Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




শেষের চিহ্নসকল - আধুনিকীকৃত এবং সম্প্রসারিত

SIGNS OF THE END – UPDATED AND EXPANDED
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনিয়র|
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৬ সালের, ৩রা জানুয়ারী, প্রভুর দিনের সকালবেলায় লস্ এঞ্জেল্সের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাক্ল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord's Day Morning, January 3, 2016

‘‘পরে যীশু ধর্ম্মাধাম হইতে বাহির হইয়া, গমন করিতেছেন: এমন সময়ে তাঁহার শিষ্যেরা তাঁহাকে ধর্ম্মাধামের গাঁথুনি সকল দেখাইবার জন্য নিকটে আসিলেন| কিন্তু তিনি উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, তোমরা কি এই সকল দেখিতেছ না? আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, এই স্থানের একখানি পাথর অন্য পাথরের উপর থাকিবে না, সমস্তই ভূমিসাৎ হইবে| পরে তিনি জৈতুন পর্ব্বতের উপরে বসিলে, শিষ্যেরা বিরলে তাঁহার নিকটে আসিয়া, বলিলেন, আমাদিগকে বলুন দেখি, এই সকল ঘটনা কখন হইবে? আর আপনার আগমনের, এবং যুগান্তের চিহ্ন কি?’’ (মথি 24:1-3)|


অনুগ্রহ আপনার বাইবেলের এই জায়্গাটি খুলে রাখুন| এই অধ্যায়টিকে বলা হয় ‘‘শান্তির কথোপকথন|’’ জৈতুন পর্ব্বতে বসে খ্রীষ্ট এই ধর্ম্মোপদেশটি দিয়েছিলেন| খ্রীষ্ট তাঁর শিষ্যদের বলেছিলেন যে যিরুশালেমের মন্দির ধ্বংস হয়ে যাবে| শিষ্যেরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘‘কখন এই সকল ঘটনা ঘটিবে?’’ এই প্রশ্নের উত্তর মথি ২৪ নং অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ করা নেই| কিন্তু খ্রীষ্ট এর উত্তর দিয়েছিলেন, এবং তাঁর উত্তর লূকের লেখা সুসমাচারের মধ্যে লিপিবদ্ধ করা আছে,

‘‘লোকেরা খড়্গধারে পতিত হইবে, এবং বন্দি হইয়া সকল জাতির মধ্যে নীত হইবে: আর জাতিগণের সময় সম্পূর্ণ না হওয়া পর্য্যন্ত, যিরূশালেম জাতিগণের পদ-দলিত হইবে’’ (লূক 21:24)|

‘‘লোকেরা খড়্গধারে পতিত হইবে|’’ এটাই ছিল ৭০ খ্রীষ্টাব্দে রোমীয় সেনাপতি টাইটাসের দ্বারা যিরূশালেম নগরীর অবরুদ্ধ হওয়ার বিষয়ে ভাববাণী - আর সেটা ঘটেছিল খ্রীষ্ট এই ভবিষ্যবাণী করার ৪০ বছর পরে| তারপরে ‘‘[তাহারা] বন্দি হইয়া সকল জাতির মধ্যে নীত হইবে|’’ ডঃ হেনরী এম. মরিস বলেছিলেন, ‘‘১৩৫ খ্রীষ্টাব্দে এই উল্লেখযোগ্য ভবিষ্যবাণী চূড়ান্তভাবে পরিপূর্ণ হইবার প্রায় এক শতাব্দী পূর্বে ইহা বলা হইয়াছিল’’ - যখন যিরূশালেম নগরী হাড্রিয়ান সৈন্যদের দ্বারা ১৩৫ খ্রীষ্টাব্দে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছিল, এবং যিহুদী লোকেরা পৃথিবীর সমস্ত জাতিগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল (see Henry M. Morris, Ph.D., The Defender’s Study Bible, World Publishers, 1995, p. 1122; note on Luke 21:20, 24)|

শিষ্যদের প্রথম প্রশ্ন ‘‘এই সকল ঘটনা কখন হইবে?,’’ তার উত্তর খ্রীষ্ট এইভাবে দিয়েছিলেন| ৭০ খ্রীষ্টাব্দে মন্দির ধ্বংস হবে| ১৩৫ খ্রীষ্টাব্দে যিহুদী লোকেরা জগতের সমস্ত জাতির মধ্যে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে|

