Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




মহান ঈশ্বর – শক্তিমান এবং ভয়ঙ্কর!

A GREAT GOD – MIGHTY AND TERRIBLE!
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর এল হাইমার্স, জুনিয়র।
by Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৫ সালের, ১১ই জানুয়ারী, সদাপ্রভুর একটি দিনে সকালবেলায় লস্ এঞ্জেলসের
ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাকল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord's Day Morning, January 11, 2015

“ঈশ্বর নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি, আবার শিক্ষার জন্য উপকারী…” (২য় তীমথি ৩:১৬)|


যখন আমরা বাইবেল খুলি তখন আমরা পড়ি ঈশ্বরের আত্মপ্রকাশ| আমি ডঃ ডব্লিউ. এ. ক্রিস্ওয়েল (১৯০৯-২০০২) এর বক্তব্য শব্দান্তরে প্রকাশ করছি – আমরা অধ্যয়ণ এবং পর্যবেক্ষণের সাহায্যে অনেক কিছু শিখতে পারি| আমরা মাটি এবং বীজ, গাছ এবং ফল, জল এবং খনিজ পদার্থ, মাছ এবং গবাদি পশু, অভিকর্ষের শক্তি এবং নক্ষত্রের গতি ইত্যাদি সবকিছু সম্বন্ধে শিখতে পারি| পড়াশোনা এবং পর্যবেক্ষণ দ্বারা আমরা প্রকৃতির অনেক কিছুই জানতে পারি| কিন্তু বাস্তবতার পিছনে কি থাকে? এই প্রাকৃতিক জগতে আমরা যা যা অধ্যয়ণ ও পর্যবেক্ষণ করতে পারি তার বাইরে প্রকৃতপক্ষে বাস্তব আর কি আছে? জীবনের অর্থ এবং উদ্দেশ্য কী? আমরা কখনো এইসব বিষয়গুলি অধ্যয়ণ ও পর্যবেক্ষণের দ্বারা শিখতে পারি না| তিনি কে যিনি এই পৃথিবী এবং নক্ষত্র এবং বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন? যুক্তি আর পর্যবেক্ষণ এবং অধ্যয়ণ কেবল সেইটুকুই যেতে পারে| কিন্তু আমরা যা বাহ্যিক এবং প্রাকৃতিক তার বাইরে যেতে পারি না| আমাদের দেখার এবং অনুভব করার এবং ঘ্রাণ নেওয়ার এবং কানে শোনার বাইরেও যেসব অর্থ লুকিয়ে আছে – আমরা সেটা শিখতে পারি না|

আমরা অনন্তকালের জন্য নক্ষত্রদের তাকিয়ে থাকতে পারি এবং এই সিদ্বান্তে উপনীত হই যে সেগুলিকে যিনিই সৃষ্টি করে থাকুন না কেন তিনি ছিলেন মহান এবং সর্ব-শক্তিমান| কিন্তু তাঁর নাম কী? তিনি দেখতে কেমন? তিনি কী আমাদের চেনেন? তিনি কী আমাদের নাম ধরে ডাকেন? আমরা চিরকাল ধরে নক্ষত্রের বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারি কিন্তু আমরা তাঁকে কখনই জানি না|

আমরা সূর্যাস্তের সৌন্দর্য্য, বাগানের সুন্দর গাছ্গুলির সৌন্দর্য্য, মাটি থেকে বেড়ে ওঠা ফুলের সৌন্দর্য্যগুলি উপভোগ করতে পারি| প্রকৃতির সমস্ত সৌন্দর্য্য আমরা উপভোগ করতে পারি| আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে যিনি এইসব সৃষ্টি করেছিলেন তিনি সৌন্দর্য্য এবং সমন্বয় এবং রঙ ভালবাসতেন| কিন্তু তিনি কে? তিনি দেখতে কেমন? আমরা রামধনু ও মেঘ, গ্রান্ড ক্যানিয়নে রঙের আলোছায়া খেলা এবং আরিজোনা প্রান্তরের চমৎকার ঝলমলে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পেরেছি| আমরা এইসব অনন্তকালের জন্য উপভোগ করতে পেরেছি এবং কখনই তাঁকে জানতে পারিনি|

