Print Sermon

এই ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য হল ধর্ম্মোপদেশের পান্ডুলিপি এবং ধর্ম্মোপদেশের ভিডিওগুলি বিশ্বব্যাপী পালক ও মিশনারিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে, যেখানে ধর্ম্মতত্ত্বমূলক সেমিনারী বা বাইবেল স্কুল থাকলেও খুব কম রয়েছে|

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে 221টিরও বেশি দেশের প্রায় 1,500,000 কম্প্যুটারে যায়| শত শত লোক ইউটিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসেন| ইউটিউব আমাদের ওয়েবসাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 40টি ভাষায় প্রায় 120,000 কম্প্যুটারে প্রচারিত হয়| প্রচারের পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখনই আপনি ডঃ হেইমার্‍সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্‌সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




সৃষ্টি থেকে শবাধার পর্যন্ত

আদিপুস্তক # ৭৫ সংখ্যার সংবাদ
FROM CREATION TO A COFFIN
(SERMON #75 ON THE BOOK OF GENESIS)
(Bengali)

লেখকঃ ডাঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৩ সালে মার্চ মাসের ১৭-তারিখে সদাপ্রভুর দিনের সন্ধ্যাকালে লস এঞ্জেলেসের
ব্যাপটিস্ট ট্যাবারনেকেলে একটি সংবাদ প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Evening, March 17, 2013

“পরে যোসেফ আপন ভাতৃগনকে কহিলেন, আমি মরিতেছি, কিন্তু ঈশ্বর অবশ্য তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন এবং এ্যাব্রাহামের, আইজাকের ও জ্যাকবের নিকট যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছেন, তোমাদিগকে এই দেশ হইতে সেই দেশে লইয়া যাইবেন। আর যোসেফ ইজ্রায়েল সন্তানদিগকে এই দিব্য করাইলেন, কহিলেন, ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন, আর তোমরা এই স্থান হইতে আমার অস্থি লইয়া যাইবে। যোসেফ একশত দশ বৎসরে মরিলেন; আর লোকেরা তাঁহার দেহ ক্ষয় নিবারক দ্রব্য দিয়া তাহা মিশর দেশে এক শবাধারের মধ্যে রাখিলেন”। (আদি পুস্তক ৫০:২৪-২৬)


আদিপুস্তক বইটা হল সমস্ত কিছু আরম্ভের পুস্তক। ‘আদিপুস্তক’ শব্দের অর্থ হল ‘জন্ম’ বা ‘আরম্ভ’। প্রাচীঙ্কালের র‍্যাব্বাই যারা ইহাকে গ্রীক ভাষাতে অনুবাদ করেন তারা ইহাকে ‘আদিপুস্তক’ বলেন কেননা ইহা এই শব্দের দ্বারা আরম্ভ হয়, ‘আদিতে ঈশ্বর আকাশ মন্ডল, পৃথিবী সৃষ্টি করিলেন’ (আদিপুস্তক ১:১)। আদিপুস্তক বর্ণনা করে স্বর্গ এবং পৃথিবী আরম্ভের বিষয়ে – সেই সঙ্গে উদ্ভিদ গাছ পালা, পশু এবং মানবীয় জীবন সম্বন্ধে। আর তাই আদি পুস্তক হল জীবনের পুস্তক।

কিন্তু ইহা আবার জীবন হানির পুস্তক। জীবন হানির যে সুত্রপাত তা এখানে উল্লিখিত হয়েছে। মৃত্যু এবং জীবন হানির মারাত্মক অভিজ্ঞতা এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। পাপ ও মৃত্যুর যে সংযোগ তা এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। চতুর্থ অধ্যায়ে হেবলের হত্যার মধ্য দিয়ে মৃত্যুর কথা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পঞ্চম অধ্যায়ে প্রাচীন পূর্ব্বপুরুষগনের মৃত্যুর নিদর্শন লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে প্লাবনের দ্বারা সমস্ত মনুষ্য জাতির মৃত্যুর কথা উল্লেখিত হয়েছে, যেখানে ব্যাতিক্রম ছিল কেবলমাত্র নোয়াহ ও তার পরিবারবর্গ যাদের পুণঃগণনা করা হয়েছে। মৃত্যু ও জীবনের এই দুই আলোচ্য বিষয় বস্তু বর্ননা করা হয়েছে আর ইহাকে আদিপুস্তকের প্রতিটি অধ্যায়ে বুনন করা হয়েছে।

আজকের রাত্রিতে আমার উদ্দেশ্য হল আমাদের পাঠ্যাংশে, এক পুর্ব প্রতিদ্বন্দ্বী যোসেফের মৃত্যুকে নিয়ে, এই বিষয়ে একটি ছোট্ট অনুচ্ছেদ যা জীবন ও মৃত্যুর বিষয়টাকে আলোকিত করে।