কিন্তু তারপরে শিষ্যেরা তাদের দ্বিতীয় প্রশ্ন করেছিলেন, ‘‘আপনার আগমনের, এবং যুগান্তের চিহ্ন কি?’’ গ্রীক শব্দ ‘‘aion’’ (আইঅন্) এর অনুবাদ করা হয়েছে ‘‘জগত|’’ এর অর্থ ‘‘যুগ’’ - এই ‘‘যুগ’’, এই খ্রীষ্টীয় যুগ, যার মধ্যে আমরা এখন বর্তমান ব্যবস্থায় বসবাস করছি| আমি নিশ্চিত যে আমরা এখন সেই সময়ের শেষভাগের কাছাকাছি সময়ে বসবাস করছি| আমরা এখন শেষের দিনগুলিতে বসবাস করছি - জগতের সমাপ্তির খুব কাছাকাছি সময়ে যেটা আমরা জানি|

শেষের চিহ্নগুলির বিষয়ে এখানে তিনটি প্রধান ভ্রান্তি রয়েছে| প্রথম ভুল হল তারিখ নির্দ্দিষ্ট করে দেওয়া| যখনই আপনি কোন একজনকে একটি তারিখ নির্দ্দিষ্ট করতে শুনবেন, তখনই আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে তারা ভুল করছে| খ্রীষ্ট বলেছিলেন,

‘‘কিন্তু সেই দিনের বা সেই দন্ডের তত্ত্ব কেহই জানে না, স্বর্গস্থ দূতগণও, জানেন না, পুত্রও জানেন না, কেবল পিতা জানেন| সাবধান, তোমরা জাগিয়া থাকিও ও প্রার্থনা করিও: কেননা সে সময় কবে হইবে তাহা জান না’’ (মার্ক 13:32, 33)|

দ্বিতীয় ভ্রমটি হল সমস্ত চিহ্নগুলিকে অতীতের পশ্চাদ্পটে জোর করে দেখানো হয়েছে| একে বলা হয় ‘‘অতীততত্ত্ব|’’ অনেক আধুনিক কালভিনিষ্টরা এইরকম করে থাকেন| কিন্তু তারা ভুল করেন| আপনাকে শুধু যা করতে হবে তা হলো মথি ২৪:১৪ পদের দিকে নজর দিতে হবে| যে মুহূর্তে আপনি এই পদটি পড়বেন আপনি জানবেন যে তারা ভুল করছে| যদি সমস্ত চিহ্নগুলি বহুকাল আগে দেখা গিয়েছে, খ্রীষ্টীয় ইতিহাসের শুরুতেই, তাহলে ১৪ নং পদটি হয়তো সত্যি হবে না!

‘‘আর সর্ব্বজাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে’’ (মথি 24:14)|

শিষ্যেরা রোম সাম্রাজ্যের সর্ব্বত্র সুসমাচার ছড়িয়ে দিয়েছিল| কিন্তু তারা ‘‘সর্ব্বজাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে’’ প্রচার করেননি - নিঃসন্দেহে তারা উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা, জাপান, অষ্ট্রেলীয়া, সামুদ্রিক দ্বীপপুঞ্জসমূহ, এবং অন্য আরও কোন কোন জায়গায় সুসমাচার প্রচার করেননি| অতএব নিশ্চিতভাবে তারা ‘‘সর্ব্বজাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে’’ প্রচার করেননি| সেটা শুধুমাত্র আমাদের সময়েই পরিপূর্ণ হয়েছিল| ‘‘আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে|’’ ইতিহাসে প্রথমবারের মতন - এখন সুসমাচার জগতের সর্ব্বত্র প্রচারিত হচ্ছে| উদাহরনত, পৃথিবীর সবথেকে দূরতম প্রান্তের লোকেরাও এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমার প্রচার ৩৩টি ভাষায় পাঠ করতে পারে| রেডিও, স্যাটেলাইট টিভি, শর্ট ওয়েভ, হাজার হাজার মিশনারীদের, মাধ্যমে শুধুমাত্র এই ভাববাণী এখন পরিপূর্ণ হচ্ছে| ‘‘আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে|’’ তাহলে, অতীততত্ত্ববিদেরা ভুল করেছিলেন!

তৃতীয় ভুলটি হচ্ছে, সমস্ত চিহ্নগুলিকে ভবিষ্যতের সাত বছরের মহাতাড়নার মধ্যে ঠেলে দেওয়া| অনেক আধুনিক যুগবেত্তাগণ এইরকম করেন| কিন্তু তারা সমস্ত চিহ্নগুলিকে সাত বছর কালের দিকে এগিয়ে দিয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলিকে অবহেলা করেছেন| খ্রীষ্ট নোহের দিনগুলিকে একটি চিহ্ন হিসাবে দিয়েছিলেন| তিনি বলেছিলেন, ‘‘বাস্তবিক নোহের [নোহ] সময়ে যেরূপ হইয়াছিল, মনুষ্যপুত্রের আগমনও তদ্রূপ হইবে’’ (মথি 24:37)| ‘‘নোহের সময়’’ যে সাত বছরের তুলনায় অনেক বেশি ছিল সেটা বোঝার জন্যে আপনার নিজের বড় ঈশ্বরতত্ত্ববিদ হওয়ার দরকার নাই! বাইবেল এই শিক্ষা দেয় যে নোহের সময়টি ১২০ বছরের দীর্ঘ একটি সময় ছিল (আদিপুস্তক 6:3)| হনোক এমনকী অনেক আগেই বিচারের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন (যিহুদা 14, 15)| আমি এই বিষয়ে নিশ্চিত যে ১৮শ শতাব্দীর (1730-1790) আলোকপ্রাপ্তির সময় থেকেই জগত শেষ সময়ের দিকে ধাবিত হতে শুরু করেছিল| এবং উনবিংশ শতাব্দীতে বাইবেলের সমালোচনা, ফিনির মতবাদ, এবং ডারউইনের মতবাদের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে, শেষ সময়ের ধর্ম্মত্যাগ ত্বরাণ্বিত হয়েছিল| এবং শেষের সময়ের চিহ্নগুলি ১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার সাথে আরও বেশি করে প্রতীয়মান হচ্ছিল|

