Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




ধর্ম্মভ্রষ্টতার কালে উপবাস এবং প্রার্থনা

FASTING AND PRAYER IN A TIME OF APOSTASY
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনিয়র।
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৫ সালের, ২৬শে জুলাই, প্রভুর দিনের সন্ধ্যাবেলায় লস্ এঞ্জেল্সের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাকল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Evening, July 26, 2015


এখন আমি চাই যে আপনি লূক, ৪র্থ অধ্যায়ের, ১৮ থেকে ২১ পদ খুলুন| আমি ঐ পদগুলির পুনরাবৃত্তি করছি যা কয়েক মিনিট আগেই মিঃ প্রুধোম্মে পড়েছেন| লূক ৪:১৮-২১ পদগুলি স্কোফিল্ড স্টাডি বাইবেলের ১০৭৭ পৃষ্ঠায় আছে|

“প্রভুর আত্মা আমাতে অধিষ্ঠান করেন, কারণ তিনি আমাকে অভিষিক্ত করিয়াছেন দরিদ্রদের কাছে সুসমাচার প্রচার করিবার জন্য; তিনি আমাকে প্রেরণ করিয়াছেন, বন্দিগণের কাছে মুক্তি প্রচার করিবার জন্য, অন্ধদের কাছে চক্ষুর্দ্দান প্রচার করিবার জন্য, উপদ্রুতদিগকে নিস্তার করিয়া বিদায় করিবার জন্য, প্রভুর প্রসন্নতার বৎসর ঘোষণা করিবার জন্য| পরে তিনি পুস্তকখানি বন্ধ করিয়া, ভৃত্যের হস্তে দিয়া, বসিলেন| তাহাতে সমাজ-গৃহে সকলের চক্ষু তাঁহার প্রতি স্থির হইয়া রহিল| আর তিনি তাহাদিগকে বলিতে লাগিলেন, অদ্যই এই শাস্ত্রীয় বচন তোমাদের কর্ণগোচরে পূর্ণ হইল” (লূক ৪:১৮-২১)|

আপনারা বসতে পারেন|

যীশু এই অংশটি পড়েছেন যিশাইয় ৬১:১, ২ পদ থেকে| যখন তিনি এই পদগুলি পড়েছিলেন তখন বলেছিলেন যে তারা তাঁর মধ্যে সম্পূর্ণ ছিল| তিনিই একমাত্র ছিলেন যিনি সুসমাচার প্রচার করার জন্য অভিষিক্ত হয়েছিলেন| তিনিই একমাত্র ছিলেন যাকে ঈশ্বর প্রেরণ করেছিলেন ভগ্নহৃদয় সুস্থ করতে| তিনিই একমাত্র ছিলেন যাকে ঈশ্বর প্রেরণ করেছিলেন বন্দিদের মুক্ত করতে, এবং অন্ধকে পুনরায় দৃষ্টি দিতে| তিনিই একমাত্র ছিলেন যাকে ঈশ্বর পাঠিয়েছিলেন যারা ভগ্ন এবং দলিত তাদের মুক্ত করতে|

তিনি একাই ছিলেন এই কথা বলার জন্য তারা তাঁকে ঘৃণা করেছিল| তারা ছিল তাঁর নিজের শহর নাশরতে বসবাসকারী, তাঁরই প্রতিবেশী এবং বন্ধুবান্ধব| তারা বলেছিল, “ইনি কী যোষেফের পুত্র নহে?” (লূক ৪:২২)| “আর এই কথা শুনিয়া, সমাজ-গৃহে উপস্থিত লোকেরা সকলে, ক্রোধে পূর্ণ হইল” – রাগে পরিপূর্ণ (লূক ৪:২৮)| তারা নিজেদের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়াল এবং তাঁকে শহরের বাইরে ঠেলে নিয়ে চলল| জনতা ঠেলতে ঠেলতে তাঁকে একটা পর্বত শিখরের প্রান্তে নিয়ে গেছিল – এবং প্রায় তাঁকে নীচে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে উদ্যত হয়েছিল| “কিন্তু তিনি তাহাদের মধ্য দিয়া হাঁটিয়া চলিয়া গেলেন” (লূক ৪:৩০)| ম্যাথিউ হেনরী বলেছিলেন যে হয় তিনি তাদের চোখ অন্ধতায় পূর্ণ করে দিয়েছিলেন অথবা তাদের মন বিভ্রান্তিতে পূর্ণ করেছিলেন, “কারণ তাঁহার কাজ শেষ হয় নাই, কিন্তু ইহা সবেমাত্র শুরু হইয়াছে|”

