Print Sermon

এই ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য হল ধর্ম্মোপদেশের পান্ডুলিপি এবং ধর্ম্মোপদেশের ভিডিওগুলি বিশ্বব্যাপী পালক ও মিশনারিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে, যেখানে ধর্ম্মতত্ত্বমূলক সেমিনারী বা বাইবেল স্কুল থাকলেও খুব কম রয়েছে|

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে 221টিরও বেশি দেশের প্রায় 1,500,000 কম্প্যুটারে যায়| শত শত লোক ইউটিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসেন| ইউটিউব আমাদের ওয়েবসাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 40টি ভাষায় প্রায় 120,000 কম্প্যুটারে প্রচারিত হয়| প্রচারের পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখনই আপনি ডঃ হেইমার্‍সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্‌সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




প্রায়শ্চিত্তের এক বর্ণণা

ঈশা ৫৩ অধ্যায়ের নবম(৯)সংবাদ
A DESCRIPTION OF THE ATONEMENT
(SERMON NUMBER 9 ON ISAIAH 53)
(Bengali)

লেখকঃ ডাঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

৭-ই এপ্রিল ২০১৩ সালে লস এঞ্জেলেসের ব্যাপটিস্ট ট্যাবারনেকেলে
সদাপ্রভুর দিনে সকালে এক সংবাদ প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Morning, April 7, 2013

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল” (ঈশা ৫৩:৮)


ঈশার আগের পদটি আমাদের বলেছিল খ্রীষ্টের নীরব অবস্থানের বিষয়,

“তিনি উপদ্রুত হইলেন, তবু দুঃখভোগ স্বীকার করিলেন; তিনি মুখ খুলিলেন না; মেষ শাবক যেম্নন হত হইবার জন্য নীত হয়, মেষী যেমন লোমচ্ছেদকেদের সম্মুখে নীরব হয়, সেইরুপ তিনি মুখ খুলিলেন না” (ঈশা ৫৩:৭)

ডাঃ এডোয়ার্ড জে.ইয়াং “তাঁর দুঃখভোগে খ্রীষ্টের নীরব ধৈর্যের বিষয়ে আলোকপাত করেন, এখানে সেই ভাববাদী দুঃখভোগের বিষয়ে আরোও পুঙ্খনাপুঙ্খ বিষয়কে তুলে ধরেন” (Edward J. Young, Ph.D., The Book of Isaiah, Eerdmans, 1972, volume 3, p. 351).

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল” (ঈশা ৫৩:৮)

এই পদটি স্বভাবত তিনটি বিষয়কে নিয়ে বর্ণণা করছে (১)খ্রীষ্টের দুঃখভোগ, (২) খ্রীষ্টের ধৈর্য এবং (৩) আমাদের পাপের জন্য খ্রিষ্টের প্রতিনিধিত্বকারী প্রায়শ্চিত্ত।

১. প্রথম, এই পাঠ্যাংশ খ্রীষ্টের দুঃখভোগের এক বর্ণণা প্রদান করে।

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন....কেননা তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন” (ঈশা ৫৩:৮)

গেৎশিমানী বাগানে খ্রীষ্টকে বন্দী করা হয়েছে। মন্দিরে মহাযাওজকদের প্রহরায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে সেই প্রধান যাজক এবং স্যানহ্যান্দ্রিনের কায়ফাসের সামনে হাজির করা হয়েছে, সেখানে যিহুদীদের মুখ্য বিচারালয় রয়েছে। সেই বিচারালয়ে ইতাঁকে মিথ্যা সাক্ষী দ্বারা আজ্ঞা প্রদান করা হচ্ছে। যীশু বললেন,

“আর আমি তোমাদিগকে কহিতেছি; এখন অবধি তোমরা মনুষ্যপুত্রকে পরাক্রমের দক্ষিণ পার্শ্বে বসিয়া থাকিতে এবং স্বর্গের মেঘের মধ্যে আসিতে দেখিবে” (ম্যাথুজ ২৬:৬৪).

তখন মহা যাজক বলিলেন,

“তোমাদের কি বিবেচনা হয়? তাহারা উত্তর করিয়া কহিল এ মরিবার যোগ্য। তখন তাহারা তাঁহার মুখে থুতু দিল ও ঘুষি মারিল, আর কেহ কেহ তাঁহাকে প্রহার করিয়া কহিল, রে খ্রীষ্ট, আমাদের কাছে ভাববাণি বল, কে তোকে মারিল” (ম্যাথুজ ২৬:৬৬-৬৭).