সুতরাং, এই জগত-যুগের অবসান আমাদের কাছে ঠিক হঠাৎ করে ‘‘উঠে’’ আসেনি! শয়্তানের দ্বারা ভাপে সিদ্ধ করা রান্না বেশ দীর্ঘদিন ধরেই চলছে| এবং এখন পাত্রটি শুধুমাত্র জগতব্যাপী ধর্ম্মত্যাগের বিষয় এবং এই জগত ব্যবস্থার শেষদিনের বিষয়টি সিদ্ধ করার জন্যে প্রায় প্রস্তুত| যেমন লিওনার্ড রেভেনহিল লিখেছিলেন, ‘‘ইহাই হইতেছে শেষের দিন!’’

শিষ্যেরা তাঁর আগমনের একটি চিহ্নের বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন ‘‘এবং যুগান্তের [যুগ] বিষয়ে,’’ কিন্তু খ্রীষ্ট তাদের অনেকগুলি চিহ্ন দিয়েছিলেন| খ্রীষ্ট এবং তাঁর প্রেরিতদের দেওয়া সেই চিহ্নের তালিকা, আমি তিনটি শ্রেণীতে উপস্থাপিত করছি|

১| প্রথমত, সেখানে মন্ডলীগুলিতে চিহ্নগুলি আছে |

এটা হল প্রথম চিহ্ন যা যীশু দিয়েছিলেন, মথি ২৪:৪-৫ পদে,

‘‘যীশু উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, দেখিও কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়| কেননা অনেকে আমার নাম ধরিয়া আসিবে, বলিবে, আমিই সেই খ্রীষ্ট; আর অনেক লোককে ভুলাইবে’’ (মথি 24:4-5)|

এখানে প্রাথমিকভাবে দিয়াবলকেই বোঝান হচ্ছে, যিনি নিজেকে খ্রীষ্টের প্রতিরূপ হিসাবে দেখান| প্রেরিত পৌল এই বিষয়ে সাবধান করে দিচ্ছেন ‘‘আর এক যীশুর বিষয়, যাহাকে আমরা প্রচার করি নাই’’ (২য় করিন্থীয় 11:4)| প্রেরিত এটাও বলেন,

‘‘কিন্তু আত্মা স্পষ্টতই বলিতেছেন, উত্তরকালে কতক লোক ভ্রান্তিজনক আত্মাদিগেতে, ও ভূতগণের শিক্ষামালায় মন দিয়া, বিশ্বাস হইতে সরিয়া পড়িবে’’ (১ম তীমথিয় 4:1)|

