Print Sermon

এই সমস্ত প্রচারের পান্ডুলিপি এবং ভিডিওগুলি এখন প্রতি মাসে 215টিরও বেশি দেশের প্রায় 116,000 কম্প্যুটারে www.sermonsfortheworld.com ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়| আরও শত শত লোক ইউ টিউবের ভিডিওর মাধ্যমে এগুলি দেখেন, কিন্তু খুব শীঘ্রই তারা ইউটিউব ছেড়ে বেরিয়ে যান, কারণ প্রত্যেকটি ভিডিও প্রচার তাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের দিকে পরিচালিত করে| ইউটিউব আমাদের ওয়েব সাইটে লোক এনে দেয়| প্রচারের এই পান্ডুলিপিগুলি প্রতি মাসে 34টি ভাষায় প্রচারিত হয় হাজার হাজার লোকের কাছে| প্রচারের এই সব পান্ডুলিপিগুলি গ্রন্থসত্ত্ব দ্বারা সংরক্ষিত নয়, কাজেই প্রচারকগণ আমাদের অনুমতি ছাড়াই এইগুলি ব্যবহার করতে পারেন| মুসলিম এবং হিন্দু রাষ্ট্রসমেত, সমগ্র পৃথিবীতে সুসমাচার ছড়িয়ে দেওয়ার এই মহান কাজে সাহায্য করার জন্য কিভাবে আপনি একটি মাসিক অনুদান প্রদান করতে পারেন তা জানতে অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন|

যখন আপনি ডঃ হেইমার্সকে লিখবেন সর্বদা তাকে জানাবেন যে আপনি কোন দেশে বাস করেন, অথবা তিনি আপনাকে উত্তর দিতে পারবেন না| ডঃ হেইমার্সের ই-মেল ঠিকানা হল rlhymersjr@sbcglobal.net |




উদ্দীপনার বিষয়ে ছয়টি আধুনিক ভ্রান্তি

(উদ্দীপনা সভার পঞ্চদশ প্রচার)
SIX MODERN ERRORS ABOUT REVIVAL
(SERMON NUMBER 15 ON REVIVAL)
(Bengali)

লেখক : ডঃ আর এল হাইমার্স, জুনিয়র।
By Dr. R. L. Hymers, Jr.

২০১৪ সালের, ১৬ই নভেম্বর, সদাপ্রভুর একটি দিনে সন্ধ্যাবেলায় লস্ এঞ্জেলসের ব্যাপটিষ্ট ট্যাবারন্যাকল মন্ডলীতে এই ধর্ম্মোপদেশটি প্রচারিত হয়েছিল
A sermon preached at the Baptist Tabernacle of Los Angeles
Lord's Day Evening, November 16, 2014


আজ সন্ধ্যায় আমার প্রচারের বিষয় হল “উদ্দীপনার বিষয়ে ছয়টি আধুনিক ভ্রান্তি|” আমি উদ্দীপনার বিষয়ে প্রথম কৌতূহলী হয়েছিলাম গত ১৯৬১ সালে| আমি বাওলা বইঘর থেকে প্রথম মহাজাগরণের বিষয়ে একটি ছোট বই কিনেছিলাম| তাতে জন ওয়েস্লীর সাময়িক পত্রিকা থেকে উদ্ধৃত অংশবিশেষ লিপিবদ্ধ ছিল, এবং বইটি মুডি প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল| তিপান্ন বছরেরও বেশি সময় ধরে, আমি উদ্দীপনার বিষয়ে চিন্তা করছি, এবং এর জন্য প্রার্থনা করে আসছি| আমি সুযোগ পেয়েছিলাম ব্যপটিষ্ট মন্ডলীর দু’টি অস্বাভাবিক উদ্দীপনার অভিজ্ঞতা লাভ করতে| সেগুলি সুসমাচারমূলক সভা, বা “উদ্বুদ্ধতামূলক” সভা ছিল না| সেইগুলি ছিল এমন ধরনের উদ্দীপনা যাদের কথা আমরা পড়েছি খ্রীষ্টীয় মন্ডলীর ইতিহাস বইতে| ১৯৬০ সালের শেষের দিকে এবং ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে “যীশু আন্দোলন” এর সময়ে আমি প্রত্যক্ষ করেছি ঈশ্বর-প্রেরিত উদ্দীপনাকে|

তিপান্ন বছর ধরে এই বিষয়ে পড়াশোনা এবং ভাবনা চিন্তা করার পরও, আমি নিজেকে উদ্দীপনার বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ বলে মনে করি না| আমি কেবলমাত্র উদ্দীপনার বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সত্যকে বুঝতে আরম্ভ করেছি|

আগে আমি উদ্দীপনার বিষয়ে ভুল বুঝেছিলাম| বেশ কয়েক বছরের জন্য আমি চার্লস জি. ফিনির লেখার মাধ্যমে ভুল পথে চালিত হয়েছিলাম| এমনকী এখনও আমি নিশ্চিত নই যে আমি সম্পূর্ণভাবে এই বিষয় বুঝতে পেরেছি,

