Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনের চিহ্নসকল

SIGNS OF CHRIST’S SECOND COMING
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর. এল. হাইমার্স, জুনিয়র।
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৫ সালের, ১৭ই মে, প্রভুর দিনের সকালবেলায় লস্ এঞ্জেল্সের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাকল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচার করেন
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord’s Day Morning, May 17, 2015

“বলুন দেখি, এই সকল ঘটনা কখন হইবে? আর আপনার আগমনের, এবং যুগান্তের চিহ্ন কী?” (মথি ২৪:৩)|

প্রত্যেকদিন আমি তিনটি খবরের কাগজ পড়ি| এছাড়া আমি কয়েক মিনিট ধরে দুটি বার্তা-কেন্দ্রের তারবাহিত প্রচারিত খবরের দিকে নজর রাখি| সব কিছু যা আমরা খবরে শুনি তার সবই দেখায় যে আমাদের পৃথিবী অশান্তির মধ্যে রয়েছে| সন্ত্রাস, যুদ্ধ, মুক্তিপণের জন্য বন্দীকরন এবং বোমা বিস্ফোরণ প্রতিনিয়ত বিশ্বের চারিদিকে ঘটে চলেছে| অনেক মন্ডলী জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং শত শত খ্রীষ্টবিশ্বাসীদের মাথা কেটে ফেলা হচ্ছে| খুব তাড়াতাড়ি ইরানের হাতে নিউক্লীয়ার বোমা চলে আসবে| তারা আমাদের এই অস্তিত্বকে ভয় দেখাচ্ছে| তারা বলছে আমাদের শহরগুলিতে অবৈধভাবে বোমা রপ্তানী করবে, সেগুলির বিস্ফোরণ ঘটাবে, এবং আমাদের জীবনযাত্রা ধ্বংস করে দেবে|

রাষ্ট্রপতি জন্ এফ. কেনেডি একজন ক্যাথলিক ছিলেন| একদিন তিনি বিলি গ্রাহামের সঙ্গে গল্ফ খেলছিলেন| তিনি মিঃ গ্রাহামকে বলছিলেন যে ক্যাথলিক মন্ডলী খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমন বিশ্বাস করে| তারা ধর্ম্মবিশ্বাস মুখস্থ করে যাতে বলা হচ্ছে, “তথা হইতে তিনি আসিবেন, এবং জীবন্ত এবং মৃতদের বিচার করিবেন|” কিন্তু রাষ্ট্রপতি কেনেডি দ্বিতীয় আগমনের বিষয়ে আরও বেশি করে জানতে চেয়েছিলেন| ষাট বছর আগে তখন স্যর উইনস্টন চার্চিল গ্রেট ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন| নবীন সুসমাচার প্রচারক বিলি গ্রাহাম একবার অগ্রদূতের মতন লন্ডন শহরের, ১০ নং ডাউনিং স্ট্রীটে অবস্থিত তার কর্মস্থানে গিয়েছিলেন| চার্চিল তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “আমি মনে করি না যে পৃথিবী আর খুব বেশিদিন চলবে| আমাদের সব সমস্যা আমাদের নাগালের বাইরে রয়েছে|” আজকের দিনের প্রায় প্রত্যেক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা মনে হয় এই ভীতি অনুভব করছেন| যে যুগে আমরা বসবাস করছি সেই যুগ আমাদের চোখের সামনেই শেষ হয়ে আসছে| মনে হচ্ছে যেন আমরা এগিয়ে চলেছি ইতিহাসের চরম পরিণতি এবং জগতের শেষ দিনের দিকে|

শিষ্যেরা এই বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন| তারা যীশুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “আর আপনার আগমনের, এবং যুগান্তের চিহ্ন কী? গ্রীক শব্দ “aion” এর অনুবাদ হল “জগত|” এর অর্থ হচ্ছে “যুগ” – সেই যুগ যার মধ্যে আমরা এখন বসবাস করছি, সেই খ্রীষ্ট বিশ্বাসের যুগ| খ্রীষ্ট শিষ্যদের ধমক দেননি সেই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার জন্য – “আপনার আগমনের, এবং [যুগ] অন্তের চিহ্ন কী?” তাদেরকে ধমক দেওয়ার পরিবর্তে, তিনি “চিহ্ন সকলের” একটা দীর্ঘ তালিকা দিলেন| শিষ্যরা একটি চিহ্ন চেয়েছিলেন, কিন্তু খ্রীষ্ট তাদের অনেকগুলি চিহ্ন দিয়েছেন অনুগামী পদগুলিতে, আর তাছাড়া মার্ক ১৩ এবং লূক ২১ এর মধ্যে লিপিবদ্ধ অলিভেট আলোচনার এক অংশে|

