Print Sermon

এই ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য হল ধর্ম্মোপদেশের পান্ডুলিপি এবং ধর্ম্মোপদেশের ভিডিওগুলি বিশ্বব্যাপী পালক ও মিশনারিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে, যেখানে ধর্ম্মতত্ত্বমূলক সেমিনারী বা বাইবেল স্কুল থাকলেও খুব কম রয়েছে|

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে 221টিরও বেশি দেশের প্রায় 1,500,000 কম্প্যুটারে যায়| শত শত লোক ইউটিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসেন| ইউটিউব আমাদের ওয়েবসাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 39টি ভাষায় প্রায় 120,000 কম্প্যুটারে প্রচারিত হয়| প্রচারের পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখনই আপনি ডঃ হেইমার্‍সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্‌সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




খ্রীষ্টিয়ান সমাধিস্থকরণে আপাত অবাস্তবতা

(ঈশা ৫৩ অধ্যায়ের দশম সংবাদ)
THE PARADOX OF CHRIST’S BURIAL
(SERMON NUMBER 10 ON ISAIAH 53)
(Bengali)

লেখকঃ ডাঃ আর.এল.হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৩ সালে ৭-ই এপ্রিল লস এঞ্জেলেসের ব্যাপটিস্ট ট্যাবারনেকেলে
সদাপ্রভুর দিনের এক সন্ধ্যায় এই সংবাদ প্রচারিত হয়
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Evening, April 7, 2013

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন, যদিও তিনি দৌরাত্ম্য করেন নাই, আর তাঁহার মুখে ছল ছিল না” (ঈশা ৫৩:৯)


খ্রীষ্টের সমাধিকে নিয়ে কতগুলো সংবাদ আপনি শুণেছেন? আমি তো এমন কি একটা পর্যন্ত শুণিনি, যদিও আমি মন্ডলীতে ৫৯ বৎসর রয়েছি এবং ৫৫ বৎসর প্রচারকার্য্য করছি তবুও আমি ইহা শুণিনি। খ্রীষ্টের সমাধিকে ঘিরে আমি কোন সংবাদ বা উপদেশ পড়েছি বলে আমার মনে পড়ছে না! সমস্ত কিছুর মধ্যে আমরা হয়তো এর বেশী করে শুণলেও তাঁর সমাধি গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় নয়। প্রসঙ্গত, সুসমাচারের মধ্যে ইহা হল দ্বিতীয় বিষয়বস্তু।

“শাস্ত্রানুযায়ী আমাদের পাপের জন্যই খ্রীষ্ট মৃত্যুবরণ করলেন” (১-ম করিন্থিয়ানস ১৫:৩)।

সেটাই হল সুসমাচের প্রথম বিষয়,

“আর তিনি কবরপ্রাপ্ত হইলেন” (১-ম করিন্থিয়ানস ১৫:৪)।

সেটাই হল সুস্মাচারের দ্বিতীয় বিষয়।

আমরা যদি ইহার দ্বিতীয় বিষয়ের কথা উল্লেখ না করি তা হলে আমরা কিভাবে বলতে পারি যে আমরা প্রচার করি? তাহলে কিন্তু আজকে সমগ্র সংবাদের মধ্যে সেখানে বেশ কিছু হয় প্রথম অথবা তৃতীয় সংবাদের প্রতি আলোকপাত করে! আধুনিক প্রচারের মধ্যে সেটাই হল দূর্বলতা। সুসমাচারকে অতি অবশ্যই আমরা যেন মুখ্য কেন্দ্রবিন্দু করে তুলি। আমাদের অতি অবশ্যই খ্রীষ্টকে সব থেকে বেশী করে সম্মান প্রদর্শন করি, এবং তাঁকে ও তাঁর প্রায়শ্চিত্তমুলক কাজের জন্য আমাদের প্রচারের মধ্যে এক মুখ্য স্থান দিই।

