর এইভাবে শতাব্দী ব্যাপি তাই হয়ে চলেছে। যীশু স্বর্গ থেকে অবলোকন করলেন আর সমুদয় বিশ্বে বিপুল সংখ্যায় তাঁর বংশ যে বর্ধিষ্ণু হয়ে চলেছে তা দেখলেন; এই ভাবে তা “পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে, উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে তা পরিপূর্ণ করলেন এবং ... স্বর্গের সিংহাসনে বসলেন” (লিউক ১৩:২৯)।

হ্যা৬, সেই প্রতিজ্ঞা বহু লক্ষাধিক সময়ে ইতিহাসের সর্বত্রই এবং এই পৃথিবীর কোণে কোণে পূর্ণতা লাভ করেছে।

“তিনি আপন বংশ দেখিবেন।”

আপনি যখন বিশ্বাসে খ্রীষ্টের কাছে আসেন, তখন তিনি আপনাকেও দেখবেন। আর সেই কথোকপথনের মধ্য দিয়েই যারা তঁর বংশ তাদের মধ্যে আপনি প্রবেশ করবেন তা এই পৃথিবীতে এবং স্বর্গে।

“তিনি আপন বংশ দেখিবেন।”

পুণরুত্থিত খ্রীষ্ট সেই প্রকার আশীর্বাদপূর্ণ এবং গৌরবজ্জ্বল এক দৃশ্য অবলোকন করেছেন তাতে আমরা কতোই না আনন্দিত—সমস্ত জাতি এবং বংশের মধ্য থেকে নারী ও পুরুষ তাঁর উপরে বিশ্বাস করছেন আর চিরকালের জন্য তাঁর সংগে যোগদান করছেন! হ্যাঁ,

“তিনি আপন বংশ দেখিবেন।”

একদিন রাত্রে আমি ও আমার স্ত্রী উভয়ে এক অদ্ভুত ডিভিডি দেখি। ইহা দেখাচ্ছে যে ইরাণে, একের পর এক মুসলমানেরা খ্রীষ্টের প্রতি ফিরে খ্রীষ্টিয়ান হচ্ছেন। ইরাণের এক মুসলমান মহিলা বলেছেন, “আমি আমার সমস্ত আশা যেন হারিয়ে ফেলেছি।” এর পরে তিনি যীশুতে নির্ভর করলেন। এক যুবক ব্যাক্তি বললেন,“আমি মুসলমান থাকতে চাইনা।” তিনি নিজেও যীশুতে নির্ভর করে খ্রীষ্টিয়ান হয়েছেন। ১৫০০ বৎসরের মধ্যে অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় ইরাণে বহু লোক যীশুর উপরে নির্ভর করছেন! মুসলমান দেশগুলিতে হাজার হাজার যুবক যুবতীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খ্রীষ্টিয়ান হচ্ছেন! আজকে মুসলমান বিশ্বেও “তাঁর বংশ” যে গুণণশীল হারে বর্ধিষ্ণু হচ্ছে ইহা যীশু দেখছেন! আর আমাদের উপদেশ ওয়েব সাইটের মাধ্যমে সেখানেও, সেই আরব জগতে পৌঁছে যাচ্ছে!

আর সেই শেষ বিজয়ে, খ্রীষ্ট যখন এই পৃথিবীতে তাঁর রাজ্য স্থাপন করতে আসবেন তখন তিনি তাঁর নিজের প্রতাপেই উপস্থিত হবেন, আর তখন তিনি রাজাদের রাজা ও প্রভুদের প্রভু হিসাবেই রাজত্ব করার জন্য ফিরে আসবেন,

“তাঁহার বংশ দেশের অধিকারী হইবে” (গীতসংহিতা ২৫:১৩)

কেননা সদাপ্রভুর মুখ হইতে এই বাক্য নির্গত হইয়াছে “তিনি আপন বংশ দেখিবেন!” “যীশু রাজত্ব করবেন।” আসুন ইহাকে গাই!