“পরে যোসেফ আপন ভাতৃগনকে কহিলেন, আমি মরিতেছি, কিন্তু ঈশ্বর অবশ্য তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন এবং এ্যাব্রাহামের, আইজাকের ও জ্যাকবের নিকট যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছেন, তোমাদিগকে এই দেশ হইতে সেই দেশে লইয়া যাইবেন। আর যোসেফ ইজ্রায়েল সন্তানদিগকে এই দিব্য করাইলেন, কহিলেন, ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন, আর তোমরা এই স্থান হইতে আমার অস্থি লইয়া যাইবে। যোসেফ একশত দশ বৎসরে মরিলেন; আর লোকেরা তাঁহার দেহ ক্ষয় নিবারক দ্রব্য দিয়া তাহা মিশর দেশে এক শবাধারের মধ্যে রাখিলেন”। (আদি পুস্তক ৫০:২৪-২৬)

আদিপুস্তক আরম্ভ হয় ইডেন উদ্যানে জীবন আরম্ভ করার মাধ্যমে আর ইহা সমাপ্তি হয় মিশরে শবাধারের মধ্যে (আদিপুস্তক ৫০:২৬)। এটা এতোটাই বিস্ময়কর যার ফলে আমি মনে করি আমরা যেন মৃত্যুর নেতিবাচক সংবাদ দিয়ে আরম্ভ করি আর জীবনের ইতিবাচক সংবাদ দিয়ে সমাপ্ত করি।

১. প্রথম, আদিপুস্তক অত্যন্ত উজ্জ্বল ভাবেই পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা সম্বন্ধে বর্ণনা করে।

রোমিয় ৮:২ পদে প্রেরিত পল ‘পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা সম্বন্ধে বলে’। পাপ ও মৃত্যুর যে ব্যাবস্থা তার সাধারণ অর্থ হল ‘পাপের বেতন হল মৃত্যু’ (রোমিয় ৬:২৩)। পাপ ও মৃত্যুর যে ব্যাবস্থা তা বলে ‘যে প্রাণী পাপ করে সে মরিবে’ (ইজিকিয়েল ১৮:৪)। আর এই ভাবেই ঈশ্বর আমাদের প্রথম বা আদি পিতা বা যা, তাকে সেটাই বলেছিলেন। তাদের তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, তারা যেন নিষিদ্ধ ফলটিকে না খায়, ‘কেননা যে দিন তাহারা ফল খাইবে সেই দিন মরিবেই মরিবে’(আদি পুস্তক ২:১৭)। সেটাই ছিল পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা, পরিণাম স্বরুপ। ঈশ্বর বললেন, ‘তোমরা যদি এই পাপ কর, তবে তোমরা অবশ্যই মারা যাবে’। কিন্তু তারা ঈশ্বরের কথায় বিশ্বাস করে নি। তারা সেই ফল খেল ও পরিণাম স্বরুপ তাদের মৃত্যু ঘটলো।

আমি যখন এক শিশু অবস্থায় ছিলাম তখন আমার মা প্রতিদিন বিকালে ‘জোকার’ নামে এক ছোট্ট বালককে লক্ষ্য করতেন। স্টোভ যখন জ্বলতো তখন মা বলতেন, ‘জোকার, তোমার আঙুলকে স্টোভে আগুনের শিখার ওপরে রাখবে না, না হলে ইহা পুড়ে যাবে’। ঠিকই, জোকারের মতো নামের প্রতি কি ঘটেছিল তা নিশ্চয়ই আপনি বুঝতে পারছেন। সে তার আঙুলকে স্টোভের শিখার ওপরে রেখেছিল আর তার পরেই যে আর্তনাদ করতে থাকে। ম্যা তাকে বললেন, ‘আমি তোমাকে বলেছিলাম, তোমার কি হতে পারে’। হ্যাঁ, তাই হল, এই জন্য কেননা সে মায়ের কথা শোনেনি। সে তার হাতের আঙুলকে সেই আগুনের শিখার ওপরে রেখেছিল আর ইহাতেই তার আঙুল পুড়ে যায়। পাপ ও মৃত্যুর যে ব্যাবস্থা তার চিত্রও সেই একই প্রকার। ঈশ্বর বললেন ‘যে দিনে তুমি ইহার ফল খাইবে নিশ্চিত মরিবে’। তারা তাঁকে বিশ্বাস করে নি। অতএব তারা সেটিকে খেল। আর তাদের মৃত্যু ঘটলো। পাপ ও মৃত্যুর যে ব্যাবস্থা তা হল সেই একই প্রকার। কেউ হয়তো বলতে পারেন, ‘আরে সেটা তো ঠিক নয়’! আমাকে মাফ করবেন, এই যে ঠিক নয় ইহার সঙ্গে তার কিছুই করার নেই। আপনি যদি আপনার আঙুলকে আগুনের উপরে রাখেন তবে ইহা পুড়ে যাবে। সেটাই হল ব্যাবস্থার কারণ ও প্রভাব। আপনি যদি বাতাসের মধ্যে কোন পাথরের টুকরোকে ছুঁড়ে দেন তবে ইহা নীচের দিকে নেমে আসবে। সেতাই হল অভিকর্ষের সুত্র। আপনি যদি একটি পাথরের টুকরোকে উপরে চুঁড়ে দেন তা যখন পুণরায় ফিরে এসে আপনার মাথাকে আঘাত করে তখন আপনি বলতে পারেন না যে ‘ইহা তো ঠিক নয়’! এই যে ঠিক নয়, ইহার প্রতি কোন কিছুই করার নেই! কেননা ইহা হল সেই অভিকর্ষের সূত্র! আপনি যদি কোন কিছু উপরে ছুঁড়ে দেন তবে তা নীচে ন্মে আসবেই! ইহা হল সেই ব্যাবস্থা বা সূত্র! আর সে ঠিক একই ভাবে পাপ ও মৃত্যুর ব্যবস্থাটা একই প্রকার। যে ব্যাক্তি পাপ করে তাকে অবশ্যই মরতে হবে। আমাদের প্রথম ও আদি পিতা মাতা পাপ করেছেন ও মারা পড়েছেন। সেটাই হল ব্যাবস্থা—পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা! ঠিক হল কি’না ইহার সঙ্গে তার কোন কিছুই করার নেই! যা কিছু উপরে ছোঁড়া হয়, তাকে অবশ্যই নিম্নগামী হতে হবে। ইহা হল ব্যাবস্থা। লোকেরা ইহাকে পছন্দ করে না কিন্তু ইহাই ব্যবস্থা আর ইহাকে ঠিক তেমনি যেভাবে অভিকর্ষ সূত্রের নিয়মে খন্ডন করা যায় না তেমনি পাপ ও মৃত্যুর যে ব্যাবস্থা তা খন্ডন করা যায় না।

