Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




ঈশ্বরের ইচ্ছা কেমনভাবে জানিবে

HOW TO KNOW THE WILL OF GOD
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর. এল. হেইমার্স, জুনিয়র
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

2016 সালের, 15ই মে, প্রভুর দিনের সকালবেলায় লস্ এঞ্জেল্সের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাক্ল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Morning, May 15, 2016

‘‘আর বাক্যের কার্য্যকারী হও, আপনাদিগকে ভুলাইয়া শ্রোতামাত্র হইও না’’
(যাকোব 1:22)|


এ. ডব্লিউ. পিঙ্ক (1886-1952) বলেছিলেন, ‘‘বাক্যের অনেক ‘শ্রোতা’ আছেন, নিয়মিত শ্রোতা, শ্রদ্ধাশীল শ্রোতা, আগ্রহী শ্রোতা; কিন্তু হায়, তাহারা যাহা শুনিতেছে তাহা [প্রভাবিত করে না] তাহাদের জীবনকে: ইহা তাহাদের [জীবনযাপনের] ধরনকে নিয়ন্ত্রিত করে না| আর ঈশ্বর বলিতেছেন যে যাহারা বাক্যের কার্য্যকারী নহে তাহারা নিজেরাই নিজেদের ভুলাইতেছে!...যেখানে ঈশ্বরের বাক্যের প্রতি কোন ক্রমবর্দ্ধমান হৃদয় এবং জীবন [সমর্পণ] নাই, সেখানে তখন জ্ঞানের বৃদ্ধি শুধুই বর্দ্ধিত দোষারোপ বহন করিয়া আনে...ঈশ্বর তাঁহার বাক্য আমাদের দিয়াছেন...আমাদিগকে পরিচালনা করিবার উদ্দেশ্যে: ইহা জানাইতে যে তিনি আমাদের দিয়া কি করাইতে চাহিতেছেন’’ (Arthur W. Pink, “The Scriptures and Obedience,” in Profiting From the Word, Free Grace Broadcaster, Summer 2015, pages 1, 2)|

‘‘ঈশ্বর তাঁহার বাক্য আমাদের দিয়াছেন...আমাদিগকে পরিচালনা করিবার উদ্দেশ্যে|’’ আমি সম্পূর্ণভাবে মিঃ পিঙ্কের সঙ্গে একমত| এই হচ্ছে সেই শিক্ষা যা আমাকে দেওয়া হয়েছিল, এমনকী আমার মন পরিবর্তন করানোর আগেই| হান্টিংটন পার্কের যে ব্যাপটিষ্ট মন্ডলিতে আমি কিশোর বয়সে যেতাম সেটা অনেক বিষয়ে ভ্রান্ত ছিল, কিন্তু এই বিষয়টিতে নয়| আমাকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল যে শাস্ত্র থেকে ঈশ্বর আমাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর ইচ্ছাকেই কেবল আমাদেরকে দেখান| আর আমি গভীর অনুভূতি অথবা গভীর আবেগের মাধ্যমে ঈশ্বরের ইচ্ছার অন্বেষণ না করার শিক্ষা নিয়েছিলাম| পরে আমি বিশেষভাবে এটা শিখেছিলাম আমার পালক, ডঃ তিমথি লিন, এর কাছ থেকে এবং ডঃ জে. ভারন্ন ম্যাকগীর কাছ থেকেও| ঈশ্বরের অনুগ্রহে, আমি গীতিকারের সঙ্গে বলতে পারি, ‘‘তোমার বাক্য আমার চরণের প্রদীপ, আমার পথের আলোক’’ (গীতসংহিতা 119:105)| হিতোপদেশ 6:22 পদে ঈশ্বরের বাক্যের বিষয়ে বলছে, ‘‘গমনকালে, সে তোমাকে পথ দেখাইবে; শয়নকালে, তোমার প্রহরী হইবে; জাগরণকালে, তোমার সহিত আলাপ করিবে|’’ সেই কারণে আমাদের পাঠ্যাংশ বলছে, ‘‘আপনার বাক্যের কার্যকারী হও, আপনাদিগকে ভুলাইয়া শ্রোতামাত্র হইও না’’ (যাকোব 1:22)| এই পদটি আমাদের বলে দিচ্ছে কিভাবে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানা যায়|