সেখানে খ্রীষ্টের দেওয়া চিহ্নগুলির মধ্যে তিনটি ভুল রয়েছে| প্রথমত, প্রেটারিষ্টেরা এই সমস্ত চিহ্নগুলিকে জোর করে প্রথম শতাব্দীতে ফিরিয়ে এনেছে| আধুনিক অনেক ক্যালভিনপন্থীরাই হলেন প্রেটারিষ্ট যারা এই কাজটি করে থাকে| আমি মনে করি যে তারা ঠিক করছে না| উদাহরনস্বরূপ, এটা প্রকৃত কল্পনার একটি প্রসার যা ১৪ নং পদটিকে প্রথম শতাব্দীর প্রতি আরোপিত করে, এবং তা সত্ত্বেও শাস্ত্রের একটি আক্ষরিক ব্যাখ্যা এবং আক্ষরিক অনুবাদ বজায় রাখে| সেই পদটি বলছে,

“আর সর্ব্ব জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে” (মথি ২৪:১৪)|

এটা হচ্ছে খ্রীষ্টের সেই সহজ এবং পরিষ্কার ভাববাণী| আজ পর্যন্ত এটা পরিষ্কারভাবে ঘটেনি|

আমরা জানি যে শিষ্যেরা রোম সাম্রাজ্যের সর্বত্র সুসমাচার ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা “সমগ্র জগতের মধ্যে” সুসমাচার প্রচার করেননি – নিশ্চিতভাবে প্রচার করেননি উত্তর এবং দক্ষিন আমেরিকায়, জাপানে, অস্ট্রেলিয়ায়, সমুদ্র মধ্যবর্তী দ্বীপগুলিতে, এবং অন্যান্য আরও কিছু জায়গায়| মথি ২৪:১৪ পদটি শুধুমাত্র আক্ষরিকভাবে এখন “সমগ্র জগতে” পরিপূর্ণতা লাভ করছে|

এরপর, আমি মনে করি চিহ্নগুলির বিষয়ে দ্বিতীয় ভুলটি হল এদের সবগুলিকেই ভবিষ্যতের দিকে, সাত বছরের মহা তাড়নার মধ্যে ঠেলে দেওয়া| সেটাই আধুনিক ন্যায়বিধানকারীগণ করতে আগ্রহী হয়ে পড়ছেন| সেইজন্য, আমি মনে করি যে সমস্ত চিহ্নগুলিকে অতীতের দিকে, প্রথম শতাব্দীর দিকে ঠেলে দেওয়াটা একটা ভুল – এবং আমি মনে করি সেই সমস্ত চিহ্নগুলিকে ভবিষ্যতের দিকে, স্বতন্ত্রভাবে মহা তাড়নার প্রতি ঠেলে দেওয়াটাও আর একটা ভুল| আমি দৃঢ়নিশ্চিত যে সেই “চিহ্নসকল” আমাদের এখন দেওয়া হয়েছে, এই মন্দ দিনগুলিতে|

