Print Sermon

এই ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য হল ধর্ম্মোপদেশের পান্ডুলিপি এবং ধর্ম্মোপদেশের ভিডিওগুলি বিশ্বব্যাপী পালক ও মিশনারিদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে, যেখানে ধর্ম্মতত্ত্বমূলক সেমিনারী বা বাইবেল স্কুল থাকলেও খুব কম রয়েছে|

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতি মাসে 221টিরও বেশি দেশের প্রায় 1,500,000 কম্প্যুটারে যায়| শত শত লোক ইউটিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং আমাদের ওয়েবসাইটে চলে আসেন| ইউটিউব আমাদের ওয়েবসাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 39টি ভাষায় প্রায় 120,000 কম্প্যুটারে প্রচারিত হয়| প্রচারের পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখনই আপনি ডঃ হেইমার্‍সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্‌সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




যথার্থ মন পরিবর্তনকারীর(ফল)গুণ

THE FRUIT OF A REAL CONVERT!

ডঃ আর এল হাইমার্স, (জুনিয়র)
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

লস এঞ্জেলেসের ব্যাপটিস্ট ট্যাবারনেকেল মন্ডলিতে, ২০১০-এর ২১ শে আগষ্ট, শণিবার
সন্ধ্যায়, প্রচারিত ধার্মিক প্রবচন
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Saturday Evening, August 21, 2010

“আর যাহারা উত্তম ভূমিতে উপ্ত, তাহারা এমন লোক; যাহারা সেই বাক্য শুনিয়া গ্রাহ্য করে, এবং কেহ ত্রিশ গুণ, কেহ ষাট গুণ, ও কেহ শত গুণ ফল দেয়”।[মার্ক ৪:২০]


"বপনকারী শব্দের বীজ বপন করে থাকে"(মার্ক ৪:১৪)। এ কথার রেশ প্রভু যীশু'র পার্থিব মন্ত্রীমন্ডল ও যাহারা তাঁর বাণীর প্রচার করেন উভয়ের জন্যেই সমান ভাবে প্রযোজ্য (রোমানস ১০:১৪)। 'বীজ বপন করা'-র মর্মার্থ হলো ঈশ্বরের বাণী, বিশেষ করে প্রভু যীশুর সুসমাচারকারী বক্তব্য যাহা কিনা জীবিত এক শব্দমালা, যে শব্দ সকল আমাদের শরীর দিয়া তৈরী আর যা আমাদের মধ্যেই বাস করে(জন ১:১৪)। সাধারণের মধ্যে প্রভু যীশুর সুসমাচার বাণীর চার প্রকার অনুভুতি এবং বিকাশ হতে পারে।

১. প্রথমত, যাদের জীবন থেকে শয়তান তাড়াতাড়ি বাক্য চুরি করে নেয়।

“পথের পার্শ্বে যাহারা,তাহারা এমন লোক যাহাদের মধ্যে বাক্য বীজ বুনা যায়;আর যখন তাহারা শুনে,তৎক্ষণাৎ শয়তান আসিয়া, তাহাদের মধ্যে যাহা বপন করা হয়েছিল, সেই বাক্য হরণ করিয়া লইয়া যায়”।
      [মার্ক ৪:১৫]

প্রচারের মাধ্যমে এই ধরনের লোকেরা প্রভাবিত হয় না। তাই “শয়তান” তখনই (তৎক্ষণাৎ) সেই ব্যক্তির হৃদয় থেকে বাক্য চুরি করে নেয়। সেই মানুষটা চলে গেলে পর তাকে আর কোন খৃষ্টিয় সভায় দেখা যায় না।

২. দ্বিতীয়ত যারা তখনকার মতো বাক্যটি বিশ্বাস করে, কিন্তু সমস্যার সম্মুখীন হলে, বা কোনভাবে আঘাত পেলে, বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে আর পিছিয়ে যায়।

