Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




উদ্দীপনার জন্য কিভাবে প্রচার করবেন

(উদ্দীপনার ২২নং প্রচার)
(HOW TO PRAY FOR REVIVAL
SERMON NUMBER 22 ON REVIVAL)
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনিয়র।
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৫ সালের, ২৭শে সেপ্টেম্বর, সদাপ্রভুর দিনের সন্ধ্যাবেলায় লস্ এঞ্জেল্সের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাক্ল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord's Day Evenning, September 27, 2015

অনুগ্রহ করে প্রেরিত ১:৮ পদটি খুলুন| এটা স্কোফিল্ড স্টাডি বাইবেলের ১১৪৮ পৃষ্ঠায় আছে| আমি পড়ছি আপনি অনুগ্রহ করে উঠে দাঁড়ান| খ্রীষ্ট এই বাক্যগুলি প্রথম খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন,

“কিন্তু পবিত্র আত্মা তোমাদের উপরে আসিলে, তোমরা শক্তি প্রাপ্ত হইবে: আর তোমরা যিরুশালেমে, সমুদয় যিহূদীয়া, ও শমরিয়া দেশে, এবং পৃথিবীর প্রান্ত পর্য্যন্ত আমার সাক্ষী হইবে” (প্রেরিত ১:৮)|

আপনারা এবার বসতে পারেন|

কিছু প্রচারক বলেন এটা শুধুমাত্র পঞ্চসপ্তমীর পবিত্র আত্মার অবতরণের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত| তারা বলেন যে আমরা আশা করতে পারি না যে পবিত্র আত্মা যেমন আগে করতেন সেইরকমভাবে তিনি এখনও আমাদের কাছে নেমে আসবেন| তাদের মধ্যে অনেকেই ভয় পান যে তাদের লোকেরা পঞ্চসপ্তমীতে পরিণত হয়ে যাবে যদি তারা সেই লোকেদের বলেন যে আজকে আত্মার প্রবহণ হতে পারে| সুতরাং তারা মন পরিবর্তনের এবং দৃঢ় বিশ্বাসের কাজ বন্ধ করে দেবে কারণ তারা পঞ্চসপ্তমীবাদকে ভয় করে| কিন্তু তারা ভুল করে যখন তারা বলে যে আমরা পবিত্র আত্মার আমাদের মধ্যে অবতরণ করার আশা করতে পারি না| আমাদের পাঠ্যাংশের শেষ আটটি বাক্য দেখায় যে তারা ভুল করে, “এবং পৃথিবীর প্রান্ত পর্য্যন্ত|” একটি আধুনিক অনুবাদ এইভাবে বলছে, “এবং এমনকী পৃথিবীর সুদূরতম অংশস্থিত স্থান পর্য্যন্ত|” যেহেতু সেই প্রাচীন খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা পৃথিবীর “প্রান্ত পর্য্যন্ত” বা “সুদূরতম” স্থান পর্য্যন্ত যাননি, যীশু সমস্ত খ্রীষ্ট বিশ্বাসীকে, সব সময়ের জন্য এইকথা বলেছিলেন| তিনি তাদের, এবং আমাদেরকে বলেছিলেন, “পবিত্র আত্মা তোমাদের উপরে আসিলে, তোমরা শক্তিপ্রাপ্ত হইবে|” পিতর কিছুদিন পরেই যা বলেছিলেন, তার দ্বারা এটা প্রমানিত হয়েছে, প্রেরিত ২:৩৯ পদে| পদটির দিকে দেখুন|

“কারণ এই প্রতিজ্ঞা [পবিত্র আত্মার] তোমাদের জন্য, ও তোমাদের সন্তানগনের জন্য, এবং দূরবর্ত্তী সকলের জন্য, যত লোককে আমাদের ঈশ্বর প্রভু ডাকিয়া আনিবেন” (প্রেরিত ২:৩৯)|

সুতরাং শিষ্যেরা যিরুশালেমে ফিরে গিয়েছিলেন, এবং উপরের কুঠরিতে প্রার্থনার জন্য প্রবেশ করেছিলেন| তারা কিসের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন? তারা পবিত্র আত্মার শক্তির জন্য প্রার্থনা করেছিলেন যীশু যা প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন, “কিন্তু পবিত্র আত্মা তোমাদের উপর আসিলে, তোমরা শক্তিপ্রাপ্ত হইবে” (প্রেরিত ১:৮)| আমি সম্পূর্ণভাবে ইয়ান এইচ. মোররে’র সঙ্গে একমত| তিনি বলেছিলেন,