পুত্ররুপেই যীশু রাজত্ব করিবেন
সেই ভাবেই তাঁর কার্য্যকারী যাত্রা এগিয়ে যাবে
তাঁর রাজত্ব এক সীমা থেকে অপর সীমায় প্রসারিত হবে
যতক্ষণ পর্যন্ত না চন্দ্রের আলো নিষ্প্রভ হয়।
(“Jesus Shall Reign” by Isaac Watts, D.D., 1674-1748).

২. দ্বিতীয়, তিনি তাঁকে দীর্ঘায়ূ করবেন!

যীশুর মৃত্যুতে আরো একটি মহৎ ফল দেখার জন্য আসুন আমরা আবার আমাদের পাঠ্যংশের দিকে মানে ঈশা ৫৩:১০এর কথায় ফিরে আসি।

“তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ূ হইবেন....” (ঈশা ৫৩:১০)

খ্রীষ্টের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রভাব হলো, “তিনি তাঁকে দীর্ঘায়ূ করবেন,” কেননা তিনি যখন ক্রুশে মৃত্যুবরণ করেন তখন তাঁর জীবন সমাপ্ত হয় নি। মৃত্যুতে কবরের মধ্যে তাঁকে বেশী সময় থাকতে হয় নি। তৃতীয় দিনের আগমন হয়, আর বিজয়ী খ্রীষ্ট জীবনে ফিরে আসেন। তিনি মৃত্যুর শৃঙ্খলকে চূর্ণ বিচূর্ণ করেন এবং কবর থেকে বেরিয়ে আসেন, আর পুণরায় মৃত্যু তাঁকে আর দেখতে হয় নি! “ফলতঃ তাঁহার যে মৃত্যু হইয়াছে, তাদ্বারা তিনি পাপের সম্বন্ধে একবারই মরিলেন এবং তাঁহার যে জীবন আছে, তাদ্বারা তিনি ঈশ্বরের সম্বন্ধে জীবিত আছেন”(রোমিয় ৬:১০)।

“কারণ আমরা জানি, মৃতগণের মধ্য হইতে উঠিয়াছেন বলিয়া খ্রীষ্ট আর কখনও মরেন না, তাঁহার উপরে মৃত্যুর আর কর্ত্তৃত্ত্ব নাই” (রোমিয় ৬:৯)

আসুন আমরা গাই “তিনটি বিষণ্ন দিন!”

তিনটি বিষণ্ন দিন সত্বর চলে গেল;
গৌরবের সঙ্গে তিনি মৃত্যু থেকে জীবিত হলেনঃ
সমস্ত গৌরব আমাদের জীবন্ত ত্রাতার! হাল্লেলুইয়া!
হাল্লেলুইয়া! হাল্লেলুইয়া! হাল্লেলুইয়া!
(“The Strife is O’er,” translated by Francis Pott, 1832-1909).

“তিনি তাঁকে দীর্ঘায়ূ করিবেন,”

“কিন্তু তিনি অনন্তকাল থাকেন..... কারণ তাদের [আমাদের] নিমিত্ত অনুরোধ করনার্থে তিনি সতত জীবিত আছেন” (হিব্রুজ ৭:২৪,২৫)

স্পারজিউন বলেছেন, “স্বর্গের উচ্চতম স্থান থেকে এই পৃথিবীতে তাঁর অগণত বংশের প্রতি অবলোকন করলেন। স্বর্গে যত তারকা রয়েছে, গ্রীষ্মের অগণিত ধুলিকণার ন্যায় যীশুখ্রীষ্টের বংশ রয়েছে” (C. H. Spurgeon, The Metropolitan Tabernacle Pulpit, Pilgrim Publications, 1978 reprint, volume 51, p. 565).

তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ূ হইবেন....” (ঈশা ৫৩:১০)

৩. তৃতীয়, তাঁর কার্য্য সকল সমৃদ্ধশালী হবে!

