Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




প্রার্থনায় বিন্যাস এবং হেতুবাদ - প্রথম অংশ

ORDER AND ARGUMENT IN PRAYER – PART I
(Bengali)

লেখক : মিঃ জন শমূয়েল কেগান
by Mr. John Samuel Cagan

2016 সালের, 2রা সেপ্টেম্বর, শুক্রবারের
সন্ধ্যাবেলায় লস্ এঞ্জেল্সের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাক্ল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি
প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Friday Evening, September 2, 2016

‘‘আহা, যদি তাহার উদ্দেশ্য পাইতে পারি, যদি তাঁহার আসনের নিকট যাইতে পারি! তবে আমি তাঁহার সন্মুখে আপনি বিচার বিন্যাস করিব, আমি নানা হেতুবাদে আপন মুখ পূর্ণ করিব’’ (ইয়োব 23:3-4)|


সি. এইচ. স্পারজিয়ন দ্বারা প্রচারিত ‘‘প্রার্থনাতে বিন্যাস এবং হেতুবাদ’’ হল এই ধর্ম্মোপদেশের ভিত্তি| স্পারজিয়নের চিন্তা ভাবনাগুলিকে সাধারন ইংরাজীতে সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে| বাড়তি হিসাবে, ডঃ হেইমারস্ এবং ডঃ কেগানের সহায়তায়, আমি কিছু চিন্তা ভাবনা এবং বাইবেলের পদ এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছি|

এইমাত্র যে পদটি পড়া হয়েছে, তাতে ইয়োব ঈশ্বরের অন্বেষণ করতে এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে চেয়েছিলেন| শুধু একটি সাধারন উপায়ে তিনি ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলতে চান নি| সেখানে ইয়োবের ইচ্ছার মধ্যে আরও অধিক কিছু আন্তরিক অভিপ্রায় ছিল| তিনি এইভাবে প্রার্থনা করতে চেয়েছিলেন: ‘‘আমি তাঁহার সন্মুখে আপন বিচার বিন্যাস করিব, আমি নানা হেতুবাদে আপন মুখ পূর্ণ করিব’’ (ইয়োব 23:4)| সেখানে এই পদ থেকে দুটি জিনিষ শেখার রয়েছে প্রকৃত প্রার্থনার বিষয় - আন্তরিক প্রার্থনার বিষয়|

I. প্রথমত, আন্তরিক প্রার্থনা হল বিন্যস্ত - সংগঠিত |

ইয়োব বলেছিলেন, ‘‘আমি তাঁহার সন্মুখে আপন বিচার বিন্যাস করিব’’ (ইয়োব 23:4)|

আপনি কিসের জন্য প্রার্থনা করতে চলেছেন সেই বিষয়ে চিন্তা করুন| আপনি প্রকৃতপক্ষে কি চাইছেন সেই বিষয়ে চিন্তা করুন| ঐ একটি বিষয়ের উপরেই দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন| এই বিষয়টি আপনার কাছে অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে| জন্ আর. রাইসের কাছে যখন কোন ব্যক্তি একটি প্রার্থনার অনুরোধ করতেন, তিনি তার জন্য প্রার্থনা করতে কখনও রাজি হতেন না| পরিবর্তে তিনি লোকটিকে বলতেন যে তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করবেন যেন ঈশ্বর সেই লোকটির উপরে একটি প্রার্থনার বোঝা চাপিয়ে দেন| অন্যথায় লোকটি সেই অনুরোধ প্রকৃতভাবে চাইবে না এবং তার প্রার্থনা প্রকৃত প্রার্থনা হয়ে উঠবে না| আপনি প্রকৃতপক্ষে কি চাইছেন? কেন আপনি সেটা চাইছেন তা চিহ্নিত করুন| কেন এটা ঘটেনি তা বোঝার চেষ্টা করুন| এই বিষয়ে ভাবুন যে কেন এটা আপনার ক্ষমতার আওতার বাইরে রয়েছে| যদি আপনি এই বিষয়ে আবেগপ্রবণ না হন, তাহলে আবেগের জন্য ঈশ্বরের কাছে যাচ্ঞা করুন| আত্মতুষ্ট প্রার্থনাগুলির প্রবণতা অসংগঠিত হতে থাকে| আত্মতুষ্ট প্রার্থনাগুলির প্রবণতা উৎসাহশূন্য হতে থাকে| যদি আপনি উৎসাহহীনভাবে কোন কিছুর সাক্ষাৎ পেতে চান, তাহলে সম্ভবত আপনি প্রস্তুত হননি| প্রার্থনা করার আগে নিজেকে প্রস্তুত করুন| বিশেষ করে যদি আপনি প্রার্থনা পরিচালনা করতে চলেছেন, তা সে বাড়ি অথবা মন্ডলী যেখানেই হোক, তবে তাৎক্ষনিক উপাদানের উপরে নির্ভর করবেন না| হাতে উপস্থিত কাজের প্রতি আপনার হৃদয় অবশ্যই স্থিরীকৃত হবে| পরিস্থিতির উপরে অবশ্যই আপনার দৃষ্টি স্থির থাকবে| আপনার একটা কিছুর প্রয়োজন রয়েছে| আপনার নিদারুণভাবে একটা কিছুর প্রয়োজন রয়েছে| কিন্তু আপনি সেটা অর্জন করতে পারছেন না| সেটা আপনার ক্ষমতার নাগালের বাইরে রয়েছে| সেটা নিয়ন্ত্রনের বাইরে রয়েছে| আর সেইজন্যে আপনি যীশুর নামে জগতের ঈশ্বরের সান্নিধ্যে পৌঁছানোর উপক্রম করছেন| আপনি ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানোর প্রয়াস করবেন ঈশ্বরের দৃঢ়প্রত্যয় উৎপাদনের উদ্দেশ্যে| ঈশ্বরের প্রত্যয় উৎপাদনের জন্য যাতে তিনি অবশ্যই আপনার প্রয়োজন মত জিনিস সরবরাহ করেন| এটা হল একটা আন্তরিক পরিস্থিতি| যত্নশীল মনোযোগ ব্যতীত এর নিকটস্থ হতে হয় না| আপনি কিসের জন্য প্রার্থনা করছেন সেই বিষয়ে চিন্তা করুন|