এই ঘটনায় আমার বিলাপের বিষয় হল আজ প্রায় মুহুর্তে সেই ভাবে তেমন কোন প্রচার নেই। এই বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ ভাবে সম্মত। আজকে সেখানে উত্তম প্রচারের বড়ই অভাব, আর বাস্তবে তা অল্পই বটে! কিন্তু এইভাবে তা সত্য কেন হবে? বৃহত্তর ভাবে ইহা এইজন্য কেন না সেখানে সুসমাচার প্রচার খুবই কম। হারিয়ে যাওয়াদের কাছে সুসমাচার প্রচার করার পরিবর্তে পালকেরা এখন বরং “খ্রীষ্টিয়ানদেরই শিক্ষা দিতে থাকেন” যদিও আক্ষরিকভাবে তাদের মন্ডলীগুলোতে হারানো আত্মারা বা লোকেরা পরিপূর্ণ থাকলেও তারা কেবল শিক্ষাই দিতে থাকেন! “নৈতিক শিক্ষা” যাকে খ্রীষ্টিয়ান বলা যায় তাকে এক মহান প্রচার বলে বিবেচনা করা যায় না। খ্রীষ্ট যখন মুখ্য প্রসংগ হয়ে না ওঠে তখন প্রচার কোন ভাবেই মহান প্রচার হয়ে উঠতে পারে না!

সুসমাচারের জ্ঞান খ্রীষ্টের ঘটনাবলী জানার থেকেও ভালো বিষয়। সুসমাচারের প্রকৃত জ্ঞান হল খ্রীষ্টকে জানার প্রকৃত জ্ঞান। যীশু বলেছেন,

“আর ইহাই অনন্ত জীবন যে, তাহারা তোমাকে একমাত্র সত্যময় ঈশ্বরকে এবং তুমি যাঁহাকে পাঠাইয়াছ, তাঁহাকে যীশু খ্রীষ্টকে, জানিতে পায়” (যোহান ১৭:৩)।

জর্জ রাইকার বেরি বলেছেন, “জানা” এই যে শব্দে তাঁকে এই অংশে অনুবাদ করা হয়েছে, “অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে.... জানা” (Greek-English New Testament Lexicon)। প্রকৃত খ্রীষ্টিয়ান হওয়ার অর্থ হল অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই আপনাকে খ্রীষ্টকে জানতে হবে। কেবলমাত্র ঘটনার সাধারণ জ্ঞান আপনাকে উদ্ধার দিতে পারে না। আমাদের পাপের জন্য তাঁর যে মৃত্যু তা আপনাকে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই জানতে হবে। তাঁর কবরস্থ বা সমাধিপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টাকেও আপনাকে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অর্জন করতে হবে। তাঁর পুণরুত্থানের শক্তিকেও আপনাকে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে উপলব্ধি করতে হবে। সেটাই হল উদ্ধার ও পরিত্রাণের পন্থা। আর সেটাই হল অনন্ত জীবনের পথ।

“আর ইহাই অনন্ত জীবন যে, তাহারা তোমাকে একমাত্র সত্যময় ঈশ্বরকে এবং তুমি যাঁহাকে পাঠাইয়াছ, তাঁহাকে যীশু খ্রীষ্টকে, জানিতে পায়” (যোহান ১৭:৩)।

এই অভিজ্ঞতা যদি আপনার নেই তবে আমার মনে হয় আমি আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে দিচ্ছি। আপনি যে প্রকৃত খ্রিষ্টিয়ান নয় এই বিষয়ে সেখানে কোন প্রশ্নই থাকতে পারে না কেননা প্রকৃত যে পরিবর্তন বা কনভার্সন সেই বিষয়ে আপনি তা উপলব্ধি করতে পারছেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি নিজের মনকে পরিবর্তন করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সমস্যা হবে ও ভ্রান্তির মধ্যে পড়বেন, যীশুর চরণে পড়ুন আর কেবলমাত্র তাঁর মধ্যেই প্রকৃত উদ্ধারকে খুঁজে বার করুন।

খ্রীষ্টকে জানার জন্য আপনাকে অতি অবশ্যই ক্রুশের কাছে আসতে হবে আর কেবল মাত্র বিশ্বাসের সঙ্গেই তাঁর প্রতি দৃষ্টিপাত করুন যিনি আমাদের পাপের জন্য নিজেকে প্রায়শ্চিত্ত স্বরুপ ক্রুশের উপরে উৎসর্গ করেছেন। কেবলমাত্র বিশ্বাসের দ্বারাই আপনাকে খ্রীষ্টের কবরের কাছে আসতে হবে এবং

“আমরা তাঁহার মৃত্যুর উদ্দেশ্যে ব্যাপ্তিস্ম দ্বারা তাঁহার সহিত সমাধিপ্রাপ্ত হইয়াছি” (রোমীয় ৬:৪)।