“কারন, এখন আমরা দর্শনে অস্পষ্ট দেখিতেছি” (১ম করিন্থীয় ১৩:১২)|

কিন্তু আজ রাত্রে আমি আপনাদের উদ্দীপনার বিষয়ে ছয়টি ভ্রান্তির কথা শোনাব, যেগুলি আমি প্রত্যাখ্যান করতে যাচ্ছি| আমি আশা করি যে এই আলোচ্য বিষয়গুলি আপনাকে সাহায্য করবে যখন আপনি আপনার মন্ডলীতে উদ্দীপনা পাঠানোর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করবেন|

১| প্রথম, ভুল হল এই যে বর্তমানে উদ্দীপনা হতে পারে না |

আমি এই বিষয়ের উপর বেশি সময় দেব না, কিন্তু আমি অবশ্যই এর উল্লেখ করব কারন অনেকেই এটি বিশ্বাস করেন| তারা এই রকম বলে থাকে যে, “উদ্দীপনার মহান দিনগুলি শেষ হইয়া গিয়াছে| আমরা এখন শেষের দিনগুলিতে রহিয়াছি| সেখানে আর কোন উদ্দীপনা হইতে পারে না|” ঐ রকম সার্বজনীন চিন্তাধারা আজকের দিনেও অনেক বাইবেল-বিশ্বাসী খ্রীষ্টীয়ানদের মধ্যে রয়েছে|

কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এই ধারনা ভুল প্রধানতঃ তিনটি কারনে:

(১) বাইবেল বলে, “এই প্রতিজ্ঞা তোমাদিগের জন্য, ও তোমাদিগের সন্তানগণের জন্য, এবং দূরবর্তী সকলের জন্য, যত লোককে আমাদের ঈশ্বর প্রভু ডাকিয়া আনিবেন” (প্রেরিত ২:৩৯)| পঞ্চসপ্তমীর মহা উদ্দীপনার বিষয়ে প্রেরিত পিতর বলেছিলেন যে, এই যুগের শেষের দিনে সেখানে ঈশ্বরের আত্মার প্রবহণ হবে!

(২) এই যুগের শেষে খ্রীষ্টারীর অধীনে, মহা তাড়নার মধ্যে, মহা উদ্দীপনা আসবে (উল্লেখ্য: প্রকাশিত বাক্য ৭:১-১৪)|

(৩) সুদূর প্রাচ্যের সমগ্র ইতিহাসে সেই মহা উদ্দীপনা এখনই চলছে, আজ রাত্রেই, চীন প্রজাতন্ত্রের লোকেদের মধ্যে, এবং তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে| সাম্প্রতিক সময়ের মহা উদ্দীপনাগুলি সেখানে চলছে এই মূহুর্তে!


বর্তমানে উদ্দীপনা হতে পারে না এইরকম ভেবে নেওয়াটা এক ভয়ঙ্কর রকমের ভুল|

২| দ্বিতীয়, ভুল এই যে উদ্দীপনা নির্ভর করে সুসমাচারের কঠোর প্রচেষ্টার উপর |

দক্ষিনপন্থী ব্যপটিষ্ট এবং অন্যান্যদের মধ্যে এটা একটা সার্বজনীন ভুল| এই ধারনা চার্লস জি. ফিনির মধ্যে থেকে তাদের মধ্যে পরিশ্রুত হয়ে নেমে এসেছিল| ফিনি বলেছিলেন, “একটি উদ্দীপনা হল যথাযথ পদ্ধতি ব্যবহারে প্রাপ্ত একটি প্রাকৃতিক ফলাফল ঠিক যেমন যথাযথ পদ্ধতি অবলম্বনে প্রাকৃতিক উপায়ে প্রাপ্ত এক শস্য” (C. G. Finney, Lectures on Revival, Revell, n.d., p. 5)| অনেক মন্ডলী এখনও বিজ্ঞাপন দেয় যে “একটি উদ্দীপনা” শুরু হবে একটি নির্দ্দিষ্ট দিনে – এবং শেষ হবে এক নির্দ্দিষ্ট দিনে! এই হল খাঁটি ফিনিয় মতবাদ! উদ্দীপনা আমাদের সুসমাচার প্রচার পদ্ধতি এবং আত্মা-জয়কারী কঠোর প্রচেষ্টার উপর নির্ভরশীল নয়!