পঞ্চসপ্তমী যখন নতুন যুগের প্রবর্তন করিয়াছিলেন, আত্মার উপরে প্রদান করা খ্রীষ্টের কার্য্য তখনও শেষ হইয়া যায় নাই| এবং আত্মার পূর্ণ যোগাযোগ যাহা সম্পূর্ণ [খ্রীষ্ট বিশ্বাসীর] যুগকে চিহ্নিত করে, পঞ্চসপ্তমীতে শুরু হইয়াছিল, স্থির এবং অপরিবর্তনশীল হইবার ছিলনা; ইহা সেইরকম হইবার জন্য যাহা শিষ্যদের স্পষ্টভাবে করিতে নির্দেশ করা হইয়াছিল যে আরও বেশি করিয়া ঈশ্বরের আত্মার জন্য প্রার্থনা করা, তাহা করিবার দ্বারা কোন উদ্দেশ্য সাধিত হইতে পারিত? ইহা ছিল ‘আমাদের প্রার্থনা করিতে শেখাও’ এই অনুরোধের উত্তর যাহাতে যীশু বলিয়াছিলেন: “অতএব, তোমরা মন্দ হইয়াও, যদি তোমাদের সন্তানদিগকে উত্তম উত্তম দ্রব্য দান করিতে জান: তবে ইহা কত অধিক নিশ্চয় যে স্বর্গস্থ পিতা যাহারা তাঁহার কাছে যাচ্ঞা করে তাহাদিগকে পবিত্র আত্মা দান করিবেন” (লূক ১১:১৩)| খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের জন্য এই প্রতিজ্ঞার কোন অবিরাম প্রাসঙ্গিকতা নাই যদি না সেখানে সর্বদা অধিক পরিমান গৃহিত হইবার থাকে (Iain H. Murray, Pentecost Today? The Biblical Understanding of Revival, The Banner of Truth Trust, 1998, p. 21)|

আলেক্জান্ডার মুডি স্টুয়ার্ট বলেছিলেন, “পবিত্র আত্মা তাহার মন্ডলীতে সর্বদা উপস্থিত থাকাকালীন, সেখানে সেই সময় ছিল যখন তিনি নিকটতরদের আকর্ষণ করিতেন এবং ক্ষমতার শক্তির উৎসাহ প্রচুর পরিমানে সঞ্চার করিয়া দিতেন” (Murray, ibid., p. 22)|

কিন্তু ১৮৫৯ সালের মহান উদ্দীপনার পরে আজ অবধি আমরা এর খুব কমই দেখেছি, বাস্তবিকপক্ষে খুবই কম| আমি দৃঢ় নিশ্চিত যে ঘটনার নেপথ্যে মূল কারণ হল এই সত্য যে বেশির ভাগ সুসমাচার প্রচারকরা আর বিশ্বাস করেন না যে মন পরিবর্তন হল একটা অলৌকিক কাজ| আজকের দিনের বেশির ভাগ সুসমাচার প্রচারকগণ মনে করেন যে মন পরিবর্তন একটি মানবিক সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়| তারা মনে করেন যে আপনাকে শুধু এটাই করতে হবে যে একজন হারানো লোককে তথাকথিত “পাপীর প্রার্থনা” করতে উদ্বুদ্ধ করা| শুধু সেই বাক্যগুলি বলুন এবং পরিত্রাত হন! যোয়েল অস্টিন তার প্রত্যেকটি প্রচারের শেষে এই কথাগুলি বলেন| তার কাছে প্রার্থনার শব্দগুলি বলার মতন লোক আছে| এরপরে তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি যদি আপনি সেই কথাগুলি বলিয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি নতুন জন্ম পাইয়া গিয়াছেন|” আপনি দেখুন যে, পবিত্র আত্মার একটি অলৌকিক কাজ করার কোন প্রয়োজন সেখানে নাই! যদি আপনি সেই কথাগুলি বলেছেন তাহলে “আপনি নতুন জন্ম পাইয়া গিয়াছেন|”