কেননা কেবলমাত্র তাঁর সঙ্গে মৃত্যুবরণ করার দ্বারা আমরা “জীবনের নূতনতায় চলার জন্য’ উত্থাপিত হয়েছি (রোমিয় ৬:৪ বি)।

অতএব আমরা আমাদের পাঠাংশের এই পর্যন্ত এসে তাঁর কবর প্রাপ্তির বিষয়ে শিখেছি যাতে আমরা তাঁর সঙ্গে সেই বিষয় উপলব্ধি করতে সক্ষম হই।

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন, যদিও তিনি দৌরাত্ম্য করেন নাই, আর তাঁহার মুখে ছল ছিল না” (ঈশা ৫৩:৯)

এই পদে আমরা খ্রীষ্টের কবর প্রাপ্তির আপাত অবাস্তবতা, এক স্পষ্ট বাস্তবতা এবং ইহার রহস্যকে খুঁজে পাই। আর তার পরেই আমরা সেই রহস্যের উত্তর খুঁজে পাই।

১. প্রথম, তাঁর কবর প্রাপ্তির আপাত অবাস্তবতা।

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন.....” (ঈশা ৫৩:৯)

খ্রীষ্টের সময়ে “দুষ্টগণ” ছিল দস্যু। “ধনবান”-কে বিবেচনা করা হতো সম্মানীয় ব্যাক্তি। তাহলে কিভাবে তাঁর কবর দুষ্টগণের সঙ্গে এবং সেই একই সঙ্গে “তাঁর মৃত্যুতে ধনবানের সমান হল?” এই বিষয়টা প্রাচীন যিহুদী ব্যাখযাকারিদের বিব্রত করে তুলেছিল। ইহা ছিল এক তাদের মনের আপাত অবাস্তবতা, আপাত দৃষ্টিতে এক অসংগতিপূর্ণ।

কিন্তু এই যে কিংকর্তব্যবিমূঢতা তা যোহান লিখিত সুসমাচারে সমাধান করা হয়েছে। যীশু দুজন দস্যুর মাঝখানে মৃত্যুবরণ করেন, তাদের একজন তাঁর বাদিকে এবং অপর জন তাঁর ডান দিকে। আমাদের পাঠ্যাংশে তাদের “দুষ্টলোক” বলে নির্দেশ করা হয়। যীশু প্রথমে মৃত্যুবরণ করলেও দুজন দস্যু বেশ কিছু সময় পর্যন্ত তখনও বেঁচেছিল।

“সেই দিন আয়োজনের দিন, অতএব বিশ্রাম বারে সেই দেহ গুলি যেন ক্রুশের উপরে না থাকে কেননা ওই বিশ্রাম মহাদিন ছিল—এই নিমিত্ত যিহুদীগণ পীলাটের নিকটে নিবেদন করিল, যেন তাহাদের পা ভাঙিয়া তাহাদিগকে অন্য স্থানে লইয়া যাওয়া হয়” (যোহান ১৯:৩১)

সৈন্যরা সেই দুই দস্যুর পাগুলো ভেঙে দেয়। এই কাজ করতে হয়েছিল যাতে তারা কোনমতে নিজেদের মধ্যে শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে ও যাতে তারা অতি শীঘ্র মৃত্যুবরণ করে। কিন্তু যীশু তাদের মাঝখানে যে ক্রুশে ছিলেন, সেখানে যখন আসে তখন তিনি ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুকে নিশ্চিত করার জন্য তাদের একজন তাঁর কুক্ষিদেশে বর্শার আঘাত করে। তখন তাঁর দেহ থেকে রক্ত ও জল বার হতে থাকে যা দেখায় যে তিনি হৃদপিন্ড বন্ধ হওয়ার দরুন মৃত্যুবরণ করেছেন।

হস্তিদন্তের শুভ্র সিংহাসনের উপরে বিরাজ করার জন্য তিনি মরেন নি,
   তিনি মৃত্যুবরণ করলেন কালভেরী ক্রুশের উপরে;
যা কিছু তিনি লাভ করেছিলেন পাপীদের জন্য তিনি সবই হারালেন,
আর একটি ক্রুশ থেকেই তাঁর রাজ্যকে তিনি নিরীক্ষণ করেন।
এবড়ো খেবড়ো একটি ক্রুশ তাঁর সিংহাসন হয়ে ওঠে,
   কেবল মাত্র তাঁর হৃদয় হল তাঁর স্বর্গরাজ্য;
রক্তে রঞ্জিত ক্রুশই তাঁর সিংহাসন হয়ে উঠলো,
   আর তাঁর মাথার উপরেই তাঁর সিংহাসনকে লিখে রাখলেন।
(“A Crown of Thorns” by Ira F. Stanphill, 1914-1993).