আপনার প্রার্থনা সংগঠিত করুন| প্রার্থনা সম্বন্ধে কিছু লোকে ভাবেন যে সেটা যেন একই অনুরোধের গুচ্ছকে বার বার করে বলতে থাকা| কিছু লোক হয়তো চিন্তা করেন যে প্রার্থনা হচ্ছে সবসময়ে একই কথা বলা যখনই তারা প্রার্থনা করেন| যদি কোন লোক প্রত্যেকবার একই জিনিসের জন্য প্রার্থনা করেন, তাহলে তার প্রার্থনার উপরে তিনি নিজে কোন চিন্তা করেননি| ঈশ্বরের কাছে তার নিজের অনুরোধের জন্য নিজেকে ব্যয় করার প্রতি তিনি এক মুহূর্ত্ত সময় দেননি| কোন কোন লোক মনে করেন প্রার্থনা মানে হল কিছু ধর্মীয় বাক্যের উচ্চারণ| কিন্তু বাক্য মনোনয়ন একটি আন্তরিক হেতুবাদের স্থান নিতে পারে না| যদি আমি আপনার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার চাই, তাহলে আমার যুক্তি বাধ্যকারী করাতে আমি কেবলমাত্র বড় বড় কথার উপরে নির্ভর করব না| যদি আমি হঠাৎ করে আমার শব্দ ব্যবহার পরিবর্তন করি, কিন্তু আমি যা বলছি তার সারমর্ম আপনার কাছে বোধগম্য না হয়, তাহলে আপনি সন্তুষ্ট হবেন না| ধর্মীয় বাক্যসমূহ একটি সুসঙ্গতিপূর্ণ চিন্তাকে প্রতিস্থাপিত করে না|

কোন কোন লোক প্রার্থনাকে ঈশ্বরের প্রতি চিৎকারে পরিনত করে তোলেন| কিন্তু একজন লোকের কন্ঠস্বরের মাত্রা হেতুবাদের বিকল্প হয় না| কোন কিছুই একটি বিষয় থেকে অন্যটিতে হঠকারিতার সঙ্গে যায় না| যদি কোন একটি নির্দ্দিষ্ট অনুরোধ আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে এর কোন মানে নেই যে প্রথমে আপনার অনুরোধটির জন্য সম্পূর্ণভাবে বিনতি না করেই আপনি দ্রুত চলে যাবেন পরের অনুরোধে এবং তারপরে তার পরবর্তী অনুরোধে| কিছু লোক খুব সাধারন বাক্য ব্যবহার করে প্রার্থনা করেন: ‘‘প্রিয় ঈশ্বর, মন্ডলীকে আশীর্ব্বাদ করুন, হারানোদের উদ্ধার করুন, আমাকে এবং আমার পরিবারকে আশীর্ব্বাদ করুন|’’ কিন্তু সেটাতে খুব বেশি চিন্তার প্রয়োজন হয় না| সেটা হল একটা আন্তরিকতার অভাবের প্রমান| এটা একটা সংগঠিত এবং বিন্যস্ত প্রার্থনা নয়|