বর্তমানে অনেক মন্ডলীতে ‘‘আত্মা খ্রীষ্ট’’এর জ্ঞানবাদের প্রচার চালানো হচ্ছে| জ্ঞান সংক্রান্ত খ্রীষ্ট হলেন একটি আত্মা, শাস্ত্রানুযায়ী প্রকৃত অস্থি ও মাংসের খ্রীষ্ট নন| বাইবেল বলছে, ‘‘আর যে কোন আত্মা যীশুকে মাংসে আগত বলিয়া স্বীকার করে না সে ঈশ্বর হইতে নয়’’ (১ম যোহন 4:3)| সমস্ত আধুনিক অনুবাদের মধ্যে, শুধুমাত্র KJV ঐ পদটির সঠিক অনুবাদ করেছে| গ্রীক শব্দটি হল “elēluthota” (এলেলুথোতা)| এটা পুরাঘটিত কাল, যা নির্দেশ করে খ্রীষ্টের বর্তমান কাল (cf. Jamieson, Fausset and Brown)| KJV এর সঠিক অনুবাদ অনুসারে, খ্রীষ্ট ‘‘মাংসে আগত হয়েছেন|’’ তিনি তাঁর পুনরুত্থিত মাংস ও অস্থির শরীরে, মাংসিকভাবে এসেছিলেন, এবং মাংসময় শরীরে ছিলেন| তাঁর মৃত্যু থেকে পুনরুত্থানের পরে, যীশু বলেছিলেন, ‘‘কারণ আমার যেমন দেখিতেছ, আত্মার এরূপ অস্থি-মাংস নাই’’ (লূক 24:39)| এবং তিনি তাঁর পুনরুত্থিত শরীরে এখনও সেই অস্থি-মাংসে বিরাজ করছেন - স্বর্গে| বাইবেল বলছে, ‘‘যীশু খ্রীষ্ট কল্য, ও অদ্য এবং অনন্তকাল যে, সেই আছেন’’ (ইব্রীয় 13:8)| সুতরাং, আজকের দিনের আত্মা-খ্রীষ্ট প্রকৃতপক্ষে হল এক দিয়াবল, এক ‘‘ভ্রান্তিজনক আত্মা’’ (১ম তীমথিয় 4:1)! এমনকী আমাদের এই ব্যাপটিষ্ট মন্ডলীগুলিতেও অনেকে খ্রীষ্টকে আত্মা হিসাবে ভেবে নেন| তাহলে, সেই প্রকৃত খ্রীষ্ট অপেক্ষা তারা এক দিয়াবলে বেশি বিশ্বাস করে! ডঃ মাইকেল হোরটন তার বিখ্যাত বই, Christless Christianity (Baker Books, 2008) এর মধ্যে এই জ্ঞানবাদমূলক খ্রীষ্ট-আত্মা বিষয়ে লিখেছেন| বইটি সংগ্রহ করুন এবং পড়ুন!

আবার, খ্রীষ্ট বলেছেন,

‘‘কেননা ভাক্ত খ্রীষ্টেরা, এবং ভাক্ত জ্ঞানবাদীরা উঠিবে, এবং এমন মহৎ মহৎ চিহ্ন ও অদ্ভূত অদ্ভূত লক্ষণ; দেখাইবে যে, যদি হইতে পারে, তবে মনোনীত লোকদিগকেও ভুলাইবে’’ (মথি 24:24)|

প্রেরিত পৌল সতর্ক করেছেন,

‘‘কেননা এমন সময় আসিবে যে সময় লোকেরা নিরাময় শিক্ষা সহ্য করিবে না; কিন্তু কানচুলকানি-বিশিষ্ট হইয়া, আপন আপন অভিলাষ অনুসারে আপনাদের জন্য রাশি রাশি গুরু ধরিবে; এবং সত্য হইতে কাণ ফিরাইয়া, গল্পের দিকে বিপথে যাইবে’’ (২য় তীমথিয় 4:3-4)|

আমি দৃঢ় নিশ্চিত যে আমরা এখন ধর্ম্মত্যাগের প্রথম অংশে বসবাস করছি, সেই ‘‘সরিয়া পড়া’’ এর সময়ে যা প্রেরিত পৌল ২য় থিষলনীকীয় ২:৩ পদের মাধ্যমে ভবিষ্যবাণী করেছিলেন|

তারপরে, এছাড়াও, খ্রীষ্ট বলেছিলেন,

‘‘আর অধর্ম্মের বৃদ্ধি হওয়াতে, অধিকাংশ লোকের প্রেম শীতল হইয়া যাইবে [হইবে]’’ (মথি 24:12)|

খ্রীষ্ট ভাববাণী করেছিলেন যে মন্ডলীতে অধর্ম্মের এত অত্যাধিক বৃদ্ধি হবে যে মন্ডলীর সদস্যেদের মধ্যে ‘‘ঐশ্বরিক’’ প্রেম শীতল হয়ে যাবে| রবিবারের সন্ধ্যায় এখন অনেক মন্ডলী বন্ধ থাকে কেবল সাধারন এক কারণে যে প্রকৃত সহভাগিতা এবং খ্রীষ্টীয় প্রেম অতীত হয়ে গেছে| মন্ডলীর সদস্যেরা এখন আর একত্রিত হয়ে থাকতে ভালবাসে না যেমন তারা মন্ডলীর প্রথমাবস্থায় থাকত (cf. প্রেরিত 2:46-47)| এছাড়াও, যীশু ভবিষ্যবাণী করেছিলেন যে শেষের সময়ে নাছোড়বান্দা প্রার্থনা খুব অল্পই হবে (cf. লূক 18:1-8)| আশ্চর্যের কিছু নেই যে বর্তমানে প্রার্থনাসভা খুব কমই হচ্ছে| বুধবারের রাত্রিকালীন সেবা (যদি কিছু থেকে থাকে!) প্রার্থনা সভা থেকে পরিবর্তিত হয়ে, সম্ভবত একটা অথবা দুইটা গতানুগতিক প্রার্থনা সভা সহ বাইবেল অধ্যয়ণ সভাতে পরিণত হয়েছে| নিশ্চিতভাবে এটা শেষ সময়ের একটি চিহ্ন! ‘‘কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কি পৃথিবীতে বিশ্বাস [নাছোড়বান্দা প্রার্থনার প্রতি বিশ্বাস] পাইবেন?’’ (লূক 18:8)| কিন্তু, মনে করে দেখুন, যীশু বলেছিলেন,