I. প্রথমত, এই পাঠ্যাংশ তাদের বিষয়ে বলে যারা ঈশ্বরের ইচ্ছার বিষয়ে নিজেদের ভুলায় |

আমি প্রথমে পাঠ্যাংশের দ্বিতীয় অংশের বিষয়ে মন্তব্য করছি, ‘‘আপনাদিগকে ভুলাইয়া|’’ যারা ‘‘বাক্যের কার্যকারী’’ হতে অস্বীকার করে তারা নিজেরা ভুল পথে চালিত হবে| তারা তাদের ইহজীবনে ঈশ্বরের ইচ্ছা জানতে সক্ষম হবে না| বর্তমানে মন্ডলীর লোকদের মধ্যে এটা খুব দেখা যায়| তারা প্রায়ই ভুল পথে চালিত হয়, এবং তাদের ইহজীবনে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানতে সক্ষম হয় না|

তারা ভুলে যান যে দিয়াবল হচ্ছে এক মহা প্রতারক| বাইবেল আমাদের বলছে যে শয়তান জগতের সমস্ত জাতিকে প্রতারিত করে (প্রকাশিত বাক্য 20:3)| তাকে বলা হয় ‘‘দিয়াবল, এবং শয়তান, যে সমস্ত নরলোকের ভ্রান্তি জন্মায়’’ (প্রকাশিত বাক্য 12:9)| ‘‘শয়তান’’ শব্দের অর্থ ‘‘বিপক্ষ’’ অথবা ‘‘শত্রু|’’ সে ঈশ্বরের বিরোধিতা করে| তার প্রাচীনতম চাতুরী হল লোকদের প্রতারিত করা| সে ‘‘সমস্ত জগতকে প্রতারিত করে|’’ ‘‘প্রতারণা’’র গ্রীক প্রতিশব্দ হল “planaō.” এর অর্থ হচ্ছে ‘‘বিপথে চালনা করা,’’ ‘‘প্রলুব্ধ করা,’’ ‘‘ভুল করান,’’ ‘‘আকর্ষণ করা এবং বিপথে চালনা করা|’’ এগুলিই হচ্ছে সেই সমস্ত বিষয় যা প্রথমেই শয়তান করে থাকে| সে আমাদের আদি পিতামাতাকে বিপথে চালিত করে, এবং বাগানের নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার প্রতি প্রলুব্ধ করে, তাদের প্রতারিত করেছিল| ভান করেন এমন বহু খ্রীষ্ট বিশ্বাসী বর্তমানে মনে করছেন তারা তাদের জীবনে ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জেনে গেছেন| কিন্তু তারা প্রকৃতপক্ষে শয়তানের দ্বারা বিপথে চালিত হয়েছেন| অনেকেই মনে করেন যে পবিত্র আত্মা তাদের পরিচালনা করছেন, কিন্তু প্রকৃতভাবে তা হল দিয়াবল| আপনি অবশ্যই কখনো সেটা ভুলে যাবেন না| প্রেরিত পিতর খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে তাদের সতর্ক করেছিলেন, ‘‘প্রবুদ্ধ হও [সতর্ক হও], জাগিয়া থাক [তৎপর থাক]; কারণ তোমাদের বিপক্ষ [তোমাদের শত্রু] দিয়াবল...কাহাকে গ্রাস করিবে, তাহার অন্বেষণ করিয়া বেড়াইতেছে’’ (I পিতর 5:8)| ডঃ ম্যাকগী বলেছিলেন, ‘‘আমি মনে করি না আপনারা নিজেরা স্বয়ং দিয়াবলের প্রতিরোধ করিতে পারেন...অন্যান্য বিশ্বাসকারীদের আপনাদের সহিত একত্রে দাঁড়াইবার প্রয়োজন আছে’’ (Thru the Bible; note on I Peter 5:9)| আমার মনে হয় তিনি প্রকৃতভাবেই সঠিক| যদি আপনি একা হয়ে পড়েন অথবা যদি আপনার অপরিত্রাণপ্রাপ্ত লোকের সঙ্গে, এমনকী তিনি যদি রক্ত-মাংসের সম্পর্কিত ভাই বা বোন হন তবুও, ঘনিষ্ঠ সহভাগিতা থাকে তাহলে দিয়াবল আপনাকে প্রলুব্ধ করবে এবং বিপথে চালিত করবে| বাইবেল বলছে,