যদি আপনি আদালতে বিচারকের সঙ্গে কথা বলতে যান, তাহলে আপনি কি বলতে চলেছেন সেই বিষয়ে ভেবে নেবেন| আপনি মনোযোগসহকারে বিবেচনা করবেন যে আপনার কি জিজ্ঞাসা করার ছিল| আপনি সেই বিষয়ে চিন্তা করে নেবেন যে কিভাবে আপনি বিচারককে সন্তুষ্ট করতে চলেছেন যাতে আপনি যা চাইছিলেন সেটা তিনি আপনাকে প্রদান করেন| তাছাড়া আমি বিবেচনা করব যে সেই কথোপকথনের জন্য আপনার অন্তর্ভূক্তি এবং প্রস্তুতি আনুপাতিকহারে বৃদ্ধি পাবে অনুরোধের আন্তরিকতায়| যদি কর্মরত আপনার উর্দ্ধতন আধিকারিককে আপনি কোন কিছু জিজ্ঞাসা করতে যান, তাহলে সেই বিষয়ে ভেবে নেবেন যে আপনি কি বলতে চলেছেন এবং কিভাবে সেটা বলতে চলেছেন| প্রার্থনাতে ঈশ্বরের সঙ্গে ঠিক সেই রকমই করুন| অগভীর চিন্তা ভাবনা নিয়ে ঈশ্বরের সমীপবর্তী হবেন না| স্বয়ং আবেদন করুন|

বহুবিধ দৃষ্টিকোন থেকে পরিস্থিতি বিবেচনা করুন| কিভাবে পরিস্থিতিটি শুধু আপনার উপরে নয় বরং আপনার চারিপাশের লোকজনদের উপরে প্রভাব ফেলছে| কিভাবে পরিস্থিতিটি ঈশ্বরের গৌরবকে প্রভাবিত করছে? কিভাবে পরিস্থিতিটি ঈশ্বরের সেবাকাজ এবং তাঁর রাজ্যের অগ্রগতির উপরে প্রভাব বিস্তার করছে? সেই অনুরোধ গৃহীত না হলে তার পরিণাম কি হবে? কি ঘটবে যদি ঈশ্বর আপনার অনুরোধ গ্রাহ্য না করেন? সেখানে প্রত্যেকটি পরিস্থিতির বহু বিভিন্ন দিক রয়েছে| একটি একক ঘটনা অথবা অনুরোধ শুধু আপনার অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু অথবা শেষ হয় না| এই অনুরোধ গুরুত্বপূর্ণ| এটা আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ| এটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আপনার পরিবারের জন্য, অথবা আপনার মন্ডলীর জন্য, অথবা আপনার বন্ধু, অথবা হয়ত এমনকী ঈশ্বরের জন্যেও| মনে রাখবেন যে ঈশ্বর সব শুনছেন| ঈশ্বর একজন মনুষ্য মনিব বা বিচারকের তুলনায় উচ্চতর এবং অধিক মহান|

প্রার্থনায় আপনার কি ধরনের মনোভাব থাকা উচিৎ? মনে রাখবেন যে আমরা ‘‘ধূলি ও ভস্ম’’ (আদিপুস্তক 18:27) ছাড়া আর কিছুই নই| আমাদের নিজেদের মধ্যে কোন অধিকার নেই ঈশ্বরের কাছ থেকে কোন কিছু যাচ্ঞা করার| কিন্তু যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে আপনি ‘‘সাহসপূর্বক অনুগ্রহ সিংহাসনের নিকট উপস্থিত’’ (ইব্রীয় 4:16) হতে পারেন| খ্রীষ্টের মধ্যে দিয়ে এবং তাঁর মাধ্যমে আপনি সরাসরি পিতার কাছে আসতে পারেন| যদি আপনি যীশুর নামে প্রার্থনা করেন, তিনি আপনার কথা শুনবেন যেমন তিনি নিজের পুত্র যীশু খ্রীষ্টের কথা শোনেন| যদি আপনি খ্রীষ্টকে বিশ্বাস করেছেন, তাহলে তাঁর মাধ্যমে আপনি হলেন ঈশ্বরের পুত্র বা কন্যা| সেটা কোন একটা ক্ষুদ্র চিন্তা নয়| যীশুর কারণে আপনি ভালবাসার পাত্র বা গ্রহণযোগ্য হয়েছেন| ঈশ্বর আপনার কথা শুনবেন!