“প্রভাত হইলে প্রধান যাজকেরা ও লোকেদের প্রাচীন বর্গ সকলে যীশুকে বধ করিবার নিমিত্ত তাঁহার বিপক্ষে মন্ত্রণা করিল” (ম্যাথুজ ২৭:১).

কিন্তু রোমীয় কর্ত্তৃত্বের মধ্যে যা কার ফলে ইহা করার বৈধ কোন অধিকার তাদের ছিলনা, আর তাই,

“আর তাঁহাকে বাঁধিয়া লইয়া গিয়া দেশাধ্যক্ষ পীলাটের নিকট সমর্পণ করিল”(ম্যাথুজ ২৭:২).

পীলাট যীশুকে প্রশ্ন করিলেন,

“আর তিনি যীশুকে কোড়া মারিয়া ক্রুশে দিবার জন্য সমর্পণ করিলেন”(ম্যাথুজ ২৭:২৬).

আর এইভাবেই আমাদের পাঠ্যাংশের বিষয়টুকু সম্পূর্ণ হল,

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল” (ঈশা ৫৩:৮)

যিহুদী হ্যানহ্যান্দ্রিন এবং পীলাটের দ্বারা যীশুর এই যে বন্দীত্ব তা এই বাক্যকে পরিপূর্ণতা প্রদান করলো “তিনি উপদ্রব ও বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন।” কায়ফাসার এবং পীলাটের সামনে যে পরীক্ষা তা এই উচ্চারিত অংশকে পূর্ণতা দিল “আর বিচার দ্বারা।” তাকে বিচার সভা ও বন্দীত্ব থেকে নিয়ে যাওয়া হল এমন একটা পর্বতে যার নাম হল কালভেরী, যেখানে তিনি ক্রুশে ক্রুশারোপিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন আর এইভাবে সেই উক্তির পূর্ণতা আসে, “তাঁকে জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হতে হইল।”

ডাঃ জন গীল (১৬৯৭-১৭৭১) বলেছেন,

তাঁকে মর্মান্তিক যন্ত্রণা এবং বিচারদণ্ডের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; এইভাবেই তাঁর জীবনকে হিংসাত্মক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, এক মিথ্যা ও ভুয়ো ন্যায় নীতির দ্বারা; পক্ষান্তরে সত্য সত্যই এক ভীষণ মন্দ অন্যায় তাঁর প্রতি প্রদর্শন করা হয়েছিল; তাঁর বিরুদ্ধে এক মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে আসা হয়েছিল, মিথ্যা সাক্ষীর দ্বারা ঘুষ প্রদান করে তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয়েছিল, এইভাবে তাঁর বিরুদ্ধে সত্য কথা বলার হলফ করে অসত্য আচরণ করা হয়; প্রেরিত ৮:৩২ অনুযায়ী মন্দ ভাবে হস্ত বিস্তার করে তাঁর জীবনকে এই ভাবে দূর করে দেওয়া হয় [“তিনি হত হইবার জন্য মেষের ন্যায় নীত হইলেন এবং লোমচ্ছেদকের সামনে মেষ শাবক যেমন নীরব থাকে সেই রুপ তিনি মুখ খুললেন না”]। তাঁকে এই ভাবে অবমানননা করার মধ্য দিয়ে তাঁকে বিচার দণ্ড প্রদান করা হয়ঃ তিনি স্বাভাবিক ন্যায় লাভ করেন নি (John Gill, D.D., An Exposition of the Old Testament, The Baptist Standard Bearer, 1989 reprint, volume V, p. 314).

আমাদের পাঠ্যাংশ যেমন ভাবে বলে,

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন....আর তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন” (ঈশা ৫৩:৮)

২. দ্বিতীয়, সেই পাঠ্যাংশ খ্রীষ্টের বংশাবলী সম্পর্কে এক বর্ণণা প্রদান করে।

পাঠ্যাংশের মাঝখানে যে বাক্যাংশ রয়েছে যা কোন ভাবেই হোক না কেন ব্যাখা করা কঠিন,

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল....” (ঈশা ৫৩:৮)