‘‘জ্ঞানীদের সহচর হও, জ্ঞানী হইবে; কিন্তু যে হীনবুদ্ধিদের বন্ধু, সে ভগ্ন হইবে’’ (হিতোপদেশ 13:20)|

‘‘হীনবুদ্ধি’’ শব্দের সংজ্ঞা বর্ণনা করার পক্ষে স্কোফিল্ডের টিকা খুব ভাল বলেছে| এতে বলছে (পৃ. 678) ‘‘শাস্ত্রে বর্ণিত একজন ‘হীনবুদ্ধি’ ব্যক্তি কদাচ মানসিকভাবে অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি নহে, কিন্তু ইহা অপেক্ষা বরং একজন অহংকারী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যক্তি; সেই একজন যিনি তাহার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করেন যেন সেখানে কোন ঈশ্বর নাই|’’ এমনকী মন্ডলীতে বিরাজমান, কোন অহংকারী লোকও হীনবুদ্ধি| হীনবুদ্ধিদের সঙ্গে নয়, জ্ঞানী লোকদের সঙ্গে আপনার সহভাগিতার বিষয়ে নিশ্চিত হন! ঈশ্বরের ইচ্ছা থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার প্রতি আপনাকে পরিচালনা করতে হীনবুদ্ধির লোকেরা দিয়াবলদের দ্বারা ব্যবহৃত হবে|

এত সবের, পরেও, আপনি ভ্রান্ত খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন| এই শেষের দিনে এটা আরও বিশেষভাবে সত্যি| বাইবেল বলে,

‘‘দুষ্ট লোকেরা ও বঞ্চকেরা পরের ভ্রান্তি জন্মাইয়া, ও আপনারা ভ্রান্ত হইয়া, উত্তর উত্তর কুপথে অগ্রসর হইবে’’ (II তীমথিয় 3:13)|

ভ্রান্ত খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা নিশ্চিতভাবে আপনাকে প্রতারিত করবে এবং ভুল পথে পরিচালনা করবে| কিন্তু II তিমথীয় 3:13 পদের উত্তর 14 এবং 15 পদের মধ্যে নিহিত আছে| এই মন্দ দিনগুলিতে ঈশ্বরের বাক্যই আমাদের নিশ্চিত পথপ্রদর্শক| যারা বাইবেলের বাধ্য তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে থাকুন| যারা ‘‘প্রতারিত করছেন, এবং প্রতারিত হচ্ছেন’’ তাদের কথা শুনবেন না|

তাছাড়া, আপনি তথাকথিত পবিত্র আত্মার ‘‘পরিচালনা’’র দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন| বর্তমানের নবীন সুসমাচার সংক্রান্ত প্রচারকদের জন্য এ হল একটা গুরুতর ফাঁদ| তাদের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যে প্রত্যেকটি চিন্তা ভাবনা যা তাদের মনের মধ্যে আসে সেগুলি সবই হচ্ছে পবিত্র আত্মার ‘‘পরিচালনা|’’ তাদের মধ্যে অনেকেই এই বিষয়ে অনেক কথা বলে থাকেন| তারা বলেন, ‘‘ঈশ্বর আমাকে ইহা করিতে পরিচালনা করিয়াছেন,’’ বা ‘‘ঈশ্বর আমাকে উহা করিতে পরিচালনা করিয়াছেন|’’ আপনি সব সময়ে সেগুলি শুনতে পান| এসব কথা শুনতে খুবই আধ্যাত্মিক| আপনি হয়ত ভেবে নেন যে সেই লোকটি এক অটল খ্রীষ্ট বিশ্বাসী| কিন্তু বাইবেল এদের ‘‘হীনবুদ্ধি’’ বলে অভিহিত করছে| বাইবেল বলছে,

‘‘যে নিজ হৃদয়কে বিশ্বাস করে, সে হীনবুদ্ধি’’ (হিতোপদেশ 28:26)|

এমনকী রাস্তা ঘাটেও, আপনি তাদের বলতে শুনবেন, ‘‘ঈশ্বর আমাকে ইহা করিতে পরিচালনা করিয়াছেন|’’ ‘‘ঈশ্বর আমাকে এইস্থানে আনিয়াছেন|’’ প্রায় প্রত্যেকবার যখন আপনি ঐ কথাগুলি শোনেন, আপনি সেগুলি শোনেন এক ‘‘হীনবুদ্ধি’’ লোকের মুখ থেকে|