তিনি নাশরত ছেড়ে কফরনাহূমে চলে গিয়েছিলেন| সেখানকার সমাজগৃহে একজন অশুচি আত্মাবিষ্ট লোক ছিলেন| আমার স্ত্রী এলিনা এবং আমি সেখানে গিয়েছিলাম| আমরা সেই সমাজগৃহের ধ্বংসাবশেষ দেখেছিলাম| সেই অশুচি আত্মাবিষ্ট লোকটি উচ্চস্বরে কাঁদছিল,

“হে নাশরতীয় যীশু, আপনার সহিত আমাদের সম্পর্ক কী? আপনি কী আমাদিগকে বিনাশ করিতে আসিলেন? আমি জানি আপনি কে; ঈশ্বরের সেই পবিত্র ব্যক্তি” (লূক ৪:৩৪)|

এবং যীশু বললেন, “চুপ কর| উহা হইতে বাহির হও!” ভূত সেই লোকটিকে নীচে ফেলে দিল এবং তার দেহ ছেড়ে বের হয়ে গেল| উপস্থিত যেসব লোকেরা এটা দেখেছিল তারা সকলেই চমৎকৃত হয়েছিল| তারা বলেছিল, “এ কেমন কথা? ইনি ক্ষমতায় এবং পরাক্রমে অশুচি আত্মাদিগকে আজ্ঞা করেন আর তাহারা বাহির হইয়া যায়!” “পরে চারিদিকের অঞ্চলের সর্ব্বত্র তাঁহার কীর্তি ব্যাপিল” (লূক ৪:৩৭)|

এরপর যীশু সমাজগৃহ ছেড়ে চলে এসেছিলেন এবং রাস্তার অন্যপারে পিতরের বাড়িতে প্রবেশ করলেন| এলিনা ও আমি যখন সেখানে গিয়েছিলাম তখন আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলাম এটা দেখে যে পিতরের বাড়ি থেকে সেই সমাজগৃহ কত কাছে অবস্থান করছে – একেবারে কয়েক পা মাত্র দূরে, রাস্তার অন্য পাশে| তারা মাটি খুঁড়ে পিতরের বাড়ি বের করেছিল এবং আপনি সেই বাড়ির ভিত এখনও সেখানে গেলেই দেখতে পাবেন| পিতরের শাশুড়ি সেই বাড়িতে প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শুয়ে ছিলেন| যীশু জ্বরকে ধমক দিলেন এবং জ্বর তাকে ছেড়ে চলে গেল| সেইদিন সূর্য্য অস্ত যাওয়ার কালে বিকালবেলায় লোকেরা, যাদের ভূতে ধরেছিল এবং যারা রোগগ্রস্ত ছিল তাদের সবাইকে যীশুর কাছে নিয়ে এসেছিলেন| তিনি তাঁর হাত তাদের উপরে প্রসারিত করলেন| তাদের প্রত্যেকেই আরোগ্য লাভ করল| ভূতেরা এই বলে চিৎকার করে বের হয়ে এসেছিল, “আপনি খ্রীষ্ট, ঈশ্বরের পুত্র!” এবং এই বিস্ময়কর বিবরণ ক্রমাগতভাবে চলছে তো চলছেই! আমি এটা পড়তে ভালবাসি!

যীশুর কাহিনী শোনাও,
   লেখ মোর হৃদয়ে সে সুর|
মহামূল্য সেই গাথা,
   অশ্রুতপূর্ব মধুর|
(“Tell Me the Story of Jesus” by Fanny J. Crosby, 1820-1915)|

এবং ঈশ্বর স্বর্গে ফিরে যাওয়ার পরেও, এই গল্প চলছে| আমরা দেখছি সেই একই ক্ষমতা যীশুর মধ্যে, ঈশ্বরের কাছ থেকে নেমে এসেছে| আর প্রথম, দ্বিতীয়, এবং তৃতীয় শতাব্দী ধরে, মন্ডলীগুলির মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছে – এবং বর্তমানে এটা “তৃতীয় বিশ্বের” অনেক অংশে প্রবাহিত হচ্ছে| চীনে এবং উন্নতকামী জগতের বিভিন্ন অংশে দশ হাজারেরও বেশি নতুন খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা, “নিবন্ধভূক্ত নয়” এমন মন্ডলীতে দলে দলে এগিয়ে আসছেন|

