Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




কিভাবে প্রার্থনা করিবেন এবং কিভাবে প্রার্থনা সভা পরিচালনা করিবেন
( ডঃ তীমথি লিন, 1911-2009 এর শিক্ষা )

HOW TO PRAY AND HOW TO CONDUCT A PRAYER MEETING
(THE TEACHINGS OF DR. TIMOTHY LIN, 1911-2009)
(Bengali)

ডঃ আর. এল. হেইমার্স, জুনিয়র দ্বারা লিখিত
এবং মিঃ জন্ শ্যমূয়েল কেগান দ্বারা 2017 সালের,
15ই অক্টোবর, প্রভুর দিনের সন্ধ্যাবেলায়
লস্ এঞ্জেল্সের ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাক্ল
মন্ডলীতে প্রচারিত একটি ধর্ম্মোপদেশ
A sermon written by Dr. R. L. Hymers, Jr.
and preached by Mr. John Samuel Cagan
at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Evening, October 15, 2017

‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস পাইবেন’’ (লূক 18:8)|


বাইবেলে অসামান্য বোধশক্তিসম্পন্ন ডঃ তীমথি লিন (1911-2009), ডঃ হেইমারসের দীর্ঘ-দিনের পালক ছিলেন| তিনি হিব্রু এবং সমগোত্রীয় ভাষাতে পিএইচ.ডি উপাধি লাভ করেছিলেন| 1950 এর দশকে, বব জোনস বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুলে, তিনি ধারাবাহিক ঈশ্বরতত্ত্ব, বাইবেল সংক্রান্ত ঈশ্বরতন্ত্র, হিব্রু পুরানো নিয়ম, বাইবেল সংক্রান্ত আরামিক, শাস্ত্রীয় আরবী, এবং প্যাসিটা সিরিয়াক বিষয়গুলি শিক্ষা দিতেন| পরবর্তীতে ডঃ জেম্স হাডসন টেলর III এর উত্তরসূরী হয়ে, তিনি চায়না ইভানজেলিকাল সেমিনারির সভাপতি হয়েছিলেন| এছাড়া নিউ আমেরিকান স্টাডি বাইবেল (এনএএসবি) এর অন্তর্গত পুরানো নিয়মের অনুবাদকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন| ডঃ লিন চব্বিশ বছর যাবৎ ডঃ আর. এল. হেইমারস, জুনিয়র এর পালক ছিলেন| ডঃ হেইমারস বলেছেন যে তিনি যাদের কখনো জানতেন, তাদের মধ্যে প্রশ্নাতীতভাবে ডঃ লিন ছিলেন সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী পালক| যখন ডঃ হেইমারস তার মন্ডলীর একজন সদস্য ছিলেন তিনি দেখেছিলেন ঈশ্বর এক উদ্দীপনা পাঠাতেন যাতে বহু শত লোক উদ্ধার লাভ করতেন এবং মন্ডলীতে আসতেন|

‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস পাইবেন’’ (লূক 18:8)|

বেশির ভাগ ব্যাখ্যা এই পদটির সঙ্গে সঠিক আচরণ করে না| উদাহরনত, একটি বিখ্যাত টীকা বলছে, ‘‘জগতের মধ্যে অবিশ্বাস হইবে একটি সাধারণ অবস্থা|’’ কিন্তু এই অধ্যায় সম্বন্ধে যীশু যা বলছেন এটা তা নয়| এখানে যীশু অন্তিম কালের সাধারণ ধর্মত্যাগের সম্বন্ধে কিছু বলছেন না অথবা যখন তিনি ফিরে আসবেন সেইসময়ে সেখানে কোন প্রকৃত খ্রীষ্ট বিশ্বাসী থাকবেন কি না, এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন করছেন না| আসলে, যীশু কেবলমাত্র পিতরের বিপরীত কথা বলেছেন,

‘‘আমি আপন মন্ডলী গাঁথিব, আর পাতালের পুরদ্বারসকল তাহার বিপক্ষে প্রবল হইবে না’’ (মথি 16:18)|