কিন্তু অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটেছিল। যীশুর শরীরের দাবী জানাবার জন্য দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তি এগিয়ে এসেছিল। তারা ছিলেন আরমাথিয়ার যোসেফ, এক ধনবান ব্যাক্তি এবং বেশ কিছু সংখ্যক যিহুদী স্যানহ্যান্দ্রিন ও নিকোদীমাস যিনি ছিলেন যিহুদীদের অধ্যাপক, যিনি আগেও এক রাত্রিবেলা যীশুর কাছে এসেছিলেন (যোহান ৩:১-২)। তারা উভয়েই গুপ্ত শিষ্য ছিলেন, কিন্তু এখন তারা এই প্রথম প্রকাশ্যে এলেন। এই কাজ করার জন্য তারা বাস্তবে জীবনের এক বড় ঝুঁকি নিলেন। ডাঃ মাকগী বলেছেন,

আমরা যেন এই ব্যাক্তির বিষয়ে ততটা সমালোচক না হই। তারা পিছনের দিকেই ছিলেন কিন্তু এখন প্রভুর শিষ্যরা যেন মেষেদের ন্যায় ছড়িয়ে পড়ে গুপ্ত ভাবে আবরিত রয়েছেন কিন্তু এই দুই ব্যাক্তি প্রকাশ্যে বেরিয়ে এসেছেন। (J. Vernon McGee, Th.D., Thru the Bible, Thomas Nelson, 1983, volume IV, p. 494).

আরিমাথিয়ার যোসেফ এবং নিকোদীমাস যীশুর শরীরকে নিয়ে গেলেন। যোসেফ ছিলেন ধনবান ব্যাক্তি আর তিনি যীশুর শরীরকে তাঁর নূতন সমাধিস্থানে নিয়ে গেলেন।

“আর তিনি শৈলে খুদিয়াছিলেন আর কবরের দ্বারে একখান বড় পাথর গড়াইয়া দিয়া চলিয়া গেলেন” (ম্যাথুজ ২৭:৬০)।

এই ভাবেই খ্রীষ্টের কবরের আপাত অবাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। হ্যাঁ, তিনি দুষ্টদের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিলেন, তা তিনি তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দুইজন দস্যুর মাঝেই সম্পন্ন করলেন। কিন্তু তাঁকে কবরে রাখা হল এই ভাবে যেখানে “মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সমান হইলেন”(ঈশা ৫৩:৯) ধনবানের কবরে তাঁকে রাখা হল। খ্রীষ্ট এক দুষ্ট ব্যাক্তির ন্যায় মৃত্যু উপলব্ধি করেছেন কিন্তু তাঁকে রাখা হল। খ্রীষ্ট এক দুষ্ট ব্যাক্তির ন্যায় মৃত্যু উপলব্ধি করেছেন কিন্তু তাঁকে ধনবানের সঙ্গে এক সম্মানীয় কবরে সমাধিস্থ করা হয়েছে। এতাই দেখায় যে আমাদের প্রভুর অবমাননার সমাপ্তি হচ্ছে। তাঁর শরীর সেই দুজন দস্যুর সঙ্গে সাধারন কবরের মধ্যে নিক্ষিপ্ত করা হয় নি। তিনি যে সম্মানের যোগ্য ঠিক সেই ভাবেই সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গেই বিশ্রামের জন্য শায়িত করা হয়েছিল। আর এই ভাবে আপাত অবাস্তবতার মধ্যে যা প্রায় সময়েই প্রাচীন র‍্যাব্বাইদের বিস্মিত করে যারা এই বিষয়ে অধ্যয়ন করেন, সেই বিষয়ে আমাদের পাঠ্যাংশ ইহাকে অত্যন্ত সরল করে তোলে।

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন.....” (ঈশা ৫৩:৯)