প্রেরিত ১৩:৪৮-৪৯ পদ কি বলছে শুনুন,

“ইহা শুনিয়া, পরজাতীয়রা আহ্লাদিত হইল, এবং প্রভুর বাক্যের গৌরব করিতে লাগিল: এবং যত লোক অনন্ত জীবনের জন্য নিরূপিত হইয়াছিল তাহারা বিশ্বাস করিল| আর প্রভুর বাক্য সেই দেশের সর্বত্র ব্যাপীয়া গেল|”

আমি মনে করি যে এই পদ দু’টি এই ধারনাকে বহিষ্কার করে যে উদ্দীপনা সুসমাচার পদ্ধতির কঠোর প্রচেষ্টার উপর নির্ভর করে| যদিও সেই সুসমাচার “সেই দেশের সর্বত্র ব্যাপীয়া গেল” শুধুমাত্র তাহাদের যাহারা “অনন্ত জীবনের এই বিশ্বাসের প্রতি অভিষিক্ত|”

হ্যাঁ, আমাদের বলা হয়েছে যে “সমস্ত সৃষ্টির নিকট সুসমাচার প্রচার কর” (মার্ক ১৬:১৫) – কিন্তু সমস্ত সৃষ্টি বিশ্বাস করবে না! অন্য সময়ের তুলনায় উদ্দীপনার সময়ে বেশি লোকে বিশ্বাস করবে – কিন্তু এটা খুবই পরিষ্কার যে উদ্দীপনা আমাদের সুসমাচার পদ্ধতির কঠোর প্রচেষ্টার উপর এককভাবে নির্ভরশীল নয়|

৩| তৃতীয়, ভুল এই যে উদ্দীপনা খ্রীষ্টবিশ্বাসীদের উৎসর্গীকৃত জীবনের উপর নির্ভরশীল |

আমি জানি যে অনেক লোক ২য় বংশাবলী ৭:১৪ পদ উদ্ধৃত করে| কিন্তু এটা অদ্ভুত মনে হয় কারন উদ্দীপনা খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের “ঈশ্বরের সঙ্গে সঠিক সম্পর্কের” উপর নির্ভর করে এই মর্মে তাদের যে তত্ত্ব সেটাকে সমর্থন করার জন্য তারা নতুন নিয়ম এর কোন পদকে উদ্ধৃত করে না| উদ্দীপনার জন্য একটি সূত্র হিসাবে এই পদটি, যা রাজা সলোমনকে দেওয়া হয়েছিল, নতুন নিয়ম এর মন্ডলীতে কেন ব্যবহার করা উচিৎ? একজন প্রচারকের তার মন্ডলী থেকে মেষদের বিতাড়িত করা ছাড়া আমি এটার আর অন্য কোন কারন দেখি না, যেমন ২য় বংশাবলী ৯:২১ পদে রাজা সলোমন করেছিলেন, “স্বর্ণ, এবং রৌপ্য, হস্তিদন্ত, এবং কপি, এবং শিখী আনয়ন,” ঠিক দু’টি অধ্যায়ের পরেই!

ইয়ান এইচ. ম্যূরে, ২য় বংশাবলী ৭:১৪ পদের বিষয়ে, বলেছেন, “প্রথম বিষয় যেটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে প্রতিজ্ঞা আছে কিন্তু সেটা [নতুন নিয়ম] উদ্দীপনা নয়, কারন প্রতিজ্ঞাটিকে অবশ্যই বুঝতে হবে, প্রথম অবস্থাতেই, সেই সময়ের সাপেক্ষে যখন এটা দেওয়া হয়েছে| এ হল পুরান নিয়মের ইস্রায়েল ও তাদের দেশ যার মধ্যে এখানে আরোগ্যের কথা বলা হয়েছে” (Murray, ibid., p. 13)| খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের উৎসর্গীকৃত জীবনের উপর উদ্দীপনা নির্ভর করে এমন ধারনা ফিনির থেকে এসেছে|