এটা হল প্রাচীন পেলাজিয়ানিজ্মের ভ্রান্ত মতবাদের দিকে ফিরে যাওয়া – একটা মতবাদ যা শিক্ষা দেয় যে একজন মানুষ তার নিজের পরিত্রাণ নিজেই লাভ করতে সক্ষম – এই ক্ষেত্রে, মাত্র কয়েকটি শব্দ উচ্চারণের দ্বারা! অথবা খ্রীষ্টীয় সভায় “এগিয়ে” আসার দ্বারা – অথবা আপনার হাত তোলার দ্বারা! “আপনাদের সকলের মধ্যে যারা যারা উদ্ধার পেতে চান, শুধুমাত্র আপনাদের হাত তুলুন|” এটা হল একটা অপরিমার্জিত পেলাজিয়ানিজ্ম! সেই প্রাচীন ভ্রান্ত বিশ্বাসে প্রত্যাবর্তন, যা শিক্ষা দেয় যে একজন হারানো মানুষ কিছু কাজ করার দ্বারা অথবা একটি প্রার্থনার শব্দ উচ্চারণ করার দ্বারা, নিজ পরিত্রাণ নিজেই অর্জন করতে পারে| আমি এটাকে বলছি “যাদুকরী প্রার্থনা|” প্রকৃতপক্ষে এটা হল খ্রীষ্ট বিশ্বাসের তুলনায় একটি “যাদু|” যাদু প্রদর্শনীতে আপনি কিছু শব্দ উচ্চারণ করেন, অথবা কিছু কাজ করেন, আর সেই শব্দ বা কাজ একটি অতিপ্রাকৃতিক ফল উৎপন্ন করে| রূপকথার সেই গডমাদার তার জাদুছড়ি ঘোরাতেন এবং বলতেন, “বিব্বিডি-বোব্বিডি-বু” এবং কুমড়ো রূপান্তরিত হয়ে যেত সিন্ডারেলার জন্য একটি সুন্দর রথে! কিন্তু মন পরিবর্তন এই ধরনের একটি “যাদু” নয় যা আপনি ডিজ্নির কার্টুনের মধ্যে দেখেন! ওয়াল্ট ডিজ্নি, সেইসব নৃত্যরত ঝাঁটার সঙ্গে “অদ্ভূত প্রণালী”তে, “যাদুকর শিক্ষানবিশি” হতে আগ্রহী ছিলেন! এই সবই হল ডিজ্নির কার্টুনের বৈশিষ্ট্য| এবং আমি বলি এইগুলি সবই আমাদের আধুনিক সুসমাচার প্রচারকদের মন পরিবর্তন সংক্রান্ত ধারনার মধ্যে ছড়িয়ে আছে! এই সমস্যার পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করে দেখতে হলে পড়ুন ডেভিড ম্যালকম বেনেটের বই, The Sinner’s Prayer: Its Origins and Dangers, Even Before Publishing, n.d., যা Amazon.com’এ উপলভ্য|

প্রত্যেকটি প্রকৃত মন পরিবর্তন হল একটি অলৌকিক কাজ| অনুগ্রহ করে আমার সঙ্গে একসাথে খুলুন মার্ক ১০:২৬ পদটি| এটি স্কোফিল্ড স্টাডি বাইবেলের ১০৫৯ পৃষ্ঠায় রয়েছে|

“তখন তাহারা অতিশয় আশ্চর্য্য মনে করিলেন, কহিলেন, তবে কাহার পরিত্রাণ হইতে পারে? যীশু তাহাদের প্রতি দৃষ্টি করিয়া কহিলেন, ইহা মনুষ্যের অসাধ্য বটে…” (মার্ক ১০:২৬, ২৭)|

তারা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “তবে কাহার পরিত্রাণ হইতে পারে?” যীশু উত্তর দিয়েছিলেন, “ইহা মনুষ্যের অসাধ্য বটে|” মানুষ তার পাপযুক্ত অবস্থার মধ্যে থেকে নিজেকে পরিত্রাণ করার জন্য কিছুই করতে পারে না অথবা এমনকী নিজেকে সাহায্যও করতে পারে না! কিন্তু তখন যীশু বলেছিলেন, “কিন্তু ঈশ্বরের অসাধ্য নয়: কারণ ঈশ্বরের পক্ষে সকলই সাধ্য|” একজন ব্যক্তির মুক্তি বা পরিত্রাণ হল ঈশ্বরের থেকে প্রাপ্ত একটি অলৌকিক কর্ম! আমরা এই বছরে অনেকগুলি আশাজনক মন পরিবর্তন দেখেছি, তাদের মধ্যে দুটি গত রবিবারে এবং একটি আজ সকালে| প্রত্যেকটি প্রকৃত মন পরিবর্তন হচ্ছে অলৌকিক| পল কুক্ সঠিকভাবে বলেছিলেন, “প্রগাঢ় আবেগ এবং প্রসার ব্যতিরেকে পবিত্র আত্মার যে কোন সাধারন কার্য্যের বৈশিষ্ট্যের সহিত উদ্দীপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আর কোন পার্থক্য নাই” (Fire From Heaven, EP Books, 2009, p. 117)|