আপনি কিসের জন্য যাচ্ঞা করতে যাচ্ছেন সেই বিষয়ে চিন্তা করুন| আপনি কি চান সেই বিষয়টি স্পষ্ট করুন| যীশু আমাদের এই প্রার্থনা করতে বলেছিলেন, ‘‘আমাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য আজ আমাদের দাও’’ (মথি 6:11)| প্রার্থনার বিষয়ে তাঁর শিষ্যদের শিক্ষা দিতে গিয়ে যীশু সেই ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন, ‘‘বন্ধু, আমাকে তিনখানা রুটি ধার দাও’’ (লূক 11:5)|

যদি আপনি কোন একটা কিছুর জন্য যাচ্ঞা করতে চান, সেই জিনিসটির জন্য প্রার্থনা করুন| আব্রাহাম প্রার্থনা করেছিলেন, ‘‘ইশ্মায়েলই তোমার গোচরে বাঁচিয়া থাকুক!’’ (আদিপুস্তক 17:18)| স্পারজিয়ন বলেছিলেন, ‘‘হ্যা 'ইশ্মায়েল, ‘যদি আপনি মনে করেন ইশমাইল|’’’

যদি আপনি অন্য কোন একজনের মন পরিবর্তিত হোক বলে প্রার্থনা করছেন, তাহলে সেই লোকটির নাম ধরে তার জন্যে প্রার্থনা করুন| যখন আপনি প্রার্থনা পরিচালনা করছেন, তখন আপনার চিন্তার মধ্যে দিয়ে ঈশ্বরের সামনে সেই লোকটির নাম উপস্থাপিত করাটাই যথেষ্ট| কিন্তু এমনকী যদি না বলাও থেকে যায়, আপনি তখনও সঠিকভাবে যার জন্য যাচ্ঞা করছেন তার জন্য ঈশ্বরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন| আপনার অন্তঃকরণের আর্তনাদ এবং উচ্চারণ ঈশ্বর শুনতে পারেন| যদি আপনি অনুরোধের জন্য যাচ্ঞা করেন, তবে এর জন্য বিশেষভাবে যাচ্ঞা করুন| ‘‘আমাকে এই কার্য্য পাইতে সাহায্য করুন|’’ ‘‘আমার অসুস্থতা আরোগ্য করুন (অথবা অন্য কোন ব্যক্তির অসুস্থতা)|’’ ‘‘নাম এবং ফোন নম্বর জানতে আমাকে সাহায্য করুন| আমি আজ রাত্রে যে সমস্ত লোকদের সাথে মিলিত হব তাদের অন্তঃকরণ এবং মন উন্মুক্ত করুন যেন তারা তাদের নাম এবং ফোন নম্বর আমাকে দিয়ে দেন|’’

যদি আপনি প্রার্থনার বিষয়ের চিন্তা ছাড়াই প্রার্থনা করে যান, তবে আপনি ‘‘অনর্থক পুনরুক্তি’’র প্রার্থনা করে যাচ্ছেন| যীশু বলেছেন, ‘‘আর প্রার্থনা কালে তোমরা অনর্থক পুনরুক্তি করিও না, যেমন জাতিগণ করিয়া থাকে; কেননা তাহারা মনে করে বাক্য বাহুল্যে তাহাদের প্রার্থনার উত্তর পাইবে’’ (মথি 6:7)| যদি আপনি প্রার্থনার তালিকা ধরে নির্দ্দিষ্ট পরম্পরানুসারে চিন্তা ছাড়া প্রার্থনা চালিয়ে যান, প্রত্যেকবার যখন প্রার্থনা করেন - বাড়িতে অথবা মন্ডলীতে - আপনি অনর্থক পুনরুক্তির প্রার্থনা করেন| অধিকন্তু হতে পারে আপনি একজন ক্যাথলিকের মালা জপ করার মতন অথবা একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মন্ত্র উচ্চারণের মতন অস্ফুটস্বরে কিছু বলতে থাকবেন|

যদি আপনি মন্ডলীর প্রত্যেকটি সভায় শুধু দাঁড়ানো এবং কিছু একটা বলতে সক্ষম হওয়ার জন্য একই জিনিস বলেন, তবে উত্তরের প্রত্যাশা করবেন না| আপনি যা যাচ্ঞা করতে চলেছেন সেটার বিষয়ে চিন্তা করুন| আপনি যাচ্ঞা করছেন ঈশ্বর - এক ব্যক্তির - কাছে কোন নির্দ্দিষ্ট কিছুর জন্য| তাহলে ঈশ্বরের সঙ্গে কথা বলুন এবং আপনি যা চাইছেন তার জন্য তাঁর কাছে যাচ্ঞা করুন|

II. দ্বিতীয়ত, আন্তরিক প্রার্থনায় হেতুবাদ ব্যবহৃত হয় - কারণসমূহ |

ইয়োব বলেছিলেন, ‘‘আমি...হেতুবাদে আমার মুখ পূর্ণ করিব’’ (ইয়োব 23:4)| ‘‘আমি কারণে আমার মুখ পূর্ণ করিব আমি কিসের জন্য তাঁহার কাছে যাচ্ঞা করিয়াছি কেন তিনি আমাকে দিয়াছেন|’’ কি ধরনের হেতুবাদ - কারণ - ব্যবহৃত হওয়া উচিৎ?