উইনস্টন চার্চিল একবার তার যুবক নাতিকে লিখেছিলেন যে, সে যেন ইতিহাস অধ্যয়ণ করে, কারন ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে বুদ্ধিদীপ্ত ধারনা তৈরী করার সর্বোৎকৃষ্ট উপায় ইতিহাস সরবরাহ করে| চার্চিলের নীতিবাক্য, “ইতিহাস অধ্যয়ণ কর,” অনুসারে আমরা দেখছি যে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের “পূর্ণ উৎসর্গের” উপর উদ্দীপনা নির্ভরশীল এই ধারনা সঠিক নয়| ভাববাদী যোনা সম্পূর্ণভাবে ঈশ্বরের প্রতি সমর্পিত ছিলেন না| যোনার বইয়ের শেষ অধ্যায়টি পড়ুন, আর আপনি দেখতে পাবেন তার বিচ্যুতি এবং বিশ্বাসহীনতা| না, পুরান নিয়মে পরজাতীর মধ্যে সেই মহা উদ্দীপনা ভাববাদীর “চরম সমর্পণ” অথবা তার “বিশুদ্ধতার” উপর নির্ভরশীল ছিল না| জন ক্যালভিন একজন সম্পূর্ণ দক্ষ মানুষ ছিলেন না| তিনি ভ্রান্ত শিক্ষার জ্বলন্ত স্তুপের মতন মানুষ ছিলেন – যিনি খুব কম সময়েই নতুন নিয়মের মনোভাব প্রদর্শন করতেন! তবুও তার সেবাকাজ, এবং লেখার মাধ্যমে ঈশ্বর মহা উদ্দীপনা পাঠিয়েছিলেন| লুথারের মেজাজ প্রায়ই খুব খারাপ থাকত, এবং একবার তিনি এটাও বলেছিলেন যে যিহুদীদের সমাজগৃহ পুড়িয়ে ফেলা উচিৎ| তবু লুথারের কোন কোন সময়ের তীব্র তিক্ততা, এবং পাপ-পূর্ণ যিহুদী বিদ্বেষ সত্ত্বেও, ঈশ্বর তার সেবাকাজের মাধ্যমে উদ্দীপনা পাঠিয়েছিলেন| আমরা ক্যালভিন এবং লুথারকে ক্ষমা করে দিই কারন আমরা উপলব্ধি করি যে তারা মধ্যযুগীয় মানুষ ছিলেন, আর তা সত্ত্বেও ক্যাথলিকবাদের দ্বারা ঐ সমস্ত বিষয়ে প্রভাবিত হয়েছিলেন| তবুও, তাদের এইসব বিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও, ঈশ্বর তাদের সেবাকাজের মাধ্যমে শক্তিশালী পুনঃজাগরণের উদ্দীপনা পাঠিয়েছিলেন| হোয়াইটফিল্ড কোন কোন সময় “আভ্যন্তরীণ গভীর আবেগের” জন্য ভুল করেছেন, যেগুলিকে তিনি ভুল করে ভেবেছিলেন ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে| ওয়েস্লী গুলিবাঁট (জুয়ার ঘুঁটি ছোঁড়া) করেছিলেন ঈশ্বরের ইচ্ছাকে নির্ণয় করার জন্য| তবুও হোয়াইটফিল্ড, ওয়েস্লী, লুথার এবং ক্যালভিন তাদের সেবাকাজের মধ্যে মহা উদ্দীপনা দেখেছিলেন|

ইতিহাসের এইসব উদাহরনগুলি থেকে, আমরা দেখছি যে, ত্রুটিপূর্ণ মানুষদের, কখনও কখনও যতটা দরকার ছিল ততটা পবিত্র বা উৎসর্গীকৃত ছিল না এমন মানুষদের, ঈশ্বর শক্তিশালীরূপে ব্যবহার করেছেন উদ্দীপনার সময়ে| আমরা অবশ্যই উপসংহারে বলব যে ফিনি এবং তার অনুসনকারীরা ভুল করেছেন যখন তারা বলেছিলেন যে উদ্দীপনা নির্ভর করে খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের পূর্ণ উৎসর্গীকৃত হওয়ার উপর| প্রেরিত পৌল আমাদের বলেছেন,

“কিন্তু এই ধন মৃন্ময় পাত্রে করিয়া আমরা ধারন করিতেছি, যে পরাক্রমের উৎকর্ষ ঈশ্বরের হয়, আমাদিগের হইতে নয়” (২য় করিন্থীয় ৪: ৭)|

আমি এই ধাপ শেষ করব সানহেড্রিনের প্রতি স্তিফানের প্রচারের উদ্ধৃতি দিয়ে| আমাদের বিশেষভাবে বলা হয়েছিল যে স্তিফান “অনুগ্রহে, ও শক্তিতে পরিপূর্ণ হইয়া, [এবং] লোকেদের মধ্যে মহা মহা অদ্ভুত লক্ষণ ও চিহ্নকার্য্য সাধন করিতে লাগিলেন” (প্রেরিত ৬:৮)| এসত্ত্বেও স্তিফানের প্রচারে উদ্দীপনা আসেনি| পরিবর্তে, তাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলা হয়েছিল| তিনি একজন পবিত্র এবং ধার্মিক মানুষ ছিলেন, কিন্তু সেটা তার সেবাকাজে আপনা আপনি উদ্দীপনা উৎপন্ন করেনি| আমরা উপবাস ও প্রার্থনা করতে পারি, এবং প্রকৃতই সুন্দর খ্রীষ্টবিশ্বাসী হতে পারি, কিন্তু সেটা ঈশ্বরকে একটি উদ্দীপনা পাঠাতে তাড়িত করবে না| কেন? প্রেরিত পৌল এর উত্তর দিয়েছেন,

“অতএব রোপক কিছু নয়, সেচকও কিছু নয়; বৃদ্ধিদাতা ঈশ্বরই সার” (১ম করিন্থীয় ৩:৭)|

হ্যাঁ, আমাদের উচিৎ অবিরত প্রার্থনা করা, এবং মাঝে মাঝে উপবাস করা, উদ্দীপনার জন্য, আর একইসঙ্গে, সবসময়ে মনে রাখব, “কিন্তু ঈশ্বর…বৃদ্ধিদাতা” (১ম করিন্থীয় ৩:৭)| এটা হল একমাত্র ঈশ্বরের সার্বভৌম ক্ষমতা যা প্রকৃত উদ্দীপনা উৎপন্ন করে!