আসুন একত্রে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি, এই শেষ অনুচ্ছেদটির প্রতি সতর্ক ভাবে মনোযোগ রাখি, আসুন এই শব্দ দিয়ে শুরু করি “এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ।”

“তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ূ হইবেন এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে” (ঈশা ৫৩:১০)

যীশুর মৃত্যুর সেটাই হল তৃতীয় পরিণাম, “এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে।” স্পারজিউন বলেছেন,

তিনি নতুন জীবন নিয়ে মৃত্যু থেকে পুণরুত্থিত হওয়ার উনবিংশতিতম শতাব্দী উত্তীর্ণ হলেও তিনি আজও জীবিত আছেন, আর আমরা জানি তাঁর দিন সকল, যতদিন পর্যন্ত এই পৃথিবী থাকার তা ক্রমাগত ভাবেই জীবিত থাকবে। এমন কি যতক্ষণ পর্যন্ত না তাঁর দিন প্রসারিত হচ্ছে, পরে তিনি পিতার হস্তে ঈশ্বরের রাজ্যকে সমর্পিণ করবেন। যদিও পর্বত সকল অবলুপ্ত হয়,যদিও আকাশের আচ্ছাদন সকল গুটিয়ে ফেলা হয়,“হে ঈশ্বর, তোমার সিংহাসন চিরকাল স্থায়ী;” (Spurgeon, ibid.).

“আর তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে” (ঈশা ৫৩:১০)

সদাপ্রভুর উদ্দেশ্য, উত্তম আনন্দ ও ইচ্ছা তাঁর হাতে “সমৃদ্ধশালী হবে।” পিতা ঈশ্বর যীশুকে বলেছেন,

“আমি তোমাকে জাতিগণের দীপ্তিস্বরুপ করিব, যেন তুমি পৃথিবীর সীমা পর্যন্ত আমার পরিত্রাণ স্বরুপ হও” (ঈশা ৪৯:৬)

“আর জাতিগণ তোমার দীপ্তির কাছে আগমন করিবে, রাজগণ তোমার অরুণোদয়ের আলোর কাছে আসিবে.... জাতিগণের ঐশ্বর্য্য তোমার কাছে আসিবে” (ঈশা ৬০:৩-৫)

“দেখ, উহারা দূর হইতে আসিবে; আর দেখ উহারা উত্তর ও পশ্চিম দিক হইতে আসিবে; আর ঐ লোকেরা সীনীম (চীন) দেশ হইতে আসিবে” (ঈশা ৪৯:১২)

“আর তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে” (ঈশা ৫৩:১০)

বেশ কিছু মাস আগে আমরা চীনের একটি ডিভিডি প্রদর্শন দেখেছিলাম যা “The Voice of the Martyrs” দ্বারা প্রদান করা হয়েছিল। ইহা ছিল মোজেস সাই নামে একজন বৃদ্ধ চাইনিজ ব্যাক্তির জীবন সাক্ষ্য। “সমাজ তন্ত্র বিপ্লবের” সময়ে প্রায় কুড়ি বৎসরেরও বেশী বৎসর সাম্যবাদীদের দ্বারা একটি বন্দীশালায় তাকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল এইজন্য কেননা তিনি খ্রীষ্টের সুসমাচার প্রচার করতেন। অন্তরের অন্তঃস্থলে তিনি গভীর শূণ্যতা ও হতাশার মধ্যে ভুগছিলেন। এরপরে তিনি বলেন, যীশুর আওয়াজ তার কানে বলে, “হে আমার সন্তান, আমার অনুগ্রহ তোমার পক্ষে যথেষ্ঠ।” ভাই সাই বলেন এই আওয়াজ তিনি তিনবার শুণতে পান। তিনবার যখন এই কথা তার হৃদয়ে উদ্বেলিত হয় তখন তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এই কথা শুনে “হে আমার সন্তান, আমার অনুগ্রহ তোমার পক্ষে যথেষ্ঠ।” তিনি এইভাবে যখন খ্রীষ্টের পরাক্রমী শক্তির কথা বলেন তখন কৃতজ্ঞতায় চোখের জল ঝরতে থাকে যা তাকে সেই সাম্যবাদীদের জেল থেকে উদ্ধার করে।