যখন একজন মানুষ মন পরিবর্তন করেন তখন সেটা হয় ঈশ্বরের থেকে প্রাপ্ত একটি অলৌকিক কাজ| যখন অনেক মানুষ একসঙ্গে খুব অল্প সময়ের মধ্যে মন পরিবর্তন করেন তখন সেটা হয় ঈশ্বরের থেকে প্রাপ্ত একটি অলৌকিক কাজ| শুধুমাত্র পার্থক্য হল “প্রগাঢ় আবেগ এবং প্রসারের|” যখন আমরা উদ্দীপনার জন্য প্রার্থনা করি, তখন আমরা একসঙ্গে অনেক মানুষের হৃদয়ে পবিত্র আত্মার কাজ করার জন্য প্রার্থনা করি|

মন পরিবর্তনে পবিত্র আত্মা কী করেন? প্রথমত, “যখন তিনি আসেন, তখন তিনি পাপের জন্য…তিরষ্কার (দোষী) করিবেন” (যোহন ১৬:৮)| পল কুক বলেছিলেন, “লোকেরা কখনই প্রকৃতিগতভাবে তাহাদের পাপের চেতনা পান না; স্বভাবের দ্বারাই তাহারা আত্ম-সততা প্রতিপাদন করেন| আত্মার একটি বিশেষ কার্য্যের প্রয়োজন| এবং যখন আত্মা কার্য্য করে, তখন পাপ হইয়া পরে জঘণ্য [ভয়ঙ্কর, বিভৎস], আর ইহা ঘৃণা করিতে এবং পরিত্যাগ করিতে ব্যক্তিকে পরিচালনা করে|” যেমন একটি মেয়ে বলেছিল, “আমি স্বয়ং নিজের প্রতি বিরক্ত ছিলাম|” সেটা ছিল আমার এযাবৎকালের মধ্যে দেখা চেতনার উত্তম একটি সংজ্ঞা| “আমি স্বয়ং নিজের প্রতি বিরক্ত ছিলাম|” যদি আপনার কমপক্ষে কিছুমাত্রাতে এইধরনের পাপের চেতনা না থাকে, তাহলে আপনার প্রকৃত মন পরিবর্তন হবে না| সেই কারণে আমাদের অবশ্যই প্রার্থনা জানাতে হবে যে পবিত্র আত্মা যেন সেই সমস্ত লোকেদের পাপের চেতনা দেন যারা অপরিত্রাণপ্রাপ্ত|

দ্বিতীয় যে জিনিষটি পবিত্র আত্মা মন পরিবর্তনের সময়ে করেন তা হল সেই ব্যক্তিকে খ্রীষ্টের সঙ্গে পরিচিত করানোর কাজ যিনি পাপের চেতনার মধ্যে রয়েছেন| যীশু বলেছিলেন, “কেননা যাহা আমার, তাহাই লইয়া তোমাদিগকে জানাইবেন” (যোহন ১৬:১৪)| একটি আধুনিক অনুবাদ এইভাবে বলতে পারবে, “তিনি…আমার যাহা আছে লইবেন এবং তোমাদের সহিত তাঁহার পরিচয় করাইবেন|” একজন হারানো লোক কখনও ব্যক্তিগতভাবে খ্রীষ্টকে জানতে পারে না যদি না পবিত্র আত্মা তাঁর পরিচয় দেন| কিন্তু যদি আপনার পাপের চেতনা না হয়, তবে পরিত্রাণের জন্য পবিত্র আত্মা খ্রীষ্টকে আপনার কাছে প্রকৃত করাবেন না|