এখন ঘটনা হল, আমাদের আদি পিতামাতা ইডেন উদ্যানে পাপ করেছেন আর তারা সেই ইডেন উদ্যানে মৃত্যুবরণ করেছেন। সেটাই হল পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা। প্রথমে তারা আত্মিক ভাবে মৃত্যুবরণ করলেন এবং পরবর্তী সময়ে তারা দৈহিক ভাবে মৃত্যুবরণ করলেন কেননা তারা যখন পাপ করলেন তখন মৃত্যুর বীজ তাদের মধ্যে প্রবেশ করলো।

দুঃখজনক ভাবে তাদের সেই পাপ, মৃত্যু যে কেবল তাদের হল, তাই নয়, তা তাদের সমুদয় সন্তান সমততির উপরেও প্রভাবিত হল। লোকেরা হয়তো পাপ করতে পারে, ‘সেতা ঠিক সুন্দর বিষয় নয়’। আমি জানি তারা হয়তো বলতে পারে কিন্তু ন্যায্যতার সঙ্গে তার কোন কিছুই করার নেই। ইহা হল ব্যবস্থা --- পাপ ও মৃত্যুর ব্যবস্থা। অন্য একটি দিনে আমি এক শিশুর বিষয়ে পড়ছিলাম, যার জন্ম হয়েছে এইচ আই ভি রোগের মধ্যে। সেই শিশুটিতো কোন পাপই করে নি। কিন্তু তার ম্যা সেই পাপ করেছে। আর তাই সেই ছোট্ট শিশুটি এই জন্যই সেই ভাবে জন্ম গ্রহণ করেছে। এই যে ঠিকই আছে এই ভাবে ন্যায্য কথা বলার সঙ্গে ইহার প্রতি কোন কিছুই করার নেই। কেন না ইহা হল পাপ ও মৃত্যুর ব্যবস্থা। যখন কোন ব্যাক্তি পাপ করে তখন ইহা অন্যদের জীবনেও প্রভাব বিস্তার করে। ইহা সব সময়ে সেই ভাবেই কাজ করে চলে।

আর এই পন্থার বিষয় আমরা আদিপুস্তকের প্রতিটি জায়গাতে দেখতে পাই যার সূচনা হয়েছিল আমাদের আদি পিতা ও মাতার পাপের দ্বারা। কিন্তু পাপ ও মৃত্যুর যে শাপ তার সমাপ্তি সেখানেই থেমে থাকে নি। তাই বাইবেল বলে,

“সেই এক মনুষ্যের অবাধ্যতার কারণে অনেককে পাপী বলিয়া ধরা হইল”। (রোমানস ৫:১৯)