‘‘যে নিজ হৃদয়কে বিশ্বাস করে, সে হীনবুদ্ধি’’ (হিতোপদেশ 28:26)|

বাইবেল স্পষ্ট করে বলছে, ‘‘[তোমার] নিজ বিবেচনায় নির্ভর করিও না|’’ (হিতোপদেশ 3:5)| যখন মানুষ এটা করতে অস্বীকার করে তখন তারা নিজেদের প্রবঞ্চনার প্রতি উন্মুক্ত করেন, যা আমাদের পাঠ্যাংশের প্রতি ফিরিয়ে নিয়ে যায়,

‘‘আর বাক্যের কার্য্যকারী হও, আপনাদিগকে ভুলাইয়া শ্রোতামাত্র হইও না’’ (যাকোব 1:22)|

II. দ্বিতীয়ত, পাঠ্যাংশ তাদের বিষয়ে বলে যারা প্রকৃতভাবে ঈশ্বরের ইচ্ছার সন্ধান পেয়েছেন |

‘‘আর বাক্যের কার্য্যকারী হও, শ্রোতামাত্র হইও না...’’ (যাকোব 1:22)|

ঈশ্বরের বাক্য শোনা এবং তা থেকে পথনির্দেশ পাওয়ার জন্য, আপনি যা শুনেছেন তার প্রতি বাধ্য হতে অবশ্যই আপনাকে ইচ্ছুক হতে হয়| এর পূর্ববর্তী পদ, যাকোব 1:21 পদে এই শ্রবণের পরিবেশ বলে দেওয়া হয়েছে|

‘‘অতএব তোমরা সকল অশুচিতা এবং দুষ্টতার উচ্ছ্বাস ফেলিয়া দিয়া, মৃদুভাবে সেই রোপিত বাক্য গ্রহণ কর, যাহা তোমাদের প্রাণের পরিত্রাণ সাধন করিতে পারে’’ (যাকোব 1:21)|

স্পষ্টতার জন্য আমি একটা আধুনিক অনুবাদ থেকে এর উল্লেখ করব|

‘‘অতএব, তোমরা সকল নৈতিক অশ্লীলতা এবং মন্দ যাহা অতি সাফল্য আনে তাহা ঝাড়িয়া ফেলিয়া দেও, এবং নম্রতার সহিত সেই রোপিত বাক্য গ্রহণ কর, যাহা আপনাকে পরিত্রাণ করিতে পারে’’ (NIV)|