কাজেই, যখন আমরা পবিত্র আত্মার পূর্ণ শক্তিসহ অবতরণের জন্য প্রার্থনা করি, তখন প্রধানত আমরা ঈশ্বরের কাছে যাচ্ঞা করি আত্মাকে পাঠাতে (১) যাতে হারানো মানুষটির মনে তার বিভৎস পাপ-স্বভাবের প্রতি চেতনার উন্মেষ ঘটে, এবং (২) আমরা অবশ্যই প্রার্থনা করি যেন পবিত্র আত্মা খ্রীষ্টকে সেই লোকটির সামনে প্রকাশিত করেন, যাতে তিনি প্রকৃতভাবে জানতে পারেন খ্রীষ্টের রক্তের শক্তিকে যা তাকে তার পাপ থেকে শুচি করে| যোহনের ১৬তম অধ্যায়ে যেমন প্রকাশিত আছে যে, একটি প্রকৃত মন পরিবর্তনের কালে পাপের চেতনার উন্মেষ ঘটান এবং খ্রীষ্টের রক্তের দ্বারা শুচি করা হচ্ছে ঈশ্বরের আত্মার প্রধান দুটি কাজ| ব্রায়ান এইচ. এডওয়ার্ড বলেছিলেন, “কিসের জন্য প্রার্থনা করতে হবে সেটা আজকের দিনে খুব বেশি খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা জানেন না যখন তাদের উদ্দীপনার জন্য প্রার্থনা করতে বলা হয়” (Brian H. Edwards, Revival, Evangelical Press, 2004 edition, p. 80)|

কিসের জন্য প্রার্থনা করতে হবে সেটা তাদের না জানার কারণগুলির মধ্যে একটি হল যে আজকের দিনে বেশির ভাগ খ্রীষ্ট বিশ্বাসী হারানো লোকদের পাপের চেতনার মধ্যে নিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকার করেন না, এবং তারা “সঙ্কটকালীন মন পরিবর্তন”এ বিশ্বাস করেন না যেমন আমাদের পূর্বপুরুষেরা করতেন| কিন্তু আমি আপনাদের বলেছি যে আমাদের অবশ্যই পবিত্র আত্মার অবতরণের জন্য এবং হারানো লোকেদের চেতনা দানের মাধ্যমে আমাদের মন্ডলীতে আসার জন্য প্রার্থনা করতে হবে| যদি তারা পাপের চেতনার উন্মেষের অধীনস্ত হয়ে না আসেন তবে তারা পরিত্রাণ পাবেন না| সেখানে কিছু ব্যতিক্রম আছে, কিন্তু তা খুবই সামান্য| একমাত্র উদাহরণ যা আমি বাইবেলের মধ্যে পেয়েছি তা হল লূকের উনিশতম অধ্যায়ে লেখা সক্কেয়র মন পরিবর্তন| আমরা তাকে কাঁদতে দেখি না, যা বেশির ভাগ প্রকৃত মন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে খুব সাধারন ঘটনা| তবুও সক্কেয় খ্রীষ্টের সামনে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে তিনি তার সম্পদের অর্দ্ধেকাংশ দরিদ্রদের দান করবেন, এবং তিনি যাদের হরণ করেছিলেন তাদের প্রত্যেককে যা নিয়েছিলেন তার চারগুণ ফিরিয়ে দেবেন| এটা দেখাচ্ছে যে তিনি পারতপক্ষে চেতনার অধীনে ছিলেন! আমি মনে করি সক্কেয়র মন পরিবর্তন দেখায় যে কিছু লোক, খুবই অল্প সংখ্যক, তাদের পাপের জন্য অনুতাপ করে স্বাভাবিক অশ্রুজল ছাড়াই যা বেশির ভাগ জাগরণের সঙ্গদান করে|

আর তারপরে, কিসের জন্য প্রার্থনা করতে হয় সেটা বেশির ভাগ সুসমাচার প্রচারকদের না জানার অন্য একটি কারণ হল যে বর্তমানে বেশির ভাগ খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা “সঙ্কটকালীন” মন পরিবর্তনের ব্যাপারটিকে বিশ্বাস করেন না, যেমন আমাদের পূর্বপুরুষেরা বিশ্বাস করতেন| আমাদের পূর্বপুরুষেরা বলতেন যে চেতনার অধীনস্ত একজন ব্যক্তিকে “জাগরিত” করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি এখনও উদ্ধার লাভ করেননি| আমাদের পূর্বপুরুষেরা বলেছিলেন যে একজন চেতনাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিজের পাপ থেকে ফিরে আসার জন্য নিদারুন যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, যেমন না কি একজন মহিলা সন্তান লাভের জন্য গর্ভবেদনার মধ্যে দিয়ে যায়| আমাদের পূর্বপুরুষেরা বলেছিলেন, শুধুমাত্র এই পথে, কোন ব্যক্তি সত্যি সত্যিই মন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারতেন (cf. the conversion of “Christian” in Pilgrim’s Progress)|

আমি ডঃ মার্টিন লয়েড-জোন্সের সঙ্গে একমত যে প্রেরিত পৌল আমাদের একটি রোমীয় ৭ এর শেষ দুটি পদের মধ্যে প্রকৃত মন পরিবর্তনের একটি উদাহরণ দিয়েছেন| ডঃ লয়েড-জোন্স বলেছিলেন যে এই পদগুলি পৌলের নিজের মন পরিবর্তনের বর্ণনা দিচ্ছে| আমি একমত| পৌল বলেছিলেন,