কিন্তু খ্রীষ্ট তিনি তাঁর কবরকে কেন দুষ্টদের এবং ধনবানের সঙ্গী করলেন সেই বিষয়ে আরো একটি যুক্তি রয়েছে। আমি যে ভাবে বলেছি, যিহুদী লোকেরা বিবেচনা করতেন যে দস্যুগণ এবং নিয়ম অমান্যকারীরা হল “দুষ্ট ব্যাক্তি” আর “ধনবানের” বিষয়ে তারা মনে করতেনেক শ্রদ্ধাশীল ব্যাক্তি। যে ঘটনার দ্বারা যীশু “তাঁর কবরকে এইরুপ করলেন” যা এই উভয় দলকেই দেখায় যে “দুষ্টগণ” এবং “ধনবান” উভয়কে আলাদা করার ক্ষেত্রে প্রাচীন র‍্যাব্বাইয়েরা ভুল জায়গাতে রয়েছেন। তারা কোন মতেই দুটো দুটো দল নয়। কিন্তু এই উভয় দলই হল পাপী।

আর বর্তমান দিনেও এই বিষয়টি অত্যন্তভাবেই বাস্তব। যেভাবে তারা “দুষ্টলোকেদের” বলতেন ঠিক সেই ভাবে শ্রদ্ধাশীল ও সম্মানীয় লোকেরাও সমান ভাবেই পাপী ব্যাক্তি। আমি যখন সংবাদের এই অংশটি লেখার জন্য বসি তখন এক বার্তা বিপনণকারী আমাকে ফোন করে বলে “রক্ষণশীল” দলের পরিচর্যা কাজের জন্য দান করতে। সেই বার্তা প্রেরণকারী বাক্তি বলে নিম্নলিখিত কোন ঘটনাগুলো আমেরিকার সামনে বিচার্য্য বিষয় বলে আপনি মনে করেন—যথা গর্ভপাত, ইজ্রায়েলকে সমর্থন করা থেকে পতন অথবা সমলিঙ্গের বিবাহ?” আমি বললাম, ইহার কোনটাই নয়। আমেরিকা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সম্মুখীন হচ্ছে তা হল আমাদের পালকেরা তাদের মন্ডলীতে সদ্যদের যে পাপ রয়েছে সেই বিষয়ে প্রচার করে না। আমার এই কথা বলার অর্থ কি? আমার বলার অর্থ এটাই গর্ভপাত, সমলিঙ্গের বিবাহ এবং ইজ্রায়েলকে সমর্থন করার অক্ষমতা হল এক উপসর্গ মাত্র, সেগুলো প্রকৃত অসুস্থতা নয়। তা হল অসুস্থতার উপসর্গ মাত্র। আপনি উপসর্গ সারিয়ে তোলার জন্য কাজ করতে পারেন কিন্তু আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত না ইহার গুরুত্বপূর্ণ পীড়া নিয়ে আদান প্রদান করছেন ততক্ষণ ইহা কোন ভাবেই দীর্ঘ কালীন ক্ষেত্রে কোন ভালো কাজ করবে না। আর এই পীড়া হল পাপ— পাপ যা উদারমনা ও রক্ষণশীল এই উভয়কেই মেরে ফেলছে—সেই পাপ যা গণতন্ত্র এবং প্রজাতন্ত্র উভয়কেই ধ্বংস করছে। আবার এই পাপ “দুষ্টতা” এবং “ধনবান” উভয়েরই সর্ব্বনাশ ঘটিয়ে চলেছে।