কিন্তু আমাদের আমেরিকা, ইউরোপ, এবং পাশ্চাত্যের মন্ডলীগুলির কিছু একটা ঘটেছিল| উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে পাশ্চাত্য জগতের মধ্যে অতি ভয়ঙ্কর কিছু একটা শুরু হয়েছে| মোটামুটি দেখা যাচ্ছে ১৮৩০ সাল থেকে শুরু করে অনেক বিষয় বদলাতে শুরু করেছে| ডঃ মার্টিন লয়েড-জোন্স বলেছেন যে মন্ডলীর প্রায় সমস্ত বর্তমান সমস্যাগুলো হতে পারে যে উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের সমস্যাগুলোর পদচিহ্ন অনুসরণ করে প্রত্যাবর্তন করেছে – যেমন বাইবেলের সমালোচনা, জ্ঞানবাদ-দূষিত সিনাইটিকাস ও ভ্যাটিকেনাস পান্ডুলিপি আবিষ্কার, ফিনির “সিদ্ধান্তবাদ,” মরমোনস্, যিহোবার উইটনেস, ক্যাম্পবেলাইট্স, সেভেন্থ ডে এডভেন্টিষ্ট, তাৎক্ষণিক ব্যাপ্তিস্ম, ডারউইনবাদ – এই সবগুলো বিষয় একে একে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে! সেটা ছিল লক্ষ্যণীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর এবং দিয়াবলীয় যুগ| আর তারপরেই আপনার পেয়েছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, যা ইউরোপকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল| আর সেইসঙ্গে মন্ডলীগুলোও নিজেরা বিধ্বস্ত হয়েছিল| আমরা কখনও এটা এড়িয়ে যেতে পারিনি| উদারপন্থীরা মন্ডলীগুলোকে ক্রমাগত বলে চলেছিলেন যে মানুষ মূলত ভাল – মানুষ ক্রমশঃ উন্নতির দিকে এগিয়ে চলেছে, একটা বিস্ময়কর জগতের অন্তর্ভূক্ত হতে চলেছে| প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সেই ধারণাকে জলের মত উড়িয়ে দিয়েছিল! লোকেরা জানত না যে বাইবেল বলছে মানুষ মন্দ| সাধারন মানুষে জানতে পারেনি যে উদারপন্থীরা তাদের বিপথে চালনা করছিল| তারা ভেবেছিলেন যে খ্রীষ্টধর্ম অযৌক্তিক| এটা কেবল এক রূপকথার গল্প| আমর কখনও সেটা এড়িয়ে যেতে পারিনি| তখন হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ| দেখুন সেই প্রজন্মের কত লোক ঈশ্বরকে অস্বীকার করেছিলেন| তারা বলেছিলেন, “আমি Auschwitz এর কারণে - অথবা হিরোশিমার কারণে ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখতে পারিনা|” মানুষের চরম নৈতিক বিচ্যুতির বিষয়ে বাইবেল কি বলছে সেটা তাদের কখনও শেখান হয়নি| আমাদের প্রপিতামহ এবং পিতামহগণ মন্ডলীগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন| তারা অজ্ঞবাদী এবং নাস্তিক এক প্রজন্মে পরিণত হয়েছিলেন| আর তাদের বংশধর আমরা – এখন আপনাদের মুখোমুখি হয়েছি|

অন্ধ বিশ্বাসীরা নিজেদের বাঁচানোর জন্যে উদারপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে| তারা সৎ লোক ছিলেন| আমি তাদের শ্রদ্ধা করি| কিন্তু তারা অনুভব করেননি যে “সিদ্ধান্তবাদ” দশহাজারেরও বেশি অপরিত্রাণপ্রাপ্ত লোকদের মন্ডলীর দিকে টেনে আনছে| সেটা, পালাক্রমে, নব্য-সুসমাচার প্রচারের উদ্ভব ঘটিয়েছিল যা ফ্যুলার থিয়োলজিক্যাল সেমিনারীর, রব বেলের মতন মানুষ সৃষ্টি করেছিল (Love Wins – universalism)| লোকেরা দেখাত যেন এটা নতুন কোন এক ধর্ম| এটা মোটেও কোন নতুন ধর্ম নয়| বেলের মতন লোকরা কেবল ছিলেন একেশ্বরবাদের ফসল| বেল প্রকৃতপক্ষে ছিলেন একেশ্বরবাদী - শুধু নামেই, যেমন ফ্যুলার সেমিনারী ছিল| সুতরাং আপনি পাচ্ছেন এইসমস্ত একেশ্বরবাদী অবিশ্বাসীদের যারা নিজেদের “সুসমাচার প্রচারকারী সম্প্রদায়” বলে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন| এটা বড়ই দুঃখজনক! বিগত বছরে সাউদার্ণ ব্যাপটিষ্ট সন্মেলন এই সমস্ত লোকদের মধ্যে থেকে ২০০,০০ লোক ১২ মাসের মধ্যে হারিয়েছে! ব্যাপারটি ভেবে দেখুন – এক মিলিয়ন লোকের প্রায় চারভাগের একভাগ লোক গত ১২ মাসে সাউদার্ণ ব্যাপটিষ্ট মন্ডলীগুলো ছেড়ে চলে গেছে! এটা অবিশ্বাস্য! তারা ISIS দের ভয় করত; খবরে তারা দেখেছে যে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের মুন্ডচ্ছেদ করা হয়েছে, এবং তারা ভীত হয়ে পড়তেন; যৌন আন্দোলন থেকে তাদের ভয় ছিল; তারা ওবামাকে ভয় করত; তারা সমস্ত কিছু থেকে ভয় পেত – সুতরাং তারা আত্মগোপন করার জন্য মন্ডলী থেকে ছুটে পালিয়ে গিয়েছিল! এটা মনে সংশয় উদ্রেক করে| মাত্র ১২ মাসে ২০০,০০ মানুষ মন্ডলী ছেড়ে চলে গেছিল!