প্রথমত, ঈশ্বরের গুণাবলীর কথা বলুন - তিনি কেমন তা| ঈশ্বর যেন সদোম ধ্বংস না করেন তার জন্য আব্রাহাম প্রার্থনা করেছিলেন| তিনি বলেছিলেন,

‘‘পরে আব্রাহাম নিকটে গিয়া কহিলেন, আপনি কি দুষ্টের সহিত ধার্ম্মিককেও সংহার করিবেন? সেই নগরের মধ্যে যদি পঞ্চাশজন ধার্ম্মিক পাওয়া যায়, তবে আপনি কি তথাকার পঞ্চাশজন ধার্ম্মিকের অনুরোধে সেই স্থানের প্রতি দয়া না করিয়া তাহা বিনষ্ট করিবেন? দুষ্টের সহিত ধার্ম্মিকের বিনাশ করা, এই প্রকার কর্ম্ম আপনা হইতে দূরে থাকুক| সমস্ত পৃথিবীর বিচারকর্ত্তা কি ন্যায় বিচার করিবেন না?’’ (আদিপুস্তক 18:23-25)|

আব্রাহাম ঈশ্বরের ন্যায় বিচারের সামনে আবেদন করেছিলেন| তিনি বলছিলেন, ‘‘যদি সেইস্থানে 50 জন ধার্ম্মিক ব্যক্তি থাকেন, তবে আপনি কি দুষ্ট লোকদের সহিত তাহাদেরও ধ্বংস করিবেন?’’ সেটা কি উচিৎ হবে? ‘‘সমস্ত পৃথিবীর বিচারকর্ত্তা কি ন্যায় বিচার করিবেন না?’’ বাস্তবিক, তিনি এই প্রার্থনাই ক্রমাগত করে চলেছিলেন যতক্ষণ না ঈশ্বর সেই নগরী ধ্বংস না করতে সম্মত হচ্ছেন এমনকী সেখানে যদি 10 জন ধার্ম্মিক ব্যক্তি থাকত তা হলেও| লক্ষ করুন যে আব্রাহাম ছিলেন নাছোড়বান্দা| ক্রোধের পরিবর্তে আব্রাহামের কারণ জিজ্ঞাসা করার সাহস ছিল| পাপের পরিবর্তে দয়া ভিক্ষা করার মতন বিশ্বাস আব্রাহামের ছিল| এই ধরনের হেতুবাদে নিযুক্ত হওয়ার জন্য আব্রাহামের ঈশ্বরের গুণাবলীর উপরে যথেষ্ট আস্থা ছিল| আব্রাহাম অশ্রদ্ধাকর ছিলেন না| ঈশ্বরের উপরে আব্রাহামের এত বেশি শ্রদ্ধা ছিল যে তিনি ঈশ্বরের চরিত্রের গুণাবলীর প্রতি আবেদন করতে পেরেছিলেন| ঈশ্বর ন্যায্য তা যদি আব্রাহাম বিশ্বাস না করতেন, তবে চুপ করে থেকে তিনি বিচক্ষণতার পরিচয় দিতেন| কিন্তু, আব্রাহাম জানতেন যে ঈশ্বর ন্যায্য| সেই কারণে আব্রাহাম ঈশ্বরের সঙ্গে তর্ক করেছিলেন এবং যুক্তি দেখিয়েছিলেন|