এরপরে সেই ভিডিও বদল করে কাট ছাঁট কিছু অংশ দশ হাজার সংখ্যক সাম্যবাদী দলের কাছে প্রদর্শন করা হয় যারা আক্ষরিক অর্থে মাও-সে-তুং এর আরাধ্যকারি, যিনি হিটলারের থেকেও বেশি জন হত্যা করেছেন। তারা যখন জেলের মধ্যে মাও-সে-তুং-এর মন্ত্র পাঠ বা প্রার্থনা গান করে তখন আমি মনে করলাম, “তোমরা সাম্যবাদীরা যখন চলে যাবে তখন আমরা খ্রীষ্টিয়ানরা সেখানে থাকবো।” চীনের সাম্যবাদীর দল যখন ইতিহাসের ভস্মে শায়িত তখন খ্রীষ্টিয়ানিটি তখনও সেখানে থাকবে, আগের থেকে শক্তিশালী ভাবে থাকবে, কেননা ইহা আজকেও প্রবলভাবে বৃদ্ধি লাভ করে চলেছে। “আপনি যখন চলে যান তখনও পর্যন্ত আমরা সেখানে থাকবো।” আর ইহা এইভাবেই সারা বিশ্বে রয়েছে। খ্রীষ্টের শত্রু, যখনই যে কোন জায়গায় থাকুন না কেন, আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চয়তার সঙ্গে বলতে পারি, “এমন কি তোমরা সাম্যবাদীরা যখন চলে যাবে, আমরা খ্রীষ্টিয়ানরা তখনও এখানে থাকবো!” কেননা “তাঁহারই হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে!”

আজকে মানুষের দৃষ্টিতে খ্রীষ্টিয়ানিটি হয়তো অবমানিত ও তাকে নীচু চোখে দেখান হচ্ছে। আমাদের হয়তো এই মুহুর্তে বিদ্রুপ ও অবমাননা করা হচ্ছে, ঠিক আমাদের পরিত্রাতা এই পৃথিবীতে থাকার সময়ে যেমন ভাবে করা হয়েছিল। কিন্তু খ্রীষ্ট মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে উঠেছেন, তখন “তাঁহারই হাতে সদাপ্রভুর ইচ্ছা সার্থক হবে।” অতএব খ্রীষ্টিয়ানিটিকে কতোটা পরিমাণ প্রত্যাখান ও অবমাননা করা হচ্ছে তাতে কোন যায় আসে না, কিন্তু “তাঁহার হাতে ইহা সমৃদ্ধ শালী হয়ে উঠবে।” আর পরিশেষে,

“জগতের রাজ্য আমাদের প্রভুর ও তাঁহার খ্রীষ্টের হইল এবং তিনি যুগ পর্যায়ের যুগে যুগে রাজত্ব করিবেন” (প্রকাশিত বাক্য ১১:১৫)

এর পরেই, হে আমার ভাইয়েরা, আমরা দেখতে সক্ষম হয়ে উঠবো যে যীশুর মৃত্যু কোন বিষয়টা সম্পন্ন করতে সমর্থ হয়ে উঠছে, “সদাপ্রভুর ইচ্ছা তাঁর হাতকে সমৃদ্ধশালী করবে।” সমুদয় পৃথিবীতে রাজত্ব করবার জন্য খ্রিষ্ট পুণরায় ফিরে আসছেন!

পুত্ররুপেই যীশু রাজত্ব করিবেন
সেই ভাবেই তাঁর কার্য্যকারী যাত্রা এগিয়ে যাবে
তাঁর রাজত্ব এক সীমা থেকে অপর সীমায় প্রসারিত হবে
যতক্ষণ পর্যন্ত না চন্দ্রের আলো নিষ্প্রভ হয়।
(“Jesus Shall Reign” by Isaac Watts, D.D., 1674-1748).