“আর সেই রুপ যাহারা পাষাণময় ভূমিতে উপ্ত, তাহারা এমন লোক, যাহারা বাক্যটি শুনিয়া তৎক্ষণাৎ আহ্লাদপূর্বক গ্রহণ করে,আর তাহাদের অন্তরে মূল নাই, কিন্তু তাহারা অল্পকাল মাত্র স্থির থাকে,পরে সেই বাক্য হেতু ক্লেশ কিম্বা তাড়না ঘটিলে তৎক্ষণাৎ বিঘ্ন পায়”।
      [মার্ক ৪:১৬-১৭]

তারা আনন্দ পূর্বক সেই বাক্য গ্রহণ করে।('প্রফুল্লতার সাথে' লিউক ৮:১৩)আমার মনে হয় উইলিয়াম ম্যাকডোনাল্ড ঠিকই বলেছিলেন যে 'ওদের সাধারণ একটা ধারণা হওয়ার থেকে...... যদি ওরা পাপের দরুণ দারুণ মর্মবেদনা পেতেন, তাহলে আরও ভালো হতো';এটা একটা আবেগ (উইলিয়াম ম্যাকডোনাল্ড, বিলিভার্স বাইবেল কমেন্টারী, থমাস নেলসন পাবলিশার্স, ১৯৯৫ এডিশান, ১৩৩০ পৃষ্ঠা; নোট মার্ক ৪:১৬-১৭)। খৃষ্টের বিষয় বলতে গেলে সেই ব্যাক্তিকে যখন অসুবিধা বা বাধার সম্মুখীন হতে হয়, তখন সে রেগে যায়।লিউক আরোও বলেন 'তাহারা অল্পকাল মাত্র বিশ্বাস করে, আর পরীক্ষার সময়ে হেরে যায়'। রেইনকারের মতে হেরে যাওয়া'র মানে হলো নিজেকে সরিয়ে নেওয়া, হটে আসা।(ফ্রিটজ রেইঙ্কার,এ লিংগুইস্টিক কী টু দা গ্রীক নিউ টেস্টামেন্ট, জ্যান্ডারভ্যান পাবলিশিং হাউস, ১৯৮০-এডিশান, ১৬১ পৃষ্ঠা, নোট লিউক ৮:১৪)।ওরা ওদের স্থানীয় মন্ডলি থেকে চলে যায়।ওদের আত্মতুষ্টির জন্যে অন্য মণ্ডলিতে যেতে পারে কিন্তু ওদের "অন্তরে মূল নেই" [মার্ক ৪:১৭] বলে কোথাও বেশি দিন থাকতে পারে না।এই জন্য এরা অপরিবর্তনশীল(কলসিয়ানস ২:৭)।তাই ওরা "বদ্ধমূল ও সংগ্রহিত হইয়া প্রাপ্ত শিক্ষানুসারে বিশ্বাসে দৃঢ়ীভূত" হয় না।

এ ধরনের লোকেরা যদি খৃষ্টিয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করে তাহলে যতক্ষণ বাবা-মা'র অধীনে থাকবে ততদিন মন্ডলির চারপাশে ওদের দেখা যাবে কিন্তু যখন নিজে রোজগার করবে তখন তারা 'পিছিয়ে' পড়বে।

(উইলিয়াম ম্যাকডোনাল্ড, ইবিড; নোট মার্ক ৪:১৭) এ লিখেছেন 'যতক্ষণ সব কিছু সুন্দর আছে সে নিজেকে ক্রিশ্চিয়ান বলে পরিচয় দেয়, কিন্তু পরীক্ষার সময় আসলে মিথ্যে ছবিটা ফুটে ওঠে'।আমাদের ডেকন ডঃ কেগন এই ধরনের লোকেদের বিষয়ে বলেছেন 'ওরা হেসে ঈশ্বরের বাক্যকে গ্রহণ করে-- যেমন ভাবে এসেছিলো সেইভাবেই ফিরে যায়। এরা সত্যকে বুঝতে পারে না, সেই অনুযায়ী জীবন ধারণও করতে পারে না'।

৩. তৃতীয়তঃ যারা জগতের জাগতিকতায় আর অর্থ উপার্জনের চেষ্টায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলে।