মথি 16:18 পদটি আমাদের দেখাচ্ছে যে, সেই প্রচুর পরিমাণে ধর্মত্যাগ যতই গভীর বা ত্রাসজনক হোক না কেন তাতে কিছু আসে যায় না, যখন খ্রীষ্ট ফিরে আসবেন তখনও সেখানে পরিত্রাণের বিশ্বাস নিয়ে অনেক খ্রীষ্ট বিশ্বাসী থাকবেন| বহু প্রকৃত খ্রীষ্ট বিশ্বাসীকে চোখের পলকে রূপান্তরিত করা হবে, বিশেষ করে চীনদেশে এবং তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য অংশে, যেখানে বর্তমানে প্রকৃত উদ্দীপনা হচ্ছে|

‘‘কারণ প্রভু স্বয়ং আনন্দধ্বনিসহ, প্রধান দূতের রব সহ, এবং ঈশ্বরের তূরীবাদ্য সহ স্বর্গ হইতে নামিয়া আসিবেন, আর যাহারা খ্রীষ্টে মরিয়াছে, তাহারা প্রথমে উঠিবে| পরে আমরা যাহারা জীবিত আছি, যাহারা অবশিষ্ট থাকিব, আমরা আকাশে প্রভুর সহিত সাক্ষাৎ করিবার নিমিত্ত একসঙ্গে তাহাদের সহিত মেঘযোগে নীত হইব’’ (I থিষলনীকীয় 4:16-17)|

এমনকী মহাতাড়নার সময়েও লোকেদের প্রচুর সংখ্যায় পরিত্রাণ দেওয়া হবে|

‘‘বিস্তর লোক, তাহা গণনা করিতে সমর্থ কেহ ছিল না’’ (প্রকাশিত বাক্য 7:9)|

‘‘ইহারা সেই লোক, যাহারা সেই মহাক্লেশের মধ্য হইতে আসিয়াছে, এবং মেষশাবকের রক্তে আপন আপন বস্ত্র ধৌত করিয়াছে, ও শুক্লবর্ণ করিয়াছে’’ (প্রকাশিত বাক্য 7:14)|

এই অনুসারে, যীশু তাঁর পুনরাগমনে পরিত্রাণকারী বিশ্বাসের অনুপস্থিতির বিষয়ে কিছু বলেননি, যখন তিনি বলেছিলেন,

‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস পাইবেন’’ (লূক 18:8)|

I. প্রথমত, অধ্যাবসায়ী প্রার্থনার গুরুত্ব |

বেশির ভাগ ভাষ্যই ভুল, কিন্তু ডঃ লিন আমাদের পাঠ্যাংশের প্রকৃত ব্যাখ্যা করেছিলেন| তিনি বলেছিলেন,

‘‘বিশ্বাস’’ শব্দটিকে বাইবেলে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হইয়াছে| ইহার বাক্যপ্রসঙ্গ যত্নসহকারে পরীক্ষা করিয়া দেখিবার পরই কেবলমাত্র ইহার নিখুঁত অর্থের সংজ্ঞা দেওয়া যাইতে পারে| এই পদের পূর্ববর্তী রচনার বিষয়বস্তু হইতেছে একটি দৃষ্টান্ত, যাহা দেখাইতেছে যে আমাদের সবদাই প্রার্থনা করা উচিৎ এবং নিরুৎসাহ হওয়া উচিৎ নহে [লূক 18:1-8a], যেখানে ইহার পরবর্তী রচনার [লূক 18:9-14) বিষয়বস্তু হইতেছে একজন ফরীশী এবং একজন করগ্রাহীর প্রার্থনা করিবার দৃষ্টান্ত| ইহা অনুসারে, এই পদের [লূক 18:8] বিষয়বস্তু স্পষ্টতঃ ইঙ্গিত দিতেছে যে ‘‘বিশ্বাস’’ শব্দটি এইস্থানে প্রার্থনাতে বিশ্বাসকে রাখিবার প্রতি নির্দেশ করিতেছে| এবং আমাদের প্রভুর বিবৃতি হইতেছে একটি বিলাপ বা আক্ষেপ যে তাঁহার দ্বিতীয় আগমনের প্রাক্কালে তাঁহার মন্ডলী প্রার্থনার বিশ্বাস হারাইবে (তীমথি লিন, পিএইচ.ডি., দ্য সিক্রেট অফ্ চার্চ গ্রোথ, লস্ এঞ্জেল্সের প্রথম চীনা ব্যাপটিষ্ট মন্ডলী, 1992, পিপি. 94-95)|