“তাঁর বংশের বিষয়ে কে ঘোষণা করবে?” ডাঃ গীল বলেছেন যে উচ্চারিত এই অংশটি “সেই সময়ের কথা বলে যে সময়ে তিনি বসবাস বা জীবন যাপন করছিলেন ও সেই লোকেদের মধ্যে তিনি ছিলেন, যারা তাঁর প্রতি অসভ্য আচরণ করেছিল এবং সেই মন্দতার জন্য তারা দোষী, যা কোন ভাবেই মনুষের কথায় ও কলমে বর্ণণা করা যায় না”(Gill, ibid.)। ঈশ্বর পুত্রের বিরুদ্ধে চরম যে নিষ্ঠুরতা ও অন্যায় তাঁর প্রতি আনা হয়েছিল এই বিষয় আমরা যখন পড়ি তখন ইহা আমাদের হৃদয় মধ্যে কান্না নিয়ে আসে! ঠিক যেমন ভাবে যোসেফ হার্ট (১৭১২-১৭৬৮) তার দুঃখার্ত গানের মধ্যে তা ব্যাক্ত করেছেন,

দেখুন কি ধৈর্যেই না যীশু দাঁড়িয়ে আছেন,
(এই সাংঘাতিক স্থানে) বিদ্রুপের মধ্যে!
পাপীরা সর্ব্বশক্তিমানের হাতকে বন্ধন করেছে,
আর তাদের সৃষ্টি কর্তার মুখে থুতু দিয়েছে।

কাঁটার দ্বারা তাঁর মন্দিরকে রক্তাক্ত ও গভীর ভাবে ক্ষত করেছি্‌
রক্তের ধারা প্রতিটি জায়গাতে বহিয়েছিল,
গাঁটালো চাবুকের দ্বারা তার পৃষ্ঠদেশে কশাঘাত করেছিল,
কিন্তু সেই ধারালো কশাঘাত তাঁর হৃদয়কে বিদারিত করেছিল।

অভিশপ্ত ক্রুশকাষ্ঠে তারা তাঁকে নগ্ন পেরেক বিদ্ধ করেছি্‌
উপরে স্বর্গ ও পৃথিবীতে তা প্রকাশ করেছিল,
ক্ষত এবং রক্তের এক প্রদর্শনে প্রদর্শিত করেছিল,
প্রেমের আঘাতের অসাধারণ ব্যাক্তিত্বকে!
(“His Passion” by Joseph Hart, 1712-1768; altered by the Pastor;
      to the tune of “‘Tis Midnight, and on Olive’s Brow”).

জন ট্র্যাপ (১৬০১-১৬৬৯) বলেছেন, “তাঁর উদ্ভবের বিষয় কে বর্ণণা বা ব্যাক্ত করতে পারে? যে সময়ে তিনি বসবাস করেছিলেন সেই সময়কার মানুষের যে অন্যায় অত্যাচার ছিল (কে তা বর্ণণা করতে পারে)?”(John Trapp, A Commentary on the Old and New Testaments, Transki Publications, 1997 reprint, volume 3, p. 410).

মানবীয় ভাবধারায় ইহা ব্যাখা করা খুবই কঠিন যে কেন সেই সমস্ত যিহুদী নেতারা যীশুকে ক্রুশারোপিত করতে চাইছিলেন, আর কেন সেই সমস্ত রোমিয় সৈন্যরা, “গুল্ম দ্বারা তাঁর মাথায় আঘাত করেছিল ও তাঁর উপরে থুতু দিয়েছিল এবং তাঁকে ক্রুশে দেওয়ার জন্য নিয়ে গিয়েছিল”(মার্ক ১৫:১৯-২০)।

“আর তারা তাঁর প্রাণদন্ডের যোগ্য কোন দোষ না পাইলেও তাহারা পীলাটের নিকটে যাচ্ঞা করিল, যেন তাঁহাকে বধ করা হয়” (প্রেরিত ১৩:২৮)

জন ট্র্যাপ যে ভাবে ইহাকে উল্লেখ করেছেন, “তাঁর উদ্ভবের বিষয়ে কে বর্ণনা ও ব্যাক্ত করতে পারে?... যে সময়ে তিনি বসবাস করেছিলেন সেই সময়ের মানুষেরা যে অন্যায় অত্যাচার করেছিল কে তা বর্ণণা করতে পারে।”

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল....” (ঈশা ৫৩:৮)

ডাঃ ইয়াং বলেছেন “ঘোষণা” বলে যে অব্যায় তা ইঙ্গিত করে ধ্যানের বিষয়ে অথবা কোন কিছুর উপরে এক গম্ভীর চিন্তাধারা প্রদান বা চিন্তা করা....।(তাঁর মৃত্যুর যে অর্থ) সেই বিষয়ে তারা বিবেচনা করতে পারতো কিন্তু তারা তা করে নি”(Young, ibid., p. 352).