এটা খুব বিস্ময়কর যে বর্তমানে অনেক মন্ডলীতে চিহ্ন সম্বন্ধে খুব স্বল্প পরিমানে প্রচার করা হয়ে থাকে| আমার কাছে এটা মনে হয় যে চিহ্নগুলির আধুনিক অস্বীকার নিজেই হচ্ছে একটি চিহ্ন! আমি ভয় পাচ্ছি যে এটা কিছু প্রচারকদের “উপহাসক” শ্রেণীভূক্ত করে যারা বলেন যে “কোথায় গেল তার আগমনের প্রতিজ্ঞা?” (২য় পিতর ৩:৩-৪)| আর আমি মনে করি চিহ্নগুলি অস্বীকার করার ঘটনা দেখাচ্ছে “আর বর বিলম্ব করাতে, সকলে ঢুলিতে ঢুলিতে ঘুমাইয়া পড়িল” (মথি ২৫:৫)| ঘুমন্ত মন্ডলীগুলি চিহ্নের বিষয়ে কোন কথা শুনতে চায় না| এটা সম্ভবত তাদেরকে জাগিয়ে দিতে পারে! ডঃ এম. আর. ডিহ্যান বলেছিলেন, “সেখানে, ইহার পরে, দুইটি বিপদ রহিয়াছে| প্রথমটি হইল, তারিখ নির্ধারণের বিপদ, এবং, দ্বিতীয়টি হইল, প্রতিমূখী মন্দ, যাহা ঠিক তেমনই আন্তরিক, চিহ্নসকলকে অবজ্ঞা করিতে…” (M. R. DeHaan, M.D., Signs of the Times, Kregel Publications, 1997 edition, p. 13)| বর্তমানে বেশির ভাগ মন্ডলীতে প্রচারকেরা চিহ্নগুলিকে অবজ্ঞা করছেন!

তারপর সেখানে তৃতীয় একটা ভুল রয়েছে| ২০১১ সালে হ্যারল্ড ক্যামপিং আকাশে খ্রীষ্টের পরম উল্লাসে আগমনের দিন, এবং সময় বলে দিয়েছিলেন| তিনি বলেছিলেন যে সেই ঘটনা ঘটবে ২০১১ সালের, মে মাসের ২১ তারিখে, সন্ধ্যা ৬টার সময়ে| অবশ্যই, তিনি ভুল করেছিলেন| যীশু খুব স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, “সেই দিনের ও দন্ডের তত্ত্বের কথা কেহই জানে না” (মথি ২৪:৩৬)| যদি কোন লোক আপনাকে বলেন যে তারা সেই সময়ের কথা জানেন যে কখন খ্রীষ্ট আসবেন, সেই লোকের কথা শুনবেন না!

শিষ্যেরা তাঁর আগমনের “এবং [যুগ] অন্তের” বিষয়ে একটি চিহ্নের কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কিন্তু খ্রীষ্ট তাদের অনেক চিহ্ন দিয়েছিলেন| আমি খ্রীষ্ট এবং তাঁর প্রেরিতদের দ্বারা প্রদত্ত সেই চিহ্নগুলির আলাদা তালিকা, তিনটি শ্রেণীতে তৈরী করতে চলেছি|

১| প্রথম, মন্ডলীর মধ্যের চিহ্নসকল |

আসলে এইগুলি ছিল প্রথম চিহ্ন যা খ্রীষ্ট দিয়েছিলেন, মথি ২৪:৪-৫ পদের মধ্যে,

“যীশু উত্তর করিয়া তাঁহাদিগকে কহিলেন, দেখিও কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়| কেননা অনেকে আমার নাম ধরিয়া আসিবে, বলিবে, আমিই সেই খ্রীষ্ট; আর অনেক লোককে ভুলাইবে” (মথি ২৪:৪-৫)|

মনে হয় এটা প্রাথমিকভাবে দিয়াবলের প্রতি নির্দেশ করছে, যারা নিজেদের মধ্যে খ্রীষ্টের প্রতিকৃতি দেখায়| প্রেরিত পৌল তাদের বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে দিয়েছেন যারা হলেন “অন্য যীশু, যার কথা আমরা প্রচার করি নাই” (২য় করিন্থীয় ১১:৪)| প্রেরিত এটাও বলেছেন,

“কিন্তু আত্মা স্পষ্টই বলিতেছেন, উত্তরকালে কতক লোক ভ্রান্তিজনক আত্মাদিগেতে, ও ভূতগণের শিক্ষামালায় মন দিয়া, বিশ্বাস হইতে সরিয়া পড়িবে” (১ তীমথিয় ৪:১)|

আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি জ্ঞানবাদের সেই “আত্মা-খ্রীষ্ট” প্রচারিত হচ্ছেন অনেক মন্ডলীতে| এই আধ্যাত্মিক রহস্যবাদী খ্রীষ্ট হচ্ছে একটি আত্মা, শাস্ত্রে বর্ণিত মাংস ও অস্থি নির্মিত প্রকৃত খ্রীষ্ট নয়| বাইবেল বলে, “আর যে কোন আত্মা যীশুকে মাংসে আগত বলিয়া স্বীকার না করে সে ঈশ্বর হইতে নয়” (১ম যোহন ৪:৩)| সমস্ত আধুনিক অনুবাদের মধ্যে, একমাত্র KJV সঠিকভাবে এই পদটির অনুবাদ করেছে! “elēluthota” হল আসল গ্রীক শব্দ| শব্দটি একেবারে সঠিকভাবে থেকে, খ্রীষ্টের বর্তমান অবস্থা নির্দেশ করছে (cf. Jamieson, Fausset and Brown)| KJV দ্বারা একেবারে সঠিকভাবে অনুবাদিত হয়েছে যে খ্রীষ্ট, “মাংসে আসিয়াছেন|” তিনি মাংসে এসেছিলেন, এবং মাংসে বসবাস করেছিলেন, তাঁর পুনরুত্থিত মাংস ও অস্থিযুক্ত শরীরে| মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হওয়ার পর, যীশু বলেছিলেন, “কারণ আমার যেমন দেখিয়াছ, আত্মার এইরূপ অস্থি মাংস নাই” (লূক ২৪:৩৯)| সেইজন্যে, আজকের দিনের আত্মা-খ্রীষ্ট প্রকৃতপক্ষে হলেন একজন দিয়াবল!

আবার, মথি ২৪:২৪ পদে, খ্রীষ্ট বলেছেন,

“কেননা ভাক্ত খ্রীষ্টেরা, ও ভাক্ত ভাববাদীরা উঠিবে, এবং এমন, মহৎ মহৎ চিহ্ন ও অদ্ভুত অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইবে যে; যদি হইতে পারে, তবে মনোনীতদিগকেও ভুলাইবে” (মথি ২৪:২৪)|

এই সব মন্দ দিনে আমরা অবশ্যই যেন “চিহ্ন এবং বিস্ময়ের” ছল চাতুরির দ্বারা ভ্রান্ত না হই|

“কেননা এরূপ লোকেরা ভাক্ত প্রেরিত, প্রতারক কর্ম্মকারী, তাহারা খ্রীষ্টের প্রেরিতদের বেশ ধারণ করে| আর ইহা আশ্চর্য্য নয়; কেননা শয়তান আপনি দীপ্তিময় দূতের বেশ ধারণ করে| সুতরাং তাহার পরিচারকেরাও যে ধার্ম্মিকতার পরিচারকদের বেশ ধারণ করে ইহা মহৎ বিষয় নয়; তাহাদের পরিণাম তাহাদের ক্রিয়ানুসারে হইবে” (২য় করিন্থীয় ১১:১৩-১৫)|

প্রেরিত পৌল সাবধান করে দিয়েছেন,

“কেননা এমন সময় আসিবে যে সময় লোকেরা নিরাময় শিক্ষা সহ্য করিবে না; কিন্তু কান চুলকানিবিশিষ্ট হইয়া, আপন আপন অভিলাষ অনুসারে আপনাদের জন্য রাশি রাশি গুরু ধরিবে; এবং সত্য হইতে কান ফিরাইয়া, গল্পের দিকে বিপথে যাইবে” (২য় তীমথিয় ৪:৩-৪)|

আমি দৃঢ় নিশ্চয় যে আমরা বর্তমানে সেই ধর্ম্মভ্রষ্টতা, সেই “সরিয়া পড়া”র মধ্যে বসবাস করছি যা প্রেরিত পৌল ২য় থিষলনীকীয় ২:৩ পদের মধ্যে ভবিষ্যবাণী করেছিলেন|

তখন, এটাও, খ্রীষ্ট বলেছিলেন,

“কারণ অধর্ম্মের [বৃদ্ধি] হওয়াতে, অধিকাংশ লোকের প্রেম শীতল হইয়া যাইবে” (মথি ২৪:১২)|