ডঃ লিন বলেছিলেন যে লূক 18:1-8 পদে বর্ণিত দৃষ্টান্তের বিষয় হল যে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীর উচিৎ প্রার্থনা চালিয়ে যাওয়া এবং অবসন্ন না হওয়া| অষ্টম পদটিতে দেখানো হয়েছে যে আমরা যে দিনগুলিতে বসবাস করছি, সেই অন্তিম দিনগুলিতে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের কাছে অধ্যাবসায়ী প্রার্থনা থাকবে না| সেইজন্য আমরা সেই পাঠ্যাংশের উপরে মন্তব্য করতে পারি এই বলে,

‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস [অধ্যাবসায়ী প্রার্থনা] পাইবেন’’ (লূক 18:1, 8)|

ডঃ লিন আরও বলে গেছেন,

বহু মন্ডলীতে বর্তমানে প্রার্থনা সভা প্রকৃতপক্ষে পরিত্যক্ত হইয়াছে [অথবা কেবলমাত্র একটি বা দুইটি প্রতীকস্বরূপ প্রার্থনার সহিত, মধ্য-সপ্তাহের বাইবেল অধ্যয়নে পরিণত হইয়াছে]| এমনই একটি দুখঃদায়ক অবস্থার সম্মুখীন হইয়া, বেশ কিছু সংখ্যক মন্ডলী এই গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাজ্ঞাপক চিহ্নকে সম্পূর্ণভাবে অগ্রাহ্য করিতেছে এবং আত্ম-বাসনা চরিতার্থ করিতে তাহাদের অসংযমের কারণে, [প্রায়শই] প্রার্থনা সভা সর্বতোভাবে বাতিল করিতেছে| ইহা সত্যই [একটি] চিহ্ন যে প্রভুর দ্বিতীয় আগমণ সন্নিকট! বর্তমানে, অনেকেই [মন্ডলীর সদস্যগণ] তাহাদের প্রভুর তুলনায় দূরদর্শনের উপাসনা বেশি করিয়া করিতেছেন...বাস্তবিকই ইহা অতীব দুঃখজনক!...অন্তিম দিনের মন্ডলীগুলি...প্রার্থনা সভার প্রতি চূড়ান্ত উদাসীনতা [আগ্রহের অভাব] প্রদর্শন করিতেছে (তীমথি লিন, পিএইচ.ডি..আইবিড..পৃ.95)|

এই অনুসারে, লূক 18:8 পদটিতে দেখানো হচ্ছে খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনের আগে মন্ডলীগুলিতে প্রার্থনাবিহীনতার একটা চিহ্ন, সেই সময়ের একটা চিহ্ন যে সময়ে আমরা বসবাস করছি, প্রার্থনাবিহীনতার একটা চিহ্ন, কিন্তু পরিত্রাণকারী বিশ্বাসের সম্পূর্ণ অভাব নয়| আমাদের প্রভুর দ্বিতীয় আগমনের আগে, মন্ডলীগুলিতে এইরকম প্রার্থনাবিহীনতা হচ্ছে সেই সমস্ত চিহ্নগুলির একটি যে আমরা অন্তিম সময়ে বসবাস করছি|

‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস [অধ্যাবসায়ী প্রার্থনা] পাইবেন’’ (লূক 18:8)|

II. দ্বিতীয়ত, প্রার্থনা সভার গুরুত্ব |

এছাড়াও ডঃ লিন নির্দেশ করেছিলেন যে এককভাবে করা ব্যক্তিগত প্রার্থনার মধ্যে, প্রার্থনা সভার সেই সমবেত প্রার্থনার অনুরূপ কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতা থাকে না| তিনি বলেছিলেন,