জোরে পড়ুন

"আর অন্য যাহারা কাঁটা বনের মধ্যে উপ্ত;তাহারা এমন লোক, যাহারা সেই বাক্যটি শুনিয়াছে কিন্তু সংসারের চিন্তা, ধনের মায়া ও অন্যান্য বিষয়ের অভিলাষ ভিতরে গিয়া ঐ বাক্য চাপিয়া রাখে, তাহাতে উহা ফলহীন হয়।" [মার্ক ৪:১৮-১৯]

উইলিয়াম ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন 'এই ধরনের লোকেরা খুব সুন্দর শুরু করে। বাইরে থেকে মনে হয় এরা সত্যিই বিশ্বাসী, কিন্তু পরে ব্যাবসা, জাগতিক চিন্তা ও আরোও ধনী হওয়ার লোভে এরা জড়িয়ে পরে। আত্মিক বিষয়ে তাদের আগ্রহ কমে যায়, শেষে ওরা স্বীকারই করেনা যে ওরা ক্রিশ্চিয়ান'। [ম্যাকডোনাল্ড ইবিড; মার্ক ৪-১৮-১৯ (নোট)]

উইলিয়াম ম্যাকগী বলেছেন "ওরা মোটেই বিশ্বাসী নয়!! ওরা বাক্যটা কেবলই মাত্র শুনেছে, আর ভাবটা যেন দেখিয়েছে যেন সেই বাক্য গ্রহণ করেছে"।(জে. ভারনন ম্যাগকী, Th.D, থ্রু দা বাইবেল, থমাস নেলসন পাবলিশার্স, ১৯৮৩, ভলিয়্যুম ৪, পৃষ্ঠা-৭৩, মথি ১৩:২২ শের নোট)। এদের জীবন যাপনই দেখায় যে এদের মধ্যে কখনও মন পরিবর্তন হয় নি। খ্রিশ্চিয়ান পরিবারে যে ছেলে মেয়েরা বড় হয়, সাধারণত মনে হয় ওদের মন পরিবর্তন হয়েছে; কিন্তু ওরা যখন বাবা-মা'র শাসন থেকে বেরিয়ে জগতে আসে,"নিজের চাকরি করে", অর্থ উপার্জনের জন্য "জাগতিকতা ডুবে যায়" আরও "অধিক উপার্জনের" জন্য ঈশ্বরের বাক্যটা "চেপে রাখে" তখন বোঝা যায় ম্যাকগী ঠিকই বলেছেন যে "ওরা মোটেই বিশ্বাসী নয়"(ইবিড; মথি ১৩:২২ নোট)। এই ধরনের মানুষেরা সত্যি ঈশ্বরের বাক্য জানতো, কিন্তু জাগতিক উন্নতি ও আরও অধিক উপার্জনের লোভ তাদের জীবন থেকে "বাক্যটা চেপে দিয়ে" প্রমাণ করেছে তাদের মন পরিবর্তন সত্যিই হয় নি।

৪. চতুর্থত, যাহাদের সত্যিই মন পরিবর্তন হইয়াছে।

"আর যাহারা উত্তম ভুমিতে উপ্ত, তাহারা এমন লোক, যাহারা সেই বাক্য শুনিয়া গ্রাহ্য করে, এবং কেহ ত্রিশ গুণ, কেহ ষাট গুণ ও কেহ শত গুণ ফল দেয়" (মার্ক ৪:২০)

"আর যাহারা উত্তম ভূমিতে উপ্ত"।"উত্তম ভূমি" বলতে কি বোঝায়?লিউক এদের বিষয়ে আরও বলেছেন "তাহা এমন লোক,যাহারা সৎ ও উত্তম হৃদয়ে বাক্য শুনিয়া ধরিয়া রাখে"।(লিউক ৮:১৫) ডঃ ম্যাকগী বলেছেন "এই শ্রোতারা সত্যিই মন পরিবর্তন করেছে"।(জে. ভারনন ম্যাগকী, Th.D, ইবিড, ভলিয়্যুম ৪,পৃষ্ঠা-২৮১, লিউক ৮:১৫ নোট)।