আমরা আমাদের নিজেদের দিকে দেখতে পারি| আমরা পৃথিবীর সংষ্কৃতির বিষয়ে অধ্যয়ণ করতে পারি| সমাজবিদ্যা ও নৈতিকতা বিষয়ে অধ্যয়ণ করে, আমরা সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে মানবজাতিকে যিনি সৃষ্টি করেছিলেন তাঁর শৃঙ্খলা এবং নৈতিকতার বোধ ছিল| কিন্তু তিনি কে এবং তাঁর নাম কী? তিনি কী আমাদের চেনেন? কিভাবে এমন হয় যে ঈশ্বর আমাদের এইভাবে সৃষ্টি করেছিলেন? এইসব বিষয়গুলি সম্পূর্ণভাবে মানুষের থেকে লুকানো আছে| আত্ম-উন্মোচন এবং ঈশ্বরের আত্ম-প্রকাশের দ্বারাই এই সমস্ত বিষয়গুলি কেবলমাত্র জানতে পারা যায়| ঈশ্বর যদি নিজেকে প্রকাশ না করেন, তাহলে আমরা কখনই তাঁকে জানতে পারি না (adapted from “The Self-Revelation of God” by W. A. Criswell, Ph.D.)|

কিন্তু ঈশ্বর আমাদের কাছে নিজেকে প্রকাশ করেছেন বাইবেলের মাধ্যমে| বাইবেল হল নষ্ট জগতে ঈশ্বরের আত্মপ্রকাশ| প্রেরিত পিতর যেমন বলেছেন, যে বাইবেল হল “অন্ধকারময় স্থানে দীপ্তিদেয়” (২য় পিতর ১:১৯)| অর্দ্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমি ধর্ম্মীয় বিষয়ে অধ্যয়ণ করেছি| আমাদের বলা হয়েছে যে পৃথিবীতে প্রায় ৬০০ ধর্ম্ম আছে| তার মধ্যে কোনটি সত্য? আমরা সেটা কিভাবে জানতে পারব? আমরা চিরকাল পৃথিবীতে প্রচলিত ধর্ম্মগুলি সম্বন্ধে পড়াশোনা করেছি এবং তাও আমরা এখনও তাঁকে জানি না| ঈশ্বরকে আমাদের প্রতি নিজেকে প্রকাশ করতে হয়েছিল| এবং তিনি ঠিক সেটাই করেছিলেন| ঈশ্বর বাইবেলের মধ্যে দিয়ে নিজেকে মানবরূপে প্রকাশ করেছিলেন, যা হল “ঈশ্বর নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি, আবার শিক্ষার জন্য উপকারী…” (২য় তীমথি ৩:১৬)| বাইবেল হল ঈশ্বর বিষয়ক জ্ঞানের একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস| বাইবেল ছাড়া, আমরা ঈশ্বরকে জানতে পারব না| আমরা জানতে পারব না যে ঈশ্বর হলেন এক ত্রয়ী| আমরা জানতে পারব না ঈশ্বরের সেইসব গুণাবলী যেমন – তাঁর সর্বত্র বিদ্যমানতা, তাঁর সর্বজ্ঞতা, তাঁর সর্বশক্তিমত্তা, তাঁর অপরিবর্তনীয়তা, তাঁর পবিত্রতা, তাঁর ধার্ম্মিকতা, তাঁর ন্যায়পরায়ণতা, তাঁর উত্তমতা, তাঁর সততা| এইগুলি হল সেই সমস্ত বিষয় যা আমরা কখনই ঈশ্বরের সম্বন্ধে জানতে পারতাম না যদি না তিনি সেইগুলিকে বাইবেলের মাধ্যমে আমাদের কাছে না প্রকাশ করতেন| প্রকৃত ঈশ্বর সম্বন্ধে আমরা যা কিছু জানি তা সবই জেনেছি বাইবেল থেকে কারণ,

“ঈশ্বর নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি, আবার শিক্ষার জন্য উপকারী…” (২য় তীমথি ৩:১৬)|