একজন মানুষকে অবশ্যই সেই সমস্ত নৈতিক অশ্লীলতা ও মন্দতা থেকে মুক্তি পেতে হবে, যা সাফল্য নিয়ে আসে| এটা যৌন সাহিত্য এবং তিক্ততাকে অন্তর্ভূক্ত করছে| কোন কোন লোক ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানার আশা করেন সেই সময়ে যখন তারা অশুচি চিন্তার ক্রীতদাস হয়ে আছেন| কেউ কেউ ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানার আশা করছেন সেই সময়ে যখন তার পিতামাতা, তার পালক, বা মন্ডলীর অন্য নেতাদের সঙ্গে তার তিক্ততার সম্পর্ক চলছে| তাদের হৃদয় তিক্ত হয়ে আছে| যারা ঈশ্বর বিরোধী, যারা জাগতিক তাদের সঙ্গে অন্যান্যদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রয়েছে| তারা সেই ব্যক্তিকে এতটাই পছন্দ করে যে তারা ভুলে যায় যে ‘‘জগতের মিত্রতা ঈশ্বরের সহিত শত্রুতা’’ (যাকোব 8:8)| অন্যেরা ঈর্ষা এবং গর্বে পরিপূর্ণ| আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলি ঈশ্বরে সামনে স্বীকার করতে হবে এবং আপনার হৃদয় থেকে এই সমস্ত অপসারনের জন্যে তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে হবে| আপনার জীবনের নির্দেশ হিসাবে ঈশ্বরের বাক্যকে গ্রহণ করলে শুধুমাত্র তবেই আপনি যথেষ্ট পরিমানে নম্র হবেন| একমাত্র তখনই আপনি হবেন ‘‘বাক্যের কার্যকারী, এবং শুধু শ্রোতামাত্র নয়|’’ এই পদের উপরে মন্তব্য করতে গিয়ে, মহান স্পারজিওন বলেছিলেন, ‘‘ইহা প্রায় অপরিবর্তনশীল ঘটনা [যে যাহারা একদা নিজেদের খ্রীষ্ট বিশ্বাসী বলিয়াছিলেন তাহাদের সন্দেহপ্রবণতা যখন বৃদ্ধি পায়], এবং ইহা বা উহা সংগ্রহ করিতে শুরু করেন, তখন তাদের জীবনে এক গুপ্ত অশুভ শক্তি কাজ করে যাহাকে তাহারা নিজস্ব সচেতনতা হইতে আবরিত করিতে সচেষ্ট হয়| সেবাকার্যের প্রতি কটু বাক্য বলিতে দিয়াবল তাহাদের প্রলুব্ধ করে কারণ সুসমাচার তাহাদের অপরাধযুক্ত নৈতিক চেতনার বিরুদ্ধে যাইবার প্রতি কঠিন চাপ দিয়া থাকে, এবং তাহাদের পাপের বিষয়ে অস্বচ্ছন্দ অনুভব করায়| আনন্দের সহিত এবং আপনার নিজস্ব লাভের নিমিত্ত যদি আপনাকে ঈশ্বরের বাক্য শ্রবণ করিতে হয়, তাহা হইলে আপনি অবশ্যই ‘সমস্ত আবিলতা এবং দুষ্টতার অমিতাচার ত্যাগ করিবেন’; কারণ এই সকল বিষয়গুলি ঈশ্বরের বাক্যের বিরুদ্ধে আপনাকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন করিবে’’ (C. H. Spurgeon, “Before Sermon, At Sermon, and After Sermon,” MTP, No. 1,847)| যদি ঈশ্বরের বাক্য থেকে আপনি কোন লাভ গ্রহণ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই সমস্ত নোংরামীকে পাশে সরিয়ে দিতে হবে| একমাত্র তখনই আপনি হতে পারবেন ‘‘বাক্যের কার্য্যকারী|’’ আপনার জীবনে আপনি ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানতে পারবেন শুধুমাত্র যখন আপনি ঈশ্বরের বাক্যের বাধ্য হবেন| আমি এখন ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানার জন্যে বাইবেলে লিখিত পথগুলির মধ্যে ছয়টির সন্ধান আপনাকে দিচ্ছি|

1. আবার, এবং এটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানার জন্যে আপনার নিজের হৃদয়কে আপনি অবশ্যই বিশ্বাস করবেন না।` যেমন আমি আপনাদের আগেও বলেছি, বাইবেল খুব স্পষ্ট করে বলছে,

‘‘যে নিজ হৃদয়কে বিশ্বাস করে, সে হীনবুদ্ধি’’ (হিতোপদেশ 28:26)|

সেটা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ,

‘‘অন্তঃকরণ সর্ব্বাপেক্ষা বঞ্চক, তাহার রোগ অপ্রতিকার্য্য, কে তাহা জানিতে পারে?’’ (যিরমিয় 17:9)|

আশ্চর্য্যের কোন কিছুই নেই যে যিনি নিজের অন্তঃকরণকে বিশ্বাস করেন তিনি একজন ‘‘হীনবুদ্ধি’’ ব্যক্তি|

2. ঈশ্বরের ইচ্ছা জানার জন্যে আপনাকে অবশ্যই আপনার ইচ্ছা নয়, ঈশ্বরের ইচ্ছা পালন করতে হবে|

‘‘যদি কেহ তাঁহার ইচ্ছা পালন করিতে ইচ্ছা করে, সে এই উপদেশের বিষয় জানিতে পারিবে, ইহা ঈশ্বর হইতে হইয়াছে, না আমি আপনা হইতে বলি’’ (যোহন 7:17)|