তিনি পুণরায় আসছেন, তিনি পুণরায় আসছেন,
সেই একই যীশু, যিনি মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য;
তিনি পুণরায় আসছেন, তিনি পুণরায় আসছেন,
পরাক্রমের সঙ্গে, এক মহা বিজয়ের সঙ্গে তিনি আসছেন!
(“He Is Coming Again” by Mabel Johnston Camp, 1871-1937).

এখন আমি বুঝতে পারছি আমাদের মধ্যে কেউ কেউ এখানে আছেন যারা শোকাহত হচ্ছেন, আর কেউ বা উদ্বিগ্ন, যে কেন আমরা এতটা উত্তেজিত। আপনি হয়তো মনে করছেন, “এই লোকেরা কিসের জন্য এতোটা আবেগ প্রবণ?” কেন তারা এই সমস্ত বিষয়গুলোতে এতটা সমর্থনশীল? আমি নিশ্চিত, আমাদের মধ্যে অনেকেই, যারা এই মন্ডলীতে বহুদিন ব্যাপী রয়েছেন তারাও সেই একই ভাবে তা অনুভব করছেন। আপনি চিন্তা করুন, আমাদের কি এই সমস্ত বিষয়ের মধ্য দিয়ে পুণরায় যেতে হবে? এই বিষয়ে আমরা আগেও শুণেছি। এতোটা উত্তেজিত হওয়ার কি আছে? আমি জানি আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই ভাবেই তা অনুভব করছেন। “কেন এতটা উত্তেজিত হতে হবে?” ইহা যেন আপনার কাছে এক রহস্যে ন্যায়। আপনি সেই প্রকার উত্তেজনার মধ্যে প্রবেশ করতে পারেন না!

আপনি যে কি অনুভব করছেন তা আমি ভালোভাবেই জানি। আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে আমি বাস্কেটবলের সমর্থক নই। বাস্কেটবলের যে খেলা সেই বিষয়ে আমার কাছে উত্তেজনা প্রবণ কিছুই নেই। আমার কাছে ইহা সারা পৃথিবীর সব চেয়ে বিরক্তিকর খেলা। কিন্তু আপনাদের কারো কারো কাছে ইহা অত্যন্ত উত্তেজনা মুখর। এতটা পার্থক্য কেন? এই পার্থক্য কিন্তু খুবই সাধারন। আপনি হলেন বাস্কেটবলের অনুরক্ত আর আমি কিন্তু সেই ব্যাক্তি নই। এটা খুবই সরল বিষয়। আপনি এর জন্য অত্যন্ত উত্তেজিত কিন্তু আমি নই। কেন আমরা এই ভিন্নতা উপলব্ধি করছি তার গভীরে আমি যেতে চাই না। আপনি যখন লেকার’কে খেলতে দেখেন তখন আপনার পশ্চাৎভুমিতে এমন কিছু রয়েছে যা আপনাকে উত্তেজনা প্রবণ করে তোলে। আপনার সংগে আমি তার মধ্যে প্রবেশ করতে পারি না। আমার যে স্বভাব তার মধ্য হয়তো কোন পরিবর্তন আনার প্রয়োজন অথবা আপনি যেটা অনুভব করেছেন আমি হয়তো সেটা অনুভব করতে পারছি না। খ্রীষ্টের যে বিজয় ইহাও ঠিক সেই একই পন্থায় হয়। আমরা খ্রীষ্টের পুণরুত্থান এবং দ্বিতীয় আগমনের বিষয়ে আমরা উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারি। আপনি ইহার বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারেন না। আমরা হলাম খ্রীষ্টের সমর্থক আর আপনি খ্রীষ্টের সমর্থক নন! আমরা যখন খ্রীষ্টের বিজয়ের বিষয়ে চিন্তা করি তখন সেই বিষয়ে উপলব্ধি করার জন্য আপনার যে প্রকৃত স্বভাব সেই বিষয়ে আপনাকে বা আপনার স্বভাবকে পরিবর্তন করার প্রয়োজন রয়েছে। ইহা যখন এই ভাবে হয় তখন বাইবেল বলে, “প্রাণীকে মনুষ্য ঈশ্বরের আত্মার বিষয়গুলি গ্রহণ করে না, কেননা তাঁহার কাছে সেগুলো মূর্খতা”(১-ম করিনথিয়ানস ২:১৪)। যেহেতু আপনি “প্রাণীক বা স্বাভাবিক মনুষ্য” তাই খ্রীষ্টের যে বিজয় তা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণহীন বলে মনে হয়। ইহার বিষয়ে আপনাকে উত্তেজনা প্রবণ হলে চলবে না। খ্রীষ্টের বিজয়ের বিষয়ে উল্লসিত হয়ে ওঠার জন্য আপনার প্রাণিক মনুষ্য বা নিজের স্বভাবকে পরিবর্তিত করে ফেলা দরকার! আমরা যা অনুভব করছি তা যদি আপনিও অনুভব করতে চান তবে আপনাকে কনভার্ট হওয়া প্রয়োজন!