ঈশ্বর, যিনি পাপের শাস্তি দেন, তার বিষয়ে তখন আমরা কি বলব? ডঃ জর্জ বাটট্রিক, যিনি ছিলেন দ্য ইন্টারপ্রেটর বাইবেল এর বাইবেল-অস্বীকারকারী সম্পাদক, বলেছিলেন, “ঐ ঈশ্বর হন আমার দিয়াবল|” তিনি বলেছিলেন যে বাইবেলের ঈশ্বর ছিলেন “দিয়াবল|” রবার্ট ইনজারসোল বাইবেলের ঈশ্বরকে “এই শয়তানতুল্য ঈশ্বর” নামে অভিহিত করেছেন, এবং বলেছেন, “আমি তাকে ঘৃণা করি|” যিনি পাপের শাস্তি প্রদান করেন সেই ঈশ্বরকে ঘৃণা করার কথা ছাত্ররা প্রায়শই তাদের কলেজের অধ্যাপকদের মুখ থেকে শুনতেন| কিন্তু জর্জ বাটট্রিকের কাছে নিজের প্রতিকূল ধারণা ছাড়া ঈশ্বরের বিচারকে অস্বীকার করার মতন আর কোন যুক্তিভিত্তি ছিল না| নিজের প্রতিকূল ধারণা ছাড়া ইনজারসোলের কাছেও ঈশ্বরকে “শয়তানতুল্য” বলে ডাকার আর কোন ভিত্তি ছিল না| এবং আপনার কলেজের অধ্যাপকদের কাছেও তাদের নিজস্ব সংষ্কার ছাড়া পাপের শাস্তি প্রদান করেন যে ঈশ্বর তাকে অস্বীকার করার পিছনে আর কোন যুক্তিবোধ নেই|

আমরা কিভাবে জানব যে তারা ভুল? এবং তারা ঈশ্বরের বিষয়ে যা জেনেছেন তার চাইতেও বেশি আমরা জানব কিভাবে? এর উত্তর আমাদের পাঠ্যাংশের মধ্যে দেওয়া আছে,

“ঈশ্বর নিশ্বসিত প্রত্যেক শাস্ত্রলিপি, আবার শিক্ষার জন্য উপকারী…” (২য় তীমথি ৩:১৬)|

বাইবেলের সমস্ত ইব্রীয় এবং গ্রীক শব্দগুলি দেওয়া হয়েছে থিওপিনিউটস’এর দ্বারা (অনুপ্রাণিত, ‘ঈশ্বর-নিশ্বসিত’) এবং এগুলি উপকারী (অপহিলিমস্ – ব্যবহারযোগ্য) শিক্ষার জন্য (ডিডাস্কলিয়ান – নির্দেশ, শিক্ষা)| জার্মান পন্ডিত ডঃ ফ্রিট্জ রেইনেক্কার বলেছিলেন, “সেই লেখা [শাস্ত্রের লেখা হইল] ঈশ্বর নিশ্বসিত…পন্ডিতসুলভ শিক্ষা এইরকম ছিল যে ঈশ্বরের আত্মা ভাববাদীগণের উপর এবং অন্তরে বিরাজ করিয়াছিল এবং তাহাদের মাধ্যমে বলিয়াছিল যাহাতে তাহাদের বাক্যগুলি তাহাদের নিজেদের মধ্য হইতে আসে নাই, উপরন্তু ঈশ্বরের মুখ হইতে আসিয়াছিল এবং পবিত্র আত্মার দ্বারা তাহার বলিয়াছিলেন ও লিখিয়াছিলেন| প্রাচীন মন্ডলী সম্পূর্ণভাবে [পরিপূর্ণভাবে] এই দৃষ্টিভঙ্গীর সহিত একমত প্রকাশ করিয়াছিল” (Fritz Rienecker, Ph.D., A Linguistic Key to the Greek New Testament, translated from the German by Cleon L. Rogers, Jr.; note on II Timothy 3:16)|