‘‘এই সকল ঘটনা আরম্ভ হইলে, তোমরা উর্দ্ধদৃষ্টি করিও, মাথা তুলিও; কেননা তোমাদের মুক্তি সন্নিকট’’ (লূক 21:28)|

৩ নং গানটির, দ্বিতীয় স্তবকটি গান!

রাত্রি অন্ধকার ছিল, পাপ আমাদের বিরুদ্ধে জাগ্রত;
   ভারী দুঃখের বোঝা আমরা বহন করছি;
কিন্তু আমরা দেখি তার আগমনের চিহ্ন;
   আমাদের মধ্যে আমাদের হৃদয় উৎফুল্ল হয়, আনন্দ উথলিয়ে ওঠে!
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য, সেই একই যীশু;
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   ক্ষমতা ও গৌরবের সঙ্গে, তিনি আবার আসছেন!
(“He Is Coming Again” by Mabel Johnston Camp, 1871-1937) |

২| দ্বিতীয়ত, সেখানে তাড়নার চিহ্নগুলি আছে |

যীশু বলেছিলেন,

‘‘সেই সময়ে লোকেরা ক্লেশ দিবার জন্য, তোমাদিগকে সমর্পণ করিবে: আর আমার নাম প্রযুক্ত সমুদয় জাতি তোমাদিগকে দ্বেষ করিবে| আর তৎকালে অনেক বিঘ্ন পাইবে, একজন অন্যকে সমর্পণ করিবে, একজন অন্যকে দ্বেষ করিবে’’ (মথি 24:9-10)|

আবার যীশু বলেছিলেন,

‘‘আর আমার নাম প্রযুক্ত তোমরা সকলে ঘৃণিত হইবে: কিন্তু যে কেহ শেষ পর্য্যন্ত স্থির থাকিবে, সে পরিত্রাণ পাইবে’’ (মার্ক 13:13)|

বর্তমানে জগতের অনেক অংশে এই মুহূর্তে ভয়ানক তাড়না চলছে| এই বিষয়ে পড়তে চাইলে এখানে www.persecution.com ক্লিক করুন| পাশ্চাত্যের এই জগতে এখন খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের উপরে ক্রমবর্দ্ধমান চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে| যারা মন্ডলী বিভাজন করেছেন তাদের দ্বারা বিশ্বস্থ পালকবর্গ আক্রান্ত হচ্ছেন| পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানকে খ্রীষ্ট বিশ্বাসী হওয়ার জন্য তাড়না করছেন| এবং কিছু লোক তাদের একান্ত খ্রীষ্ট বিশ্বাসী বয়স্ক পিতা-মাতার প্রতি যে আচরণ করছেন করছেন সেটা দেখাও অতি বেদনাদায়ক! তাদের অনেকেই এখন কার্য্যত বন্দী, এবং সম্পূর্ণ একাকী অবস্থায় নির্বাসিত, এমনকী তারা তাদের ন-খ্রীষ্টীয় সন্তাদের দ্বারা কখনো সাক্ষাৎপ্রাপ্ত হন না| অনেক পালক আমাকে বলেছেন যে তারা মনে করছেন আমেরিকাতে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরা খুব তাড়াতাড়ি আরও বড় ধরনের তাড়নার অভিজ্ঞতা লাভ করবে| কিন্তু মনে করে দেখুন, যীশু বলেছিলেন,

‘‘ধন্য তোমরা, যখন লোকে মনুষ্যপুত্রের নিমিত্ত, তোমাদিগকে দ্বেষ করে, আর যখন তোমাদিগকে পৃথক করিয়া দেয়, ও নিন্দা করে, এবং তোমাদের নাম মন্দ বলিয়া দূর করিয়া দেয়| সেই দিন আনন্দ করিও, ও নৃত্য করিও: কেননা, দেখ, স্বর্গে তোমাদের পুরস্কার প্রচুর: কেননা তোমাদের পিতৃপুরুষেরা ভাববাদিগণের প্রতি তাহাই করিত’’ (লূক 6:22-23)|

যদি আপনি মনে করেন আমি অনেক বেশি কঠোর হচ্ছি, তাহলে ফ্রাঙ্কলিন গ্রাহামের বিষয়ে কয়েকদিন আগে ফক্স নিউজ যে রিপোর্ট পেশ করেছে সেটা শুনুন| ফ্রাঙ্কলিন গ্রাহাম হলেন জগদ্বিখ্যাত সুসমাচার প্রচারক বিলি গ্রাহামের পুত্র| ফক্স নিউজ বলছে,