আপনি জানেন যে, আমরা যেভাবে অনুভব করি আপনারও তা অনুভব করা দরকার, কিন্তু যে ভাবে আপনাকে অনুভব করানো দরকার সেই ভাবে আপনি নিজেকে তা অনুভব করাতে পারেন না! এর জন্য আপনি কতোতা গভীর ভাবে চেষ্টা করেন সেতা বড় বিষয় নয়। আমরা খ্রীষ্টের বিজয় সম্বন্ধে যা অনুভব করি সেই ভাব এয়াপনি তা অনুভব করতে পারেন না! আপনাকে সেই ভাবে অনুভব করতে হবে, কিন্তু যতটা কঠিন ভাবেই আপনি চেষ্টা করুন না কেন আপনি তা করতে পারেন না। যে প্রকার ব্যাক্তি হওয়া দরকার আপনি সেই প্রকার ব্যাক্তি হতে পারেন না। আর পাপের বিষয়ে চেতনা লাভ করার অর্থই হল সেটা!

আপনাকে অতি অবশ্যই যীশুর কাছে এসে বলার প্রয়োজন রয়েছে “প্রভু তুমি যেভাবে চাইছো সেইভাবে আমি তা হতে পারছি না! আমি হারিয়ে গিয়েছি! আমি নষ্ট হয়ে গিয়েছি! আমি নিজেকে বদলাতে পারি না! যীশু তুমি আমাকে উদ্ধার কর!” আর আপনি যখন সেই ভাবে তা অনুভব করেন, তখন আপনি উদ্ধার লাভের নিকটবর্ত্তী স্থানে উপস্থিত। খ্রীষ্টের সংগে মিলিত হওয়ার আগেই পাপের চেতনা লাভের বিষয়টি উপস্থিত হয়!

আর আপনাদের মধ্যে যারা এখন পর্যন্ত রুপান্তরিত বা কনভার্ট নন, তাদের অনুরোশ জানাচ্ছি পুণরুত্থিত খ্রীষ্টে নির্ভর করুন। আমরা আপনাকে উৎসাহ প্রদান করতে চাই তাঁর বহুমূল্য রক্তে আপনার পাপ থেকে ধৌত হয়ে পরিষ্কৃত হোন। আমরা আপনাকে অনুনয় করছি, অনুগ্রহ করে আমাদের সংগে আসুন, আর এর জন্য কতোটা মূল্য দিতে হয় তার জন্য পিছিয়ে না গিয়ে পরিত্রাতা উদ্ধারকর্তাকে অনুসরণ ক্রুন। আমরা বিজয়ের দিকে রয়েছি কেননা, “তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে।” অতএব আমি আপনাকে বিনতি করছি যীশুতে নির্ভর করুন, রুপান্তরিত হোন, বিজয়ী ও বিজেতার দিকে থাকুন!