ঠিক সেই শিশুটি যে এইচ আই ভি’র মধ্যে জন্ম গ্রহণ করেছে ঠিক তেমনি আমরা সকলেই ‘পাপী বলিয়া গণিত হয়েছি’ আমাদের প্রথম, আদি পিতা ও মাতার পাপের দ্বারা। হাইডেলবার্গ কাটে চিজম বলেন যে ‘আমাদের পাপের যে স্বভাব তা আসে আমাদের আদি পিতা ও মাতা আদম এবং ইভের পতন ও অবাধ্যতার পাপের মধ্য দিয়ে। এই যে পতন তা আমাদের স্বভাবকে বিষাক্ত করে তুলেছে কেননা আমরা পাপেই জন্ম গ্রহণ করেছি – আমাদের সমস্ত কল্পনাকে বিকৃত করে তুলেছি’। (The Heidelberg Catechism, question seven). ১৬৮৯’র ব্যাপটিস্ট স্বীকারোক্তি বলে যে আমাদের প্রথম আদি পিতা ও মাতার ‘পাপ’ ... এমন ভাবে প্রবেশ করেছে যা স্বভাবের মতামতকে দুর্নীতি গ্রস্ত করে তুলেছে এমনকি তাদের সমস্ত বংশধর যারা সেখান থেকে শুরু করে সেখান থেকে এই স্বাভাবিক প্রজন্ম পর্যন্ত , সকলেই এখন পাপের দ্বারা প্রভাবিত আর স্বভাবের দিক দিয়ে সকল সন্তান সন্ততি শাপগ্রস্ত ও মৃত্যুর বশীভূত এবং সেই সঙ্গে আরো বিভিন্ন প্রকার দুর্দশার শিকার হচ্ছে যেমন আত্মিক মৃত্যু, স্বাভাবিক মৃত্যু এমন কি অনন্তকালীন মৃত্যু আর ইহা ঘটতেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রভু যীশু খ্রীষ্ট তাদের স্বাধীন করে তোলেন। প্রকৃত এই যে দুর্নীতি গ্রস্ত অবস্থা এখান থেকেই বাস্তব ভাবেই সমস্ত প্রকার দোষারোপের ও পাপের উৎপত্তি। (The Baptist Confession of Faith 1689, chapter 6:2, 3)

“যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রভু যীশু খ্রীষ্ট (আমাদের) স্বাধীন করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা অভিশাপের সন্তান, পাপের দাস ও মৃত্যুর বশীভূত’। বাইবেল বলে,

“অতএব যেমন এক মনুষ্য দ্বারা পাপ; ও পাপ দ্বারা মৃত্যু প্রবেশ করিল; আর এই প্রকারে মৃত্যু সমুদয় মনুষ্যের কাছে উপস্থিত হইল, কেননা সকলেই পাপ করিল”। (রোমানস ৫:১২)

আদি পুস্তক আমাদের দেখায় যে এই পদটি অত্যন্ত বাস্তব। আদম ও ইভের প্রথম সন্তান কৈন-এর হত্যাকারী ছিল। সেও পাপ করেছিল কেন না তার পিতা মাতাও পাপে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। আদি পুস্তকের পঞ্চম অধ্যায় হল প্লাবনের আগে আদি বংশধরদের মৃত্যুর তালিকা, ‘কেননা, কেবল মাত্র একজন মনুষ্যের পাপের কারণে পাপ এই জগতে প্রবেশ করিল, আর পাপের দ্বারা মৃত্যু আর এই ভাবে মৃত্যু সমুদয় মানুষের মধ্যে এগিয়ে চললো’। নোয়াহ’র সময়ে,

“আর সদাপ্রভু দেখিলেন, পৃথিবীতে মনুষ্যদের দুষ্টতা অত্যধিক এবং তাহাদের অন্তঃকরণের চিন্তার সমস্ত কল্পনা নিরন্তর কেবল মন্দ” (আদিপুস্তক ৬:৫)

সেটা কি ভাবে হল ?

“অতএব যেমন এক মনুষ্য দ্বারা পাপ ও পাপ দ্বারা মৃত্যু জগতে প্রবেশ করিল; আর এই প্রকারে মৃত্যু সমুদয় মনুষ্যের কাছে উপস্থিত হইল; কেননা সকলেই পাপ করিল”। (রোমানস ৫:১২)

আদিপুস্তকের প্রতি আমরা যত অগ্রসর হই, ততই দেখা যায়, পূর্বপুরুষেরা স্বভাবের দিক দিয়ে পাপী আর তারা সেটা আদিম ও হবার পাপ পূর্ণ স্বভাবের জন্যই তা করেছে। আর তাই আদি পুস্তক যখন সমাপ্ত হয় সেখানে মানুষের সাফল্য ও কৃতকার্য্যতার দ্বারা তা সমাপ্ত হয় নি কিন্তু পাপের পরিণাম স্বরুপ মৃত্যু দ্বারাই তা সমাপ্ত হয়েছে;

“যোসেফ একশত দশ বৎসর বয়সে মরিলেন, আর লোকেরা তাঁহার দেহ ক্ষয় নিবারক দ্রব্য দিয়া তাহা মিশর দেশে শবাধারের মধ্যে রাখিলেন”। (আদি পুস্তক ৫০:২৬)