পাপ হৃদয়ের মধ্যেই শায়িত রয়েছে। মানুষের হৃদয় হল ভুল, তা কেবল মাত্র ইহার বাহ্যিক প্রকাশ ভঙ্গিই নয়। পাপ তার অন্তরের অন্তস্থলের চিন্তাধারা ও ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে। আপনার পাপী হৃদয় আপনাকে সেই বিষয় গুলোই চিন্তা করার জন্য বলে যে গুলো ভুল ও মন্দ। আরপরে আপনার পাপ পূর্ন স্বভাব আপনাকে পরিচালিত করে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে পাপ করার জন্য আর যে বিষয়ে আপনি চিন্তা করছেন সেই বিষয়ে পাপ করতে সাহায্য করে। পাপ আপনার আভ্যন্তরীন জীবনে আধিপত্য করে এবং আপনার কর্ত্তৃত্বের বুরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে সাহায্য করে, ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে পরিচালিত করে। ঈশ্বরের বিরুদ্ধে আপনার হৃদয়ে যে বিদ্রোহ ভাব এতটাই প্রবল যাতে আপনি যা কিছুই করুন না কেন ইহা আপনাকে পরিবর্তন করতে পারে না বা আপনার উপরে যে নিয়ন্ত্রণ তাকে ভেঙে ফেলতেও পারে না। আপনাকে অতি অবশ্যই সেই জায়গাতে আসতে হবে যেখানে আপনি প্রেরিতগণের সংগে বলতে সক্ষম হবেন “দুর্ভাগা মনুষ্য আমি, এই মৃত্যুর দেহ থেকে কে আমাকে নিস্টার করিবে” (রোমিয় ৭:২৪)। আর কেবল মাত্র তখনই তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে “সেই দুষ্টগণ” এবং “সেই ধনবানের” সঙ্গে যীশু, তাঁর যে কবরকে তৈরী করেছেন তার গুরুত্ব বুঝতে আপনি সক্ষম হবেন। আপনার পশ্চাৎভূমি যাই হোক না কেন খ্রীষ্ট মৃত্যুবরণ করে কবর প্রাপ্ত হয়েছেন যাতে আপনার পাপ সকলের ক্ষমা হয় এবং তা দূর করে ফেলা হয়। ডাঃ যে. উইলবার চ্যাপম্যান তাঁর একটা গানে ইহাকে যে ভাবে উল্লেখ করেছেন, “কবরের মধ্য দিয়ে, তিনি আমার পাপ সকল দূর করিলেন” (“One Day” by Dr. J. Wilbur Chapman, 1859-1918)। কেবল মাত্র খ্রীষ্টই আপনার পাপ পূর্ণ হৃদয়ের বিদ্রহকে পরিবর্ত্তন করতে পারেন!

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন.....” (ঈশা ৫৩:৯)

২. দ্বিতীয়, আপাত অবাস্তবতার ব্যাখ্যা।

আমাদের পাঠ্যাংশের দ্বিতীয় ভাগ দেখায় যে কেন খ্রীষ্ট, যদিও দস্যুগণের সংগে অসম্মানীয় ভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন তখন সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে কবর প্রাপ্ত হচ্ছেন। অনুগ্রহ করে উঠে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় অর্দ্ধাংশটি পড়ুন যার বিষয়বস্তু আরম্ভ হচ্ছে এই শব্দ দিয়ে “তাঁর মুখে ছল ছিল না....(ঈশা ৫৩:৯)।

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন, যদিও তিনি দৌরাত্ম্য করেন নাই, আর তাঁহার মুখে ছল ছিল না” (ঈশা ৫৩:৯)

আপনারা বসতে পারেন।

খ্রীষ্টের সম্মানীয় কবর প্রাপ্তি সম্পর্কে ইহা আমাদের কাছে এক যুক্তি প্রদর্শন করে। এই সম্মান তাঁর কাছে সংগতি পূর্ণ এই জন্য কেননা তিনি কোন ছল বা বিদ্রোহ করেন নি। কোন দস্যুপনা বা মন্দ কার্য্যে লিপ্ত হওয়াতে অথবা হত্যা ও মনুষ্য জাতির প্রতি নিষ্ঠুরতার কার্য্যে দোষী ছিলেন না। কোন দাঙ্গাবাজিকে তিনি উত্তেজিত করেন নি বা যিহুদী ও রোমীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলাও শুরু করেন নি। আর তাঁর মুখে কোন ছলও ছিল না। কোন ভ্রান্ত বা ভুল শিক্ষা তিনি শেখান নি। তাঁকে যেভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছিল সেই ভাবে তিনি নিজে লোকেদের প্রবঞ্চিত করেন নি। আর তা ছিল সব থেকে বেপোরোয়া এক মিথ্যা। প্রকৃত ঈশ্বরের আরাধনা করা থেকে কাউকে আকর্ষিত করার চেষ্টাও তিনি করেন নি। তিনি ক্রমাগত ভাবে মোজেস ও ভাববাদীদের বিধানের সম্মান ওসেই বিষয়ে ক্রমাগত ভাবে সমর্থন জানিয়ে এসেছেন। তিনি তাদের রাজ্যের ও তাদের ধর্মের কোন শত্রুও ছিলেন না। পক্ষান্তরে তিনি কোন পাপের বিষয়ে দোষীও ছিলেন না। প্রেরিত পীটার সেই খ্রীষ্ট সম্বন্ধে বলেন,