আজকে ইহা কি ভাবে ভিন্নতা নিয়ে আসে? বহু লক্ষাধিক মানুষ ক্রুশের উপরে যীশুর মৃত্যু সম্বন্ধে শুণলেও ইহার বিষয়ে গম্ভীর ভাবে কোন চিন্তাই তারা করে নই। “তারা এই বিষয়ে বিবেচনয়া করতে পারতো কিন্তু তারা তা করেনি।” খ্রীষ্টের ক্রুশারোপণের বিষয়ে কে বেশি চিন্তা করে? আপনি কি করেন? আপনি কি খ্রীষ্টের মৃত্যুর বিষয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করেন আর আপনার কাছে ইহার অর্থটাই বা কি?

জন ট্র্যাপ বলেন, “যে সময়ে তিনি জীবন যাপন করেন সেই সময়কার মানুষের অন্যায় যে অত্যাচার তার বিষয়ে কে বর্ণণা করতে পারে? আর এমন কি সেই সমস্ত লোকেরা যারা যীশুকে ক্রুশে দিয়েছিল তারাও আজকের যুগের মতো যে সমস্ত অপরিত্রাণ প্রাপ্ত লোকেরা রয়েছেন তাদের মতোই ছিল। খ্রীষ্টের দুঃখভোগ এবং মৃত্যুর বিষয়ে যে তাৎপর্য্য তা নিয়ে লোকেরা গম্ভীর ভাবে কিছুই চিন্তা করে না। আমাদের নাট্যশালায় “খ্রীষ্টের যন্ত্রণা” চিত্রটা যিখন আসে তখন সংবাদের বহু ধারাভাষ্যকারীরা বলেছিল যারা এই চলচ্চিত্রটি দেখেছে তাদের মধ্যে এক গভীর প্রভাব ফেলেছে। তারা বলেছিলেন সুসমাচারের মধ্যে ইহা উদ্দীপনাময় আসক্তিকে উন্নত করবে। কেউ কেউ আবার বলেছিলেন ইহা যুবকবৃন্দের দলকে মন্ডলীর মধ্যে নিয়ে আনার জন্য এক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হবে।

এই চলচ্চিত্রটি’র ২০০৪ সালে আগমণ হয়। যা হল আজ থেকে নয় বছর আগে। যেই সমস্ত ব্যাখাকারীরা যা বলেছিলেন তা দেখার জন্য আমাদের কাছে যথেষ্ঠ সময় ছিল। সেই চলচ্চিত্রের মধ্যে খ্রীষ্টের দুঃখভোগের যে বিভৎস বাস্তবতা অঙ্কন করা হয়েছে সেই বিষয়ে যারা তা দেখেছেন তা নিশ্চিত ভাবেই এক মানসিক প্রভাব বিস্তার করেছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি যে যারা ইহা দেখেছে তা দীর্ঘস্থায়ী কোন প্রভাবই তাদের মধ্যে ফেলেনি। তারা তাদের জীবনের পাপ পূর্ণ এবং স্বার্থপর অবস্থাতেই রয়ে গিয়েছে।