আদিপুস্তক শুরু হয় জীবন আরম্ভ করার দ্বারা আর ইহার সমাপ্তি ঘটে মৃত্যু উৎপাদন করার দ্বারা এবং ‘যোসেফকে মিশরের এক শবাধারের মধ্যে রাখা হলো’।

তাহলে, এখন ইহা আমাদের মধ্যে কি প্রভাব ফেলে? আপনার জীবনে ইহা কি প্রকার প্রভাব ফেলে? প্রকৃতভাবে, জগতের কোন কিছুই আপনাকে ততো বেশী করে উদ্বিগ্ন করে তোলে না! প্রথম স্থলে, পাপের পরিণাম স্বরুপ আপনি দৈহিক ভাবে মৃত্যু বরণ করছিলেন। আমি স্মরণ করতে পারছি সেই সময়টার কথা যখন আমি প্রথমাবার অনুভব করলাম যে আমি মৃত্যুবরণ করতে চলেছি। সেই সময়ে আমার বয়স ছিল কেবলমাত্র আট বৎসর। আমার ছোট্ট কুকুরটি ছুটে রাস্তায় বেরিয়ে যায় এবং একটি মোটরগাড়ির দ্বারা আঘাত পায়। আমি যখন তার ভগ্ন শরীরিটি আমার কোলে করে নিয়ে আনি, তখন প্রথম বার আমি অনুভব করতে পারলাম যে আমাকেও এই ভাবে মারা যেতে হবে। ইহা ছিল ভীতিগ্রস্ত করে তোলার মতো এক চিন্তাধারা। আমি নিশ্চিত যে আমাদের মধ্যে অধিক তম ভাবেই, আমরা তা মনে করতে পারি বা না তখন আমরা অত্যন্ত ভাবেই কম্পান্বিত হয়ে পড়ি যখন আআমরা জানতে পারি যে আমাদের মৃত্যু বরণ করতে হবে। আর মৃত্যু হল এমনি একটা বিষয় যা আপনি কেবল মাত্র এক বা দুবারের জন্য চিন্তা করেন না। মনো চিকিৎসকেরা বলেন যে, গড়পড়তা ব্যাক্তিগণ ঘুম থেকে ওঠার মুহুর্তেই তারা নিজেদের মৃত্যু সম্বন্ধে বেশির ভাগ সময়ে চিন্তা করেন। এই অস্তিত্ব যথার্থ ভাবেই সত্য। আমরা আমাদের মৃত্যু এই বিষয়ে অন্য কোন কিছুর থেকে বেশী করে চিন্তা করি। আমরা ইহার দ্বারা হামেশাই বিব্রত হয়ে পড়ি। আমরা ইহাকে তুচ্ছ করতে পারিনা। ইহাকে আমরা এক পাশে ফেলে রাখতে চাই, কিন্তু আমাদের মন পুণরায় ইহাতে ফিরে আসতেই থাকে। আমরা যা কিছু করি না কেন ইহাকেই আমরা আমাদের চিন্তার বাইরে নিয়ে যেতে পারি না। এমন কি যখন ঘুমিয়ে পড়ি তখনও আমরা কোন কোন সময়ে মৃত্যু ভয়ে জর্জরিত হয়ে পড়ি। মৃত্যুর বিষয়ে সাধারণ ভাবে চিন্তা করে আমরা ইহা থেকে পলায়ন করতে পারি না।

আর তাই আপনি দেখতে পাচ্ছেন, কেবল মাত্র মৃত্যুর চিন্তা যদি কেবল পাপের পরিণাম হতো তাহলে কি প্রচন্ড প্রভাবই না আমাদের জীবনে পড়তো। কিন্তু পাপের পরিণাম কেবল মাত্র সেটাই নয়। সেখানে আরো অনেক প্রভাব রয়েছে। তার একটা হল অন্ধকার এবং মন্দ চিন্তাধারা যা আপনারই পাপ পূর্ণ হৃদয় থেকে উৎপন্ন হয়। যীশু বলেছেন, ‘কেননা ভিতর হইতে; মনুষ্যদের অন্তঃকরণ হইতে, কুচিন্তা বাহির হয়...... সমস্ত মন্দ চিন্তাধারা অন্তঃকরণ থেকেই আসে’।(মার্ক ৭:২১,২৩)। আপনি যে তা করেন ইহা আমাকে আর প্রমাণ করতে হবে না; কি করার কোন প্রয়োজন রয়েছে? আপনার মনের মধ্যে যে অন্ধকারময় এবং পাপপ্রবণ চিন্তাধারা রয়েছে তা আপনি অন্য সকলের থেকে ভালো করে জানেন, এই চিন্তা এমনই যার উপরে আপনার কোন নিয়ন্ত্রণই নেই। আপনি যা কিছু করুন না কেন তাদের আপনি প্রতিরোধ করতে পারেন না। আর আমাদের মধ্যে প্রকৃতভাবে যে পাপ রয়েছে সেই জেনেও এটা অত্যন্ত বাস্তব। আমাদের পাপ পূর্ণ এই যে স্বভাব তা আমরা আমাদের প্রথম আদি পিতা মাতা হইতেই লাভ বা প্রাপ্ত হই।