“দুর্ভাগ্য মনুষ্য আমি! এই মৃত্যুর দেহ হইতে কে আমাকে নিস্তার করিবে?” (রোমীয় ৭:২৪)|

এটাই হল চেতনা! – যখন পাপী নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বিলিয়ে দেয় এবং নিজের পাপপূর্ণ হৃদয়ের প্রতি নিদারুন বিরক্ত হয় যা তাকে এতদিন ক্রীতদাস বানিয়ে রেখেছিল| কিন্তু তখন পৌল বলেছেন,

“আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের দ্বারা আমি ঈশ্বরের ধন্যবাদ করি” (রোমীয় ৭:২৫)|

এটাই হচ্ছে মন পরিবর্তন – যখন যন্ত্রণাকাতর পাপী প্রভু যীশু খ্রীষ্টের দ্বারা উদ্ধার পান! এটা এখানে আছে যে, প্রথমবারের জন্য, সেই পাপী, যাকে অনুভব করানো হয়েছে যে তিনি হলেন পাপের প্রতি আশাহীন এক ক্রীতদাস, অবশেষে যীশুর প্রতি ফিরে এসেছেন এবং তাঁর রক্তের দ্বারা পাপ থেকে শুচি হয়েছেন| আমাদের সময়ের সবথেকে বড় দুঃখের বিষয়গুলির একটি হল এই যে বেশির ভাগ সুসমাচার প্রচারকরা কখনও কাউকে এই দুটি সর্ব-গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতেন না| প্রথম অবস্থায় পাপের চেতনার ক্ষণস্থায়ী নিদারুন বেদনায়, অথবা এমনকী হয়ত তাও নয়, সিদ্ধান্তবাদীরা তাদের বাধ্য করত একটি পাপীর প্রার্থনা বলতে| আমি বিশ্বাস করি ১৮৫৯ সালের পর থেকে আমেরিকাতে আমাদের কোন জাতি-পরিবর্তনকারী উদ্দীপনা না হওয়ার নেপথ্যে সেটাই হল একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কারণ|

কাজেই, এই সবই হল সেই জিনিষ যার জন্য আপনার অবশ্যই প্রার্থনা করা উচিৎ যদি আপনি চান যে আমাদের মন্ডলী একটি উদ্দীপনার অভিজ্ঞতা অর্জন করুক| প্রথমত, হারানো লোকেদের মধ্যে তাদের কৃত পাপের চেতনা আনতে ঈশ্বরকে তার পবিত্র আত্মা পাঠানোর জন্য তাঁর কাছে প্রার্থনা করুন| দ্বিতীয়ত, যীশুকে তাদের সামনে প্রকাশ করতে এবং তাঁর প্রতি তাদের আকর্ষিত করতে, ক্রুশের উপরে তাঁর মৃত্যুর দ্বারা ক্ষমা লাভ করতে, এবং তাঁর বহুমূল্য রক্তের মাধ্যমে শুচি হতে ঈশ্বরের আত্মার জন্য প্রার্থনা করুন!

পাষ্টর ব্রিয়ান এইচ. এডওয়ার্ড বলেছিলেন যে উদ্দীপনার প্রার্থনা তাদের উপর কেন্দ্রীভূত “যিনি মন পরিবর্তনকারী, যিনি উদ্বিগ্ন (জাগরিত), এবং যিনি অজাগরিত” (Revival, Evangelical Press, 2004 edition, p. 127)| কেন উদ্দীপনার প্রার্থনা “মন পরিবর্তনকারী” সেইসঙ্গে “উদ্বিগ্ন” এবং “অজাগরিত”দের উপর কেন্দ্রীভূত? কেননা যারা মন পরিবর্তন করেছেন তারা পশ্চাদাভিমুখী হতে পারেন| প্রথম চীনা ব্যপটিষ্ট মন্ডলীতে উদ্দীপনা শুরু হয়েছিল উদ্ধারপ্রাপ্ত লোকেদের মধ্যে যাদের অন্তরে পাপ ছিল| তারা খোলাখুলিভাবে, চোখের জলে, সকলের সামনে তাদের পাপ স্বীকার করা শুরু করেছিল| তাদের কয়েকজনের মনে মন্ডলীর অন্য কারো প্রতি তিক্ততা ছিল| কেউ কেউ তাদের জীবনে গোপন পাপ আসার সুযোগ করে দিয়েছিলেন| তারা তাদের পাপের অজুহাত খাড়া করেছিল এই বলে যে, তারা বিষয়টি গ্রাহ্য করেনি| কিন্তু যখন পবিত্র আত্মা নেমে এসেছিলেন, তারা ভগ্ন হৃদয় হয়েছিলেন| তারা তখন অনুভব করেছিলেন তাদের প্রার্থনায় তারা ছিলেন শীতল এবং মৃত| তারা অনুভব করেছিলেন যে মন্ডলীর অন্যান্যদের প্রতি তারা ছিলেন তিক্ত এবং ক্রোধী| ঈশ্বর তাদের দিয়ে করাতে চাইছেন তা জানা সত্ত্বেও অন্যেরা কিছু করতে অস্বীকার করতেন|