আপনি দেখুন, কেননা ইহাই হল পাপের পর্যাপ্ত নির্যাস। যারা যীশুকে জানে না তারা খ্রীষ্টের দুঃখভোগের উপরে কেবলমাত্র সামান্য মাত্রাতেই এই অভিজ্ঞতাকে উপল্বধি করে। কিন্তু সবথেকে উত্তম ভাবে ইহা কেবল মাত্র সামান্য অনুশোচনা মত্র। তারা ফিরে যায় “নেটের মধ্য” ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে কাজ করার জন্য, যেখানে থাকে অর্থের প্রতি তাদের লোভ, তাদের ভক্তিহীন জীবন, তাদের সীমাহীন ভিডিও খেলা, রবিবার দিনে মন্ডলী খাওয়া দাওয়া থেকে বিরত থাকা, যে ঈশ্বর তাদের সৃষ্টি করেছেন তার বিষয়ে অতি অল্প পরিমাণে চিন্তা করা এবং খ্রীষ্ট যিনি তাদের উদ্ধার করতে পারেন, যিনি ক্রুশের উপরে দুঃখভোগ করেছেন তার বিষয়ে অত্যন্ত কম সময় চিন্তা করা। তাঁর উদ্ভবের বিষয়ে কে বর্ণণা করতে পারে? যীশু যখন ক্রুশারোপিত হয়েছিলেন সেই সময়কার যে প্রজন্ম বসবাস করছিলেন আসলে আপনার প্রজন্মের মতো সমান কেন? আর আপনি যদি নিজের বিষয়ে সৎ তবে সেটাই কি আপনার জন্য এক পরিশুদ্ধ বর্ণণা ছিল না? এই সমস্ত কিছুর উপরে, ঈশ্বরের বিষয়ে চিন্তা করার জন্য আপনি কতোটা সময় ব্যায় করেন? খ্রীষ্টের বলিদানের রক্ত ও ক্রুশ আপনার জীবনে কতোটা প্রভাব ফেলে? আপনি যদি নিজের বিষয়ে সৎ তবে আমার মনে হয় আপনি সেই কথাই বলবেন আপনি সেই প্রজন্ম থেকে কোন ভাবেই ভিন্ন নয় যারা খ্রীষ্টকে প্রত্যাখান করেছিলেন, যারা তাঁকে ক্রুশারোপিত করেছিলেন আর তারা নিজেদের ইচ্ছাতেই, নিজেরা নিজেই স্বার্থপর ভাবে জীবন যাপন করেছিলেন। আর সেটাই হল পাপের প্রকৃত সারমর্ম। সেটাই হল পাপের প্রকৃত স্বভাব। সেটাই প্রমাণ করে আপনি পাপী আর আপনি ঠিক তাদের মতোই যারা খ্রীষ্টের সময়ে ছিলেন তাদের ন্যায় দোষী। এমন কি আপনি যদি এখানে প্রতি রবিবার মন্ডলীতে যোগদান করেন, তবে আপনার মধ্যে হয়তো “ঈশ্বরভক্তির আদর্শ” আসতে পারে (২-য় টিমোথিয় ৩ঃ৫)।আপনার পক্ষেও কি ইহা যথার্থ নয়? “আপনি যে পাপ করেছেন এবং ঈশ্বরের গৌরব বিহীন হয়ে পড়েছেন?”(রোমিয় ৩:২৩)। আর যেহেতু এই সমস্ত বিষয় গুলো আপনার জন্য সত্য তাহলে সর্ব্বশক্তিমান ঈশ্বরের অভিশাপ ও বিচারের হাত থেকে আপনি কিভাবে পালাতে পারেন? রেভারেন্ড ইয়ান এইচ. মারে তার সাম্প্রতিক সময়ের বই ডাঃ মার্টিন লয়েড জোনসের জীবনীতে বলেছেন,

ডাঃ লয়েড জোনসের জন্য ঈশ্বরের সামনে মানুষের দোষের প্রকৃত ঝুঁকির বিষয়ে প্রচারের অর্থ হল ঐশ্বরিক ক্রোধের অবশ্যাম্ভাবিতা প্রচার করা যা ইতিমধ্যেই অপরিত্রাণ প্রাপ্তদের প্রতি আর যা ইতিমধ্যেই পাপের শাস্ত স্বরুপ নরকের মধ্যে আসতে চলেছে, যেখানে নরকের কীট মারা যায় না এবং সেখানের অগ্নি কোন সময়ে নিভে যায় না” (Iain H. Murray, The Life of Martyn Lloyd-Jones, The Banner of Truth Trust, 2013, p. 317).

৩. তৃতীয়, সেই পাঠ্যাংশ খ্রীষ্টের দুঃখভোগের গভীর অর্থের বিষয়ে বর্ণণা করে।

আসুন অনুগ্রহ করে উঠে দাঁড়িয়ে ঈশা ৫৩:৮ পাঠ করি। এখানের শেষ বাক্যের যে উদ্দেশ্য তার প্রতি মনোযোগ করি, “আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত হানিল।”

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল....” (ঈশা ৫৩:৮)

আপনারা সকলে বসতে পারেন।

ডাঃমেরিল এফ. উংগার বলেছেন,

সপ্তদশ শতাব্দীর জন্য (ঈশা ৫৩-র মশীহামূলক ব্যাখ্যা) যিহুদী খ্রীষ্টিয়ান কর্ত্তৃত্বকারীদের ইহা ছিল একমাত্র ব্যাখ্যা। (পরবর্ত্তী সময়ে যিহুদীরা) উদ্দেশ্য মূলক ভাবেই সেই অধ্যায়ের বিষয়টি পরিত্যাগ করেন খ্রীষ্টের অসাধারণ পরিপূর্ণতার জন্য (Unger, ibid., p.1293).