আর তাই, আসু্ন,‌ পবিত্র দলে সঙ্ঘবদ্ধ হই,
এবং গৌরবের দিকে অগ্রসর হই,
সেই স্বর্গীয় স্থানে বিরাজ করার প্রতি অগ্রগণ্য হই,
যেখানে চিরকালীন আনন্দ প্রবাহমান,
কেবলমাত্র তাঁতেই নির্ভর করুন, তাঁতেই নির্ভর করুন,
এখন কেবল তাঁতেই নির্ভর করুন।
তিনি আপনাকে উদ্ধার করবেন, তিনিই আপনাকে উদ্ধার করবেন,
এখন কেবল [খ্রীষ্টই] আপনাকে উদ্ধার করবেন।
(“Only Trust Him” by John H. Stockton, 1813-1877).

সেই কোরাসটা আবার গাই। আমরা যখন গানটা করি তখন “কেবলমাত্র তাঁতেই নির্ভর করুন,” আপনি যদি এখন পর্যন্ত উদ্ধার ও পরিত্রাণের নিশ্চয়তা লাভ করেন নি, তবে আমি চাই আপনার চেয়ারটি ছেড়ে এই অডিটরিয়ামের পিছনের দিকে যান। ডাঃ কাগান আপনাকে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যাবেন যেখানে আমরা আলোচনা ও কথা বলে প্রার্থনা করবো। আমরা যখন গানটি গাই তখন আপনারা সেখানে চলে যান।

শুধুই তাঁতে নির্ভর কর, শুধু তাঁতেই নির্ভর কর, এখন কেবল তাঁতেই নির্ভর করুন।
তিনি আপনাকে উদ্ধার দেবেন, তিনি আপনাকে উদ্ধার দেবেন,
এখন তিনিই আপনাকে উদ্ধার দেবেন।

যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তাদের জন্য মীঃ লী, অনুগ্রহ করে আমাদের প্রার্থনায় পরিচালিত করবেন।

সংবাদের পরিসমাপ্তি
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

অথবা আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net
অথবা আপনি তাকে পত্র লিখতে পারেনঃ পোস্ট বক্স ১৫৩০৮, লস এঞ্জেলেস, সিএ ৯০০০১৫,
এই ঠিকানায় অথবা আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (৮১৮)৩৫২-০৪৫২

সংবাদের আগে শাস্ত্রের যে অংশ পাঠ করা হয়েছে, তা করেছেন ডাঃ ক্রিগটন এল. চ্যান ঈশা ৫৩:১-১০
সংবাদের আগে একক সংগীত গেয়েছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিন গেইড গ্রীফিথঃ
“The Strife is O’er” (translated by Francis Pott, 1832-1909).


খসড়া চিত্র

পরিত্রাতার বিজয়!

ঈশা ৫৩-অধ্যায়ের দ্বাদশতম (১২) উপদেশ
THE SAVIOUR’S TRIUMPH!
(SERMON NUMBER 12 ON ISAIAH 53)

ডাঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

“তখন তিনি আপন বংশ দেখিবেন, দীর্ঘায়ূ হইবেন এবং তাঁহার হস্তে সদাপ্রভুর মনোরথ সিদ্ধ হইবে” (ঈশা ৫৩:১০)

১. প্রথম, তিনি আপন বংশ দেখিবেন!
ঈশা ৫৩:১০এ; লিউক ১৩:২৯; গীতসংহিতা ২৫:১৩; ১-ম করিনথিয়ানস ১৫:৫-৮;
১-ম যোহান ১:১; যোহান ২০:১৯-২০।

২. দ্বিতীয়, তিনি তাঁকে দীর্ঘায়ূ করবেন!
ঈশা ৫৩:১০বি; রোমিয় ৬:১০,৯; হিব্রুজ ৭:২৪,২৫।

৩. তৃতীয়, তাঁর কার্য্য সকল সমৃদ্ধশালী হবে!
ঈশা ৫৩:১০সি; ৪৯:৬; ৬০:৩,৫; ৪৯:১২; প্রকাশিত বাক্য ১১:১৫;
১-ম করিনথিয়ানস ২:১৪।