সেইজন্য বাইবেল হল মৌখিক অনুপ্রাণিত ঈশ্বরের বাক্যের যথাযথ ভান্ডার; প্রতিটি ইব্রীয় এবং গ্রীক বাক্য উচ্চারিত হয়েছে “ঈশ্বরের মুখ হইতে” তাঁর নিজস্ব বাক্য! ঈশ্বরের সম্বন্ধে আমরা যা কিছুই জানতে চাইব তার সব অবশ্যই আসবে বাইবেল থেকে, এবং অন্য কোনখান থেকে নয়| যেমনভাবে লুথার উপস্থাপন করেছেন, “শুধুমাত্র শাস্ত্র” – বাইবেল একমাত্র হল আমাদের বিশ্বাস এবং শিক্ষার উৎস| ডঃ মার্টিন লয়েড-জোনস্ বলেছেন, “সেখানে কেবল দুইটি চূড়ান্ত অবস্থান আছে; হয় আমরা বাইবেলকে নির্ভরযোগ্য হিসাবে শ্রদ্ধা করিব, নয়ত আমরা মানবজাতির ধারণাকে বিশ্বাস করিব… বাইবেলের সমগ্র ঘটনা এই যে ইহা হইল ঈশ্বরের অনুপম প্রকাশ” (Fellowship with God, Crossway Books, 1993, p. 104)| সেইজন্য যখন লোকেরা বলে, “ইহা আপনার মতামত” – তার উত্তরে আমি বলি, “না, ইহা আমার মতামত নহে, ইহা হইতেছে বাইবেলের মতামত, ঈশ্বরের বাক্যের সাধারন তত্ত্বগত শিক্ষা|” তখন তারা বলেন, “কিন্তু আপনি কিভাবে ইহার অনুবাদ করিবেন?” আমি বলি, “যেমনভাবে আমি খবরের কাগজ অনুবাদ করি ঠিক সেইভাবে – ইহা যাহা বলিতেছে তাহাই ইহার অর্থ|”

হারানো লোকেরা এটা পছন্দ করে না| আপনি কী জানেন যে কেন? এটা এই কারণে যে তারা দিয়াবলের কথা শুনছেন| আমাদের আদি মাতাকে দিয়াবল বিভ্রান্ত করে দিয়েছিল এই কথা বলে যে ঈশ্বর যা বলেছেন প্রকৃতপক্ষে তিনি সেটা বোঝাতে চাইছেন না (আদিপুস্তক ৩:১-৫)| ঈশ্বরের বাক্য হল সেই যা মানুষের পতন এবং মানবজাতির ধ্বংস বহন করে এনেছে, এই ধারণা আপনি বিশ্বাস করতে পারেন না! ঈশ্বর আমাদের সাহায্য করুন! প্রকৃত ঈশ্বর সম্পর্কে আমরা যা কিছু জেনেছি তার সবই এসেছে শুধুমাত্র বাইবেল থেকে| লক্ষ্য করুন যে আমি বলেছি, “প্রকৃত ঈশ্বর সম্পর্কে আমরা যা কিছু জেনেছি…” তার সবই আসে শুধুমাত্র বাইবেল থেকে| কোরান থেকে নয়| মরমনের বই থেকে নয়| মারী বেকার ইড্ডির বিজ্ঞান এবং স্বাস্থ্য বই থেকে নয়, কাটা ছেঁড়া করে অঙ্গহানি করা, ও ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলভাবে অনুবাদিত, জিহোবা’র সাক্ষ্য বাইবেল থেকে নয়| প্রকৃত ঈশ্বর সম্বন্ধে আমরা যা কিছু জানি তা সব শুধুমাত্র বাইবেল থেকে এসেছে| এখন, ঈশ্বরের বিষয়ে বাইবেল কি বলছে? বর্তমানে লোকেরা ঈশ্বরের বিষয়ে যা বলে তার সঙ্গে বাইবেল তাঁর বিষয়ে যা বলে তার অনেক পার্থক্য আছে| সাধারন গড়-পড়তা মানুষেরা ঈশ্বরের বিষয়ে দুইটি জিনিষের মধ্যে একটির চিন্তা করেন| হয় তারা চিন্তা করে,


১| যে ঈশ্বরের কোন অস্তিত্ব নাই, অথবা

২| ঈশ্বর হলেন শুধুমাত্র এক প্রেমময় ঈশ্বর, এবং তিনি কখনও পাপের শাস্তি দেন না|


কিন্তু ঐ দুটি ধারণার কোনটাই বাইবেল থেকে আসেনি| দুটো ধারণাই মানুষের থেকে এসেছে, এবং এরা প্রকৃত ঈশ্বরের ব্যাখ্যা দেয় না|