আজও ঈশ্বর সেই একইরকম রয়েছেন| বাইবেল বলছে, ‘‘আমি সদাপ্রভু, আমার পরিবর্তন নাই’’ (মালাখী 3:6)| বাইবেল বলে, ‘‘যীশু খ্রীষ্ট কল্য ও অদ্য, এবং অনন্তকাল যে, সেই আছেন’’ (ইব্রীয় 13:8)| আজও ঈশ্বর তেমনই আছেন যেমন তখন ছিলেন| আপনি তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে পারেন, তিনি আপনার কথা শুনবেন, ঠিক যেমন তখন ঈশ্বর শুনতেন যখন লোকেরা তাঁর কাছে প্রার্থনা করতেন| আইনের আদালতে, প্রায়ই এটর্নিরা কোন বিষয় নিয়ে রূল আপীল করেন| রূল আপীল হল পূর্ববর্তী কোন ঘটনা যা একটি অনুরূপ পরিস্থিতিতে বিবেচনা করার জন্য উদাহরণ হিসাবে গৃহীত হয়| যখন আপনি বাইবেল পড়েন অথবা বাইবেল প্রচার শোনেন, তখন যা পড়েছেন বা যা বলা হয়েছে তা মনে করে রাখুন| সেই বিষয়ে চিন্তা করুন যে ঈশ্বর অতীতে যা করেছেন তাকে কিভাবে প্রয়োগ করা যায় বর্তমানে ঈশ্বর যা করতে পারেন তার প্রতি| আপনার নিজের জীবনে ঈশ্বর কি করেছেন তার প্রতি মনোযোগ দিন| ঈশ্বর ভবিষ্যতে কি করতে পারেন তার জন্য দৃষ্টান্ত হিসাবে সেটা ব্যবহার করুন| আপনার চারিদিকের লোকজনের জীবনে ঈশ্বর যা করেছেন সেগুলি স্মরণে রাখুন| যীশু তাঁর শিষ্যদের জাগ্রত থাকতে এবং প্রার্থনা করতে বলেছিলেন| উত্তরপ্রাপ্ত প্রার্থনায় ঈশ্বরের ক্ষমতার সেতুর মাধ্যমে আপাতদৃষ্টিতে সম্পর্কহীন ঘটনাগুলি সংযুক্ত করুন| কিভাবে এটা ঈশ্বরের চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হচ্ছে সেই বিষয়ে ভাবুন| অতীতে ঈশ্বর কি করেছিলেন তা স্মরণে রাখুন| নিবেদন করুন ঈশ্বরকে| বাইবেলের মহান ব্যক্তিরা যেভাবে প্রার্থনা করতেন তেমনভাবে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করুন|

দ্বিতীয়ত, আপনি ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রতি আবেদন জানাতে পারেন| এলিয় বালের ভাববাদীগণের সঙ্গে বিরোধীতায় লিপ্ত হয়েছিলেন| ঈশ্বর এই সমস্ত ভ্রান্ত ভাববাদীগণের প্রার্থনার উত্তর দেননি| কিন্তু এলিয় তার নিজের বলিদান গ্রহন করার জন্য ঈশ্বরের প্রতি প্রার্থনা করেছিলেন| এলিয় বলেছিলেন,

‘‘হে সদাপ্রভু, আব্রাহামের, ইস্হাকের ও ইস্রায়েলের ঈশ্বর, অদ্য জানাইয়াছে ও যে ইস্রায়েলের মধ্যে তুমিই ঈশ্বর, এবং আমি তোমার দাস ও তোমার বাধ্যানুসারেই এই সকল কর্ম্ম করিলাম| হে সদাপ্রভু, আমাকে উত্তর দেও; যেন এই লোকেরা জানিতে পারে যে, হে সদাপ্রভু, তুমিই ঈশ্বর’’(I রাজাবলী 18:36-37)|

এলিয় প্রার্থনা করেছিলেন, ‘‘আমাদের দেখাও যে তুমিই প্রকৃত ঈশ্বর’’| এবং ঈশ্বর এলিয়কে উত্তর দিয়েছিলেন| ঈশ্বর স্বর্গ থেকে অগ্নি প্রেরণ করেছিলেন এবং এলিয়ের বলিদান ভস্মীভূত করেছিলেন|

বহু বছর পর, এলিয়কে স্বর্গে নিয়ে আনার পরে, তার শিষ্য ইলীশা প্রার্থনা করেছিলেন, ‘‘এলিয়ের ঈশ্বর সদাপ্রভু কোথায়?’’ (II রাজাবলী 2:14)| ‘‘সদাপ্রভু, তুমি কোথায়?’’ ঈশ্বর নিজেকে দেখিয়েছিলেন এবং ইলীশার জন্য যর্দন নদীর জলকে দুইভাগ করেছিলেন| ঈশ্বর দেখিয়েছিলেন যে তিনিই হলেন প্রকৃত ঈশ্বর|

তৃতীয়ত, ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞার সম্বন্ধে বলুন - কারণ তিনি তাঁর বাক্যের প্রতি বিশ্বস্ত হইবেন| II শমূয়েল’এর, 7ম অধ্যায়ে, ভাববাদী নাথনের মাধ্যমে ঈশ্বর দায়ূদের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে দায়ূদের একটি পুত্র জন্মাবে, যিনি ঈশ্বরের মন্দির নির্মাণ করবেন, এবং যিনি যিরূশালেমে নিজের সিংহাসনে বসবেন এবং তখন ইস্রায়েলের লোকেরা চিরকালের জন্য স্থায়ী হবে| দাউদ ঈশ্বরকে বলেছিলেন,