৪| চতুর্থ, ভুল এই যে উদ্দীপনা হল প্রথানুসারে একটি অনুষ্ঠান যা আমাদের মন্ডলীতে প্রত্যাশা করা উচিৎ |

পঞ্চসপ্তমীর দিনে প্রেরিতদের উপরে পবিত্র আত্মা স্রোতের মতন নেমে এসেছিলেন| প্রেরিত এর, দ্বিতীয় অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ আছে যে, তারা তাদের নিজেদের ভাষায় প্রচার করেছিল, আর শক্তিশালী সেই উদ্দীপনায় তিন হাজার লোক মন পরিবর্তন করেছিলেন| কিন্তু আমরা দেখি যে তাদের আবার পবিত্র আত্মার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল, যেমন লেখা আছে প্রেরিত ৪:৩১ পদে,

“তাঁহারা প্রার্থনা করিলে, যে স্থানে তাঁহারা সমবেত হইয়াছিল সেই স্থান কাঁপিয়া উঠিল; এবং তাঁহারা সকলেই পবিত্র আত্মায় পরিপূর্ণ হইলেন, ও সাহস পূর্বক ঈশ্বরের বাক্য বলিতে থাকিলেন” (প্রেরিত ৪:৩১)|

এটা আমাদের দেখায় যে প্রাচীন মন্ডলীতে উদ্দীপনার একটি উপযুক্ত সময়কাল ছিল, উদ্দীপনার অস্বাভাবিক সময়| কিন্তু সেখানে অন্য সময় ছিল যখন মন্ডলীর কাজকর্ম সাধারনভাবে চলে আসছিল, প্রত্যেক দিনের রীতি-নীতি অনুসারে| আমি মনে করি এই কারনে প্রেরিত পৌল বোঝাতে চান যখন তিনি বলেন, “সময়ে, অসময়ে কার্য্যে অনুরক্ত হও” (২য় তিমথীয় ৪:২)| এর অর্থ হল এই যে সেখানে কোন উদ্দীপনা হোক বা না হোক আমাদের উচিৎ হবে ক্রমাগত প্রচার ও প্রার্থনা করে যাওয়া এবং সাক্ষ্য দেওয়া| খ্রীষ্ট আমাদের আহ্বান করেছেন মহান আদেশের বাধ্য হতে (মথি ২৮:১৯-২০), এবং “সমস্ত সৄষ্টির নিকট সুসমাচার প্রচার কর” (মার্ক ১৬:১৫) সেখানে কোন উদ্দীপনা হোক বা না হোক! কিছু লোক মন পরিবর্তন করবে এমনকী সেখানে অস্বাভাবিকভাবে ঈশ্বরের চালনা না থাকলেও|

যদি আমরা চিন্তা করি যে উদ্দীপনা ঈশ্বরের স্বাভাবিক কাজের ধারা, তবে আমরা নিরুৎসাহিত হয়ে পরব| ইয়ান এইচ. ম্যূরে বলেছেন,

এই ধাপের বিষয়ে ইহা ছিল যে জর্জ হোয়াইটফিল্ডকে তাহার বন্ধু ক্যামবাসল্যাং (স্কটল্যান্ড) এর একজন মন্ত্রী, উইলিয়াম ম্যাককুলোচ্কে সতর্ক করিতে হইয়াছিল| ১৭৪৯ সালে ম্যাককুলোচ্ নিরুৎসাহিত হইয়া পড়িয়াছিলেন কারন তিনি ১৭৪২ সালের উদ্দীপনার বিষয়ে তাহারা যে সাক্ষ্য দিয়াছিল তাহা আর কখনও দেখিতে পান নাই| তাহাকে মনে করাইবার জন্য হোয়াইটফিল্ডের জবাব ছিল যে ১৭৪২ সাল মন্ডলীর জন্য আদর্শ নয়: “আমি আনন্দিত হব ক্যামবাসল্যাং এর [অন্য] আর একটি উদ্দীপনার কথা শুনে; কিন্তু, প্রিয় মহাশয়, আপনি ইতিমধ্যে অনুরূপ জিনিষ দেখেছেন যেমনটা এক শতাব্দীতে একবারের চেয়ে বেশি [একাধিকবার] বড় একটা দেখা যায় না|” মার্টিন লয়েড-জোনস্ ওয়েলসের একজন কার্য্যকারীর বিষয়ে অনুরূপ ঘটনা পেশ করিয়াছেন যাহার “সমগ্র সেবাকার্য্য ধ্বংস হইয়া গিয়াছে,” অবিচলভাবে তাহার পশ্চাৎ দিকে তাকাইবার জন্য যে ১৯০৪ সালের উদ্দীপনায় তিনি কি দেখিয়াছিলেন এবং কি অভিজ্ঞতা অর্জন করিয়াছিলেন: “যখন উদ্দীপনা শেষ হইয়াছিল…তিনি তখনও অবধি অস্বাভাবিকতার প্রত্যাশা করিতেছিলেন; এবং ইহা ঘটে নাই| অতএব তিনি বিষন্ন হইয়া পড়িয়াছিলেন এবং তাহার জীবনের প্রায় চল্লিশ বৎসর নিস্ফল, অসুখী এবং অকেজো অবস্থার মধ্যে অতিবাহিত করিয়াছিলেন” (Iain H. Murray, ibid., p. 29)|