ডঃ জন্ আর. রাইস বলেছিলেন, ‘‘ইহার অর্থ এই যে যদি কোন ব্যক্তি ঈশ্বরের ইচ্ছাকে কার্য্যকর করিতে পছন্দ করেন, ঈশ্বর তাহার নিকটে তাহা প্রকাশ করিবেন’’ (The Son of God, commentary on the Gospel of John, Sword of the Lord Publishers, 1976, p. 162)| ডঃ হেনরী এম. মরিস বলেছেন, ‘‘ইহা এইরূপে পাঠ করা যাইতে পারে: ‘যদি কোন ব্যক্তি আন্তরিকভাবে তাঁহার ইচ্ছাকে কার্য্যকর করিতে চাহেন, তাহা হইলে, তিনি জানিবেন...কোন বিষয়ে ঈশ্বরের নেতৃত্ব নির্ধারিত করিবার প্রাথমিক পূর্বশর্তকে...যাহা হইল ঈশ্বরের ইচ্ছা অনুসরণ করিবার প্রতি একটি বিশুদ্ধ সম্মতি, এমনকী সেই উত্তর যদি কাহারও পছন্দের বিরুদ্ধে যায় তাহা হইলেও’’’ (The Defender’s Study Bible; note on John 7:17)|

3. ঈশ্বরের ইচ্ছা জানবার জন্যে আপনাকে অবশ্যই আপনার পাপসমূহ স্বীকার এবং পরিত্যাগ করতে হয়|

‘‘যে আপন অধর্ম্ম সকল ঢাকে, সে কৃতকার্য্য হইবে না; কিন্তু যে তাহা স্বীকার করিয়া ত্যাগ করে, সে করুণা পাইবে| ধন্য সেই ব্যক্তি, যে সর্ব্বদা ভয় রাখে; কিন্তু যে হৃদয় কঠিন করে, সে বিপদে পড়িবে’’ (হিতোপদেশ 28:13, 14)|

4. ঈশ্বরের ইচ্ছাকে জানার জন্যে আপনি অবশ্যই আপনার খ্রীষ্টীয় পিতার নির্দেশ অগ্রাহ্য করবেন না|

‘‘অজ্ঞান আপন পিতার শাসন অগ্রাহ্য করে; কিন্তু যে অনুযোগ মানে, সেই সতর্ক হয়’’ (হিতোপদেশ 15:5)|

‘‘জ্ঞানবান পুত্ত্র পিতার শাসন মানে, কিন্তু নিন্দক ভর্ত্সনা শুনে না’’ (হিতোপদেশ 13:1)|

5. ঈশ্বরের ইচ্ছা জানার জন্যে আপনি অবশ্যই আপনার মন্ডলীর আত্মিক নেতাদের পরামর্শ মেনে চলুন|

‘‘তোমরা তোমাদের নেতাদিগকে [তোমাদের পরিচালনাকারীদের, স্কোফিল্ড] আজ্ঞাগ্রাহী এবং বশীভূত হও, কারণ নিকাশ দিতে হবে বলিয়া তাহারা তোমাদের প্রাণের নিমিত্ত প্রহরিকার্য্য করিতেছেন, - যেন তাঁহারা আনন্দপূর্ব্বক সেই কার্য্য করেন, আর্ত্তস্বরপূর্ব্বক না করেন...’’ (ইব্রীয় 13:17)|

ইব্রীয় 13:17 সম্বন্ধে রিফর্মেশন স্টাডি বাইবেল বলছে, ‘‘বিশ্বস্ত মন্ডলীর নেতৃবর্গ হইতেছেন বিশ্বস্ত মেষপালক অথবা প্রহরীর ন্যায় যিনি নগরের প্রতি বিপদসূচক ঘন্টা বাজান| নেতৃবর্গের যত্ন খুব আন্তরিক এবং বিশুদ্ধ, কারণ তাহারা ঈশ্বরের দ্বারা নিযুক্ত এবং তাহারা তাহাদের হিসাব তাঁহাকেই দিবেন| তাহাদের সেবাকার্য্য বাধাপ্রাপ্ত হইলে প্রত্যেকেই দুঃখভোগ করিবে|’’

6. ঈশ্বরের ইচ্ছা জানার জন্য আপনার উচিৎ ঈশ্বরের প্রতি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করা, এবং জাগতিক আমোদ প্রমোদের মধ্যে না থাকা|