লোকের প্রায়শই বলিয়া থাকেন যে আপনি ব্যক্তিগতভাবে একাকী প্রার্থনা করুন অথবা কোন একটি দলের সহিত একযোগে প্রার্থনা করুন ইহাদের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই, নতুবা বলেন যে আপনি গৃহকোনে একাকী অথবা মন্ডলীতে আসিয়া ভ্রাতা এবং ভগিনীগণের সহিত একযোগে প্রার্থনা করুন ইহাতে কিছুই যায় আসে না| এইরূপ একটি বিবৃতি হইতেছে শুধুই অলসদের আত্ম-সান্ত্বনার প্রকাশমাত্র, অথবা প্রার্থনার ক্ষমতা বিষয়ে অজ্ঞ এইরূপ কাহারও আপাতদৃষ্টিতে ন্যায়সঙ্গত ব্যাখ্যা! দেখুন আমাদের প্রভু প্রার্থনার এই দৃষ্টিভঙ্গীর বিষয়ে কি বলিয়াছেন:

‘‘আবার আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, পৃথিবীতে তোমাদের দুইজন [মন্ডলীতে] যাহা কিছু যাচ্ঞা করিবে, সেই বিষয়ে যদি একচিত্ত হয়, তবে আমার স্বর্গস্থ পিতা কর্ত্তৃক তাহাদের জন্য তাহা করা যাইবে| কেননা যেখানে দুই কি তিনজন আমার নামে একত্র হয়, সেইখানে আমি তাহাদের মধ্যে আছি’’ (মথি 18:19-20)|

     আমাদের প্রভু জোরের সহিত আমাদের স্মরণ করাইতেছেন যে শুধুমাত্র সমগ্র মন্ডলীর [দ্বারা] চালিত সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যতীত এই ঐশ্বরিক অধিকারের সদব্যবহার, একজনের ব্যক্তিগত কর্মদক্ষতার দ্বারা কখনই সম্পাদিত হইতে পারে না| অন্যভাবে বলিলে, একমাত্র যখন...সমগ্র মন্ডলী একচিত্ত হয় [প্রার্থনা করে]...তখন সেই মন্ডলী সক্রিয়ভাবে এইরূপ ঐশ্বরিক কর্তৃত্ব [অর্জন] করিতে পারে|
     যাহাই হউক, অন্তিম দিনের মন্ডলীসমূহ, এই সত্যের বাস্তবতা দেখিতে পাইতেছে না, নতুবা ঈশ্বরের ক্ষমতা [অর্জন করিবার] যথাযথ প্রণালী স্মরণ করিতেছে না| ইহা কি বিশাল এক ক্ষতি! স্বর্গ হইতে [মন্ডলী] এই ঐশ্বরিক কর্তৃত্ব পাইয়াছে, কিন্তু ইহাকে পরিচালনা করিবার জ্ঞান পায় নাই, তাহা সত্বেও, পদদলিতদের বন্ধনমুক্ত করিতে এবং ঈশ্বরের উপস্থিতির বাস্তবতার অধিকতর অনুভূতি পাইতে, সে শয়তানের কর্মকে বাঁধিতে চাহিতেছে| হায়, ইহা করিতে পারা যাইতেছে না! (তীমথি লিন, পিএইচ.ডি..আইবিড..পৃ.92-93)|

সুতরাং, ডঃ লিন বিশ্বাসের প্রার্থনা এবং মন্ডলীর প্রার্থনা সভার উপরে চরম গুরুত্বদানের বিষয়ে শিক্ষা দিয়েছিলেন|

III. তৃতীয়ত, ‘‘এক চিত্তে’’ প্রার্থনার গুরুত্ব |

অনুগ্রহ করে প্রেরিত 1:14 পদটি খুলুন, এবং জোরে জোরে পড়ুন|

‘‘ইহাঁরা সকলে স্ত্রীলোকদের, এবং যীশুর মাতা মরিয়মের ও তাঁহার ভ্রাতাদের সঙ্গে একচিত্তে প্রার্থনায় নিবিষ্ট রহিলেন’’ (প্রেরিত 1:14)|