যদি ঈশ্বর উদ্দীপনা না পাঠান, আমরা অবশ্যই সেই ঘটনাকে আমাদের নিরুৎসাহিত করতে দেব না| আমাদের অবশ্যই ঠিকভাবে করে যেতে হবে, “অবিচলভাবে সময়ে [এবং] অসময়ে,” সুসমাচার প্রচার, এবং এক এক করে পাপীকে খ্রীষ্টে পরিচালনা করার কাজ| কিন্তু, একই সময়ে, আমাদের প্রার্থনা চালিয়ে যাওয়া উচিৎ যে ঈশ্বর যেন জাগরণের বিশেষ সময় ও উদ্দীপনা পাঠান| যদি ইশ্বর একটি উদ্দীপনা পাঠান, আমরা আনন্দ করব| কিন্তু যদি তিনি উদ্দীপনা না পাঠান, তাহলেও আমরা এক এক করে আত্মাদের খ্রীষ্টের প্রতি চালনা করতে থাকব! আমরা কখনই নিরুৎসাহিত হব না! আমরা হাল ছেড়ে দেব না! আমরা সময়ে ও অসময়ে অবিচল থাকব!

৫| পঞ্চম, ভুল এই যে উদ্দীপনা সাপেক্ষে নয় এমন কোন শর্ত সেখানে নাই |

শাস্ত্র এবং ইতিহাস দু’টিই আমাদের দেখায় যে উদ্দীপনা মানুষের সুসমাচার প্রচারমূলক প্রচেষ্টা বা খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের সম্পূর্ণ সমর্পিত জীবনের উপর নির্ভরশীল নয়| কিন্তু সেখানে এমন কিছু শর্ত আছে যেগুলি অবশ্যই পূরণ করতে হবে| প্রাথমিকভাবে সেইগুলি হল সঠিক তত্ত্ব, এবং প্রার্থনা| আমরা অবশ্যই উদ্দীপনার জন্য প্রার্থনা করব, এবং আমাদের পাপ ও পরিত্রাণের বিষয়ে অবশ্যই সঠিক মতবাদ থাকবে|

ডঃ মার্টিন লয়েড-জোনস্ এর লেখা, “উদ্দীপনা” (Crossway Books, 1992), নামের বইতে, “মতবাদ সংক্রান্ত অপবিত্রতা” এবং “মৃত গোঁড়ামি” শিরোনামের দু’টি অধ্যায় আছে| এই দুই অধ্যায়ে এই মানুষটি, যিনি তার প্রচারকালের প্রথমদিকে একটি উদ্দীপনা দেখেছিলেন, আমাদের বলছেন যে যদি আমরা ঈশ্বর প্রেরিত উদ্দীপনার প্রত্যাশা করি তবে অবশ্যই সেখানে কয়েকটি নিশ্চিত মতবাদ থাকবে যেগুলিকে বিশ্বাস ও প্রচার করতে হবে| আমি তার দেওয়া চারটি মতবাদের উল্লেখ করব|


১| মানবজাতির পতন এবং ধ্বংস – সকল অর্থে পৈতীক বিচ্যুতি|

২| পুনঃজন্ম – বা নতুন জন্ম – ঈশ্বরের কাজ, মানুষের কাজ নয়|

৩| একমাত্র খ্রীষ্টে বিশ্বাস দ্বারা ধার্ম্মিক গণিত হওয়া – কোন রকম “সিদ্ধান্তে” বিশ্বাস দ্বারা নয়|

৪| পাপ – ব্যক্তিগত এবং প্রারম্ভিক এই দুই রকম পাপকেই ধৌত করার প্রতি খ্রীষ্টের রক্তের সক্ষমতা|


এই চারটি মতবাদই চার্লস জি. ফিনের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল, এবং সেইসময় থেকেই এই মতবাদগুলিকে নিম্নতর শ্রেনীভূক্ত করা বা উপেক্ষা করা হচ্ছিল| বিস্ময়ের কিছু নেই যে সেই ১৮৫৯ সালের পর থেকে আমরা কোন উদ্দীপনা দেখিনি! আমি বিশদ বিবরণে যেতে পারছি না, কিন্তু এইগুলি হল গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ, যা আরো একবার প্রচার করতে হবে যদি আমরা আমাদের মন্ডলীতে উদ্দীপনা দেখার আশা করি| আমাদের মন্ডলী অনেক হারানো লোকেদের ধারন করে আছে, যারা কখনোই সত্যিকারে মন পরিবর্তন করবে না যদি না আমরা এই বিষয়গুলির উপর সক্রিয় ও বলিষ্ঠভাবে – এবং বারে বারে প্রচার করি!