মন পরিবর্তনের আগে কারোও "সৎ ও উত্তম হৃদয়" থাকে না। জেরেমিয় ভাববাদী যেমন বলেছেন "অন্তঃকরণ সর্বাপেক্ষা বঞ্চক, তাহার রোগ অপ্রতিকার্য্য..." (জেরেমিয় ১৭:৯) ডঃ গিল যেমন বলেছেন " কোন মানুষের সৎ ও উত্তম হৃদয় স্বভাবত থাকে না; কেউই সেটা তৈরী করতে পারে না; একমাত্র ঈশ্বরের অপর্য্যাপ্ত অনুগ্রহে এই কাজটা তিনিই করতে পারেন... এই হৃদয়টা নতুন আর সঠিক হৃদয় .... সেই জন্যে সে বাক্যটা শোনে, বোঝে আর বিশ্বস্তভাবে সততার সংগে তা গ্রহণ করে; [ও ফল উতপন্ন করে, মার্ক ৪:২০]। মনোযোগ দিয়ে শোনার পরে যে ফলধারণ করে সেটা ঈশ্বরের গৌরবের জন্য.....পবিত্র আত্মায় প্রভাবিত ও সম্পূর্ণ খ্রীষ্টেতে অনুগ্রহ ও ধার্মিকতার যথার্থ ফল হয়; এই ফল যদিও পরিমাণে অনেক হয় না, তবু গুণে সত্যিই ভালো হয়, যেমন লিউক বলেছেন, ধৈর্য্য সহকারে সব স্ময় একভাবে.... শেষ পর্যন্ত স্থির থাকে (জন গিল, ডি ডি; এন এক্সপোজিশান অব দা নিউ টেস্টামেন্ট, দি ব্যাপটিস্ট স্ট্যান্ডার্ড বিয়ারার, ১৯৯৮ রিপ্রিন্ট, ভলিয়্যুম ১,পৃষ্ঠা-১৪৭-১৪৮, মথি ১৩:২২ নোট)।

অতএব, আমরা বিশ্বাস করি যে, যার সত্যিই মন পরিবর্তন হয়েছে, তার হৃদয় পরিবর্তন হয়েছে, অথবা রিচার্ড ব্যাক্সটার যেমন বলেছেন,"আকর্ষণের পরিবর্তন"। ভাববাদি ইজেকিয়েলের মাধ্যমে ঈশ্বর বলেছেন,

"আর আমি তোমাদিগকে নূতন হৃদয় দিব, ও তোমাদের অন্তরে নতুন আত্মা স্থাপন করিব; আমি তোমাদের মাংস হইতে প্রস্তরময় হৃদয় দূর করিব, ও তোমাদিগকে রক্ত মাংসের হৃদয় দিব। আর আমার আত্মাকে তোমাদের অন্তরে স্থাপন করিব এবং তোমাদিগকে আমার বিধিপথে চালাইব, তোমরা আমার শাসন সকল রক্ষা করিবে ও পালন করিবে"।(ইজেকিয়েল ৩৬:২৬-২৭)।

একজনের সত্যি মন পরিবর্তন হলে, সে "ফল ধারণ করবে" (মার্ক ৪:২০)। এই ফলের মধ্যে "আত্মার ফল " দেখা যবে।

"কিন্তু আনন্দ, শান্তি, দীর্ঘ কষ্টভোগ, মাধুর্য্য, মঙ্গলভাব, বিশ্বস্ততা, কপটতা, ক্রোধতা এই সকল ফলের বিরুদ্ধে কোন নিয়ম নেই। আর যাহারা খ্রীষ্টের ক্রুশে না করে, তাহারা তাহাদের শরীরকে ভালোবাসা,লোভ,কামনা এই সকলের ক্রুশে বিদ্ধ করিয়াছে"। (গালাতিয়ানস ৫:২২-২৪)।

হৃদয়ের এই পরিবর্তন, ডঃ রাইস অনুসারে "খ্রিশ্চিয়ানের ফল"-- এই সেই ফল যে হারিয়ে যাওয়া প্রাণকে খ্রীষ্টের কাছে নিয়ে আসে (দেখুন জন রাইস,ডি ডি; আ ভার্স বাই ভার্স কমেন্টারি অন দি গসপেল অব জন ঃ দা সান অব গড, সোর্ড অব দা লর্ড পাবলিশার্স, ১৯৭৬ এডিশান, পৃষ্ঠা ২৯৪-৩০০)। যীশু বলেছিলেন,