হ্যাঁ, বাইবেল শিক্ষা দেয় যে, তিনি হলেন এক প্রেমের ঈশ্বর (১ম যোহন ৪:১৬)| কিন্তু আবার ঈশ্বর হলেন এক বিচারেরও ঈশ্বর| বাইবেলে তাঁর ভালবাসার তুলনায় ক্রোধ এবং বিচারের ঈশ্বরকে প্রায়ই আরো বেশি করে উল্লেখ করা হয়েছে| ডঃ লয়েড-জোনস্ বলেছেন, “যদি আপনি বিচারের ধারণাকে বাইবেলের বাইরে নিয়ে যান তবে আপনার জন্য বাইবেলে খুব অল্পই আর বাকি থাকবে” (The Heart of the Gospel, Crossway Books, 1991, p. 98)| অন্য আর একটি জায়্গায়, ডঃ লয়েড-জোনস্ বলেছেন, “সেইসব লোক যারা ঈশ্বরের ক্রোধের তত্ত্ব বিশ্বাস করেন না তাদের চূড়ান্ত সমস্যা হল এই যে তারা বাইবেলভিত্তিক ঈশ্বরের প্রকাশকে বিশ্বাস করেন না| তারা তাদের নিজেদের সৃষ্ট এক ঈশ্বরকে পেয়েছেন” (God’s Sovereign Purpose (Romans 9), The Banner of Truth Trust, 1991, p. 212)|

ঈশ্বরের ক্রোধ, এবং ঈশ্বরের বিচার হল সেই তত্ত্ব যা বাইবেলের সর্বত্র দেখা যায়, পুরানো ও নতুন নিয়ম উভয়ের মধ্যেই| গতসপ্তাহে আমি মহাপ্লাবনের মধ্যে ঈশ্বরের বিচারের কথা পড়েছি|

“আর সদাপ্রভু কহিলেন, আমি যে মনুষ্যকে সৃষ্টি করিয়াছি তাহাকে ভূমন্ডল হইতে উচ্ছিন্ন করিব” (আদিপুস্তক ৬:৭)|

“আর তখন ঈশ্বর নোহকে কহিলেন, আমার গোচরে সকল প্রাণীর অন্তিমকাল উপস্থিত; কেননা তাহাদের দ্বারা পৃথিবী দৌরাত্ম্যে পরিপূর্ণ হইয়াছে; আর, দেখ, আমি পৃথিবীর সহিত তাহাদিগকে বিনষ্ট করিব” (আদিপুস্তক ৬:১৩)|

“আর এইরূপে ভূমন্ডল নিবাসী সকল প্রাণী, মনুষ্য, পশু, সরীসৃপ জীব, ও আকাশীয় পক্ষীসকল উচ্ছিন্ন হইল; আর তাহারা পৃথিবী হইতে উচ্ছিন্ন হইল: কেবল নোহ, এবং তাহার সঙ্গী জাহাজস্থ প্রাণীরা বাঁচিলেন” (আদিপুস্তক ৭:২৩)|

এই হল বিচারের ঈশ্বর! আবার আমি সদোম ও ঘমোরার বিচারের বিষয়ে পড়েছিলাম,

“এমন সময়ে সদাপ্রভু আপনার নিকট হইতে গগন হইতে সদোম ও ঘমোরার উপর গন্ধক ও অগ্নি বর্ষাইয়া; সেই সমুদয় নগর, সমস্ত অঞ্চল, নগর নিবাসী সকল লোক, ও সেই ভূমিতে জাত সমস্ত বস্তু উৎপাটন করিলেন” (আদিপুস্তক ১৯:২৪-২৫)|

এই হল বিচারের ঈশ্বর! তারপর আমি মিশরীয়দের উপর ঈশ্বরের ভয়ঙ্কর বিচারের বিষয়ে পড়েছিলাম – ইব্রীয় লোকেদের মুক্তি দিতে অস্বীকার করার জন্য কিভাবে ঈশ্বর তাদের বিচার করেছিলেন,

“পরে অর্দ্ধরাত্রে এই ঘটনা হইল যে, সদাপ্রভু সিংহাসনে উপবিষ্ট ফরৌনের প্রথমজাত সন্তান অবধি, কারাকূপস্থ বন্দীর প্রথমজাত সন্তান পর্যন্ত্য মিশর দেশস্থ সমস্ত প্রথমজাত সন্তানকে; আর পশুদের প্রথমজাত শাবকগণকে বিহনন করিলেন| আর তাহাতে ফরৌন, নিজে, এবং তার সমস্ত দাসগণ, এবং সমস্ত মিশরীয়গণ রাত্রিতে জাগিলেন; আর মিশরে মহাক্রন্দন হইল; কেননা যে ঘরে কেহ মরে নাই এমন ঘরই ছিল না” (যাত্রাপুস্তক ১২:২৯-৩০)|