ডঃ লয়েড-জোনস্ বলেছেন,

উদ্দীপনার ইতিহাসের দিকে তাকান, এবং আপনি দেখিবেন পুরুষ এবং মহিলারা বেপরোয়াভাব অনুভব করিয়াছিল| তাহারা জানিত যে তাহাদের সকল উত্তমতা মলিন বস্ত্র ছাড়া কিছুই নয়, এবং তাহাদের সকল ধার্ম্মিকতার কোন মূল্যই নাই| আর সেখানে তাহারা, অনুভব করিতেছিল যে তাহারা কিছুই করিতে পারে না, এবং তাহারা অনুগ্রহ ও অনুকম্পার জন্য ঈশ্বরের নিকট ক্রন্দন করিতেছিল| বিশ্বাস দ্বারা ধার্ম্মিক গণিত হওয়া| ঈশ্বরের কার্য্য| “যদি ঈশ্বর আমাদের জন্য ইহা না করেন,” তাহারা বলিতেছেন, “তাহা হইলে আমরা হারাইয়া যাইব|” আর সেই কারনে তাহারা প্রকাশ করেন [অনুভব করেন] তাহাদের চূড়ান্ত অসহায়তা তাঁহার সন্মুখে| তাহারা কোন মনোযোগ দেয় নাই, এবং গুরুত্ব আরোপ করে নাই, তাহাদের নিজস্ব অতীত ধার্ম্মিকতার প্রতি, এবং তাহাদের মন্ডলীতে উপস্থিত থাকিবার সকল বিশ্বস্ততার প্রতি, এবং আরো অনেক, অন্যান্য অনেক বিষয়ের প্রতি| তাহারা এই সমস্ততে কোন ভাল বিষয় দেখিত না, এমনকী তাহাদের ধর্ম্মের কোন মূল্য নাই, সেস্থানে মূল্য আছে এমন কিছুই নাই| ঈশ্বর অবশ্যই অধার্ম্মিকের সততা প্রতিপাদন করিবেন| সুতরাং, ইহাই হইল সেই মহান প্রচার যাহা বাহির হইয়া আসে, উদ্দীপনার প্রতিটি যুগে (Martyn Lloyd-Jones, ibid., pp. 55-56)|

“কিন্তু যে ব্যক্তি কার্য্য করে না, তাঁহারই উপর বিশ্বাস করিয়া যিনি ভক্তিহীনকে ধার্ম্মিক গণনা করেন, তাহার বিশ্বাসই ধার্ম্মিকতা বলিয়া গণিত হয়” (রোমীয় ৪:৫)|

“খ্রীষ্ট যীশু: তাঁহাকেই ঈশ্বর তাঁহার রক্তে বিশ্বাস দ্বারা প্রায়শ্চিত্ত বলিরূপে প্রদর্শন করিয়াছেন” (রোমীয় ৩:২৪-২৫)|

৬| ষষ্ঠ, ভুল হল যে উদ্দীপনা আনন্দ এবং হাসির সঙ্গে আরম্ভ হয় |

তথাকথিত “হাস্যময় উদ্দীপনা” কোন দিক থেকেই প্রকৃত উদ্দীপনা নয়| আমি ব্যক্তিগতভাবে আমার বন্ধু ডঃ আর্থার বি. হুকের সঙ্গে তাদের একটি সভা দেখেছিলাম| সেটা ছিল প্রকৃত উদ্দীপনার এক দুঃখদায়ক ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গী| বর্তমানে লোকেরা পরিত্রাণের বিষয়ে যেভাবে চিন্তা করে এটা ঠিক সেই ভাবনারই উপযুক্ত| ডঃ জন্ আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, “যাহা [তাহারা] চায় তাহা হইল স্বচ্ছন্দ, পরিপূর্ণতা, এবং পরিত্রাণ” (True Revival, Harvest House, 2001, p. 231)| তাদের পাপ থেকে পরিত্রাণ লাভের প্র্য়োজনীয়তার কথা তারা চিন্তা করছে না!