সমালোচনায় মুখর সুসমাচার প্রচারক ফ্রাঙ্কলিন গ্রাহাম, ছাড়লেন GOP

ফক্স নিউজ, ডিসেম্বর ২২, ২০১৫

http://www.foxnews.com/politics/2015/12/22/evangelist-franklin-graham-slams-quits-gop.html?intcmp=hppop

গত সপ্তাহে GOP-চালিত খরচ সংক্রান্ত বিল পাশ করানোকে ‘‘অপচয়ী’’ এবং নাৎসী কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পের প্রতি পিতৃত্বসুলভ তহবিল যোগানের সঙ্গে তুলনা করে, মঙ্গলবার সুসমাচার প্রচারক ফ্রাঙ্কলি গ্রাহাম ঘোষণা করেন যে তিনি এই পরিপ্রেক্ষিতে রিপাবলিকান পার্টি ছেড়ে দিচ্ছেন|

গ্রাহাম বলেছেন,

তিনি বলেন, ‘‘গত সপ্তাহে এইরকমের একটি অপচয়্পূর্ণ বিল পাশ করানোর জন্য রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ধিক্কার|’’ ‘‘এবং সবার চাইতে বড় হচ্ছে, পরিকল্পিত পিতৃত্বসুলভ তহবিল যোগান দেওয়া!’’

গ্রাহাম, যিনি এর আগেও এই দুই রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করেছেন, তাঁর হতাশা ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন|

তিনি লিখেছেন, ‘‘মানব জীবনের প্রতি চরম অশ্রদ্ধাসহ অকাল-জাত কচি শিশুদের দেহাংশ বিক্রয় বিষয়ক কথাবার্তা উদ্দেশ্যবিহীনভাবে শোনা এবং দেখা আমাদের [ডঃ] যোষেফ মেনেজেল এবং নাৎসী কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়!’’ ‘‘তাদের তহবিল যোগানের কল বন্ধ করার জন্যে এইটুকু বলাই যথেষ্ট| 2,000 পাতার, 1.1 ট্রিলিয়ান ডলারের এই বাজেটকে কাটছাঁট করার জন্য কিছুই করা হয়নি|’’

গ্রাহাম, যিনি হোয়াইট হাউস আশাপূর্ণ ডোনাল্ড ট্রাম্প GOP কে সমর্থন জানিয়েছিলেন আর সেইসঙ্গে U.S থেকে মুসলমানদের নিষিদ্ধ করার বিতর্কিত বিষয়ের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছিলেন, বলেছেন যে তিনি রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছেন|

‘‘আমেরিকার মঙ্গল হয়, এমন কোন কাজ করার জন্যে আমি রিপাবলিকান পার্টি, ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, বা চা পার্টির উপরে কোন আশা রাখি না’’ তিনি লিখেছেন|

বাঃ! একজন সুসমাচার প্রচারকের থেকে পাওয়া, কি এক বিবৃতি! গানটি আবার করুন - ৩ নং গান - দ্বিতীয় স্তবক!

রাত্রি অন্ধকার ছিল, পাপ আমাদের বিরুদ্ধে জাগ্রত;
   ভারী দুঃখের বোঝা আমরা বহন করছি;
কিন্তু আমরা দেখি তার আগমনের চিহ্ন;
   আমাদের মধ্যে আমাদের হৃদয় উৎফুল্ল হয়, আনন্দ উথলিয়ে ওঠে!
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য, সেই একই যীশু;
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   ক্ষমতা ও গৌরবের সঙ্গে, তিনি আবার আসছেন!

৩| তৃতীয়ত, সেখানে জগত ব্যাপী সুসমাচার প্রচারের চিহ্ন ছিল |

লক্ষ্য করুন কি আশ্চর্য্যভাবে এই উৎসাহমূলক চিহ্ন হঠাৎ করে উপস্থিত হয়েছে, এই সমস্ত ভয়ঙ্কর চিহ্নগুলির মধ্যে,

‘‘সেই সময়ে লোকেরা ক্লেশ দিবার জন্য, তোমাদিগকে সমর্পণ করিবে: আর আমার নাম প্রযুক্ত সমুদয় জাতি তোমাদিগকে দ্বেষ করিবে| আর তৎকালে অনেক বিঘ্ন পাইবে, একজন অন্যকে সমর্পণ করিবে, একজন অন্যকে দ্বেষ করিবে| আর অনেক ভাক্ত ভাববাদী উঠিয়া, অনেককে ভুলাইবে| আর অধর্ম্মের বৃদ্ধি হওয়াতে, অধিকাংশ লোকের প্রেম শীতল হইয়া যাইবে| কিন্তু যে কেহ শেষ পর্যন্ত স্থির থাকিবে, সে পরিত্রাণ পাইবে| আর সর্ব্বজাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে’’ (মথি 24:9-14)|