এই হল বিচারের ঈশ্বর! তারপর আমি হরোনের ছেলে, নাদব ও অবিহুর বিচারের বিষয়ে পড়েছিলাম,

“আর হরোনের পুত্রদ্বয়, নাদোব ও অবিহু, আপন আপন অঙ্গারদানী লইয়া, তাহাতে অগ্নি রাখিল, ও তাহার উপরে ধূপ দিয়া, সদাপ্রভুর সন্মুখে তাঁহার আজ্ঞার বিপরীতে, ইতর অগ্নি উৎসর্গ করিল| আর তাহাতে সদাপ্রভুর সন্মুখ হইতে অগ্নি নির্গত হইল, আর তাহাদিগকে গ্রাস করিল, আর তাহারা সদাপ্রভুর সন্মুখে প্রাণত্যাগ করিলেন” (লেবীয় পুস্তক ১০:১-২)|

এই হল বিচারের ঈশ্বর! তারপর আমি এক ব্যক্তির বিষয়ে পড়েছিলাম যিনি নিয়মভঙ্গ করে বিশ্রামের দিনে কাঠ সংগ্রহ করেছিলেন,

“পরে সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন, সেই ব্যক্তির প্রাণদন্ড অবশ্যই হইবে: সমস্ত মন্ডলী তাহাকে শিবিরের বাহিরে প্রস্তরাঘাতে বধ করিবে| আর পরে মোশির প্রতি সদাপ্রভুর আজ্ঞানুসারে, সমস্ত মন্ডলী তাহাকে শিবিরের বাহিরে লইয়া গিয়া, প্রস্তরাঘাত করিল; তাহাতে সে মরিয়া গেল” (গণনাপুস্তক ১৫:৩৫-৩৬)|

এই হল বিচারের ঈশ্বর! এরপর আমি কোরাহ, এবং যারা তাকে অনুসরণ করে মোশির বিরুদ্ধাচারণ করেছিলেন তাদের বিষয়ে পড়েছিলাম,

“পরে, মোশির এই সমস্ত কথা সমাপ্ত হইবামাত্র, তাহাদের অধঃস্থিত ভূমি বিদীর্ণ হইল: আর পৃথিবী আপন মুখ বিস্তার করিয়া, তাহাদিগকে, তাহাদের পরিজনকে, আর কোরাহের সপক্ষের সমস্ত লোককে, এবং তাহাদের সকল সম্পত্তি গ্রাস করিল| তাহাতে তাহারা, ও তাহাদের সমস্ত পরিজন, জীবদ্দশায় পাতালে নামিল, এবং পৃথিবী তাহাদের উপর চাপিয়া পড়িল: এইরূপে তাহারা সমাজের মধ্য হইতে লুপ্ত হইল| আর তাহাদের রবে তাহাদের চারিদিকের সমস্ত ঈস্রায়েল পলায়ন করিল: কেননা তাহারা বলিল, পাছে পৃথিবী আমাদেরও গ্রাস করে| আর সদাপ্রভু হইতে অগ্নি নির্গত হইয়া, যাহারা ধূপ নিবেদন করিয়াছিল সেই দুইশত পঞ্চাশজন লোককে গ্রাস করিল” (গণনাপুস্তক ১৬:৩১-৩৫)|

এই হল বিচারের ঈশ্বর! তারপর দ্বিতীয় বিবরণী পুস্তকে আমি পড়েছিলাম,

“কেননা তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুই ঈশ্বরগণের ঈশ্বর, আর প্রভুদের প্রভু, তিনিই মহান ঈশ্বর, বীর্য্যবান, ও ভয়ঙ্কর ঈশ্বর, তিনি কাহারও মুখাপেক্ষা করেন না, ও উৎকোচ গ্রহণ করেন না” (দ্বিতীয় বিবরণ ১০:১৭)|

আর এরপর এটা বলছে,

“তুমি তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুকে ভয় করিবে; তাঁহারই সেবা করিবে” (দ্বিতীয় বিবরণ ১০:২০)|