"ইহাতেই আমার পিতা মহিমান্বিত হোন যে, তোমরা প্রচুর ফলে ফলবান হও" (যোহান ১৫:৮)।

আমরা বিশ্বাস করি ডঃ রাইস ঠিক বলেছেন "প্রচুর ফলে ফলবান হও"
(যোহান ১৫:৮)।

“যীশু বলেছেন অনেক ফল গ্রহণ করতে, "তোমরা কি বল না, আর চারিমাস পরে শস্য কাটিবার সময় হইবে? দেখ, আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, চক্ষু তুলিয়া ক্ষেত্রের প্রতি দৃষ্টিপাত কর, শস্য এখনই কাটিবার মত শ্বেতবর্ণ হইয়াছে। যে কাটে সে বেতন পায় এবং অনন্ত জীবনের নিমিত্ত শস্য গ্রহণ করে; যেন যে বুনে ও যে কাটে, উভয়ে একত্রে আনন্দ করে" (যোহান ৪:৩৫-৩৬)।

খ্রীষ্টেতে সমর্পিত আত্মার এই ফলকে বলে "দা গ্রেট কমিশান বা মহা আহবান।"

"অতএব তোমরা গিয়া সমুদয় জাতিকে শিষ্য কর, পিতার ও পুত্রের পবিত্র আত্মার নামে তাহাদিগকে ব্যাপ্টাইজ কর; আমি তোমাদিগকে যাহা আজ্ঞা করিয়াছি, সে সমস্ত পালন করিতে তাহাদিগকে শিক্ষা দেও। আর দেখ, আমিই যুগান্ত পর্যন্ত প্রতিদিন তোমাদের সঙ্গে সঙ্গে আছি। আমেন"।(মথি ২৮:১৯-২০)

"তখন প্রভু দাসকে কহিলেন, বাহির হইয়া রাজপথে ও জঙ্গলে যাও, আসিবার জন্য লোক দিগকে বাধ্য কর যেন আমার গৃহ পরিপূর্ণ হয়"। (লিউক ১৪:২৩)

যার সত্যিই মন পরিবর্তন হয় তার একটা নতুন স্বভাব লক্ষ্য করা যায়। সে গভীর অন্তঃকরণে ঈশ্বরের "বাক্য শুনিয়া গ্রাহ্য করে" আবার "ফলও উৎপাদন করে" (মার্ক ৪:২০)। নতুন মন পরিবর্তনকারীর হারিয়ে যাওয়া মানুষের প্রতি অনুকম্পা হয়, সুসমাচার প্রচারের জন্যে নতুন উৎসাহ থাকে, প্রার্থনাশীল হয়, মন্ডলিতে আসে-- বিশেষত হারিয়ে যাওয়া মানুষের মন পরিবর্তন হলে খুব খুশি হয়।

"আর যাহারা উত্তম ভূমিতে উপ্ত, তাহারা এমন লোক; যাহারা সেই বাক্য শুনিয়া গ্রাহ্য করে; এবং কেহ ত্রিশ গুণ, কেহ ষাট গুণ ও কেহ শত গুণ ফল দেয়" (মার্ক ৪:২০)।

"ধার্মিকের ফল জবন বৃক্ষ; এবং জ্ঞানবান (অপরদের) প্রাণ লাভ করে" (হিতোপদেশ ১১:৩০)

দয়া করে উঠে ডঃ অসওয়াল্ড জে স্মিথের লেখা গানটা করুন "ইভ্যাঞ্জেলাইজ! ইভ্যাঞ্জেলাইজ!"