‘‘রাজ্যের সুসমাচার’’ হচ্ছে সাধারনভাবে মার্ক 13:10 নং পদে উল্লেখিত ‘‘সুসমাচার,’’ যা বলছে, ‘‘আর অগ্রে সর্ব্বজাতির কাছে সুসমাচার প্রচারিত [প্রকাশিত] হওয়া আবশ্যক|’’ ভ্রান্ত শিক্ষা আর তাড়নার মধ্যে, হঠাৎ করে খ্রীষ্ট বলেছিলেন সারা জগতে সুসমাচার প্রচা হওয়া আবশ্যক, ‘‘আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে’’ (মথি 24:24)|

কি সুন্দর একটি ভবিষ্যবাণী! বর্তমানে পৃথিবীতে এখন খুব কম জায়গাই আছে যেখানে সুসমাচার শোনা যায় না| ইন্টারনেটের দ্বারা, রেডিওর দ্বারা, শর্ট ওয়েভ, স্যাটেলাইট টেলিভিশন, এবং হাজার হাজার মিশনারীদের মাধ্যমে - এই সকালে সুসমাচার সর্ব্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে| মথি 24:11-14 আমাদের প্রজন্মে পরিপূর্ণতা লাভ করছে! কতটাই না আশ্চর্য্যের বিষয় যে, যেহেতু পাশ্চাত্যের মন্ডলীগুলি তাদের প্রার্থনা সভা এবং তাদের সান্ধ্যকালীন সেবাকাজ বন্ধ করে দিচ্ছে, সেহেতু সুসমাচার প্রচারের বিস্ফোরণ ঘটা উচিৎ তৃতীয় বিশ্বে - চীন দেশে, দক্ষিণপূর্ব এশিয়াতে, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে, হমং লোকদের মধ্যে, এবং ভারতবর্ষের অস্পৃশ্যদের মধ্যে! ভ্রান্ত শিক্ষা এবং উদ্দীপনা - একই সময়ে চলছে - ঠিক যীশু যেমন ভবিষ্যবাণী করেছিলেন! কি অদ্ভূত এক আপাত বিরোধী সত্য! তবুও ঠিক সেটাই ঘটে চলেছে, যেমন ঘটবে বলে খ্রীষ্ট ভবিষ্যবাণী করেছিলেন!

‘‘আর অনেক ভাক্ত ভাববাদী উঠিয়া, অনেককে ভুলাইবে| আর অধর্ম্মের বৃদ্ধি হওয়াতে, অধিকাংশ লোকের প্রেম শীতল হইয়া যাইবে| কিন্তু যে কেহ শেষ পর্যন্ত স্থির থাকিবে, সে পরিত্রাণ পাইবে| আর সর্ব্বজাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে’’ (মথি 24:11-14)|

হালেল্লুইয়া! যীশু আসছেন! আবার এই গানটি করুন!

রাত্রি অন্ধকার ছিল, পাপ আমাদের বিরুদ্ধে জাগ্রত;
   ভারী দুঃখের বোঝা আমরা বহন করছি;
কিন্তু আমরা দেখি তার আগমনের চিহ্ন;
   আমাদের মধ্যে আমাদের হৃদয় উৎফুল্ল হয়, আনন্দ উথলিয়ে ওঠে!
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য, সেই একই যীশু;
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   ক্ষমতা ও গৌরবের সঙ্গে, তিনি আবার আসছেন!

আপনি কি খ্রীষ্টকে জানেন? তিনি যখন আসবেন তখন কি আপনি প্রস্তুত থাকবেন? আপনি কি মন পরিবর্তন করেছেন? আপনি যদি হরিয়ে গিয়ে থাকেন তাহলে ‘‘পুনঃসমর্পণ’’ আপনাকে সাহায্য করবে না| কেউ কেউ বলেন যে তারা অপব্যয়ী পুত্রের মতন, খ্রীষ্টের কাছে ফিরে আসবেন| কিন্তু বাইবেল কখনো বলে না যে অপব্যয়ী পুত্র কোনদিন পরিত্রাণ পেয়েছে, পশ্চাদপসরন করেছে, এবং তারপরে আবার নিজেকে পুনঃসমর্পিত করেছে| না! বাইবেল স্পষ্টভাবে বলছে যে সে হারিয়ে গিয়েছিল! তাঁর নিজের পিতাও সেইরকমই বলেছেন!