এও হল প্রকৃত বিচারের ঈশ্বর|

এইগুলির সবই দেওয়া হয়েছে পঞ্চপুস্তকে, মোশির পাঁচটি বইতে| সেইগুলি হল শুধু শাস্ত্রের প্রথম পাঁচটি বইয়ে থাকা ঈশ্বরের বিচারের মাত্র কয়েকটি! সেখানে তাঁকে ডাকা হয়েছে “ঈশ্বরগণের ঈশ্বর, এবং প্রভুদের প্রভু, তিনিই মহান, এক বীর্য্যবান, এবং এক ভয়ঙ্কর ঈশ্বর…” (দ্বিতীয় বিবরণ ১০:১৭)|

এরপর ভাববাদী যিশাইয়ের মাধ্যমে ঈশ্বর বলেন, “আমি ক্রোধে তাহাদিগকে দলন করিলাম আর কোপভরে তাহাদিগকে মর্দ্দন করিলাম” (যিশাইয় ৬৩:৩)| ভাববাদী নহিমিয় তাঁকে বলেন, “মহান এবং ভয়ঙ্কর ঈশ্বর” (নহিমিয় ১:৫)| ভাববাদী দানিয়েল তাঁকে বলেছেন, “মহান এবং ভয়াবহ ঈশ্বর” (দানিয়েল ৯:৪)|

কিন্তু কেউ কেউ বলতে পারেন, “উহা হইতেছে পুরাতন নিয়মের ঈশ্বর| আমি নতুন নিয়মের ঈশ্বরে বিশ্বাস করি|” সেটা দেখায় যে আপনি নুতন নিয়মের বাইবেল সম্বন্ধে অজ্ঞ! নতুন নিয়মে আমরা পড়েছি, “জীবন্ত ঈশ্বরের হস্তে পতিত হওয়া এক ভয়ানক বিষয়” (ইব্রীয় ১০:৩১)| দ্বিতীয় করিন্থীয় ৫ম অধ্যায়ে, প্রেরিত পৌল বলেছেন, “অতএব প্রভুর ভয় কি তাহা জানাইতে, আমরা মনুষ্যদিগকে বুঝাইয়া লওয়াইতেছি|” এবং বাইবেলের মধ্যে বিচার এবং নরকের বিষয়ে প্রভু যীশু খ্রীষ্টের মতন আর কেউই এতটা বেশি বলেননি| খ্রীষ্ট বলেছেন,

“পরে ইহারা অনন্ত দন্ডে প্রবেশ করিবে” (মথি ২৫-৪৬)|

খ্রীষ্ট বলেছেন,

“আর তোমার চক্ষু যদি তোমার বিঘ্ন জন্মায়, তবে তাহা, উপড়াইয়া ফেলিয়া দেও: দুই চক্ষু লইয়া অগ্নিময় নরকে নিক্ষিপ্ত হওয়া অপেক্ষা, বরং একচক্ষু হইয়া জীবনে প্রবেশ করা তোমার পক্ষে ভাল” (মথি ১৮:৯)|

খ্রীষ্ট বলেছেন,

“মনুষ্যের পুত্র আপন দূতগণকে প্রেরণ করিবেন, আর তাহারা তাঁহার রাজ্য হইতে সমস্ত বিঘ্নজনক বিষয় ও অধর্ম্মাচারীদিগকে সংগ্রহ করিবেন, এবং ইহার পর; তাহাদিগকে অগ্নিকুন্ডে ফেলিয়া দিবেন: সেইস্থানে রোদন ও দন্তঘর্ষণ হইবে” (মথি ১৩:৪১-৪২)|

খ্রীষ্ট বলেছিলেন যে একজন অপরিত্রাণপ্রাপ্ত ধনী লোক নরকে গিয়েছিলেন,

“আর পাতালে, যাতনার মধ্যে, তিনি চক্ষু তুলিয়া দূর হইতে আব্রাহামকে, এবং তাহার কোলে লাসারকে দেখিতে পাইলেন| তাহাতে তিনি উচ্চস্বরে কহিলেন, পিতঃ আব্রাহাম, আমার প্রতি দয়া করুন, লাসারকে পাঠাইয়া দিউন, যাহাতে সে অঙ্গুলীর অগ্রভাগ জলে ডুবাইয়া, আমার জিহ্বা শীতল করে; কেননা এই অগ্নিশিখায় আমি যন্ত্রনা পাইতেছি” (লূক ১৬:২৩-২৪)|