আজকে বহু ইহুদী পন্ডিত বলেন যে ঈশা বইয়ে ৫৩ অধ্যায়ের সম্পূর্নটাই খ্রীষ্টের দুঃখভোগের বিষয়ে নয়, যিহুদীদের দুঃখভোগের বিষয়েওবলে থাকে। যদিও যিহুদীরা ভ্রান্ত খ্রীষ্টিয়ানদের হাতে প্রচন্ড ভাবে কষ্ট ভোগ করলেও ইহা আমাদের পাঠ্যাংশের প্রকৃত অর্থ হইতে পারে না, কেননা ইহা সহজ ভাবেই বলে, “আমার জাতির অধর্মের জন্যই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল”(ঈশা ৫৩:৮)। এই বাক্যাংশের জন্যই “আমার জাতির অধর্মের জন্যই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল”, এই বিষয়ে ডাঃ হেনরী এম. মরিস বলেন, “তিনি মৃত্যুবরণ করেন ‘আমার জাতির জন্য’– তা হল, ইজ্রায়েল—যা এই অনুচ্ছেদে দেখাচ্ছে (খ্রীষ্ট) ইজ্রায়েল নন, যার বিষয়ে অনেকে ইহা সেই ভাবে ঘোষণা করে থাকেন” (Henry M. Morris, Ph.D., The Defender’s Study Bible, Word Publishing, 1995, p. 767). এটাই হল সেই প্রকৃত অর্থ, কেননা যিহুদী লোকেরা আঘাত প্রাপ্ত হলেন না বরং খ্রীষ্টই সেই জায়গাতে তাদের জন্য আঘাত প্রাপ্ত হলেন, তিনি আঘাত প্রাপ্ত হলেন তাদের পাপের জন্য, যেন তাদের পাপের জন্য এবং আমাদের জন্যও মূল্য প্রদান করতে পারেন। আমাদের পাপের দণ্ড মিটিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ক্রুশারোপিত হলেন!

ডাঃ জন গীল এই কথা বলেছেন, “আমাদের জাতির অধর্মের জন্য তিনি আঘাত প্রাপ্ত হলেন” এই বিষয়টি যেমন যিহুদী লোকেদের জন্য প্রযোজ্য তেমনি তা আমাদের জন্যও, মনোনীত খ্রীষ্টিয়ানদের জন্য প্রযোজ্য—যা দেখাচ্ছে যে খ্রীষ্ট আঘাত প্রাপ্ত ও যাতনা বহন করলেন উভয়দের পাপের জন্যই যথা ইজ্রায়েলের পাপের জন্য এই “তাঁর লোকেদের’ পাপের জন্য, যারা হলেন খ্রীষ্টিয়ান (Gill, ibid., p. 314) । আমার মনে হয় ডাঃ গীল সেই শব্দের অর্থকে বের করে আনেন,

“আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল” (ঈশা ৫৩:৮)।

তাঁর লোকেদের জন্য পাপের মূল্য বা দণ্ড মেটাবার জন্যই খ্রীষ্ট সেই ক্রুশের উপরে “আঘাত প্রাপ্ত” হলেন আর তা যিহুদী বা পরজাতি উভয়ের জন্যই। তাঁর মৃত্যু হল প্রতিকম্পনশীল, খ্রীষ্ট মৃত্যুবরণ করলেন আমাদের পাপের দন্ড মিটিয়ে দেওয়ার জন্য। ইহা হল তুষ্টিসাধন করা, পাপীদের প্রতি ঈশ্বরের যে ক্রোধ তা ঘোরানো বা ঈশ্বরের ক্রোধকে পাপীদের মধ্য থেকে ঘোরানো।