এই সময়ে জাগরণের এক শব্দ দাও, যা শিহরণময়,শক্তিময়।
যুদ্ধের চিৎকার আর আগুনের নিঃশ্বাস জানাবে বিজয় কিংবা মৃত্যু।
মন্ডলি আর বিশ্রামে নয় এবার ওঠ, জেগে, কান দাও প্রভুর অনুরোধে;
আহবান হয়েছে; ওঠ জাগো, একটাই শব্দ, ইভ্যাঞ্জেলাইজ !

আকাশে ও ধরনীর মাঝে সুসমাচার প্রচারকের মুখে একটাই
কথা বেজে ওঠে যীশুর নামে ইভ্যাঞ্জেলাইজ! ইভ্যাঞ্জেলাইজ!
চারিদিকে মৃতপ্রায় লোক ও পড়ে যাওয়া জাতির কাছে
জানাও সুসমাচারের দানের কথা, কৃপার কথা
যে পৃথিবী আঁধারে আছে, ইভ্যাঞ্জেলাইজ! ইভ্যাঞ্জেলাইজ!
   ("ইভ্যাঞ্জেলাইজ!ইভ্যাঞ্জেলাইজ" ডঃ অসওয়াল্ড জে স্মিথ, গানের কথা
     লিখেছেন, ১৮৮৯-১৯৮৬ আর চার্লস ওয়েসলির,১৭০৭-১৭৮৮
       গান "এন্ড ক্যান ইট বি" সুরে গানটি গাওয়া হয়েছে)।

কোরাসে যে অংশটি গাওয়া হয় "তাদের আনো ডেকে"..

তাদের আনো ডেকে, আনো ডেকে পাপের ক্ষেত্র থেকে,
দিশাহারাদের আনো ডেকে, আনো ডেকে শুধু যীশুতে।
   ("ব্রিং দেম ইন" -- এ্যালেক্সেনাহ থমাস, ঊনবিংশ শতাব্দি)

বক্তৃতার সমাপ্তি
ইন্টারনেটে www.realconversion.com. প্রতি সপ্তাহে আপনি ডাঃ হাইমারের বক্তৃতা
পড়িতে পারেন। ক্লিক করুন “বাংলায় বক্তৃতা”

You may email Dr. Hymers at rlhymersjr@sbcglobal.net, (Click Here) – or you may
write to him at P.O. Box 15308, Los Angeles, CA 90015. Or phone him at (818)352-0452.


পরিকাঠামো

প্রকৃত মন পরিবর্তনকারীর ফল

ডঃ আর এল হাইমার্স (জুনিয়র)

"আর যাহারা উত্তম ভূমিতে উপ্ত, তাহারা এমন লোক, যাহারা সেই বাক্য শুনিয়া গ্রাহ্য করে, এবং কেহ ত্রিশ গুণ, কেহ ষাট গুণ, ও কেহ শত গুণ ফল দেয়" (মার্ক ৪:২০)

(মার্ক ৪:১৪; রোমিয় ১০:১৪; যোহান ১:১৪)

১.  প্রথমত, যাদের জীবন থেকে শয়তান তাড়াতাড়ি
বাক্য চুরি নেয়। (মার্ক ৪:১৫)

২.  দ্বিতীয়ত যারা তখনকার মতো বাক্যটি বিশ্বাস করে, কিন্তু সমস্যার
সম্মুখীন হলে, বা কোনভাবে আঘাত পেলে, বিশ্বাস হারিয়ে
ফেলে আর পিছিয়ে যায়। (মার্ক ৪:১৬-১৮; লিউক ৮:১৩;
কলসিয়ান ২:৭)

৩.  তৃতীয়ত, যারা জগতের জাগতিকতায় আর অর্থ উপার্জনের চেষ্টায়
নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। (মার্ক ৪:১৮-১৯)

৪.  চতুর্থত, যাদের সত্যিই মন পরিবর্তন হয়েছে। (মার্ক ৪:২০; লিউক
৮:১৩; জেরেমিয়া ১৭:৯; ইজেকিয়েল ৩৬:২৬-২৭;গালাতিয়ানস
৫:২২-২৪; যোহান ১৫:৮, ৪:৩৫-৩৬; মথি ২৮:১৯-২০;
লিউক ১৪:২৩;হিতোপদেশ ১১:৩০)