খ্রীষ্ট ভবিষ্যবাণী করেছিলেন যে মন্ডলীগুলিতে এতই অত্যধিক অসংযত যথেচ্ছচারীতা আসবে যে মন্ডলীর সদস্যদের মধ্যে প্রকৃত প্রেম শীতল হয়ে যাবে| মন্ডলীগুলি রবিবারের সন্ধ্যায় বন্ধ হয়ে যায় শুধু এই সাধারন কারণে যে প্রকৃত সহভাগিতা এখন প্রধানত অতীতের বিষয়| মন্ডলীর সদস্যেরা একসাথে থাকতে আর ভালবাসে না যেমন প্রথম দিকের মন্ডলীর সদস্যেরা ভালবাসত (cf. Acts 2:46-47)| এছাড়াও, যীশু ভবিষ্যবাণী করেছিলেন যে সেখানে শেষ সময়ে অটল ভাবের প্রার্থনা খুব কমই হবে (cf. Luke 18:1-8)| কাজেই আজকের দিনে যে এত অল্প সংখ্যায় প্রার্থনা সভা হচ্ছে তাতে আশ্চর্য্য হওয়ার মত কিছু নেই| বুধবারের রাত্রের সভা (যদি সেখানে একজনও উপস্থিত থাকেন!) প্রার্থনা সভার পরিবর্তে বাইবেল অধ্যয়ণ সভায় পরিণত হয়েছে, সম্ভবত একটি বা দুটি গাছাড়া নিয়মমাফিক প্রার্থনা সমেত| নিশ্চিতভাবে এটা শেষ সময়ের একটা চিহ্ন! “কিন্তু মনুষ্যপুত্র যখন আসিবেন, তখন কী পৃথিবীতে বিশ্বাস [প্রার্থনার প্রতি বিশ্বাস] পাইবেন?” (লূক ১৮:৮)| কিন্তু, মনে রাখবেন, যীশু বলেছেন,

“কিন্তু এ সকল ঘটনা আরম্ভ হইলে, তোমরা উর্দ্ধদৃষ্টি করিও, মাথা তুলিও; কেননা তোমাদের মুক্তি সন্নিকট” (লূক ২১:২৮)|

৩ নং গানটির, দ্বিতীয় স্তবকটি করুন!

তখন রাত্রি গভীর ছিল, পাপ আমাদের বিরুদ্ধে জাগ্রত;
     দুঃখের বোঝা কঠিন আমরা বহন করি;
কিন্তু এখন আমরা দেখি তাঁর আগমনের চিহ্ন;
     আমাদের হৃদয় আমাদের অন্তরে উজ্জ্বল, আনন্দের পেয়ালা উথলে পড়ছে!
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
     মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য, সেই একই যীশু;
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
     ক্ষমতা এবং গৌরবের সঙ্গে, তিনি আবার আসছেন!
(“He Is Coming Again” by Mabel Johnston Camp, 1871-1937)|

২| দ্বিতীয়, তাড়নার চিহ্নসকল |

যীশু বলেছেন,

“সেই সময়ে লোকেরা ক্লেশ দিবার জন্য তোমাদিগকে সমর্পণ করিবে, ও তোমাদিগকে বধ করিবে: আর আমার নাম প্রযুক্ত সমুদয় জাতি তোমাদিগকে দ্বেষ করিবে| আর তৎকালে অনেকে বিঘ্ন পাইবে, একজন অন্যকে সমর্পণ করিবে, একজন অন্যকে দ্বেষ করিবে” (মথি ২৪:৯-১০)|

“তখন ভ্রাতা ভ্রাতাকে, ও পিতা সন্তানকে মৃত্যুতে সমর্পণ করিবে; এবং সন্তানেরা আপন আপন মাতা পিতার বিপক্ষে উঠিয়া, তাহাদিগকে বধ করাইবে| আর আমার নাম প্রযুক্ত তোমরা সকলের ঘৃণিত হইবে: কিন্তু যে কেহ শেষ পর্যন্ত স্থির থাকিবে, সেই পরিত্রাণ পাইবে” (মার্ক ১৩:১২-১৩)|

পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে এই মুহূর্তে ভয়ানক তাড়না হচ্ছে| এই সব ঘটনার বিষয়ে পড়ার জন্য ক্লিক করুন www.persecution.com এই ওয়েব সাইটে| ISIS নামের সংস্থাটি হাজার হাজার খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের হত্যা করছে| তাদের আনুষ্ঠানিক লক্ষ্য হল সমগ্র পৃথিবী থেকে খ্রীষ্ট ধর্ম্ম বিলুপ্ত করে দেওয়া! এমনকী এখন এই পাশ্চাত্য জগতেও খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের উপরে আরো বেশি করে কৌশলী চাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে| বিশ্বস্ত পালকেরা সেই সমস্ত লোকেদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে যারা মন্ডলীগুলিতে ভাঙ্গন ধরাচ্ছে| পিতা মাতারা খ্রীষ্ট বিশ্বাসী হওয়ার জন্য নিজেদের সন্তানদের তাড়না করছে| এবং সেটা দেখা খুবই বেদনাদায়ক হয়ে পড়ছে যে কিছু লোক তাদের বৃদ্ধ পিতা মাতা যারা আন্তরিকভাবেই খ্রীষ্ট বিশ্বাসী তাদের সঙ্গে কিরকম ব্যবহার করছেন! তাদের মধ্যে অনেকেই বাস্তবিকপক্ষে না হলেও কার্যত গৃহবন্দি, এবং সম্পূর্ণ একাকী অবস্থায় তাদের রাখা হয়েছে, এমনকী তাদের অখ্রীষ্টীয় সন্তানেরা কখনও তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন না| অনেক পালক আমাকে বলেছেন যে তারা এইরকম মনে করছেন যে এমনকী আমেরিকার খ্রীষ্ট বিশ্বাসীরাও খুব তাড়াতাড়ি আরও বড় মাপের তাড়নার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চলেছে| কিন্তু মনে রাখবেন, যীশু বলেছেন,

“ধন্য তোমরা, যখন লোকে মনুষ্যপুত্রের নিমিত্ত, তোমাদিগকে দ্বেষ করে, আর যখন তোমাদিগকে পৃথক করিয়া দেয়, ও নিন্দা করে, এবং তোমাদের নাম মন্দ বলিয়া দূর করিয়া দেয়| সেইদিন আনন্দ করিও, ও নৃত্য করিও: কেননা, দেখ, স্বর্গে তোমাদের পুরষ্কার প্রচুর: কেননা তাহাদের পিতৃপুরুষেরা ভাববাদিগণের প্রতি তাহাই করিত” (লূক ৬:২২-২৩)|

আবার সেই গানটি করুন – ৩ নং গানটি – গানটির সেই দ্বিতীয় স্তবক!

তখন রাত্রি গভীর ছিল, পাপ আমাদের বিরুদ্ধে জাগ্রত;
দুঃখের বোঝা কঠিন আমরা বহন করি;
কিন্তু এখন আমরা দেখি তাঁর আগমনের চিহ্ন;
আমাদের হৃদয় আমাদের অন্তরে উজ্জ্বল, আনন্দের পেয়ালা উথলে পড়ছে!
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য, সেই একই যীশু;
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
ক্ষমতা এবং গৌরবের সঙ্গে, তিনি আবার আসছেন!

৩| তৃতীয়, বিশ্বব্যাপী সুসমাচার প্রচারের চিহ্ন |

লক্ষ্য করুন যে কি আশ্চর্যজনকভাবে এই উৎসাহদায়ক চিহ্ন আকষ্মিকভাবে আবির্ভূত হচ্ছে, এই সমস্ত ভয়ঙ্কর চিহ্নের মধ্যে| আমি মথি ২৪:৯-১৪ পাঠ করার সময়ে অনুগ্রহ করে উঠে দাঁড়ান|

“সেই সময়ে লোকেরা ক্লেশ দিবার জন্য তোমাদিগকে সমর্পণ করিবে, ও তোমাদিগকে বধ করিবে: আর আমার নাম প্রযুক্ত সমুদয় জাতি তোমাদিগকে দ্বেষ করিবে| আর তৎকালে অনেকে বিঘ্ন পাইবে, একজন অন্যকে সমর্পণ করিবে, একজন অন্যকে দ্বেষ করিবে| আর অনেক ভাক্ত ভাববাদী উঠিয়া, অনেককে ভুলাইবে| আর অধর্ম্মের বৃদ্ধি হওয়াতে অধিকাংশ লোকের প্রেম শীতল হইয়া যাইবে| কিন্তু যে কেহ শেষ পর্যন্ত স্থির থাকিবে, সেই পরিত্রাণ পাইবে| আর সর্ব্ব জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে“ (মথি ২৪:৯-১৪)|