‘‘এরা সকলেই একচিত্তে প্রার্থনা ও বিনতিতে নিবিষ্ট রহিলেন...’’| ডঃ লিন বলেছিলেন,

চীনা বাইবেলে ‘‘একচিত্ত’’ শব্দটি অনুবাদিত হইয়াছে ‘‘এক হৃদয় এবং এক মনের সহিত|’’ সেইজন্যে, একটি প্রার্থনা সভায় ঈশ্বরের উপস্থিতির জন্য, সমস্ত সদস্যগণ অবশ্যই শুধুমাত্র প্রার্থনার বাস্তবতা উপলব্ধি করিবেন এবং ইহার গুরুত্ব দিবেন তাহাই নহে, কিন্তু তাহাদের অবশ্যই [প্রার্থনা সভায়] আন্তরিক ইচ্ছাসহ...একচিত্তে ঈশ্বরের প্রতি বিনতি, প্রার্থনা, এবং মধ্যস্থতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপনের জন্যে আসিতে হইবে| প্রার্থনা সভা তখন সফল হইবে এবং অন্যান্য সেবাকার্য্য তখন সফল হইবে (তীমথি লিন, পিএইচ.ডি..আইবিড..পৃ.93-94)|

যেখানে ভাইদের একজন প্রার্থনা পরিচালনা করছেন সেখানে ‘‘একচিত্তে প্রার্থনা’’ করতে হলে আমাদের সবাইকে অবশ্যই ‘‘আমেন’’ বলতে হবে| যখন আমরা সবাই ‘‘আমেন’’ বলি তখন আমরা সবাই ‘‘একচিত্তে প্রার্থনা’’ করি|

প্রার্থনায় বিশ্বাস রাখার গুরুত্ব, মন্ডলীর প্রার্থনা সভার গুরুত্ব, এবং একতার গুরুত্ব, ‘‘একচিত্তে প্রার্থনা’’ ইত্যাদির উপরে ডঃ লিনের শিক্ষার সম্বন্ধে আপনারা শুনে থাকবেন| তবুও আজ রাত্রে এখানে উপস্থিত আপনাদের কেউ কেউ আমাদের কোন প্রার্থনা সভায় হাজির থাকছেন না| আপনাদের আধ্যাত্মিক জীবন যে এত নিস্তেজ তাতে আশ্চর্য্যের কিছুই নেই! আজ রাত্রে এখানে কি এমন কেউ আছেন যিনি বলবেন, ‘‘হ্যাঁ, পালক, এখন থেকে আমি প্রার্থনা সভাগুলির অন্ততপক্ষে একটিতে উপস্থিত থাকবো’’? অনুগ্রহ করে আপনার চোখ বন্ধ করুন| যদি আপনি তা করবেন, অনুগ্রহ করে আপনার হাত তুলুন| অনুগ্রহ করে প্রত্যেকে এই প্রার্থনা করুন যে সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে ঈশ্বর তাদের সাহায্য করবেন! (সবাই প্রার্থনা করলেন)|

যদি আপনি এখনও পরিত্রাণ না পেয়ে থাকেন, তবে অন্ততপক্ষে শনিবার সন্ধ্যার প্রার্থনা সভায় উপস্থিত থাকতে আমি আপনাকে দৃঢ়ভাবে প্ররোচিত করছি| অনুগ্রহ করে আপনার চোখ বন্ধ করুন| কে বলবেন, ‘‘হ্যা, পালক, প্রত্যেক শনিবার রাত্রের প্রার্থনা সভায় উপস্থিত থাকা আমি শুরু করব’’? অনুগ্রহ করে আপনার হাত তুলুন| সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে প্রত্যেকে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন! (সবাই প্রার্থনা করলেন)|

আপনার পাপের দেনা শোধ করতে খ্রীষ্ট ক্রুশের উপরে মৃত্যুবরণ করেছিলেন| আপনার পাপ ধৌত করে দূরে ঠেলে দিতে তিনি তাঁর রক্ত ঝরিয়েছিলেন| আপনার সমস্ত পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে, তিনি ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা সহ্য করেছিলেন, ক্রুশের উপরে তাঁকে পেরেকবিদ্ধ হতে হয়েছিল| তৃতীয় দিনে তিনি মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন| ঈশ্বরের ডান দিকে তিনি জীবিত আছেন| খ্রীষ্টের কাছে আসুন এবং আপনি আপনার পাপ থেকে উদ্ধার পাবেন|