আর তাই এরফলেই আপনার মধ্যে প্রার্থনার বিষয়ে কঠিনতা উপস্থিত হয়। কিন্তু নিশ্চিত ভাবেই। আপনিও প্রার্থনার মধ্যে কঠিনতা অনুভব করেন, কি তাই নয় কি ? ইহা সেই ভাবে ততোটা কঠিন হওয়ার প্রয়োজন ছিল না। আপনিও জানেন যে ইহা যেন তেমন না হয়। কিন্তু ইহা সেখানে সেই মতো হয়ে ওঠে। আর ইহার বিষয়ে আপনি তখন আরা কিছুই করতে পারেন না; কি আপনি কি কিছু করতে পারেন ? আপনি জানেন যে উত্তম খ্রীষ্টীয়ানেরা প্রার্থনা করতে ভালো বাসে। আর তথাপি আপনি ইহাকে পছন্দ করেন না। আসুন ইহার সম্মুখীন হই; আপনি প্রায় সময়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রার্থনা করতে চান না--- কি আপনি কি তা অনুভব করেন না?

এখন তাহলে বর্তমান সময়ে, আপনার অন্তরের চিন্তাধারার মধ্যে অন্ধকারাচ্ছন্ন ও প্রীতিকর চিত্র রয়েছে। তাই নয় কি? আপনি মৃত্যু বিষয়ে চিন্তা করেন। আপনার মধ্যে লজ্জা জনক চিন্তাধারা রয়েছে। আপনি প্রার্থনা অপছন্দ করেন। প্রসঙ্গত, আপনি যদি তেমন কারো সঙ্গে রয়েছেন যিনি হয়তো বহু ক্ষণ প্রার্থনা করেছেন তখন বাস্তবে আপনি ইহাকে ঘৃণা করেন। আপনার মধ্যে তখন আকর্ষণীয় তেমন কোন চিত্রই তখন আর থাকে না, তাই নয় কি? প্রসঙ্গত, আপনাকে যদি অত্যন্ত ভাবেই এই বিষয়ে চিন্তা করার অনুমোদন করা হয় তবে আপনি হয়তো প্রেরিতদের সঙ্গে এই ভাবেই বলবেন,

“দুর্ভাগা মনুষ্য আমি! এই মৃত্যুর দেহ হইতে কে আমাকে নিস্তার করিবে?’ (রোমানস ৭:২৪)

আপনি দেখতেই পাচ্ছেন যে পাপ ও মৃত্যুর ব্যবস্থা আপনাকে কেমন ভাবে ফাঁদে ফেলে, বা বাইবেল ইহাকে যেভাবে প্রকাশ করে, ‘তোমরা অপরাধ ও পাপে মৃত ছিলে’। (এফেসিয়ানিস ২:১)। ইহা কি সত্য নয়, ঠিক যোসেফের শরিরটি যেমন ছিল, ‘ঠিক তেমনি ভাবে আত্মিক ও শরীর বিজ্ঞানের দিক দিয়ে ও অন্তরের দিক দিয়ে আপনি মৃত ছিলেন’? (আদি পুস্তক ৫০:২৬)। কিন্তু ঈশ্বরের ধন্যবাদ হোক, আমাদের সেখানেই পরিত্যাগ করে রাখা হয়নি। আর সেটাই সংবাদের দ্বিতীয় পদক্ষেপে আহবান করবে।

২. দ্বিতীয়, আদিপুস্তক সক্রিয়ভাবেই মানুষের একমাত্র আশা নিয়ে বর্ণনা করে।

পুনরায় পাঠ্যাংশের প্রথম দুটি অংশের বিষয়ে পুণরায় শুনি;

“পরে যোসেফ আপন ভাতৃগনকে কহিলেন, আমি মরিতেছি, কিন্তু ঈশ্বর অবশ্য তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন এবং এ্যাব্রাহামের, আইজাকের ও জ্যাকবের নিকট যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছেন, তোমাদিগকে এই দেশ হইতে সেই দেশে লইয়া যাইবেন। আর যোসেফ ইজ্রায়েল সন্তানদিগকে এই দিব্য করাইলেন, কহিলেন, ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন, আর তোমরা এই স্থান হইতে আমার অস্থি লইয়া যাইবে”। (আদিপুস্তক ৫০:২৪-২৫)