সুতরাং, এই জায়গাতেই আমরা পৌঁছেছি| এখানে আমরা হলিউড থেকে পনের মিনিটের দূরত্বে, লস্ এঞ্জেলসের ডাউনটাউনের, সিভিক সেন্টারে – পাশ্চাত্য জগতের বাহুমূলে দাঁড়িয়ে আছি| এবং আমরা এখানে অবিশ্বাসীদের নিয়ে গঠিত একটা মন্ডলী পেতে চলেছি! আপনি বোঝাতে চাইছেন যে আপনি বিশ্বাস করেন খ্রীষ্ট-অবিশ্বাসী পরিবার থেকে আসা একদল কলেজ পড়ুয়া একটা মন্ডলী প্রতিষ্ঠা করতে পারে? এটা একেবারেই অসম্ভব! কিন্ত, তার চাইতেও বেশি হল এই যে, আমরা একটা উদ্দীপনা’র জন্যে প্রার্থনা করছি! হাঃ! হাঃ! হাঃ! এটা একটা অপূরণীয় স্বপ্ন! না কী পূরণ হবে? মানবোচিতভাবে বলছি যে এটা সম্ভব নয়| কিন্তু এই হল সেই জায়গা যেখানে ঈশ্বর নেমে আসেন| যীশু বলেছেন,

“ইহা মনুষ্যের অসাধ্য বটে, কিন্তু ঈশ্বরের অসাধ্য নয়: কারণ ঈশ্বরের সকলই সাধ্য” (মার্ক ৯:২৭)|

প্রথম শতাব্দী থেকেই প্রকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন কিছুই পরিবর্তিত হয়নি| যীশু যিশাইয়কে উল্লেখ করে বলেছিলেন, “অদ্যই এই শাস্ত্রীয় বচন তোমাদের কর্ণগোচরে পূর্ণ হইল” (লূক ৪:২১)| তাহারা তাঁহাকে একজন উন্মাদ বলিয়া মনে করিয়াছিলেন| তাহারা তাঁহাকে তৎক্ষণাৎ হত্যা করিতে চাহিয়াছিলেন| “কিন্তু তিনি তাহাদের মধ্য দিয়া হাঁটিয়া চলিয়া গেলেন” (লূক ৪:৩০)|

একটার পর একটা অলৌকিক কাজ সম্পাদন করার জন্য তিনি সেই সমাজগৃহ থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন| খুব অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই তাঁর অনুসরণকারীরা রোম সাম্রাজ্যের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল| যখন তিনি থিষলনীকীতে পৌঁছালেন তখন নগরাধ্যক্ষগণ চেঁচিয়ে বলেছিলেন, “এই যে লোকেরা জগৎ-সংসারকে লন্ডভন্ড করিয়া ফেলিয়াছে [ইহারা এ স্থানেও উপস্থিত হইল]” (প্রেরিত ১৭:৬)|

প্রকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন কিছুই পরিবর্তিত হয়নি| মানুষ এখনও একইরকম আছে – বিদ্রোহ এবং অবিশ্বাসে পূর্ণ| ঈশ্বর এখনও একইরকম আছেন, এখনও তাঁর সিংহাসনের উপরে বসে আছেন, এখনও সর্ব-শক্তিমান, এখনও সব কিছু তাঁর অধীনস্থ| খ্রীষ্ট এখনও তেমনিই আছেন| তিনি মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হয়েছেন এবং তিনিই হলেন প্রভু!