কিন্তু সেখানে আবার একটি সর্ত রয়েছে। আপনার পাপের জন্য খ্রীষ্টকে অভিষ্টমূলক ভাবে মূল্য দেওয়ার জন্য আপনাকে অতি অবশ্যই বিশ্বাসে তাঁর উপরে আপনাকে নির্ভর করতে হবে। ক্রুশের উপরে পাপের জন্য খ্রীষ্টের মূল্য প্রদান করাটা যারা খ্রীষ্টে নির্ভর করে না বা নির্ভর করা থেকে বিরত থাকে তা তাদের উদ্ধার প্রদান করেনা। ইহা কেবল মাত্র আপনি যখন যীশুর উপরে নিজেকে অর্পণ করেন তখনই আপনার পাপ সকল পরিত্রাতার রক্তের দ্বারা ঈশ্বরের নথি থেকে মুছে ফেলা হয়।

আপনি এই পদের সমস্ত ঘটনা অবগত হয়েও হারিয়ে যেতে পারেন। এই ঘটনার বিষয়ে দিয়াবলের সম্পূর্ন জ্ঞান রয়েছে কিন্তু ইহা তাদের উদ্ধার করে না। প্রেরিত জ্যাকব বলেছেন, “ভুতেরাও (দিয়াবল) তাহা বিশ্বাস করে ও ভয়ে কাঁপে” (জ্যাকব ২:১৯)। খ্রীষ্টের প্রায়শ্চিত্তমূলক মৃত্যু সম্বন্ধে দিয়াবলের কেবলমাত্র “মস্তিষ্কের জ্ঞান” রয়েছে । আপনি যদি উদ্ধার লাভ করার ইচ্ছা করছেন তবে আপনাকে অতি অবশ্যই খ্রীষ্টের উপরে সমর্পিত হয়ে তাঁর উপরে নির্ভর করতে হবে। আপনাকে অতি অবশ্যই ঈশ্বরের অনুগ্রহ দ্বারা রুপান্তরিত বা কনভার্ট হতে হবে অথবা তাঁর ক্রুশারোপণের বিষয়ে সমস্ত প্রকার স্মরণীয় জ্ঞান বা চিন্তাধারা নিয়ে নরকেও যেতে পারেন। ডাঃ এ.ডব্লুঊ. টোজারের কথা শুনুন যেখানে তিনি “সিদ্ধান্তবাদের” বিরুদ্ধে এবং প্রকৃত রুপান্ত্র বা আলাপ-আলাপনের বিষয়ে বলেন। ডাঃ টোজার বলেছেন,

ধর্মীয় আলাপ আলাপনের সমস্ত প্রকার সম্পাদন গঠিত হয়েছে যান্ত্রিক ভাবে এবং আধ্যাত্মবাদ ছাড়াই। বিশ্বাসকে এখন অনুশীলন করা যেতে পারে এক বয়ামহীন নৈতিক জীবনের প্রতি এবং আদমের আত্মমর্য্যাদাহীন প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই। খ্রিষ্টকে “গ্রহণ করা” যেতে পারে গ্রহণকারী ব্যাক্তির আত্মার মধ্যে তাঁর প্রতি কোন প্রকার বিশেষ প্রেম উৎপন্ন করা ছাড়াই (A. W. Tozer, D.D., The Best of A. W. Tozer, Baker Book House, 1979, page 14).

“ধর্মীয় বার্তা আলাপনের সমস্ত প্রকার কার্যকলাপ সম্পাদিত হয়েছে আত্মিক আধ্যাত্মবাদ ছাড়াই”—আর আমি তাকে এইভাবে সংযোজন করে বলতে পারি যা প্রায় সময়ে খ্রীষ্ট বিহীন অবস্থায়! “সংকল্পকারী” কেবলমাত্র সরলভাবে সত্বর একটা প্রার্থনা উচ্চারণ করতে চায়, ব্যাপ্তিস্ম গ্রহণ কর আর ইহার মধ্যেই লেগে থাক। সেখানে প্রায় সময়ে খ্রীষ্টের মৃত্যু এবং পুণরুত্থান অল্প সময়েই উল্লেখিত হয়। প্রায় ক্ষেত্রে সেগুলোকে সম্পূর্নভাবেই ছেড়ে দেওয়া হয়। বাইবেল এই ভাবে তা শিক্ষা দেয় না। বাইবেল শিক্ষা দেয় যে আপনাকে অতি অবশ্যই পাপের জন্য দোষী অনুভব করতে হবে এবং আপনাকে দেখতে হবে যে আপনি পাপ থেকে কোন ভাবেই পলায়ন করতে পারেন না আর ইহার পরিণাম হল খ্রীষ্টের কাছে আমা ছাড়া আপনার আর কোন গতি নেই, আপনাকে আশাহীন ভাবেই তাঁর কাছে সমর্পিত হতে হবে আর তাঁর উপর আপনাকে আপনার অন্তঃকরণের সংগেই নির্ভর করতে হবে। আর কেবলমাত্র তখনই, আপনি সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে জানতে সক্ষম হবেন ঈশা ভাববাদীর সেই কতাহ বলার অর্থ কি যখন তিনি বলেন,

“আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল” (ঈশা ৫৩:৮)।

আপনি যখন বিশ্বাসে যীশু খ্রীষ্টের উপরে নির্ভর করেন তখন তাঁর রক্ত আপনার সমস্ত পাপকে শুচি করে আর আপনি এক রুপান্তরিত ব্যাক্তি হন--- কিন্তু এর আগে তা আপনার প্রতি ঘটে না। না, কোন মতেই ইহা আপনার প্রতি ঘটে না! আপনি যদি উদ্ধার পেতে চান তবে আপনাকে অতি অবশ্যই যীশুর উপরে নির্ভর করতে হবে!

আসুন আমরা একত্রে উঠে দাঁড়াই। যীশুর উপর নির্ভর করার বিষয়ে আপনি যদি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চান তবে এই মুহুর্তে আপনার চেয়ার ছেড়ে এই অট্টালিকার পিছনের ঘরের দিকে যান। ডাঃ কাগান আপনাদের একটি নীরব শান্ত জায়গাতে নিয়ে যাবেন যেখানে তিনি আপনাদের সংগে কথা বলবেন যীশুর উপরে সমর্পিত হওয়ার বিষয়ে আর আপনি তাঁর পবিত্র রক্তের দ্বারা ধোউত ও পরিষ্কৃত হতে পারেন। মিঃ লী, অনুগ্রহ করে এখানে এসে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন যারা এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। আমেন।

সংবাদের পরিসমাপ্তি
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

অথবা আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net
অথবা আপনি তাকে পত্র লিখতে পারেনঃ পোস্ট বক্স ১৫৩০৮, লস এঞ্জেলেস, সিএ ৯০০০১৫,
এই ঠিকানায় অথবা আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (৮১৮)৩৫২-০৪৫২

সংবাদের আগে শাস্ত্রের যে অংশ পাঠ করা হয়েছে, তা করেছেন ডাঃ ক্রিঘটন এল. চানঃ ঈশা ৫৩:১-৮.
সংবাদের আগে একক সংগীত গেয়েছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিন গেইড গ্রীফিথঃ
“Blessed Redeemer” (by Avis B. Christiansen, 1895-1985).


খসড়া চিত্র

প্রায়শ্চিত্তের এক বর্ণণা

ঈশা ৫৩ অধ্যায়ের নবম(৯)সংবাদ
A DESCRIPTION OF THE ATONEMENT
(SERMON NUMBER 9 ON ISAIAH 53)

লেখকঃ ডাঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr

“তিনি উপদ্রব আর বিচার দ্বারা অপনীত হইলেন; তৎকালীয়দয়ের মধ্যে কে ইহা আলোচনা করিল যে, তিনি জীবিতদের দেশ হইতে উচ্ছিন্ন হইলেন? আমার জাতির অধর্ম প্রযুক্তই তাঁহার উপরে আঘাত পড়িল” (ঈশা ৫৩:৮)

(ঈশা ৫৩:৭)

১. প্রথম, এই পাঠ্যাংশ খ্রীষ্টের দুঃখভোগের এক বর্ণণা প্রদান করে,
ঈশা ৫৩:৮এ; ম্যাথুজ ২৬:৬৪; ৬৬-৬৭; ২৭:১-২,২৬; প্রেরিত ৮:৩২

২. দ্বিতীয়, সেই পাঠ্যাংশ খ্রীষ্টের বংশাবলী সম্পর্কে এক বর্ণণা প্রদান করে,
ঈশা ৫৩:৮বি; মার্ক ১৫:১৯-২০; প্রেরিত ১৩:২৮; ২-য় টিমোথি ৩:৫; রোমিয় ৩:২৩

৩. তৃতীয়, সেই পাঠ্যাংশ খ্রীষ্টের দুঃখভোগের গভীর অর্থের বিষয়ে বর্ণণা করে,
ঈশা ৫৩:৮; জেমস ২:১৯.