‘‘কারণ আমার এই পুত্র মরিয়া গিয়াছিল, এখন বাঁচিল; হারাইয়া গিয়াছিল, এখন পাওয়া গেল’’ (লূক 15:24)|

আপনি যে হারিয়ে গিয়েছিলেন সেই প্রত্যয় নিয়ে আপনাকে অবশ্যই খ্রীষ্টের কাছে আসতে হবে! একজন যিনি এই বিষয়ে দৃঢ়প্রত্যয়ী নন যে তিনি হারিয়ে গিয়েছেন তিনি খ্রীষ্টের কাছে আসবেন না, শুধু তাঁর উপরে বিশ্বাস রাখবেন না, প্রকৃত মন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা লাভ করবেন না, খ্রীষ্টের রক্তের দ্বারা নিজের কৃত পাপ থেকে শুচি হবেন না, অথবা খ্রীষ্টের পুনরুত্থানের দ্বারা নবজীবন লাভ করবেন না| আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে পরিত্রাণ পাওয়ার আগে আপনি হারিয়ে গিয়েছিলেন!

হে ঈশ্বর, আমরা কিভাবে প্রার্থনা করব যাতে কিছু হারানো আত্মা, এই প্রচার শুনে অথবা পাঠ করে, পাপের চেতনার অধীনে আসবে এবং তোমার পুত্র যীশু খ্রীষ্টের উপরে বিশ্বাস স্থাপন করবেন| আমেন| বিখ্যাত সুসমাচার প্রচারক জর্জ হোয়াইটফিল্ডের (1714-1770) লেখা বই “The Method of Grace” পাঠ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন|


যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তাহলে ডঃ হাইমার্স আপনার কাছ থেকে কিছু শুনতে চান| যখন আপনি ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখবেন তখন অবশ্যই তাকে জানাবেন যে কোন দেশ থেকে আপনি তাকে লিখছেন নয়ত তিনি আপনার ই-মেলের জবাব দিতে সক্ষম হবেন না| যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে ডঃ হাইমার্সকে একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে সেইকথা জানান, কিন্তু কোন দেশ থেকে আপনি লিখছেন চিঠিতে সেটা অবশ্যই অন্তর্ভূক্ত করবেন| ডঃ হাইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন) | আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন| যদি আপনি ডঃ হাইমার্সকে ডাক-ব্যবস্থার মাধ্যমে চিঠি পাঠাতে চান, তবে তার ঠিকানা হল P.O. Box 15308, Los Angeles, CA 90015 | আপনি তাকে (818)352-0452 নম্বরে ফোন করতে পারেন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়তে পারেন| ক্লিক করুন “প্রচার পান্ডুলিপি|”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রুধোম্মে:মার্ক 13:1-13 |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“I Wish We’d All Been Ready” (Larry Norman, 1947-2008) |


খসড়া চিত্র

শেষের চিহ্নসকল - আধুনিকীকৃত এবং সম্প্রসারিত

SIGNS OF THE END – UPDATED AND EXPANDED

লেখক : ডঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনিয়র|

‘‘পরে যীশু ধর্ম্মাধাম হইতে বাহির হইয়া, গমন করিতেছেন: এমন সময়ে তাঁহার শিষ্যেরা তাঁহাকে ধর্ম্মাধামের গাঁথুনি সকল দেখাইবার জন্য নিকটে আসিলেন| কিন্তু তিনি উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, তোমরা কি এই সকল দেখিতেছ না? আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, এই স্থানের একখানি পাথর অন্য পাথরের উপর থাকিবে না, সমস্তই ভূমিসাৎ হইবে| পরে তিনি জৈতুন পর্ব্বতের উপরে বসিলে, শিষ্যেরা বিরলে তাঁহার নিকটে আসিয়া, বলিলেন, আমাদিগকে বলুন দেখি, এই সকল ঘটনা কখন হইবে? আর আপনার আগমনের, এবং যুগান্তের চিহ্ন কি?’’ (মথি 24:1-3)|

(লূক 21:24; মার্ক 13:32, 33; মথি 24:14, 37)

১| প্রথমত, সেখানে মন্ডলীগুলিতে চিহ্নগুলি আছে, মথি 24:4-5;
২য় করিন্থীয় 11:4; ১ম তীমথিয় 4:1; ১ম যোহন 4:3; লূক 24:39;
ইব্রীয় 13:8; ১ম তীমথিয় 4:1; মথি 24:24; ২য় তীমথিয় 4:3-4;
২য় থিষলনীকীয় 2:3; মথি 24:12; প্রেরিত 2:46-47;
লূক 18:1-8; 21:28 |

২| দ্বিতীয়ত, সেখানে তাড়নার চিহ্নগুলি আছে, মথি 24:9-10;
মার্ক 13:13; লূক 6:22-23 |

৩| তৃতীয়ত, সেখানে জগত ব্যাপী সুসমাচার প্রচারের চিহ্ন ছিল,
মথি 24:9-14; মার্ক 13:10; লূক 15:24 |