আজ রাত্রে আমাদের মধ্যে কে এমন অপরিত্রাণপ্রাপ্ত রয়েছেন এবং আমরা আপনার মন পরিবর্তনের জন্যে প্রার্থনা করব সেটা চাইছেন? আবার আপনার চোখ বন্ধ করুন| অনুগ্রহ করে আপনার হাত তুলুন যাতে করে আমরা আপনার মন পরিবর্তনের জন্য প্রার্থনা করতে পারি| প্রত্যেকে অনুগ্রহ করে এই প্রার্থনা করুন যে তারা তাদের পাপের জন্যে অনুতাপ করবেন এবং তাঁর রক্তে শুচি হওয়ার জন্যে খ্রীষ্টের কাছে আসবেন|

ডঃ চান, আমাদের প্রার্থনাতে পরিচালিত করুন যেন আজ রাত্রে কোন একজনকে পরিত্রাণ লাভ করানো যায়| একজন প্রকৃত খ্রীষ্ট বিশ্বাসীতে পরিণত হওয়ার বিষয়ে আপনি যদি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চান, তবে অনুগ্রহ করে ডঃ কেগান, জন্ কেগান এবং নোহ সং কে অনুসরণ করে এখন অডিটোরিয়ামের পিছনে যান| তারা আপনাকে একটা নিরিবিলি জায়গাতে নিয়ে যাবেন যেখানে আমরা আপনার মন পরিবর্তনের বিষয়ে কথা বলতে ও প্রার্থনা করতে পারব|

উইকিপিডিয়াতে ডঃ লিনের জীবনী পড়তে এখানে ক্লিক্ করুন |


যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তাহলে ডঃ হাইমার্স আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে চান| যখন আপনি ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখবেন তখন অবশ্যই তাকে জানাবেন যে কোন দেশ থেকে আপনি তাকে লিখছেন নয়ত তিনি আপনার ই-মেলের জবাব দিতে সক্ষম হবেন না| যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে ডঃ হাইমার্সকে একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে সেইকথা জানান, কিন্তু কোন দেশ থেকে আপনি লিখছেন চিঠিতে সেটা অবশ্যই অন্তর্ভূক্ত করবেন| ডঃ হাইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন) | আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন| যদি আপনি ডঃ হাইমার্সকে ডাক-ব্যবস্থার মাধ্যমে চিঠি পাঠাতে চান, তবে তার ঠিকানা হল P.O. Box 15308, Los Angeles, CA 90015 | আপনি তাকে (818)352-0452 নম্বরে ফোন করতে পারেন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়তে পারেন| ক্লিক করুন “প্রচার পান্ডুলিপি|”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“Tis the Blessed Hour of Prayer” (by Fanny J. Crosby, 1820-1915) |


খসড়া চিত্র

কিভাবে প্রার্থনা করিবেন এবং কিভাবে প্রার্থনা সভা পরিচালনা করিবেন ( ডঃ তীমথি লিন, 1911-2009 এর শিক্ষা )

HOW TO PRAY AND HOW TO CONDUCT A PRAYER MEETING
(THE TEACHINGS OF DR. TIMOTHY LIN, 1911-2009)

ডঃ আর. এল. হেইমার্স, জুনিয়র দ্বারা লিখিত এবং
মিঃ জন্ শ্যমূয়েল কেগান দ্বারা প্রচারিত একটি ধর্ম্মোপদেশ

‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস পাইবেন’’ (লূক 18:8)|

(মথি 16:18; I থিষলনীকীয় 4: 16-17; প্রকাশিত বাক্য 7:9,14)

I.    প্রথমত, অধ্যাবসায়ী প্রার্থনার গুরুত্ব, লূক 18:8 |

II.   দ্বিতীয়ত, প্রার্থনা সভার গুরুত্ব, মথি 18:19-20 |

III  তৃতীয়ত, ‘‘এক চিত্তে’’ প্রার্থনার গুরুত্ব, প্রেরিত 1:14 |