এবং নতুন নিয়মের শেষ পুস্তক বলছে,

“তবে সেই ব্যক্তিও ঈশ্বরের সেই রোষ মদিরা পান করিবে, যাহা তাঁহার কোলের পানপাত্রে অমিশ্রিতরূপে প্রস্তুত হইয়াছে; এবং পবিত্র দূতগণের সাক্ষাতে, ও মেষশাবকের সাক্ষাতেও অগ্নিতে এবং গন্ধকে যাতনা পাইবে: তাহাদের যাতনার ধূম যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে উঠিতে থাকিবে: এবং তাহারা দিবা বা রাত্রিতে কখনই বিশ্রাম পায় না…” (প্রকাশিত বাক্য ১৪:১০-১১)|

না, আপনি নতুন নিয়মের আশ্রয় নিতে পারেন না! বাইবেলের সমস্ত অংশে, এর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত অবধি, ঈশ্বরকে উপস্থাপিত করা হয়েছে “এক মহান, বীর্য্যবান, ও ভয়ঙ্কর ঈশ্বর” হিসাবে” (দ্বিতীয় বিবরণ ১০:১৭)|

আপনার একমাত্র আশা এই যে আপনি প্রভু যীশু খ্রীষ্টতে বিশ্বাস স্থাপন করুন| ঈশ্বর তাঁকে পাঠিয়েছেন ক্রুশের উপরে মৃত্যু বরণ করার জন্য – আপনার পাপের দেনা শোধ করার জন্য, এবং তাঁর রক্তে আপনার পাপ ধৌত করার জন্য| ঈশ্বরের ক্রোধ এবং বিচার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সেখানে আর কোন পথ নেই! প্রেরিত পৌল বলেছিলেন, “প্রভু যীশু খ্রীষ্টতে বিশ্বাস কর, তাহাতে পরিত্রাণ পাইবে” (প্রেরিত ১৬:৩১)| বাইবেল বলছে, “তুমি সমগ্র চিত্তে সদাপ্রভুতে বিশ্বাস স্থাপন কর” (হিতোপদেশ ৩:৫)| আর প্রভু যীশু খ্রীষ্ট বলেছেন,

“যিনি বিশ্বাস করেন ও ব্যপ্তাইস্মিত হন তিনি পরিত্রাণ লাভ করেন; যিনি অবিশ্বাস করেন তাহার দন্ডাজ্ঞা করা যাইবে” (মার্ক ১৬:১৬)|

মিঃ গ্রিফিত, অনুগ্রহ করে “When I See the Blood” গানটির প্রথম ও দ্বিতীয় স্তবক এবং কোরাসটি গেয়ে শোনান|

খ্রীষ্ট আমাদের মুক্তিদাতা ক্রুশের উপর মরেছেন,
   পাপীর জন্য মরেছেন, তার সব দেনা শোধ করেছেন|
মেষশাবকের রক্তে তোমার আত্মা সিঞ্চিত,
   আমি অগ্রসর হব, অগ্রসর হব তোমার উপর হতে|
যখন আমি দেখি শোনিতে, যখন আমি দেখি শোনিতে,
   যখন আমি দেখি শোনিতে, আমি অগ্রসর হব, অগ্রসর হব তোমার উপর হতে|

পাপীদের মধ্যে অগ্রগণকে, যীশু উদ্ধার করবে;
   তিনি যা কিছু প্রতিজ্ঞা করেছেন, তা তিনি করবেন;
পাপের জন্য উন্মুক্ত উৎসে ধৌত,
   আর আমি অগ্রসর হব, অগ্রসর হব তোমার উপর হতে|
যখন আমি দেখি শোনিতে, যখন আমি দেখি শোনিতে,
   যখন আমি দেখি শোনিতে, আমি অগ্রসর হব, অগ্রসর হব তোমার উপর হতে|
(“When I See the Blood” by John G. Foote, 19th century)|

ডঃ চান, অনুগ্রহ করে আমাদের প্রার্থনায় পরিচালিত করুন| আমেন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রধুম্মে: প্রকাশিত বাক্য ১৪:৯-১১ |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
(“When I See the Blood” by John G. Foote, 19th century) |