অন্য আর একটি উদ্দীপনায় “এক বিখ্যাত [ক্ষমতাপন্ন] সুসমাচার প্রচারককে দেখা গিয়াছিল তাহার চক্ষু হইতে জল মেঝের উপর টপ টপ করিয়া ঝরিতে থাকা অবস্থায়, নিজের হাতদুটি মোচড়াইতে| সেই মানুষটি অনেককে খ্রীষ্টের প্রতি পরিচালিত করিয়াছেন [করিয়াছিলেন], কিন্তু তাহার ছিল…স্বীকার করিবার মতন পাপ এবং তিনি শান্তি পাইতেছিলেন না যতক্ষণ না তিনি মন্ডলীর সামনে দাঁড়াইতেছেন এবং [স্বীকার] করিয়া লইতেছেন সেই সমস্ত পাপ| তাঁহার বাক্যগুলি ছিল প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ধাক্কা খাইবার সদৃশ এবং লোকেরা অনুতাপে মেঝের উপরে পড়িয়া গিয়াছিল” (Brian Edwards, Revival: A People Saturated With God, Evangelical Press, 1991 edition, p. 261)|

আমাদের মন্ডলীতে হয়তো কোন খ্রীষ্ট বিশ্বাসী আছেন যিনি কোন কিছুতেই ঈশ্বরকে মান্য করতে অস্বীকার করেন| এতে উদ্দীপনায় প্রতিবন্ধক সৃষ্টি হতে পারে! ১৯৭০ সালে কেনটাকির, উইলমোর শহরের এস্ব্যুরি কলেজে যখন উদ্দীপনা এসেছিল তখন শতাধিক প্রকৃতভাবে মন পরিবর্তিত ছাত্রছাত্রীরা অনুভব করেছিল যে তাদের পাপের স্বীকারোক্তি করার আছে…সকলের সামনে প্রকাশ্যে| তারা চ্যাপেলের মাইক্রোফোনটির জন্যে অপেক্ষারত অবস্থায় লাইন করে দাঁড়িয়েছিল, কখনও ঘন্টার পর ঘন্টা, যাতে তারা স্বীকার করতে পারে…তাদের [অবাধ্যতা] এবং যাতে প্রার্থনার জন্য যাচ্ঞা করতে পারে|

সেই মানুষটি যিনি এস্ব্যুরির সভা পরিচালনা করছিলেন তিনি কিন্তু প্রচার করেননি| পরিবর্তে, তিনি সংক্ষেপে তার সাক্ষ্য দিয়েছিলেন, এবং তারপরে ছাত্রদের নিজস্ব খ্রীষ্টীয় অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কথা বলার জন্যে তাদের একটি সাধারন আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন| সেখানে বিশেষ অস্বাভাবিক কিছু ছিল না| একটি ছাত্র তার আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছিল| তারপরে আর একজন| তারপরে আরও একজন| “তাহার পরে তাহারা বেদীর উপরে প্রবহণ করিতে শুরু করিয়াছিল,” এইভাবে তিনি বলেছিলেন| “ইহা একেবারে ভাঙ্গিয়া পড়িতেছিল|” ক্রমশঃ, ব্যাখ্যাতীতভাবে, ছাত্র এবং প্রতিষ্ঠানের সদস্যগণ একসঙ্গে নিজেদের দেখেছিলেন শান্তভাবে প্রার্থনা করতে, কাঁদতে, গান গাইতে| তারা যাদের প্রতি একদিন ভুল আচরণ করেছিল তাদেরকে খুঁজে বের করছিল এবং তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছিল| সেই চ্যাপেল সভা আটদিন ধরে চলেছিল [একদিনে ২৪ ঘন্টা]|