তিনিই প্রভু, তিনিই প্রভু,
   তিনি মৃত্যু হইতে উঠিয়াছেন,
এবং তিনিই প্রভু|
   প্রত্যেক জানু পতিত হইবে,
প্রত্যেক জিহ্বা স্বীকার করে
   যে যীশু খ্রীষ্টই প্রভু!
(“He is Lord” by Marvin V. Frey, 1918-1992).

“তুমিই প্রভু|” এই গানটি করুন!

তিনিই প্রভু, তিনিই প্রভু,
   তিনি মৃত্যু হইতে উঠিয়াছেন,
এবং তিনিই প্রভু|
   প্রত্যেক জানু পতিত হইবে,
প্রত্যেক জিহ্বা স্বীকার করে
   যে যীশু খ্রীষ্টই প্রভু!

ঈশ্বর এবং খ্রীষ্ট এবং সেই পবিত্র আত্মা পৃথিবীতে মহাশক্তি স্থাপন করেছেন! আমি দৃঢ়নিশ্চয় যে ঈশ্বর তাঁর পবিত্র আত্মার শক্তিকে এখনও পৃথিবীতে পাঠাতে পারেন – যেমনভাবে যতটা তিনি অতীতে করতেন! আমরা এটা করতে পারি না| আমাদের কোন ক্ষমতা নেই| কিন্তু বাইবেল বলে, “পরাক্রম ঈশ্বরেরই” (গীতসংহিতা ৬২:১১)| যখন ঈশ্বর তাঁর আত্মাকে ঢেলে দেন তখন মহান এবং বিস্ময়কর ঘটনাসমূহ ঘটে| স্কটল্যান্ডের সমাজ সংস্কারক, জন্ নক্স, বলেছিলেন যে রক্তাক্ত মেরীর তলোয়ারের হাত থেকে স্কটল্যান্ড রক্ষা পেয়েছিল তার কারণ হল “ঈশ্বর প্রাচুর্য্যের সহিত তাঁহার পবিত্র আত্মা সাধারন মানুষের উপর বর্ষণ করিয়াছিলেন” (The Works of John Knox, volume 1, 1946 edition, p. 101)|

আপনি যখন আমাদের মন্ডলীর জন্যে প্রার্থনা করেন, তখন আমাদের মধ্যে ঈশ্বরের আত্মার প্রবহণের জন্য প্রার্থনা করুন| যখন আপনি সুসমাচার প্রচারে যান তখন আমাদের কাজের উপর ঈশ্বরের আত্মার প্রবহণের জন্য প্রার্থনা করুন| যখন আপনি আপনার গাড়িটি চালান, সেই সময় প্রার্থনা করুন যেন ঈশ্বরের আত্মা আমাদের কাজে প্রবাহিত হয়! মহান প্রচারক চার্লস শিমিয়ন বলেছিলেন, “মন পরিবর্তনের কার্য্য আপনাদের মধ্যে খুবই ক্রমান্বয়ভাবে হওয়া আবশ্যক, যতক্ষণ না পর্য্যন্ত ঈশ্বর তাঁহার আত্মা অস্বাভাবিক পরিমাণে আপনাদের উপরে ঢালিয়া দেন” (W. Carus, Memoirs of Charles Simeon, 2nd edition, 1847, p. 373)|

মনে রাখবেন, আমরা তাঁর আত্মা ঢেলে দেওয়ার জন্য ঈশ্বরকে বাধ্য করাতে পারি না| চল্লিশ বছর ধরে আমি প্রার্থনা করে চলেছি যেন ঈশ্বর তাঁর পবিত্র আত্মা আমাদের এই মন্ডলীর উপরে ঢেলে দেন| ঈশ্বর এখনও তা করেননি| এখন, পিছনে তাকিয়ে, আমার মনে হয়, আমি সেই কারণগুলোকে দেখতে পাই, যার জন্যে ঈশ্বর উত্তর দেননি| কিন্তু এখন আমরা একটা আরও ভাল মন্ডলী পেয়েছি| এখন নেতৃত্ব মন পরিবর্তন করেছে| এখন আমাদের বেশির ভাগ সদস্যগণ মন পরিবর্তন করেছেন| সম্ভবত ঈশ্বর এখন আমাদের প্রার্থনার উত্তর দেবেন – এবং কমপক্ষে দশ বা বারোজন যুবককে এই গ্রীষ্মে আমাদের মন্ডলীতে আকর্ষণ করার জন্য তাঁর পবিত্র আত্মা প্রেরণ করবেন| অনুগ্রহ করে আমাদের স্মৃতিতে রক্ষিত উপবাস সম্বন্ধীয় পদের দিকে তাকান| সেটা হল যিশাইয় ৫৮:৬ পদ| এটা স্কোফিল্ড স্টাডি বাইবেলের ৭৬৩ পৃষ্ঠায় আছে| উঠে দাঁড়ান এবং উচ্চস্বরে পাঠ করুন|