আপনারা এবার বসতে পারেন|

এই স্বর্গরাজ্যের সুসমাচার” হচ্ছে সাধারনভাবে “সেই সুসমাচার” যা মার্ক ১৩:১০ পদে লিখিত আছে, যার মধ্যে বলা হয়েছে, “এবং সেই সুসমাচার অবশ্যই অগ্রে সর্ব্ব জাতির কাছে প্রকাশিত [প্রচারিত] হওয়া আবশ্যক|” এই ধর্ম্মভ্রষ্টতা এবং তাড়নার মধ্যে, আকষ্মিকভাবে খ্রীষ্ট বলেছেন সেই সুসমাচার সমগ্র জগতের মাঝে প্রচার করা যাইবে, “আর তখন শেষ সময় উপস্থিত হইবে” (মথি ২৪:১৪)|

কী এক ভাববাণী! আমাদের এই সময়ে পৃথিবীতে খুব কম জায়্গা আছে যেখানে সুসমাচার শুনতে পাওয়া যায় না| ইন্টারনেট, রেডিও, শর্ট ওয়েভ, স্যাটেলাইট, এবং হাজার হাজার মিশনারীদের মাধ্যমে – বর্তমানে সুসমাচারকে বিশ্ব-ব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে! মথি ২৪:১১-১৪ পদগুলি আমাদের প্রজন্মে পরিপূর্ণ হয়েছে! এটা কেমন অদ্ভূত ব্যাপার দেখুন, যেখানে পাশ্চাত্য দেশে মন্ডলীগুলি তাদের দরজা এবং এমনকী সান্ধ্য সভার কাজও বন্ধ করে দিচ্ছে, সেখানে তৃতীয় বিশ্বে – চিন, দক্ষিনপূর্ব এশিয়া, হোমঙ জাতি, এবং ভারতবর্ষের অস্পৃশ্য লোকেদের মধ্যে সুসমাচার প্রচারের বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে! ধর্ম্মভ্রষ্টতা এবং উদ্দীপনা – একই সঙ্গে চলছে – ঠিক যেমন যীশু ভবিষ্যবাণী করেছিলেন! কি অদ্ভূত এক হেঁয়ালী! তবুও একেবারে ঠিক সেইরকমটাই ঘটছে, যেমনটা ঘটবে বলে যীশু ভবিষ্যবাণী করেছিলেন!

“আর সর্ব্ব জাতির কাছে সাক্ষ্য দিবার নিমিত্ত রাজ্যের এই সুসমাচার সমুদয় জগতে প্রচার করা যাইবে; আর তখন শেষ উপস্থিত হইবে” (মথি ২৪:১৪)|

হালেল্লুইয়া! যীশু আসছেন! আবার এই গানটি করুন!

তখন রাত্রি গভীর ছিল, পাপ আমাদের বিরুদ্ধে জাগ্রত;
   দুঃখের বোঝা কঠিন আমরা বহন করি;
কিন্তু এখন আমরা দেখি তাঁর আগমনের চিহ্ন;
   আমাদের হৃদয় আমাদের অন্তরে উজ্জ্বল, আনন্দের পেয়ালা উথলে পড়ছে!
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   মানুষের দ্বারা ত্যাজ্য, সেই একই যীশু;
তিনি আবার আসছেন, তিনি আবার আসছেন,
   ক্ষমতা এবং গৌরবের সঙ্গে, তিনি আবার আসছেন!