“তিনি পাপ করেন নাই, তাঁহার মুখে কোন ছল পাওয়া যাই নাই” (১-ম পীটার ২:২২)

ডাঃ ইয়াং বলেছেন, “তাঁর অসম্মানীয় মৃত্যুর পরেও খ্রীষ্টকে এক সম্মানীয় ভাবেই কবরস্থ করা হয় তাঁর পরিশুদ্ধ নির্দোষিতার জন্য। (যেহেতু) তিনি তাঁর অপরাধী দস্যুদের মতো ব্যাবহার করেন নি তাই তাদের সংগে তিনি অসম্মানীয় কবরের অংশীদার হন নি কিন্তু ধনবানের সংগে এক সম্মানীয় কবরে সমাধিস্থ হলেন।”

এই বিষয়টা আমাকে মহাশয়, উইনষ্টন চার্চিলের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় যিনি তার পিতার পাশেই গ্রামের একটি মন্ডলীর জায়গাতে এক সম্মানীয় কবরপ্রাপ্তি মনোনীত করেন, যেখানে তার পিতার শত্রুরা এবং তার নিজের শত্রুরা শায়িত থাকলেও সেই জায়গাকে সব থেকে কম সম্মানীয় হিসাবে বিবেচনা করলেন না, এখানেই লোকেদের মধ্যে যারা ইংলডের প্রতি বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিলেন, তথাপি এক সমারোহ ও উৎসবের মতো করেই ওয়েষ্টমিনস্টার অ্যাবিতে হিটলার ও তার নাজি শাসন ব্যাবস্থার মুখে তাদের বিশ্বাসঘাতকতার কাজে আপস নিষ্পত্তি করে সমাধিপ্রাপ্ত করা হয়। যদিও চার্চিল একজন নুতন জন্ম প্রাপ্ত খ্রীষ্টিয়ান ছিলেন না তথাপি তিনি ছিলেন এক সম্মানীয় ব্যাক্তি।

নিশ্চিত ভাবেই যীশু ছিলেন এক মহান ব্যাক্তি যিনি জীবন যাপন করেছিলেন। হ্যাঁ, তিনি মানুষ ছিলেন ও আছেন যাকে বলা হয় “তিনি মনুষ্য খ্রীষ্ট যীশু” (১-ম টিমোথি ২:৫)। তাঁর মহানতা এই ঘটনার উপরেই আধারিত যে পিতা ঈশ্বরের দৃষ্টিতে আমাদের পাপের জন্য তাঁর জীবন ইচ্ছাকৃত ভাবেই সেই মূল্য প্রদান করেছে। ঠিক ক্রুশারোপিত হওয়ার অল্পসময় আগে, যীশু বলেছেন,

“কেহ যে আপন বন্ধুদের নিমিত্ত নিজ প্রাণ সমর্পণ করে; ইহা অপেক্ষা অধিক প্রেম কাহারও নাই” (যোহান ১৫:১৩)

এক অসম্মানীয় ক্রুশ তাঁর সিংহাসন হয়ে
উঠলো, তাঁর হৃদয় ছিল কেবলমাত্র তাঁরই হৃদয়;
ঘন তাজা রক্তের মধ্যে তিনি তাঁর প্রেমকে লিখলেন,
এবং নিজের মাথার উপরেই পরিধান করলেন সেই কাঁটার মুকুট।

আর এখন,হে আমার বন্ধু যাকে খ্রীষ্টিয়ান বলা হয় সেই যীশুকে নিয়ে তোমরা কি করবে? সি.এস.লুইস ইহাকে যেমন ভাবে উল্লেখ করেছেন, সেখানে সম্ভাব্য দুটি প্রতিক্রিয়া আছে – “আপনি তাঁর প্রতি থুতু দিতে পারেন এবং দিয়াবল হিসাবে তাকে মারতে পারেন অথবা তাঁর চরণে পড়ে আপনি তাঁকে প্রভু এবং ঈশ্বর বলে ডাকতে পারেন।” ইহার কোনটা আপনার জন্য? তৃতীয় এক মাত্র মনোনয়ন হল যেন তাঁকে আপনি সম্পূর্ণ ভাবে এড়িয়ে যান এবং তাঁর ব্যাথা ও দুঃখভোগের অর্থকে প্রাধান্য না দিয়ে আপনি আপনার জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তাদের জন্য আমি সব থেকে বেশী দুঃখ পাই যারা পরিত্রাতাকে এই রকম অসম্মানের দ্বারা আচরন করেন। আমার প্রার্থনা আপনি যেন তাদের একজনের মতো না হন। তারা হল তাদের মধ্যেই যাদের টি.এস. ইলিয়ট বলে থাকেন “আন্তরিকতাহীন মনুষ্য” যার অর্থ হল তারা কেবলমাত্র সেই মুহুর্তে আনন্দের জন্য জীবন যাপন করেন। হ্যাঁ, আমি প্রার্থনা করি যেন আপনি তাদের একজনের মতো না হন, কেননা নরকের মধ্যে তাদের এক গভীর শূণ্য জায়গা হবে।