‘‘অতএব, হে ভ্রাতৃগণ, ঈশ্বরের নানা করুণার অনুরোধে আমি তোমাদিগকে বিনতি করিতেছি, তোমরা আপন আপন দেহকে জীবিত, পবিত্র, ঈশ্বরের প্রীতিজনক বলিরূপে উৎসর্গ কর, ইহাই তোমাদের চিত্ত-সঙ্গত আরাধনা| আর এই যুগের অনুরূপ হইও না, কিন্তু মনের নূতনীকরণ দ্বারা স্বরূপান্তরিত হও; যেন তোমরা পরীক্ষা করিয়া জানিতে পার, ঈশ্বরের ইচ্ছা কি, যাহা উত্তম ও প্রীতিজনক ও সিদ্ধ’’ (রোমীয় 12:1, 2)|

‘‘পুনরাবৃত্ত মন হইতেছে যাহা ঈশ্বরের বাক্যের দ্বারা সংপৃক্ত এবং নিয়ন্ত্রিত’’ (MacArthur Study Bible; note on Romans 12:2)|


অনুগ্রহ করে উঠে দাঁড়ান এবং আপনার গানের পাতার 4 নং গানটি করুন|

যখন প্রভুর সাথে চলি তাঁর বাক্যতে,
   হয় মোদের জীবনপথ কত গৌরবময়!
তাঁর ইচ্ছা পালনে, সদা থাকেন সাথে,
   যারা সদা রয় তাঁর বাধ্যতায়|
রও বাধ্যতায়, রাখ বিশ্বাস তাঁহায়
   যীশুতে সুখী হওয়ার, একমাত্র এই উপায়|

তাঁর প্রেমের আনন্দ প্রমাণ তবেই পাই
   যবে সঁপি সব তাঁর বেদীতে;
তাঁর অপূর্ণ দয়া, তাঁর অপার করুণা,
   কেবল আসে বিশ্বাস বাধ্যতায়|
রও বাধ্যতায়, রাখ বিশ্বাস তাঁহায়
   যীশুতে সুখী হওয়ার, একমাত্র এই উপায়|

সুমধুর সাহচর্য্য, আমরা তাঁর পদতলে বসিব,
   অথবা তাঁর পাশে আমরা তাঁর পথে চলিব;
তাঁর কথা মানিব, তাঁর আজ্ঞায় চলিব;
   কখন ভয় নয়, শুধু বিশ্বাস ও বাধ্যতায়|
রও বাধ্যতায়, রাখ বিশ্বাস তাঁহায়
   যীশুতে সুখী হওয়ার, একমাত্র এই উপায়|
(“Trust and Obey” by John H. Sammis, 1846-1919) |

অনুগ্রহ করে দাঁড়িয়ে থাকুন|

রোমীয় 10:16 পদে, প্রেরিত পৌল বলেছেন, ‘‘সকলে সুসমাচারের আজ্ঞাবহ হয় না|’’ ডঃ মার্টিন লয়েড জোন্স বলেছিলেন, ‘‘লক্ষ করুন যে পৌল কিভাবে এটি উপস্থাপিত করিতেছেন| তিনি ইহা বলেন নাই যে তাহারা সকলেই সুসমাচারে বিশ্বাস করেন নাই, কিন্তু তাহারা সকলে ইহার বাধ্য ছিল না...সুসমাচার একটি উত্তর পাইবার জন্য আহ্বান করে| ইহা একটি কার্য্যের জন্য আহ্বান করে...ইহা বাধ্যতার জন্য আহ্বান করে| সুসমাচার বলিতে বোঝায় একজনের জীবনের সমগ্র অংশের উপর প্রভাব বিস্তার করা| ইহার অর্থ, জীবনের কেন্দ্রীয় বিষয়ের নিয়ন্ত্রণ করা, যাহা একজনের দৃষ্টিভঙ্গীর সমগ্র অংশ নিয়ন্ত্রণ করে| বাধ্যতা শব্দের দ্বারা তাহাই বোঝানো হইতেছে...বাধ্যতা হইল অপরিহার্য কারণ পাপের মূল সত্তা হইতেছে ঈশ্বরের প্রতি অবাধ্যতা’’ (‘‘ঈশ্বরের সুসমাচার এবং বাধ্যতা’’)|