আপনি কী খ্রীষ্টকে জানেন? যখন তিনি আসবেন আপনি কী প্রস্তুত থাকবেন? আপনি কী মন পরিবর্তন করেছেন? আপনি যদি হারিয়ে গিয়ে থাকেন তবে “পুনঃউৎসর্গ” আপনাকে কোন সাহায্য করবে না| কেউ কেউ বলেন যে অপব্যয়ী পুত্রের মতন, তারা খ্রীষ্টের কাছে ফিরে আসছেন| কিন্তু বাইবেল কখনও বলে না যে অপব্যায়ী পুত্র কোনদিন পরিত্রাত হয়েছিল, পশ্চাদপদ হয়েছিল, এবং তারপর তার জীবন পুনঃউৎসর্গ করেছিল| না! বাইবেল সরলভাবে বলছে যে তিনি হারিয়ে গিয়েছিলেন! তাঁর নিজের পিতা বলেছেন,

“কারণ আমার এই পুত্র মরিয়া গিয়াছিল, এখন বাঁচিল; হারাইয়া গিয়াছিল, এখন পাওয়া গেল” (লূক ১৫:২৪)|

আপনি হারিয়ে গিয়েছেন এই দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আপনি অবশ্যই খ্রীষ্টের কাছে আসবেন! মহান সুসমাচার প্রচারক জর্জ হোয়াইটফিল্ড (১৭১৪-১৭৭০) রচিত “The Method of Grace” পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন|

যদি আপনার দৃঢ় প্রত্যয় না থাকে যে আপনি হারিয়ে গিয়েছেন, তাহলে আপনি খ্রীষ্টের কাছে আসবেন না| শুধুমাত্র আপনিই তাঁকে বিশ্বাস করতে পারবেন না| আপনি প্রকৃত মন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা লাভ করবেন না, এবং খ্রীষ্টের রক্তের দ্বারা আপনি আপনার কৃত পাপ থেকে শুচি হবেন না, অথবা খ্রীষ্টের পুনরুত্থানের মাধ্যমে নবজন্ম প্রাপ্ত হবেন না|

হে ঈশ্বর, এমন করে আমরা প্রার্থনা করছি যাতে কিছু হারানো আত্মা, এই পান্ডুলিপিটি পড়ে অথবা শুনে, অথবা ইউটিউব বা আমাদের ওয়েবসাইটে আমি যে এটা প্রচার করছি সেটা দেখে, নিজেদের কৃত পাপের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবে এবং আপনার পুত্র যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস স্থাপন করবে| আমেন|

যদি এই প্রচার আপনাকে আশীর্বাদ দান করেছে তবে অনুগ্রহ করে ডঃ হাইমার্সকে একট ই-মেল পাঠান এবং তাকে বলুন – rlhymersjr@sbcglobal.net (এখানে ক্লিক করুন)| আপনি যে কোন ভাষায় ডঃ হাইমার্সকে চিঠি লিখতে পারেন, কিন্তু যদি আপনি পারেন তো ইংরাজিতেই লিখুন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রধুম্মে: মার্ক ১৩:১-১৩ |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“Jesus is Coming Again” (by John W. Peterson, 1921-2006) |


খসড়া চিত্র

খ্রীষ্টের দ্বিতীয় আগমনের চিহ্নসকল

SIGNS OF CHRIST’S SECOND COMING

লেখক : ডঃ আর এল হাইমার্স, জুনিয়র।

“বলুন দেখি, এই সকল ঘটনা কখন হইবে? আর আপনার আগমনের, এবং যুগান্তের চিহ্ন কী?” (মথি ২৪:৩)|

(মথি ২৪:১-২; লূক ২১:২০-২৪; মথি ২৪:১৪, ৩৬)

১| প্রথম, মন্ডলীর মধ্যের চিহ্নসকল, মথি ২৪:৪-৫; ১ম তীমথিয় ৪:১;
২য় করিন্থীয় ১১:৪; ১ম যোহন ৪:৩; লূক ২৪:৩৯; মথি ২৪:২৪;
২য় করিন্থীয় ১১:১৩-১৫; ২য় তীমথিয় ৪:৩-৪;
২য় থিষলনীকীয় ২:৩; মথি ২৪:১২; প্রেরিত ২:৪৬-৪৭;
লূক ১৮:১-৮; ২১:২৮; ২য় পিতর ৩:৩-৪; মথি ২৫:৫ |

২| দ্বিতীয়, তাড়নার চিহ্নসকল, মথি ২৪:৯-১০; মার্ক ১৩:১২-১৩;
লূক ৬:২২-২৩ |

২| তৃতীয়, বিশ্বব্যাপী সুসমাচার প্রচারের চিহ্ন, মথি ২৪:৯-১৪;
মার্ক ১৩:১০; লূক ১৫:২৪ |