“আমার মনোনীত উপবাস কি এই নয়? দুষ্টতার গাঁটসকল খুলে দেওয়া, যোঁয়ালির খিল মুক্ত করা, এবং দলিত লোকদিগকে স্বাধীন করিয়া ছাড়িয়া দেওয়া, ও প্রত্যেক যোঁয়ালী ভগ্ন করা কি নয়?” (যিশাইয় ৫৮:৬)|

আপনারা বসতে পারেন| অনুগ্রহ করে ঐ পদটি মুখস্থ রাখুন| সামনের শনিবারের উপবাস এবং প্রার্থনার সময়ে অনুগ্রহ করে এটি খুলবেন এবং পাঠ করবেন| লক্ষ্য করুন যিশাইয় ৫৮:৬ পদটি কত নিবিড়ভাবে যিশাইয় ৬১:১-২ পদের সমতুল্য|

“প্রভু সদাপ্রভুর আত্মা আমাতে অধিষ্ঠান করেন; কেননা নম্রগণের কাছে সুসমাচার প্রচার করিতে সদাপ্রভু আমাকে অভিষেক করিয়াছেন; তিনি আমাকে প্রেরণ করিয়াছেন যেন আমি ভগ্নান্তঃকরণ লোকদের ক্ষত বাঁধিয়া দিই, যেন বন্দি লোকদের কাছে মুক্তি, ও কারাবদ্ধ লোকদের কাছে কারামোচন প্রচার করি; যেন সদাপ্রভুর প্রসন্নতার বৎসর, ও আমাদের ঈশ্বরের প্রতিশোধের দিন ঘোষণা করি; যেন সমস্ত শোকার্ত্তকে সান্ত্বনা করি” (যিশাইয় ৬১:১-২)|

এই দুটি অংশ তুলনা করে আমরা দেখছি যে আমাদের প্রার্থনা এবং উপবাসের প্রতি ঈশ্বরের দেওয়া উত্তরের মাধ্যমে, খ্রীষ্টের কাজ এই পৃথিবীতে প্রসারিত হতে পারে|

ডঃ জন্ আর. রাইস (১৮৯৫-১৯৮০) বলেছিলেন, “আমি জানি যে প্রকৃত উপবাস এবং অবনত মনে যখন আমরা ঈশ্বরের নিমিত্ত অপেক্ষা করি তখন সেই আশীর্ব্বাদ আমরা পাইব যাহা ঈশ্বর আমাদের প্রদান করিতে চাহেন!...উপবাস এবং প্রার্থনা করিতে থাকুন যতক্ষণ না ঈশ্বর আশীর্ব্বাদের মাধ্যমে আপনার সহিত সাক্ষাৎ করেন” (Prayer: Asking and Receiving, Sword of the Lord, 1997 edition, pp. 230, 231)|

জোনাথান এডওয়ার্ডস (১৭০৩-১৭৫৮) ক্রোধীত ঈশ্বরের হস্তে পাপীগণ বিষয়ক প্রচারের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ে তিনদিন উপবাস এবং প্রার্থনা করেছিলেন…এই প্রচারের সঙ্গে সঙ্গেই সেই প্রথম মহা জাগরণ শুরু হয়েছিল (Elmer Towns, D.Min., The Beginner’s Guide to Fasting, Regal Publications, 2001, pp. 123, 124)|

ডঃ মার্টিন লয়েড-জোন্স (১৮৯৯-১৯৮১) বলেছিলেন, “আমি বিস্মিত হইব যদি কখনও ইহা আমাদের প্রতি ঘটিয়া থাকে তাহা হইলে উপবাস বিষয়ক প্রশ্ন বিবেচনা করা আমাদের উচিৎ হইবে কী? প্রকৃত সত্য হইতেছে, ইহা হয় নাই কি, যে এই সমগ্র বিষয়টি মনে হইতেছে যেন যথার্থই অন্তর্হিত হইয়াছে…আমাদের সমগ্র খ্রীষ্টীয় চিন্তা ভাবনার মধ্য হইতে” (Studies in the Sermon on the Mount, part 2, Eerdmans, p. 34)|