এই পাঠ্যাংশ থেকে আমরা আরো অনেক কিছু শিখতে পারি, কিন্তু আমি আপনার কাছে কেবলমাত্র একটাকেই প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে চাই, যা খুবই সাধারণ বিষয়; যোসেফ জানতেন যে আমাদের একমাত্র আশা কেবলমাত্র ঈশ্বরে। তিনি বলেন, ‘ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন এবং এ্যাব্রাহামের, আইজাকের ও জ্যাকবের নিকটে যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছেন তা দিবেন’। ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করবেন, আর তোমরা এই স্থান হইতে আমার অস্থি লইয়া যাইবে’। যোসেফের সেই বিশ্বাস ঈশ্বরের উপরে ছিল যে ঈশ্বর তাদের সেই দেশ থেকে বার করে কণ্যান দেশে নিয়ে যাবেন। মিশর হল পাপ ও মৃত্যুর এক আদর্শ নমুনা। যোসেফের সেই বিশ্বাস ছিল যে ঈশ্বর তাদের সেই মৃত্যুর দেশ, মিশর থেকে বার করে নিয়ে জীবন ও প্রত্যাশার সেই স্থানে নিয়ে যাবেন। হিব্রুজ ১১:২২ বলে,

“বিশ্বাসে যোসেফ মৃত্যুকালে ইজ্রায়েল সন্তানগণের প্রস্থানের বিষয়ে উল্লেখ করিলেন এবং আপন অস্থি সমূহের বিষয়ে আদেশ দিলেন”। (হিব্রুজ ১১:২২)

ঈশ্বর যে আপনার একমাত্র প্রত্যাশাভূমি এর থেকে ভালো পন্থার বিষয়ে আমি আর ভাবতেও পারি না । ঈশ্বর যদি আমাদের উদ্ধার না করেন তবে আমরা পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা দ্বারা অনিবার্য্য ভাবেই বিপর্যয় গ্রস্ত। আর অতি অবশ্যই ঈশ্বরকেই সমস্ত পরিত্রাণের কাজকে সম্পন্ন করতে হবে। যোসেফ বলেছেন, ‘ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করবেন এবং এ্যাব্রাহামের, আইজাকের ও জ্যাকবের নিকটে যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছেন, তোমাদিগকে এই দেশ হইতে সেই দেশে লইয়া যাইবেন’।(আদি পুস্তক ৫০:২৪)। ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করবেন আর এই মৃত্যুর দেশ হইতে জীবনের দেশে তোমাদের নিয়ে যাবেন!

আপনি যদি বাইবেলের পরবর্তী বইটি পড়েন, যার নাম যাত্রা পুস্তক সেখানে আপনি দেখতে পাবেন যে ঈশ্বর ইহার সমস্ত কিছুই সম্পন্ন করে ছিলেন। লোকেরা বিদ্রোহচারণ করেছিল ও পাপে পতিত হয়েছিল। আর তারা নিজেদের কোন ভাবেই সাহায্য করেন নি। কিন্তু পরিত্রাণের সমস্ত কাজকে তিনিই করেছিলেন। ঈশ্বর তাদের দাসত্বের হাত থেকে বার করে এনেছিলেন। ঈশ্বর তাদের প্রতিজ্ঞাত দেশে নিয়ে এসেছিলেন। আর শিষ্যেরা যীশুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন,

“তবে কাহার পরিত্রাণ হইতে পারে? যীশু তাহাদের প্রতি দৃষ্টি করিয়া কহিলেন, ইহা মনুষ্যের অসাধ্য বটে, কিন্তু ঈশ্বরের অসাধ্য নয়....” (মার্ক ১০:২৬-২৭)

তাহলে, আপনাকে এখন কি করতে হবে? কোন একজন এই ভাবে বলেন, ‘ঠিকই, আমাকে কোন কিছুই করতে হবে না। আমি কেবল বসে থাকবো, এবং ঈশ্বরের প্রতিক্ষা করবো’। বেশ, যদি আপনি তাই করেন, তবে আপনি নিশ্চিত নরকে যাবেন। সেখানে কিছু রয়েছে যা আপনাকে করতে হবে। বাইবেল বলে,

“তোমরা যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস কর আর তাহলেই তোমরা উদ্ধার লাভ করবে”। (প্রেরিত ১৬:৩১)

যীশুতে বিশ্বাস করুন! তাঁর উপরে নির্ভর করুন—আর তিনিই আপনার সমস্ত উদ্ধারের কার্য্য সম্পন্ন করেন। ক্রুশের উপরে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন আপনার পাপের মুল্য মিটিয়ে দেওয়ার জন্য। আপনাকে জীবন দেওয়ার জন্য তিনি মৃত্যু থেকে জীবিত হয়ে উঠেছেন এই জন্য যেন আপনাকে পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা থেকে স্বাধীন করেন!