কিন্তু প্রকৃত মন পরিবর্তনে, এবং প্রকৃত উদ্দীপনায় সেটা পরিবর্তিত হয়| উদ্দীপনায়, আর ব্যক্তিগত মন পরিবর্তনে, “ভগ্নহৃদয়ে, খ্রীষ্ট-কেন্দ্রিক স্বীকারোক্তি এবং অনুতাপ হইতেছে আত্মার প্রকৃত পরিচালনার চারিত্রিক বর্ণনা| লোকেরা সর্বাধিক গভীর পাপের আবেগের বশে… ক্রন্দন করিবে” (Armstrong, ibid., p. 63)|

আমার অভিজ্ঞতা এইরকম যে প্রায় প্রত্যেকটি লোক যারা প্রকৃত মন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তারাই নিজেদের পাপের জন্য দুঃখপ্রকাশের ও কষ্টের অশ্রুজলের সঙ্গে কাঁদবে| আর আমি একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে দেখেছি যে উদ্দীপনায় অনেক লোকের ক্ষেত্রেই এটা সত্যি হয়েছে| এবং অতীতের শ্রেষ্ঠ উদ্দীপনায় সবসময়ে সেটাই সত্য হয়ে এসেছে|

আপনার উপর পবিত্র আত্মা নেমে আসার জন্য আমরা কিভাবে প্রার্থনা করি! আমরা কিভাবে প্রার্থনা করব যে তিনি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে আপনার কৃত পাপের জন্য আপনাকে কাঁদতে এবং শোকাতুর হতে বাধ্য করবেন| আমরা কিভাবে প্রার্থনা করব যাতে আপনি যীশুর বহুমূল্য রক্তের দ্বারা আপনার পাপ থেকে শুচি হন! “তাঁহার পুত্র যীশু খ্রীষ্টের রক্ত আমাদিগকে সমস্ত পাপ হইতে শুচি করে” (১ম যোহন ১:৭)| আমেন| ডঃ চ্যান, অনুগ্রহ করে আসুন এবং ঈশ্বর যেন আমাদের মন্ডলীর প্রতি ঐ ধরনের উদ্দীপনা পাঠান তার জন্য প্রার্থনা করুন|

(সংবাদের পরিসমাপ্তি)
ডাঃ হাইমার্সের সংবাদ আপনি প্রতি সপ্তাহে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
www.realconversion.com এই সাইটে পড়তে পারেন। ক্লিক করুন “সংবাদের হস্তলিপি”

আপনি ডাঃ হাইমার্সকে মেইল পাঠাতে পারেন rlhymersjr@sbcglobal.net - আপনি
তাকে পত্র লিখতে পারেন P.O. Box 15308, Los Angeles, C A 90015.এই ঠিকানায়
। আপনি তাকে টেলিফোন করতে পারেন (818) 352-0452.

এই সুসমাচারের ম্যানুস্ক্রিপ্ট এর ওপর ডাঃ হাইমসের কোন কপিরাইট নেই। আপনারা
ইহা ব্যাবহার করতে পারেন ডাঃ হাইমসের অনুমতি ছাড়াই। অবশ্য, ভিডিও মেসেজ
সবই কপিরাইটের সহিত আছে এবং কেবলমাত্র তার অনুমতি নিয়েই ব্যাবহার করা যাবে।

সংবাদের আগে শাস্ত্রাংশ পাঠ করেছেন মিঃ আবেল প্রধুম্মে: সখরিয় ১২:১০, ১৩:১ |
সংবাদের আগে একক সংগীত পরিবেশন করেছেন মিঃ বেঞ্জামিন কিনকেড গ্রিফিত:
“Revive Thy Work, O Lord” (by Albert Midlane, 1825-1909).


খসড়া চিত্র

উদ্দীপনার বিষয়ে ছয়টি আধুনিক ভ্রান্তি

(উদ্দীপনা সভার পঞ্চদশ প্রচার)

লেখক : ডঃ আর এল হাইমার্স, জুনিয়র।

(১ম করিন্থীয় ১৩:১২)

১| প্রথম, ভুল হল এই যে বর্তমানে উদ্দীপনা হতে পারে না, প্রেরিত ২:৩৯;
প্রকাশিত বাক্য ৭:১-১৪ |

২| দ্বিতীয়, ভুল এই যে উদ্দীপনা নির্ভর করে সুসমাচারের কঠোর প্রচেষ্টার উপর,
প্রেরিত ১৩:৪৮-৪৯; মার্ক ১৬:১৫ |

৩| তৃতীয়, ভুল এই যে উদ্দীপনা খ্রীষ্টবিশ্বাসীদের উৎসর্গীকৃত জীবনের উপর নির্ভরশীল,
২য় বংশাবলি ৯:২১; ২য় করিন্থীয় ৪:৭; প্রেরিত ৬:৮; ১ম করিন্থীয় ৩:৭ |

৪| চতুর্থ, ভুল এই যে উদ্দীপনা হল প্রথানুসারে একটি অনুষ্ঠান যা আমাদের মন্ডলীতে প্রত্যাশা করা উচিৎ, প্রেরিত ৪:৩১; ২য় তিমথীয় ৪:২; মার্ক ১৬:১৫ |

৫| পঞ্চম, ভুল এই যে উদ্দীপনা সাপেক্ষে নয় এমন কোন শর্ত সেখানে নাই,
রোমীয় ৪:৫; ৩:২৪-২৫ |

৬| ষষ্ঠ, ভুল হল যে উদ্দীপনা আনন্দ এবং হাসির সঙ্গে আরম্ভ হয়, ১ম যোহন ১:৭ |