দ্বিতীয় শতাব্দীর প্রাচীন পালক, পলিকার্প (সি. ৮০-১৬৭) বলেছিলেন, “আসুন আমরা সেই বাক্যের প্রতি ফিরিয়া যাই যাহা শুরু হইতেই উত্তরাধিকার সূত্রে আমাদের হস্তারোপিত করা হইয়াছিল; ‘প্রার্থনায় সতর্ক’ এবং ‘উপবাসে যত্নশীল’” (Epistle to the Philippians)|

স্পারজিয়ন (১৮৩৪-১৮৯২) বলেছিলেন, “খ্রীষ্টীয় মন্ডলীতে উপবাস ত্যাগ করিয়া আমরা…একটি অতি মহান আশীর্ব্বাদ হারাইয়াছি” (C. H. Spurgeon, “A Desperate Case – How to Meet It,” January 10, 1864)|

ডঃ আর. এ. টোরে (১৮৫৬-১৯২৮) বলেছিলেন, “যদি আমাদের ক্ষমতার সহিত প্রার্থনা করিতে হয়, আমাদের উপবাসের সহিত প্রার্থনা করা উচিৎ” (How to Pray, 2007 edition, p. 37)|

শ্রদ্ধেয় জন ওয়েস্লী (১৭০৩-১৭৯১) বলেছিলেন, “আপনি কী কোনদিন উপবাস এবং প্রার্থনা করিয়াছেন? অনুগ্রহের সিংহাসন আছড়াইয়া পড়িবে, এবং করুণা নামিয়া আসিবে” (The Works of John Wesley, volume 10, 1827 edition, p. 340)|

মহান চীনা সুসমাচার প্রচারক ডঃ জন সাং (১৯০১-১৯৪৪) বলেছিলেন, “অনেকেই [যুবকদের মধ্যে] উপবাস এবং প্রার্থনা অধিবেশন অনুষ্ঠিত করেন| প্রভুর প্রতি ছাত্রদিগের প্রেম ছিল মর্মস্পর্শী” (The Diary of John Sung, compiled by Levi, Genesis Books, 2012, p. 298)|

চীনদেশে মিশনারীদের পথিকৃত, ডঃ জেম্স হাড্সন টেলর (১৮৩২-১৯০৫) বলেছিলেন, “শানসিতে আমি দেখিয়াছি সেই চীনা খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের যাহারা উপবাস এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়া কালাতিপাত করিতে অভ্যস্ত ছিলেন…অনুগ্রহ লাভের নিমিত্ত এক ঐশ্বরিক নিয়োগ| সম্ভবত আমাদের কার্যের সর্ববৃহৎ বাধা হইতেছে আমাদেরই স্ব-কল্পিত শক্তি; এবং আমরা উপবাসের মধ্য দিয়া শিক্ষা লই যে আমরা কত দরিদ্র, দূর্বল প্রাণী – সামান্য শক্তি অর্জনের নিমিত্ত আমরা নির্ভরশীল হইয়াছি একটি আমিষ আহারের উপর যাহার প্রতি স্বাভাবিক প্রবণতা হেতু আমরা ঝুঁকিয়া পড়িতেছি” (The New Encyclopedia of Christian Quotations, Baker Books, 2000, p. 360)|

ডঃ তীমথি লীন (১৯১১-২০০৯) বলেছেন, “যে মুহূর্তে আমরা উপবাস এবং প্রার্থনা শুরু করি তৎক্ষণাৎ আমাদের আত্মিক জাগরণ প্রায়শ উন্মুক্ত হইয়া যায়…আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হইতে ইহা বলা হইতেছে” (The Secret of Church Growth, First Chinese Baptist Church, 1992, p. 23)|

আমাদের মন্ডলীতে আগামী শনিবারে আর একটি উপবাসের দিন পাওয়া যাবে| কিভাবে উপবাস করতে হয় সেই বিষয়ে আপনাদের কয়েকটি অনুবিধির কথা বলতে চাই|


(১)  আপনার উপবাস (যতটা সম্ভব) গোপন করে রাখুন| এমনকি আপনার আত্মীয়দেরও বলে বেড়াবেন না যে আপনি উপবাস করছেন|

(২)  বাইবেল পাঠে কিছুটা সময় দিন| প্রেরিত পুস্তকের কিছু অংশ পড়ুন (বিশেষ করে শুরুর দিকটি)|