একেবারে ঠিক এইধরনের ঘটনা প্রথম চীনা ব্যাপটিষ্ট মন্ডলীতেও ঘটেছিল, এস্ব্যুরি উদ্দীপনার প্রায় সমসাময়িক কালে| সেটা ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে চলেছিল, যেহেতু চীনা যুবকেরা স্বীকারোক্তি দিচ্ছিলেন এবং প্রার্থনা করছিলেন| ১৯১০ সালে কোরিয়ার উদ্দীপনাতেও পাপের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি একটি সাধারন ঘটনা ছিল| চীনদেশে চলছে, এমন মহা উদ্দীপনায়, আজকের দিনেও খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের অশ্রুজলসহ পাপের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি, একটি সাধারন ঘটনা| ইভান রবার্টস আর্তনাদ করে উঠেছিলেন, “প্রভু, আমাকে অবনত কর,” যেহেতু তিনি ঈশ্বরের বশ্যতা স্বীকার করেছিলেন এবং ১৯০৫ সালের ওয়েল্শের উদ্দীপনার একজন নেতা হয়েছিলেন| আপনার বিষয়টি কী? ঈশ্বর আপনাকে অবনত করুন এর জন্য আপনি কী প্রার্থনা করবেন? “আমাকে অনুসন্ধান কর, হে ঈশ্বর” গানটি করুন|

“হে ঈশ্বর, আমাকে অনুসন্ধান কর, আমার অন্তঃকরণ জ্ঞাত হও:
আমার পরীক্ষা কর এবং আমার চিন্তাসকল জ্ঞাত হও:
আমার পরীক্ষা কর এবং আমার চিন্তাসকল জ্ঞাত হও;
আর দেখ আমাতে দুষ্টতার পথ পাওয়া যায় কি না,
এবং সনাতন পথে আমাকে গমন করাও|”
(গীতসংহিতা ১৩৯:২৩, ২৪)|

জীবন্ত ঈশ্বরের আত্মা, নামিয়া আইস, আমরা প্রার্থনা করি|
জীবন্ত ঈশ্বরের আত্মা, নামিয়া আইস, আমরা প্রার্থনা করি|
আমাদের বিগলিত কর, আমাদের গঠন কর, আমাদের ভগ্ন কর, অবনত কর|
জীবন্ত ঈশ্বরের আত্মা, নামিয়া আইস, আমরা প্রার্থনা করি|

এটা আমাদের মন্ডলীতে ঘটতে পারে যদি ঈশ্বর একটি উদ্দীপনায় তাঁর আত্মাকে প্রেরণ করেন| “হে ঈশ্বর, আমাকে অনুসন্ধান কর|” শান্তভাবে গানটি গান|

“হে ঈশ্বর, আমাকে অনুসন্ধান কর, আমার অন্তঃকরণ জ্ঞাত হও:
আমার পরীক্ষা কর এবং আমার চিন্তাসকল জ্ঞাত হও:
আমার পরীক্ষা কর এবং আমার চিন্তাসকল জ্ঞাত হও;
আর দেখ আমাতে দুষ্টতার পথ পাওয়া যায় কি না,
এবং সনাতন পথে আমাকে গমন করাও|”
(গীতসংহিতা ১৩৯:২৩, ২৪)|

আমেন|


যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তাহলে ডঃ হাইমার্স আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে চান| যখন আপনি ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখবেন তখন অবশ্যই তাকে জানাবেন যে কোন দেশ থেকে আপনি তাকে লিখছেন নয়ত তিনি আপনার ই-মেলের জবাব দিতে সক্ষম হবেন না| যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে ডঃ হাইমার্সকে একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে সেইকথা জানান, কিন্তু কোন দেশ থেকে আপনি লিখছেন চিঠিতে সেটা অবশ্যই অন্তর্ভূক্ত করবেন| ডঃ হাইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন) | আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন| যদি আপনি ডঃ হাইমার্সকে ডাক-ব্যবস্থার মাধ্যমে চিঠি পাঠাতে চান, তবে তার ঠিকানা হল P.O. Box 15308, Los Angeles, CA 90015 | আপনি তাকে (818)352-0452 নম্বরে ফোন করতে পারেন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়তে পারেন| ক্লিক করুন “প্রচার পান্ডুলিপি|”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রুধোম্মে: প্রেরিত ১:৪-৯ |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“Teach Me to Pray” (by Albert S. Reitz, 1879-1966) |