‘‘তুমি আপনার জন্য আপন প্রজা ইস্রায়েলকে স্থাপন করিয়া চিরকালের জন্য আপনার প্রজা করিয়াছ; আর হে সদাপ্রভু, তুমি তাহাদের ঈশ্বর হইয়াছ| এখন হে সদাপ্রভু ঈশ্বর, তুমি আপন দাসের ও তাহার কুলের বিষয়ে যে বাক্য বলিয়াছ, তাহা চিরকালের জন্য স্থির কর; যেমন বলিয়াছ, তদনুসারে কর| তোমার নাম চিরকাল মহিমান্বিত হউক; লোকে বলুক, বাহিনীগণের সদাপ্রভুই ইস্রায়েলের উপরে ঈশ্বর; আর তোমার দাস দায়ূদের কুল তোমার সাক্ষাতে সুস্থির হইবে| হে বাহিনীগণের সদাপ্রভু, ইস্রায়েলের ঈশ্বর, তুমিই আপন দাসের কাছে প্রকাশ করিয়াছ, বলিয়াছ, ‘আমি তোমার জন্য এক কুল নির্মাণ করিব,’ এই কারণ তোমার কাছে এই প্রার্থনা করিতে এই দাসের মনে সাহস জন্মিল| আর এখন, হে প্রভু সদাপ্রভু, তুমিই ঈশ্বর, তোমারই বাক্য সত্য, আর তুমি আপন দাসের কাছে এই মঙ্গল প্রতিজ্ঞা করিয়াছ| অতএব অনুগ্রহ করিয়া আপন দাসের কুলকে আশীর্ব্বাদ কর; তাহা যেন তোমার সন্মুখে চিরকাল থাকে; কেননা হে প্রভু সদাপ্রভু, তুমি আপনি ইহা বলিয়াছ; আর তোমার আশীর্ব্বাদে তোমার এই দাসের কুল চিরকাল আশীঃপ্রাপ্ত থাকুক’’ (II শমূয়েল 7:28-29)|

দায়ূদ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন তাঁর প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে এবং এই সমস্ত বিষয় স্বীকার করতে| বাইবেল বলে, ‘‘বরং ঈশ্বরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করা যাউক, মনুষ্যমাত্র মিথ্যাবাদী’’ (রোমীয় 3:4)| আধুনিক ইংরাজীতে আমরা বলতে পারি যে, ‘‘এমনকী যদি প্রত্যেক মানুষ মিথ্যাবাদী হয়, ঈশ্বর হলেন সত্য|’’ বাইবেল বলে, ‘‘তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুই ঈশ্বর; তিনি বিশ্বাসণীয় ঈশ্বর, যাহারা তাঁহাকে প্রেম করে ও তাঁহার আজ্ঞা পালন করে’’ (দ্বিতীয় বিবরণ 7:9)| ঈশ্বর তাঁর সমস্ত প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেন| প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে আপনি ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞার কথা তাঁকে জানাতে পারেন| আমি এই বিষয়টিকে এর পরবর্তী ধর্ম্মোপদেশেও প্রসারিত করব|