(৩)  শনিবারের উপবাসকালে যিশাইয় ৫৮:৬ মুখস্থ করুন|

(৪)   প্রার্থনা করুন যেন ঈশ্বর আমাদের মন্ডলীতে দশজন অথবা তার চেয়েও বেশি নতুন যুবকদের দেন যারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন|

(৫)  আমাদের অপরিত্রাত যুবকদের মনপরিবর্তনের জন্য প্রার্থনা করুন| প্রার্থনা করুন ঈশ্বর যেন তাদের জন্য তাই করেন যেমন তিনি যিশাইয় ৫৮:৬ পদে বলেছেন|

(৬)  প্রার্থনা করুন যে আজকের দিনের (রবিবার) যিনি প্রথম সাক্ষাৎকারী তিনি পুনরায় আকর্ষিত হবেন পরের রবিবারেও| যদি সম্ভব হয় তো সবকটি নাম ধরে ধরে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন|

(৭)  পরের রবিবারে – সকালে এবং সন্ধ্যায় আমি কি প্রচার করবো তা ঈশ্বর যেন আমাকে দেখান তার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করুন|

(৮) প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন| প্রত্যেক ঘন্টায় প্রায় এক গ্লাস| শুরুতে আপনি পান করতে পারেন বড় কাপের এক কাপ কফি যদি আপনার প্রতিদিন সেটা পান করার অভ্যাস থাকে তাহলে| নরম পানীয়, উদ্দীপক পানীয়, ইত্যাদি গ্রহণ করবেন না|

(৯)  যদি আপনার স্বাস্থ্য সম্বন্ধিত কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে উপবাসের আগে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করুন| (আপনি আমাদের মন্ডলীর ডঃ ক্রেইগটন চ্যান অথবা ডঃ জুডিথ ক্যাগন’এর সঙ্গে দেখা করতে পারেন|) উপবাস করবেন না যদি আপনার কোন সঙ্কটজনক কোন রোগ থাকে, যেমন বহুমূত্র বা উচ্চ রক্তচাপ| এই সমস্ত প্রার্থনার জন্য খালি শনিবারের দিনটি ব্যবহার করুন|

(১০) শুক্রবারের সন্ধ্যার খাবারের পর আপনার উপবাস শুরু করুন| শুক্রবারের রাতের খাবারের পর আর কিছু খাবেন না যতক্ষণ না শনিবার সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিটে আমাদের মন্ডলীতে একটি আহার গ্রহণ করা হয়|

(১১) মনে রাখবেন যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা প্রার্থনা করতে হবে তা হল আমাদের মন্ডলীর হারানো যুবকদের মন পরিবর্তনের জন্য প্রার্থনা - এবং নতুন যুবক যারা এই সময়কালের মধ্যে আসছেন, তাদের আমাদের সাথে স্থায়ীভাবে থাকার জন্য প্রার্থনা|


এখন, তাদের প্রতি আমি কয়েকটি কথা বলব যারা এখনও পর্যন্ত মন পরিবর্তন করেননি| যীশু ক্রুশের উপর মৃত্যুবরণ করেছিলেন আপনার পাপের সর্ব্বোচ্চ দেনা শোধ করার জন্য, যাতে আপনি আপনার পাপের জন্য বিচারিত না হন| যীশু তাঁর মাংসময় ও অস্থিপূর্ণ দেহে, শারীরিকভাবে মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন| তিনি সেটা করেছিলেন যাতে তিনি আপনাকে অনন্তজীবন দান করতে পারেন| যীশু তৃতীয় স্বর্গে ঈশ্বরের দক্ষিন পার্শ্বে পুনরায় আরোহণ করেছিলেন| আপনি তাঁর কাছে বিশ্বাসের দ্বারা আসতে পারেন এবং তিনি আপনাকে সমস্ত পাপ, এবং বিচার থেকে উদ্ধার করবেন! ঈশ্বর আপনাকে আশীর্ব্বাদ করুন| আমেন| ডঃ চেন, অনুগ্রহ করে আমাদের প্রার্থনায় পরিচালনা করুন|

যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে অনুগ্রহ করে ডঃ হাইমার্সকে
একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে বলুন| অনুগ্রহ করে তাকে এটাও বলুন যে কোন
দেশ থেকে আপনি তাকে লিখছেন| ডঃ হাইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল
rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন)| আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ
হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রুধোম্মে লূক ৪:১৬-২১ |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“Come, My Soul, Thy Suit Prepare” (by John Newton, 1725-1807) |