আজকের সন্ধ্যায় আমি আপনাদের বলছি যীশু খ্রীষ্টের উপরে বিশ্বাস করুন। নিজেকে তাঁর উপরে অর্পন করুন! তাঁর উপরে নির্ভর করুন! এখনই তা করুন! আপনি যথেষ্ঠই অপেক্ষা করেছেন! তাঁর উপরে নির্ভর করুন! তিনিই আপনাকে উদ্ধার করবেন! তিনি আপনাকে প্রেম করেন। তিনি আপনার পাপের ক্ষমা প্রদান করবেন! তিনি আপনাকে বিচরের হাত থেকে নিস্তার করবেন! ‘তাঁর অনুরাগ সিক্ত দয়া কতো মহান!’ মিঃ গ্রিফিথ, আসুন এই গানটি পুণরায় গাই!

পতনের দ্বারা আমি যে বিনষ্ট হচ্ছিলাম তা তিনি দেখবেন
তথাপি প্রতিরোধ না করেই আমাকে ভালো বাসেন
আমার হারিয়ে যাওয়া অবস্থা থেকে তিনি আমাকে উদ্ধার করলেন;
তাঁর অনুরাগ সিক্ত দয়া কতোই না মহান!
তাঁর অনুরাগ সিক্ত দয়া , তাঁর অনুরাগ সিক্ত দয়া তাঁর
অনুরাগ সিক্ত দয়া কতোই না মহান!
   (“His Loving-Kindness” by Samuel Medley, 1738-1799).

যীশুতে নির্ভর করার জন্য আপনি যদি প্রস্তুত তবে এই ভবনের পিছনের দিকে কক্ষে চলে যান আর সেখানে আমরা প্রার্থনা ও বার্তালাপের মধ্য দিয়ে নীরবতার স্থানে নিয়ে যাবো। মিঃ গ্রীফিথ যখন এই স্তবকটি গান, তখন আপনারা সেই ভবনের দিকে পদক্ষেপ নিন। যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাদের জন্য ডাঃ চান অনুগ্রহ করে প্রার্থনায় এগিয়ে নিয়ে চলুন।

সংবাদের পরিসমাপ্তি
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

অথবা আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net
অথবা আপনি তাকে পত্র লিখতে পারেনঃ পোস্ট বক্স ১৫৩০৮, লস এঞ্জেলেস, সিএ ৯০০০১৫,
এই ঠিকানায় অথবা আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (৮১৮)৩৫২-০৪৫২


সংবাদের আগে শাস্ত্রের যে অংশ পাঠ করা হয়েছে, তা করেছেন মিঃ আবেল প্রধম্মে আদিপুস্তক ৫০:২২-২৬
সংবাদের আগে একক সংগীত গেয়েছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিন গেইড গ্রীফিথঃ
“His Loving-Kindness” (স্যামুয়েল মেডলী দ্বারা, ১৭৩৮-১৭৯৯)


খসড়া চিত্র

সৃষ্টি থেকে শবাধার পর্যন্ত

আদিপুস্তক # ৭৫ সংখ্যার সংবাদ

লেখকঃ ডাঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনি.

“পরে যোসেফ আপন ভাতৃগনকে কহিলেন, আমি মরিতেছি, কিন্তু ঈশ্বর অবশ্য তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন এবং এ্যাব্রাহামের, আইজাকের ও জ্যাকবের নিকট যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছেন, তোমাদিগকে এই দেশ হইতে সেই দেশে লইয়া যাইবেন। আর যোসেফ ইজ্রায়েল সন্তানদিগকে এই দিব্য করাইলেন, কহিলেন, ঈশ্বর অবশ্যই তোমাদের তত্ত্বাবধান করিবেন, আর তোমরা এই স্থান হইতে আমার অস্থি লইয়া যাইবে। যোসেফ একশত দশ বৎসরে মরিলেন; আর লোকেরা তাঁহার দেহ ক্ষয় নিবারক দ্রব্য দিয়া তাহা মিশর দেশে এক শবাধারের মধ্যে রাখিলেন”। (আদি পুস্তক ৫০:২৪-২৬)

১.  প্রথম, আদিপুস্তক অত্যন্ত উজ্জ্বল ভাবেই পাপ ও মৃত্যুর ব্যাবস্থা সম্বন্ধে বর্ণনা করে।
রোমানস ৮:২; রোমানস ৬:২৩; ইজেকিয়েল ১৮:৪; আদিপুস্তক ২:১৭;
 রোমানস ৫:১৯,১২;
আদিপুস্তক ৬:৫; মার্ক ৭:২১,২৩; রোমানস ৭:২৪; এফেসিয়ানস ২:১

২.  দ্বিতীয়, আদিপুস্তক সক্রিয়ভাবেই মানুষের একমাত্র আশা নিয়ে বর্ণনা করে।
আদিপুস্তক ৫০:২৪-২৫; হিব্রুজ ১১:২২; আদিপুস্তক ৫০:২৪; মার্ক ১০:২৬,২৭;
 প্রেরিত ১৬:৩১