প্রার্থনায় বিন্যাস এবং যুক্তি থাকার জন্য প্রয়োজন যত্নসহ চিন্তাভাবনা এবং প্রস্তুতি| ঈশ্বরের থেকে আপনি প্রকৃতপক্ষে কি চাইছেন সেটা আলাদা করে নিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করুন| যত্নসহকারে চিন্তা করুন এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে যে এই অনুরোধ করার জন্য আপনি অবশ্যই ঈশ্বরের উপরে নির্ভরশীল| এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে যে এই প্রয়োজন মেটাতে আপনার ঈশ্বরকে প্রয়োজন, কেন এটা অবশ্যই ঘটবে তার প্রতি আপনার চিন্তাকে পরিচালিত করুন| কেন সেই অনুরোধটি গুরুত্বপূর্ণ? কেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনার অনুরোধটি এই মুহূর্তে গ্রাহ্য করা হবে? সেই চিন্তাকে অনুমোদন দিন যাতে তা আশু প্রয়োজনীয়তা এবং আপনার মধ্যে একটা বোঝা সৃষ্টি করে| একটি বিনিয়োগকৃত এবং সংযোগশীল হেতুবাদ নির্মানের পক্ষে আপনার অনুরোধ রক্ষার ইচ্ছা খুবই সংকটপূর্ণ| বিনিয়োগকৃত নয় এমন একটি হৃদয় থেকে একটি শক্তিশালী হেতুবাদের উৎপত্তি সম্ভাব্য নয়| বহুবিধ দৃষ্টিকোন থেকে অনুরোধের সমীপবর্তী হন| সেই প্রার্থনাগুলিকে এড়িয়ে চলুন যেগুলি কন্ঠস্বরের প্রাবল্যের উপরে অথবা অপ্রয়োজনীয় আবৃত্তির উপরে নির্ভরশীল| চিন্তাবিহীনভাবে আপনার প্রার্থনার পুনরুক্তি করবেন না| সেই সমস্ত প্রার্থনা পরিহার করুন যেগুলি খুবই সাধারন| প্রার্থনায় বৈশিষ্টসূচক থাকুন| বাইবেলে ঈশ্বর যা করেছেন তার উল্লেখের দ্বারা আপনার প্রার্থনা গঠন করুন| ঈশ্বর আপনার জীবনে কি করেছেন তার উল্লেখের দ্বারা আপনার সমস্ত প্রার্থনা গঠন করুন| বারে বারে একই বাক্যের পুনরাবৃত্তি করা সেই সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে না যে ঈশ্বর তাতে সাড়া দিবেন| যাই হোক, পরিবর্তে বিন্যস্ত এবং হেতুবাদিত প্রার্থনায় ঈশ্বরকে যুক্তি প্রদর্শন করুন| ঈশ্বরের সঙ্গে যুক্তি দিয়ে কথা বলুন| ঈশ্বরের গুণাবলীর সামনে আবেদন করুন| ঈশ্বরের অস্তিত্বের সমীপে আবেদন করুন| ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞার সমীপে আবেদন করুন| ঈশ্বর তাঁর প্রতিজ্ঞার সমাদর করবেন| ঈশ্বর আপনার প্রার্থনার আন্তরিক এবং বিন্যস্ত যুক্তিসমূহ শুনবেন|

‘‘আহা, যদি তাহার উদ্দেশ্য পাইতে পারি, যদি তাঁহার আসনের নিকট যাইতে পারি! তবে আমি তাঁহার সন্মুখে আপনি বিচার বিন্যাস করিব, আমি নানা হেতুবাদে আপন মুখ পূর্ণ করিব’’ (ইয়োব 23:3-4)|


যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তাহলে ডঃ হাইমার্স আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে চান| যখন আপনি ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখবেন তখন অবশ্যই তাকে জানাবেন যে কোন দেশ থেকে আপনি তাকে লিখছেন নয়ত তিনি আপনার ই-মেলের জবাব দিতে সক্ষম হবেন না| যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে ডঃ হাইমার্সকে একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে সেইকথা জানান, কিন্তু কোন দেশ থেকে আপনি লিখছেন চিঠিতে সেটা অবশ্যই অন্তর্ভূক্ত করবেন| ডঃ হাইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন) | আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন| যদি আপনি ডঃ হাইমার্সকে ডাক-ব্যবস্থার মাধ্যমে চিঠি পাঠাতে চান, তবে তার ঠিকানা হল P.O. Box 15308, Los Angeles, CA 90015 | আপনি তাকে (818)352-0452 নম্বরে ফোন করতে পারেন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়তে পারেন| ক্লিক করুন “প্রচার পান্ডুলিপি|”

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

খসড়া চিত্র

প্রার্থনায় বিন্যাস এবং হেতুবাদ - প্রথম অংশ

ORDER AND ARGUMENT IN PRAYER – PART I

লেখক : মিঃ জন শমূয়েল কেগান

‘‘আহা, যদি তাহার উদ্দেশ্য পাইতে পারি, যদি তাঁহার আসনের নিকট যাইতে পারি! তবে আমি তাঁহার সন্মুখে আপনি বিচার বিন্যাস করিব, আমি নানা হেতুবাদে আপন মুখ পূর্ণ করিব’’ (ইয়োব 23:3-4)|

I.   প্রথমত, আন্তরিক প্রার্থনা হল বিন্যস্ত - সংগঠিত, আদিপুস্তক 18:27;
ইব্রীয় 4:16; মথি 6:11; লূক 11:5; আদিপুস্তক 17:18; মথি 6:7 |

II.  দ্বিতীয়ত, আন্তরিক প্রার্থনায় হেতুবাদ ব্যবহৃত হয় - কারণসমূহ,
আদিপুস্তক 18:23-25; মালাখী 3:6; ইব্রীয় 13:8; I রাজাবলী 18:36-37; II রাজাবলী 2:14; II শমূয়েল 7:24-29; রোমীয় 3:4;
দ্বিতীয় বিবরণ 7:9 |