খ্রীষ্ট আপনাকে আপনার পাপের জন্য অনুতাপ করার এবং তাঁর কাছে আসার জন্যে আহ্বান জানাচ্ছেন| আপনার পাপের দেনা শোধ করার জন্য তিনি ক্রুশের উপরে মৃত্যুবরণ করেছেন| তিনি সুসমাচারের বাধ্য হওয়ার প্রতি আপনাকে আহ্বান করছেন - তাঁর আজ্ঞার প্রতি বাধ্য হয়ে তাঁর কাছে আসার জন্য তিনি আপনাকে আহ্বান করছেন| যদি আপনি তাঁর কাছে আসতে অস্বীকার করেন তাহলে আপনি তাঁর আজ্ঞার অবাধ্যতা করছেন| আপনাকে অবশ্যই চূড়ান্তভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে নিজেকে খ্রীষ্টের উপরে নিক্ষেপ করতে হবে| ‘‘উহাই হইতেছে সুসমাচারের প্রতি বাধ্যতা| উহাই আপনাকে একজন খ্রীষ্ট বিশ্বাসীতে পরিণত করাইবে’’ (লয়েড জোন্স, আইবিড.)| যদি আপনি প্রকৃত মুক্তির জন্য সুসমাচারের বাধ্য হওয়ার বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চান, তাহলে অনুগ্রহ করে ডঃ কেগান এবং নোহ সং এবং জন্ কেগানকে অনুসরণ করে অডিটোরিয়ামের পিছনে যান| চোখ বন্ধ করে, এখনই অনুগ্রহ করে তাদের অনুসরণ করে পিছনে যান| তারা আপনাকে অনুসন্ধান কক্ষে নিয়ে যাবেন যেখানে আমরা কথা বলতে এবং প্রার্থনা করতে পারব| আমেন|


যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তাহলে ডঃ হাইমার্স আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে চান| যখন আপনি ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখবেন তখন অবশ্যই তাকে জানাবেন যে কোন দেশ থেকে আপনি তাকে লিখছেন নয়ত তিনি আপনার ই-মেলের জবাব দিতে সক্ষম হবেন না| যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে ডঃ হাইমার্সকে একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে সেইকথা জানান, কিন্তু কোন দেশ থেকে আপনি লিখছেন চিঠিতে সেটা অবশ্যই অন্তর্ভূক্ত করবেন| ডঃ হাইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন) | আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন| যদি আপনি ডঃ হাইমার্সকে ডাক-ব্যবস্থার মাধ্যমে চিঠি পাঠাতে চান, তবে তার ঠিকানা হল P.O. Box 15308, Los Angeles, CA 90015 | আপনি তাকে (818)352-0452 নম্বরে ফোন করতে পারেন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়তে পারেন| ক্লিক করুন “প্রচার পান্ডুলিপি|”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রুধোম্মে: যাকোব 1:21-25 |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“Trust and Obey” (by John H. Sammis, 1846-1919) |


খসড়া চিত্র

ঈশ্বরের ইচ্ছা কেমনভাবে জানিবে

HOW TO KNOW THE WILL OF GOD

লেখক : ডঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনিয়র|

‘‘আর বাক্যের কার্য্যকারী হও, আপনাদিগকে ভুলাইয়া শ্রোতামাত্র হইও না’’ (যাকোব 1:22)|

(গীতসংহিতা 119:105; হিতোপদেশ 6:22)

I. প্রথমত, এই পাঠ্যাংশ তাদের বিষয়ে বলে যারা ঈশ্বরের ইচ্ছার বিষয়ে নিজেদের ভুলায়, প্রকাশিত বাক্য 20:3; 12:9; I পিতর 5:8; হিতোপদেশ 13:20; II তীমথিয় 3:13; হিতোপদেশ 28:26; 3:5 |

II. দ্বিতীয়ত, পাঠ্যাংশ তাদের বিষয়ে বলে যারা প্রকৃতভাবে ঈশ্বরের ইচ্ছার সন্ধান পেয়েছেন, যাকোব 1:21; 4:4; হিতোপদেশ 28:26; যিরমিয় 17:9;
যোহন 7:17; হিতোপদেশ 28:13, 14; 15:5; 13:1; ইব্রীয় 13:17;
রোমীয় 12:1, 2; রোমীয় 10:16 |