আসুন ভুলে যাই সেই গ্যেৎসিমানি;
আসুন ভুলে যাই তাঁর মর্ম পীড়া;
আসুন আমার জন্য তাঁর ভালোবাসাকে ভুলে যাই,
আমাকে কালভেরীর প্রতি পরিচালিত করি।
(“Lead Me to Calvary” by Jennie E. Hussey, 1874-1958).

আমি প্রার্থনা করি যেন আপনি যীশুর কাছে আসেন, আপনার সমস্ত হৃদয় দিয়ে তাঁর উপরে নির্ভর করুন এবং প্রকৃত খ্রীষ্টিয় মতামত পোষণের দ্বারা মৃত্যু থেকে জীবনে প্রবেশ করুন।

আসুন আমরা একত্রে মিলে উঠে দাঁড়াই। আপনি যদি যীশুর দ্বারা পাপ থেকে পরিষ্কৃত হয়ে আমাদের সংগে কথা বলতে চান তবে এই মুহুর্তে পিছনে অডিটরিয়ামের দিকে যান। ডাঃ কাগান আপনাকে একটি নীরব জায়গায় পরিচালনা করবেন যেখানে আমরা একসঙ্গে কথা বলবো। মীঃ লী অনুগ্রহ করে এখানে আসুন ও যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাদের জন্য প্রার্থনা করুন।.

সংবাদের পরিসমাপ্তি
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

অথবা আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net
অথবা আপনি তাকে পত্র লিখতে পারেনঃ পোস্ট বক্স ১৫৩০৮, লস এঞ্জেলেস, সিএ ৯০০০১৫,
এই ঠিকানায় অথবা আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (৮১৮)৩৫২-০৪৫২

সংবাদের আগে শাস্ত্রের যে অংশ পাঠ করা হয়েছে, তা করেছেন ডাঃ ক্রিঘটন এল. চানঃ ঈশা ৫৩:১-৯
সংবাদের আগে একক সংগীত গেয়েছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিন গেইড গ্রীফিথঃ
“A Crown of Thorns” (by Ira F. Stanphill, 1914-1993)/
“Lead Me to Calvary” (by Jennie E. Hussey, 1874-1958).


খসড়া চিত্র

খ্রীষ্টিয়ান সমাধিস্থকরণে আপাত অবাস্তবতা

(ঈশা ৫৩ অধ্যায়ের দশম সংবাদ)
THE PARADOX OF CHRIST’S BURIAL
(SERMON NUMBER 10 ON ISAIAH 53)

লেখকঃ ডাঃ আর.এল.হাইমার্স, জুনি.
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

“আর লোকে দুষ্টগণের সহিত তাঁহার কবর নিরুপণ করিল, এবং মৃত্যুতে তিনি ধনবানের সঙ্গী হইলেন, যদিও তিনি দৌরাত্ম্য করেন নাই, আর তাঁহার মুখে ছল ছিল না” (ঈশা ৫৩:৯)

(১-ম করিনথিয়ানস ১৫:৩-৪;যোহান ১৭:৩; রোমিয় ৬:৪)

১. প্রথম, তাঁর কবর প্রাপ্তির আপাত অবাস্তবতা,
ঈশা ৫৩:৯এ; যোহান ১৯:৩১; ম্যাথুজ ২৭:৬০; রোমিয় ৭:২৪।

২. দ্বিতীয়, আপাত অবাস্তবতার ব্যাখ্যা,
ঈশা ৫৩:৯ বি; ১-ম পীটার ২:২২; ১-ম টিমোথি ২:৫; যোহান ১৫:১৩।